আজ আপনাদের দুটি ঘটনা বলবো। শুনবেন? না শুনলেও আমি বলবো। তাহলে শুনেন..... এবং তারপর আপনার মতামত দিবেন।
ঘটনা ১:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল ১৭ই মে একটি মানববন্ধন হয়েছে। একপর্যায়ে সেখানে প্রগতিশীল ছাত্ররাও একাত্ততা প্রকাশ করে। ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন লেখা সংবলিত প্লেকার্ড ছিল। সেখানে লেখা ছিল “ছাত্রী নির্যাতনের বিচার চাই” অথবা “নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা চাই” ইত্যাদি। পরে তারা উপাচার্যের কার্যালয়েও যায়। তারা একটি বিষয়ে বিচারের দাবিতেই যায়। এটাও নিশ্চই বুঝে গেছেন। তবে অনেকে হয়তো ভাবছেন কোন ছাত্র হয়তো ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত। যদি এটা ভেবে থাকেন তাহলে এটা ভুল। কোন ছাত্র নয়। মনোবিজ্ঞান বিভাগের একজন সম্মানিত শিক্ষক একই বিভাগের ছাত্রীকে নিপীড়ন করেছেন।
ঘটনা ২:
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ীর পরিবার। ৩০শে এপ্রিল তিনি ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় ছিলেন। তাঁর পরিবারে স্ত্রী ও তিন সন্তান। প্রথম সন্তান, মেয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী। বাকি দুজন ছোট। সেই রাতেই হঠাৎ তাদের বাড়ির সামনে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শুনে ব্যবসায়ীর স্ত্রী দরজা খুলেন, বাইরে কি হয়েছে দেখার জন্য। সাথে সাথে তাদের ঘরে ঢুকে পড়ে এলাকার কিছু বখাটে ছেলে। তাদের নাম: মেহেদী (২৪), দুলাল (২৮), রাসেল ও আরও অনেকে। ঘরে ঢুকেই তারা উক্ত ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ৮ম শ্রেনীর পড়ুয়া মেয়ে মা’ কে বাচাঁতে আসলে তাকেও ধর্ষণের শিকার হতে হয়। মেয়েটির অবস্থা আশংকাজনক বুঝতে পেরে তারা তার মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ আনা হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে। প্রশাসন এ ক্ষেত্রে নিরব। থানায় মামলা করা হলেও আসামিরা এখনও গ্রেফতার হয় নি। তারা অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পরিবারটিকে হুমকির উপরে রেখেছে। স্থানীয় তুমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বকর সব ব্যবস্থা নিবেন আশ্বাস দিয়েও নিরব ভুমিকা পালন করছেন। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তার অভাবে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
এই হলো দুটো ঘটনা। আমার সোনার দেশ বাংলাদেশের সত্যি ঘটনা। আপনারা কি মনে করেন? যুগ যুগ ধরে এ দেশ এভাবেই চলে আসছে। তাহলে এভাবেই কি চলবে? আসামিরা কি সব সময় পার পেয়ে যাবে?
তথ্য সূত্র: ১৮ই মে ২০০৮,সারা দেশ পাতা, প্রথম আলো থেকে নেয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


