শিশুকালে বহুভাষা শিখেছি সযত্নে, পরিশ্রমে, কমবেশি
পাঁচটিতে অনর্গল বক্তৃতা দিয়েছি কতদিন -- জ্ঞানগর্ভ
কিংবা জ্বালাময়ী , আগত অতিথি বিস্ময়ে বলেছেঃ কোন দেশি
আসলে আপনি ভাই! অবশ্য এসবে আমি করি না গর্ব;
সবই তো জন্মগত, জীন থেকে সমাগত, সুপণ্ডিত পিতা
বিবিধ পুস্তকে বাড়ি সাজালেন আলমারি, বড় পাঠাগার,
আমি শুধু বসে বসে পাঠ করি থরে থরে কাহিনী কবিতা
বিদগ্ধ রচনা কিংবা আলোচনা; দেশি ও বিদেশি একাকার।
তোমাকে দেখামাত্র যখন স্তব্ধ হই
কি করে পাঠ কর নির্ভাষ শূন্য বই!
শহরের সেরা বিদ্যা নিকেতনে, পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে
যৌক্তিক আরোহ বিদ্যা, ক্যালকুলাসের সূত্র, সিরিজের তত্ত্ব
সমন্বয় সংকেতমালা, সংখ্যাবিজ্ঞান, আর টোপোলজি নিয়ে
লেখাপড়া শেষে স্বস্তি, গণিতের রহস্য অধীত, করায়ত্ত।
তারপরে গবেষণা, ম্যাজোরানা ফার্মি কণা বাদ রেখে দূরে
অভিনব তত্ত্ব দিই , সব বল এক করি, চমৎকার মেলে;
বিজ্ঞানীসভায় তারা ভ্রুকুচকে দাবি করে, ঈর্ষামাখা সুরেঃ
আমিও করেছি কাজ এ লাইনে, আফসোস, আগে তুমি পেলে।
অথচ জানি না তুমি কোন অধিকর্ষে
আমাকে গ্রাস কর হর্ষে বিমর্ষে !
পৌর ও রাজনীতি , সমাজ বিজ্ঞান সবই, রয়েছে অধরা,
যুক্তিভিত্তি বঞ্চিত, বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন্ন, শাস্ত্রীয় ডগমা-আকীর্ণ;
মানবীয় মিথস্ক্রিয়া জটিলতা পরিপূর্ণ, তবু আছে পড়া
মৌলিক ধ্রুপদী পুঁথি, সংরক্ষিত পান্ডুলিপি, নব ও বিজীর্ন।
জ্ঞানের স্নাতক আমি নিয়ত সভয়,
বোতিচেলির ভালোবাসা তুমি জ্যোতির্ময়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


