somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি.....

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লম্বা পোষ্টের জন্য ক্ষমা চাই।

আমার পছন্দের একজন লেখক আহমাদ মোস্তফা কামাল রচিত "ঘরভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ" গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত "স্বপ্ন ও বাস্তবতার ভেতরকার দেয়ালটি ভেঙে যাবার পর" গল্পটি নিয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছি।
----------------------------------------------------
এ পৃথিবীতে মানুষের বসবাস স্বপ্ন ও বাস্তবতার মাঝে। কঠিন বাস্তব জীবনে মানুষ বেঁচে থাকে কিছু সপ্ন নিয়ে। স্বপ্ন তৈরী হয় মানুষের ভালো লাগা থেকে। আর তাই স্বপ্ন হয় কোমল ও মায়াময়। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক তার উল্টো। বাস্তবতা সব সময়ই কঠিন। বাস্তবতা আর স্বপ্নের মাঝে পার্থক্য থাকে, থাকে দূরত্ব। মাঝখানে থাকে একটি শক্ত দেয়াল। যদি হঠাৎ কখনোও এই দেয়াল ভেঙ্গে যায়! তখন? তখন মানুষ ধরতে পারে না স্বপ্ন ও বাস্তবতার মাঝের পার্থক্য। আর তখনই মানুষের জীবনে নেমে আসে মহাপ্রলয়। স্বপ্ন কোনটা আর বাস্তবতা কোনটা তা নির্ণয় করতে করতেই সে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

এমনই একটি ঘটনাকে অবলম্বন করে কথাসাহিত্যিক আহমাদ মোস্তফা কামাল রচনা করেছেন, স্বপ্ন ও বাস্তবতার ভেতরকার দেয়ালটি ভেঙে যাবার পর গল্পটি।

গল্পের নায়ক মাহবুব। সে ঘুমের মধ্যে দেখে বিভৎস সব সপ্ন। স্বপ্ন বলতে দুঃস্বপ্ন। যে দুঃস্বপ্ন দেখলে সে বিকারগ্রস্থ হয়ে চিৎকার করতে থাকে। দুঃস্বপ্নের মধ্যে সে দেখে, সাপের তাড়া খাওয়া, সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হওয়া, রোড একসিডেন্টে মারা যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। যেমন এরকম একটি স্বপ্নের বর্ণনা লেখক বলেছেন এই ভাবে,

একটি পাঁচ মাথাওয়ালা বিরাটাকার সাপ তাকে তাড়া করছে, আর সে এখানে পালাচ্ছে, ওখানে পালাচ্ছে, সিড়ি বেয়ে চাব্বিশ তলা উঠে যাচ্ছে বা এঁকেবেঁকে দৌড়চ্ছে, সাপ সিড়ি ভাঙতে পারে না বা এঁকেবেঁকে চলতে পারে না- ছোটবেলা থেকে জেনে আসা এই জ্ঞানগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু স্বপ্নে সেগুলো কোনো কাজেই লাগছে না, সাপও তাকে অনুসরণ করে তার পেছনে পেছনে ধেয়ে আসছে, সিঁড়ি ভেঙেই বা এঁকেবেঁকে।.......

এসব স্বপ্ন দেখলে মাহবুব ছটফট করা শুরু করে। তখন তার স্ত্রী নাহার বিচলিত হয়ে যায়। তার আপন মানুষটিকে সাহস যোগানোর চেষ্ট করে। আর বলে,

তুমি স্বপ্ন দেখছিলে, এখন জেগে আছো।

তারপরও সহজে মাহবুবের ঘোর ভাঙে না। সে চারিদিকে আঙুল ইশারায় বলতে থাকে, ঐতো সাপ....ঐতো....।
এই পরিস্থিতিতে সাইকিয়াট্রিস্টের শরনাপন্ন হওয়া ছাড়া নাহার আর উপায় খুঁজে পায় না। নাহার ডাক্তারের কাছে মাহবুবের সব সমস্যার কথা বিস্তারিত ভাবে বলে। ডাক্তার খুটিয়ে খুটিয়ে অনেক প্রশ্ন করে নাহারকে। এভাবে এক সময় বেরিয়ে আসে মাহবুবের বাবার মৃত্যুর ঘটনাটি। সেই মৃত্যুটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না সেটা ছিল একটা হত্যাকান্ড। ঘটনাটি শোনার জন্য ডাক্তার দেখা করতে চান মাহবুবের মা’র সাথে। মাহবুবের মা খুলে বলেন সব কিছু।

অজ্ঞাত কারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছিল, বাসাতেই নৃশংসভাবে- এবং তাকে ও মাহবুবকে সেই দৃশ্য দেখতে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি এই ঘটনার কোনো কুল-কিনারা করতে পারেননি, বলা উচিত করতে চাননি, কারণ যে হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছিল, তিনি তাদের মধ্যে একজনকে চিনতেন। সেই লোক হুমকি দিয়ে গিয়েছিল- যদি পুলিশের কাছে তার নাম বলা হয়,তাহলে মাহবুবকেও তার সামনেই এর চেয়েও নৃশংসভাবে হত্যা করা হবে।.....

ডাক্তার ব্যাপারটি বুঝতে পারেন। ছেলের নিরাপত্তা তখন স্বামীর হত্যার বিচারের চেয়েও জরুরী ছিল। আর তাই তিনি সব সময় ছেলেকে আগলে রাখার চেষ্টা করেছেন। এই পুরো বিষয়গুলো ডাক্তার কেও ভাবিয়ে তোলে। নাহারের কাছ থেকে তিনি আরও জানতে পারেন, মাহবুব বই পড়তে, গান শুনতে এবং সবচেয়ে বেশী ভালোবাসে কবিতা আবৃত্তি করতে। নাহার এও বলে যে, অনেক সময় সে বই পড়ে কিংবা গান শুনে গোপনে কাঁদে।
মাহবুবের নরম কোমল মনটির সন্ধান যেনো ডাক্তার পেয়ে যান। সমস্যার উদঘাটন আরও সহজ হয় যখন তিনি মাহবুরের প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বর্ণনা শুনতে পান।

ভোর দেখতে পছন্দ করে, প্রত্যেকদিন ভোরে ব্যালকনিতে গিয়ে বসে থাকে। বিকেলেও ছাদে গিয়ে বসে থাকে, সন্ধ্যা পর্যন্ত ওখানেই কাটায়। পূর্ণিমার রাত পছন্দ করে, প্রায় সব পূর্ণিমাতেই আমাকে নিয়ে রিকশায় চড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘুড়ে বেড়ায়। বৃষ্টি পছন্দ করে, নদী পছন্দ করে...

এরপর ডাক্তার নাহারকে সমস্যাটির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শুধু মাহবুবই নয় তার মাও একধরনের অস্বাভাবিকতায় ভুগছেন। তার শশুরের হত্যার ঘটনাটি তাদের একধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগায় এবং যেহেতু হত্যাটি করেছে তাদেরই পরিচিত একজন মানুষ তাই তারা মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। তবে তিনি নাহারকে আশ্বস্ত করেন যে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। কারণ, মাহবুব প্রকৃতিকে ভালোবাসে, ভালোবাসে শিল্পকে। সে উপভোগ করে প্রকৃতির সৃষ্টিকে। এও তিনি বলেন যে, যেদিন মাহবুব বুঝতে পারবে মানুষের মধ্যেও প্রকৃতির মত সৌন্দর্য আছে সেদিনই মাহবুব মানুষকে ভালোবাসতে শুরু করবে, বিশ্বাস করতে শুরু করবে। এই জন্য সিটিং ট্রিটমেন্ট চলতে থাকে মাহবুবের। কিন্তু সমস্যা সমাধানের চেয়ে আরও জটিল হয়ে উঠে। এতদিন সে সপ্ন দেখে জেগে উঠে বলতে পারতো যে সেটা একটা স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এখন সে অনেক বাস্তব ঘটনাকেও সে সপ্ন মনে করা শুরু করেছে।
এরকম দুটো ঘটনার কথা লেখক তুলে ধরেছেন তার গল্পে। একটি ছিল এরকম। নাহার আর মাহবুব একদিন রিক্সা করে দিনের বেলায় বের হয়েছে। তারা দুজনই গিয়েছিল মার্কেটে। রাস্তায় একটি দূর্ঘোটনায় একটি শিশুর মিনিবাসের চাপায় বিকট শব্দে মাথার খুলি ফেটে যায়। তা দেখে মাহবুব চিৎকার করে কাঁদতে থাকে শিশুটিকে জড়িয়ে ধরে। নাহার অনেক কষ্টে সেদিন রাস্তা থেকে মাহবুব নিয়ে আসে। এই পুরো ঘটনার বর্ণনা মাহবুব তার মা কাছে বলার পর বলে উঠে,

একটা দুঃস্বপ্ন দেখলাম মা।.....
আমি আর নাহার মার্কেটে গেছি, ফেরার পথে একটা এ্যাকসিডেন্ট হলো, একটা মিনিবাস একটা বাচ্চাকে পিষে মেরে ফেললো, আমি রিকসা থেকে নেমে গিয়ে দৌড়ে বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে দেখলাম, ওটা আসলে আমিই। আমিই মারা গেছি.....


এরকম জটিল ধাঁধাঁয় সময় কাটানো শুরু করে মাহবুব। সর্বক্ষণ সে খুঁজতে থাকে স্বপ্ন ও বাস্তবতার মাঝে পার্থক্য। নাহারও আপ্রাণ চেষ্টা করে তার স্বামী, তার ভালোবাসার মানুষটিকে জটিল জটলা থেকে বের করে আনতে। এজন্য কখনো সে মাহবুবকে তার প্রিয় গান শুনায়, কখনো মাহবুবের হাতে তুলে দেয় কোনো গল্পের বই।
একসময় মাহবুব যেনো ফিরে পায় নিজেকে। এক জ্যোৎস্না রাতে নাহারকে নিয়ে রিকসায় ঘুরতে ঘুরতে তার মনে আবার জেগে উঠে প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা। এতো সুন্দর পৃথিবীতে সমস্ত কিছুকেই তার সুন্দর বলে মনে হতে থাকে। এতো মায়াময় পৃথিবীর মানুষগুলো এতো ভালো হবে এটাই তো স্বাভাবিক। সে রাতে মাহবুব বাসায় ফিরে মাকে বলে,

চিন্তা করছিলে না মা? আর ভেবো না, আমি সুস্থ হয়ে গেছি। পৃথিবীটা তো আসলে অতো খারাপ জায়গা না। আর এই দেশ, কি সুন্দর মা, এমন সুন্দর চাঁদ কী অন্য কোনো দেশে ওঠে, আর কোনো দেশে কী এতো সুন্দর বৃষ্টি হয়...........

আর এই দেশের মানুষগুলো কী যে ভালো! জানো মা, আজ আমাদের রিকসাওয়ালা আমাদের গান শুনালো, এতক্ষণ ঘুরলাম কিন্তু কিছুতেই বেশী ভাড়া নিলো না........... বলো মা, আর কোনো দেশে এমন আন্তরিকতা আছে, আর কোনো দেশে কি মানুষ অচেনা মানুষকে এত ভালোবাসতে পারে!


মাহবুব কি সহজে সুস্থ হয়ে গেলো তাই না! মানুষকে সে এখন ভালোবাসতে শিখেছে। বিশ্বাস করতে শিখেছে। এ কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব? হ্যা এই স্বপ্নের মতো বাস্তবতার অবসান হলো সে রাতেই। তার কিছুক্ষণ পরেই ঘরে ডুকলো পরিচিত একজন কথিত সৎ লোক এবং তার সাথে আরও কয়েকজন। মাহবুবকে হুংকার দিয়ে বলে উঠে,

খানকির পুত গান শোনো, কবিতা পড়, চাঁদ দেখো, শুয়োরের বাচ্চা বাংলার রুপ দেইখা মুগ্ধ হও, তোমার মুগ্ধ হওয়া ছুটাইতাছি......

মাহবুবের সামনে আবারও সদ্য গড়ে ওঠা বিশ্বাসের পাহাড় ধ্বসে গেলো। তার সামনে তার স্ত্রীর সৌন্দর্য নষ্ট করা হলো। কিন্তু মাহবুব নিশ্চুপ, স্তব্ধ। নাহারের সম্ভ্রম রক্ষায় সে কোনো চেষ্টাই করলো না।
গল্পের অসহায় নায়িকা নাহার যে কিনা স্বামীর সুস্থতার সংগ্রাম করে যাচ্ছিল তার কথা বলতে গিয়ে লেখক আবেগ ভরিয়ে বললেন,

নাহার তার স্বামীর গান শোনা ও কাবিতা পড়া ও চাঁদ দেখা ও বাংলার রূপে মুগ্ধ হওয়ার অপরাধে ধর্ষিত হয়।

মাহবুবের বিশ্বাস ও তার প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও তার শিল্পের প্রতি ভালোবাসা আবার ধর্ষিত হলো। মাহবুব আবারও যেনো গোলমাল পাকালো। স্বপ্ন-বাস্তবতার পার্থক্য সে আবার বুঝতে ভুল করলো। তাই আদালতে বিচারক যখন তাকে প্রশ্ন করলো, আপনার স্ত্রীকে রেপ করা হলো তখন আপনি কিছুই করলেন না?
বিভ্রন্ত মাহবুব তখন বলে উঠলো,

মনে হচ্ছিল...ওটা কোনো সত্যি দৃশ্য নয়, মনে হচ্ছিল...মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি.....

উপসংহার:

প্রতিটি মানুষের অন্তরে থাকে মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং বিশ্বাস। প্রতিটি মানুষ ভালোবাসে শিল্প ও প্রকৃতির সৌন্দর্যকে। প্রতিটি মানব হৃদয় খুঁজে বেড়ায় আস্থা, খুঁজে বেড়ায় বিশ্বাস, খুঁজে বেড়ায় নিরাপত্তা। কিন্তু আমরা কি তেমন একটি জীবন পাই? আমরা তো পাই না এমন কোনো জীবন। নিষ্ঠুর বাস্তবতা যেনো আস্থা, বিশ্বাস, নিরাপত্তা এই শব্দগুলোকে ভয় পায়। আর তাই আমরাও যেনো হয়ে উঠছি বিপর্যস্ত। বিশ্বাসবিহীন, নিরাপত্তা বিহীন এই পৃথিবীতে আমরাও হয়ে উঠছি মাহবুবের মতো বিপর্যস্ত। আমরাও হয়তো মাহবুবের মতো খুঁজে ফিরবো স্বপ্ন- বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য।
কিন্তু আমরা পাবো না। আমরা পাবো না খুঁজে। কারণ, তার আগেই ধ্বসে পড়বে স্বপ্ন ও বাস্তবতার ভেতরকার দেয়াল। আর তাই আমরা কোনো নৃশংস ঘটনায় আজ বিচলিত হই না। চোখের সামনের কোনো নির্মম দৃশ্য দেখলে আমরাও মাহবুবের মতো বলে উঠি, মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি.....
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×