মধ্য প্রাচ্যের এক শেখডোম - মনে করুন নাম জাজীরাতুল জাহেলিয়াত। শেখ আবু জামাল হুসায়েন ইবনে সাদাত ইবনে ওসামা ইবনে আব্দেল মুক্তাদির। তাঁর দেশ-বিদেশের (বাংলাদেশ নিয়ে) ২৫ জন বাঁদী। শেখ সাহেব অক্সফোর্ড থেকে অঙ্কে ডিগ্রী করেছেন এবং সেখানে ফুটবল ব্লু ছিলেন, অর্থাৎ ভালো স্পোর্টস্ম্যান। কিন্তু বংশের স্বভাব যায় নি। বাঁদীদের দেখে খালি কোরানের সেই আয়াত আওড়ান - " and those whom your right hand possesses". তাঁর ধারণায় এই বাঁদীদের ওপর তাঁর অধিকার আছে।
কিন্তু এদের মধ্যে বাঙালী মেয়েটি একটু শিক্ষিত ছিল, সে শেখকে বলল, আমরা তো মধ্যযুগের যুদ্ধবন্দী নই, স্যার, আমরা আধুনিক নারী, ভদ্র কাজ করতে এসেছি এখানে, অনেকে এম, এ পাস।
শেখ কহিলেন, ক্রুর হাসি হেসে, আচ্ছা, সে দেখা যাবে।
তোমাদের বুদ্ধি-লেখাপড়ার একটা পরীক্ষা নেই। যদি পাস কর তো আমার দৃষ্টি ফেরাবো, নাহলে বাঁদী বাঁদীই।
আমার এই ঘরের পাশের ঘরে টেবিলের ওপরে পাশাপাশি দুটো সোনার মুদ্রা রাখব। আমার খেয়াল খুশী মতো যে কোন দিন তোমাদের যে কোন এক জনকে সেই ঘরে যেতে ডাকব। তবে কোন নিয়ম মেনে নয়, র্যান্ডম। একই জন পর পর তিন বারও আসতে পারে, কোন দিন কাউকে নাও ডাকতে পারি। তবে সবারই গড়ে সমান ডাক পড়বে।
তোমরা সবাই আলাদা থাকবে আজকের পরে, কেউ কারো সাথে কথা বলতে পারবে না। যে সেই ঘরে যাবে, দুটো মুদ্রার একটা, এবং শুধু একটা, উল্টো করে দেবে। এভাবে চলতে থাকবে। যে কোন সময় তোমাদের একজন এসে আমাকে বলতে পারো, আমাদের সবাই ঐ ঘরে অন্তত একবার গিয়েছে।
কথা সত্য হলে সবাইকে ১০ লাখ মুদ্রা দিয়ে মুক্তি দেব, আর কথা মিথ্যা হলে, হেঁ হেঁ, আমার কথা সবাইকে শুনতে হবে। তবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে তোমরা স্ট্র্যাটেজি ঠিক করে নিতে পার। এই শেষ সুযোগ।
কিছুক্ষণ ভেবে বাঙালী মেয়েটি সবাইকে এমন এক পরামর্শ বাতলে দিল যে সবাই রাজি হয়ে গেল।
কি ছিল এই নিশ্চিত মুক্তির পদ্ধতি ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


