somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Don’t Mind জোকস

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :








১৮+











: জানিস প্রতি চুম্বনে মানুষের আয়ু নাকি তিন মিনিট করে কমে যায়!
: আমাদের ভাই এ নিয়ে চিন্তা নেই। আমরা চুমু ছাড়াই সব করি।


একটা বিবাহের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তৈরী হলো এক স্মার্ট মহিলা। কিন্তু সমস্যা বাঁধলো তিনি কিছুদিন যাবত সর্দি আক্রান্ত। তবু কী আর করা? যেতেতো হবেই। তৈরী হয়ে নিলেন তিনি। একটা রুমাল দিয়ে সর্দি ঝাড়ছিল। পার্টিতে যাবে, তাই বাড়তি আরো একটা রুমাল ওয়ারড্রোবের ভেতর থেকে বের করে ব্লাউজের গলার সাইড দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে রাখলো। পার্টিতে পৌঁছালেন যথারীতি। কিছুক্ষণ পরে সবাই খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তো ঐ মহিলা খাওয়ার টেবিলে বসে দেখলেন হাতের রুমালটা নেই। হারিয়ে গেছে। এখন তিনি তার ব্লাউজের ভেতর হাত দিয়ে দ্বিতীয় রুমাল বের করতে গিয়ে দেখে টেবিলের আশে পাশের সবাই তার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। তাদের দিকে চোখ পড়তেই লজ্জা পেলেন ভদ্রমহিলা। তবু নিজেকে সামলে নিয়ে ব্লাউজের ভেতর থেকে হাত বের করতে করতে বললো- ‘বাসা থেকেতো দুইটাই নিয়ে বের হয়েছিলাম। এখন একটা খুঁজে পাচ্ছিনাতো- তাই... ”


অনেক আগে এক ভয়ানক ক্রেজী মশা ছিল। সে ছিল একেবারে মডার্ণ। সে সবসময় চাইতো বনের ভেতর লিভ টুগেদার মতটাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে। সেজন্য অবশ্য তার চেষ্টার কমতি ছিল। এমনকি সে নিজেও যার তার সাথে জৈবিক ক্রিয়া সম্পাদনের চেষ্টা চালাতো। এভাবেই চলছিল সব। একবার সেই মশার নজরে পড়লো হাতি। সেই হাতির সঙ্গে মশার আবার খুব সখ্য ছিল। কিন্তু সখ্য থাকলেইতো আর সব হয় না! কাজেই হাতি মশার সঙ্গে সহবাসের প্রস্তাব সবিনয়ে ফিরিয়ে দিল। কিন্তু মশা তবু দমে গেল না। হাতির সঙ্গে যখনই দেখা হয় তখনই সে প্রস্তাব দেয়। একদিন কী কারনে যেন হাতির মুড খুব ভালো ছিল। সেদিন মশা প্রস্তাব করতেই হাতি রাজি হয়ে গেল। হাতি আর মশা দুজনে একটা বেল গাছের তলায় মিলিত হলো। তক্ষুণি বেল গাছ থেকে একটি পাকা বেল হাতির মাথায় পড়ল। ব্যথায় হাতি ককিয়ে উঠে বলল- উহহ ! মশা মৃদু হেসে বলল- কী ওস্তাদ? ব্যাথা পাইলেন?


ছোট্ট বাবুর ক্লাসে নতুন শিক্ষিকা মিস মিলি এসেছেন। তিনি প্রথমেই সকলের সঙ্গে পরিচিত হবেন। কাজেই বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে বললেন, 'ছোট্ট সুজি, তোমার বাবা মা কী করেন?'
'আমার বাবা একজন বিজ্ঞানী, আর মা একজন ডাক্তার।'
মিষ্টি হেসে মিস মিলি বললেন, 'ছোট্ট টুনি, তোমার বাবা মা কী করেন?'
'আমার বাবা একজন শিক্ষক, আর মা একজন উকিল।'
'বাহ! ছোট্ট বাবু, তোমার বাবা মা কী করেন?'
বাবু বলল, 'আমার বাবা মারা গেছেন, আর মা একজন পতিতা।'
মিস মিলি রেগে আগুন হয়ে প্রিন্সিপালের কাছে পাঠালেন বাবুকে। মিনিট পাঁচেক পর ছোট্ট বাবু ফিরে এল।
'তুমি প্রিন্সিপালকে বলেছ, তুমি আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছ?'
'জ্বি মিস।' বলল বাবু।
'তিনি কী বললেন?'
'বললেন, আমাদের সমাজে কোনও কাজই তুচ্ছ নয়। তারপর আমাকে একটা আপেল খেতে দিলেন, আর বাসার ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন।'


“বাবা,আমি কিভাবে জন্মেছি?”ছেলের প্রশ্ন,
বাবা, “ তোমার আম্মা আর আমি ইয়াহুতে পরিচিত হয়েছি।আমরা ই-মেইলের মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফার করি।এরপর সাইবার ক্যাফেতে দেখা করি।তোমার আম্মা ওখানে আমার হার্ড ডিস্ক স্লটে ঢুকাতে বলে,যে মুহুর্তে আমি আপলোড করবো ঠিক তখনই মনে পড়লো আমাদের কারো ফায়ার ওয়াল ইন্সটল করা নাই,ততক্ষনে ডিলিট চাপার সময়ও শেষ। ৯ মাস পর একটা পপ আপ আসে,ওটা তুমি”


বিছানায় এক রাউন্ড প্রেম পর্বের পর সদ্য কুমারিত্ব বিসর্জনকারিনী প্রেমিকা চিন্তা করছে, “ ঢুকলো ৭ ইঞ্চি,বেরুলো ৩ ইঞ্চি,বাকী ৪ ইঞ্চি কি ভিতরেই থেকে গেল???”
১০টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×