somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেখ হাসিনার পায়ের নীচে কি মাটি নেই?

২১ শে অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শেখ হাসিনা একজন প্রধানমন্ত্রী, সর্বোপরি আওয়ামিলীগের আজীবন সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন আশা করা যায়্। কিন্তু ইদানিং তিনি পাড়াগাঁয়ের কাইজ্যা ফ্যাসাদি মেয়েলোকদের মত প্রতিদিন কারো না কারো পিছে কথা বলেন। যাকে ব্যাক বাইট বলে অর্থাৎ পাচায় কামড়। তিনি সগৌরবে তা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিরোধীদলের রোডমার্চ দেখে তিনি একেবারে তেলেবেগুনে জ্বলে ছারখার।
বিরোধীদল আন্দোলন করা স্বাভাবিক কিন্ত প্রধানমন্ত্রী কোন দুঃখে প্রতিদিন জনসেবার পরিবর্তে জনসভা করে অহেতুক দেশে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করছেন। তিনি বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের উত্তর দিতে প্রতিদিন বিরাট জনসভা করেন। তার চেচামেচিতে বুঝা যায়না তিনি সরকারীদলের প্রধানমন্তী। মনেহয় তিনি যেন বিরোধীদলী নেতৃর চেয়ে আরো মারমুখী। যাইহোক কয়লা যায়না ধুইলে আর খাইসলত যায়না মইলে।
তিনি এবার বিষেদগার করছেন,নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। একজন নোবেল বিজয়ীও এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পদ্মা সেতু যাতে না হয়, তার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদবির করছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খায়েশ রয়েছে ওই নোবেল বিজয়ীর—বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিজ দলের সংসদ সদস্যদের সব ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তা প্রকাশ করে বলেন, তার সরকারের সময়ই পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হবে। প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণ করা হবে। বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করে রোডমার্চ করছেন।
আওয়ামী লীগের সিনিয়র সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ টকশোতে আওয়ামী লীগের নেতাদের অংশগ্রহণের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি রনির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, অনেক জুনিয়র এমপি দেখা যাচ্ছে টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন, যা দলের জন্য ক্ষতিকর। তাদের বক্তব্যে দলের চেইন অব কমান্ড থাকে না। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, রনির শ্বশুরগোষ্ঠী বিএনপি করে। ও চিন্তা করছে পরে বিএনপিতে যোগ দেবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে শ্বশুররা তাকে শেল্টার দেবে।
শেখ হাসিনা এ সময় আরও বলেন, এরা তো মীরজাফর। এদের বিচার হবে। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, ওকে রাস্তা থেকে ধরে এনে এমপি বানিয়েছি। ওর মনে রাখা উচিত, সে একটি দলের নমিনেশন পেয়ে এমপি হয়েছে। দলের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। অবশ্য ওর কী যায়-আসে। ও ব্যবসা করে পার্থের (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ) সঙ্গে। নিজের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, পার্থের খালা প্রধানমন্ত্রী। এই কথাগুলো বলে বৈঠকে উপস্থিত শেখ হেলাল উদ্দিনের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পার্থের শ্বশুর বড় নেতা। প্রধানমন্ত্রী সাবের হোসেনের নাম উল্লেখ করে বলেন, সেই চীন সফরে তো সাবের হোসেন চৌধুরীও ছিল। কই আমি তাকে তো মন্ত্রী বানাইনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগাযোগমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির বিষয়ে যে দুটি ডকুমেন্ট দিয়েছে তা বিএনপির আমলের। বিএনপির যোগাযোগমন্ত্রীর দুর্নীতির ডকুমেন্ট তারা দিয়েছে। আমাদের কোনো মন্ত্রীর নামে বিশ্বব্যাংকে দুর্নীতির অভিযোগ নেই। বর্তমান সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শুরুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তা প্রকাশ করে বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা। এ ওয়াদা পূরণ করতেই হবে। প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু আমরা নির্মাণ করব। পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন স্থগিতের পেছনে একটি চক্র কাজ করছে এমন ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, একজন নোবেল বিজয়ী এর (পদ্মা সেতুর) বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চান।
এসব বক্তব্য শুনে কি কারো মনে হবে তার পায়ের নীচে মাটি আছে?
৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×