আমার প্রিয় পোস্ট
- বেগম খালেদা জিয়া: সাধারণ থেকে অসামান্য একজন হয়ে উঠা- (ফটোব্লগ-১) - রায়হান রাহী
- রাংলাই এর সাক্ষাৎকার - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- জোয়ার ভাটার নিঝুম দ্বীপ। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- কবুতরের উড়াল প্রতিযোগীতা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ::::ফটো ব্লগঃ সঙ্গি সাথী, পশু পাখি :::: - সৌম্য
- খাবারের পর আমাদের সাতটি ভুল !!!!!! - জলপাই আলম
- বানাবেন নাকি একটা নিজেস্ব অনলাইন রেডিও স্টেশন? - চাচামিঞা
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- ফটোগ্রাফিতে মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন কিশোর পারেখ - কাঊসার রুশো
- Guerrillero Heroico - ক্যামেরার পেছনের মানুষটি - বিপ্লবী স্বপ্ন
- চে’ গুয়েভারাঃ স্মরণীয় উদ্ধৃতি - বিপ্লবী স্বপ্ন
- ব্লগের ইতিহাসে সর্বাধিক পঠিত পোস্ট কোনটা?
- আসিফ মুভি পাগলা
- ফরিদপুরের হাবিবুর রহমান ইমরানের উদ্ভাবন, জলে-স্থলে চলার উপযোগী গাড়ী - জারনো
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য? - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- অপরবাস্তব- ৪ এর প্রকাশনার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করুন, ২০০৯ এ লেখা আপনার সেরা পোস্টটির মনোনয়ন দিন - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- উত্তরাধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্য : একটা মনোজ্ঞ বিতর্কালোচনা পরিমার্জিত/রিপোস্টেড - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর একটি সাক্ষাতকার - ফকির ইলিয়াস
- তাৎক্ষণিক সাক্ষাতকারে নোবেল বিজয়ী হেরটা মুলার - ফকির ইলিয়াস
- কিংবদন্তীর নর্তকীর কূপ - টনি
- ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ডিএমসির ছাত্রী নাহিদা মৃত্যুর প্রহর গুনছে - অণৃণ্য
- বাংলা বানান চেক করার টুলের লিংক চাই - টিপু
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- অপারেশন মোনায়েম খান কিলিং (এক) - বিপ্লব রহমান
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন -- শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- ছোটগল্প : জোছনার ধবল গায়ে গ্রহণ লাগা চাঁদ - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- জলপাই প্রেম - ভাঙ্গা পেন্সিল
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- ঘুরে আসুন বৌদ্ধবিহার ,ময়নামতি জাদুঘর, চণ্ডিমুড়া মন্দির, ইংরেজ কবরস্থান (বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিসৌধ ),কুমিল্লা। - সোহান বাশার
- Question and Answer Round......PM Vs BM Officers........Is this country We live in???? - দাম
- আর্মী ও প্রধানমন্ত্রীর কথা ৩ টা ফাইল - ব্লগে নতুন
- পাঠক সমীপেষু (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- এই লেখাটি আপনাদের নজরে না এনে পারলাম না!!কেউ কি একবার জিজ্ঞেস করেছেন ১৬৮ আর্মি আর তাদের পরিবার কোথায় গেল?? - ড়ৎশড়
- ভাষা আন্দোলন, কবিতা - তানজু রাহমান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- লেখা দিন ১০ তরুনের প্রেমের গল্প বইয়ের জন্য আরও একজনের লেখা নেয়া হবে - পান্থ বিহোস
- রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববেদনা। - ইমন জুবায়ের
- তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক ভূমিকা - একরামুল হক শামীম
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- শ্রীলংকায় পিতা আদম (আঃ) এর পবিত্র পায়ের ছাপ এবং আদমের সেতু !! - জেমসবন্ড
- সত্যিই আশ্চার্য্য !!!!!!!!!!! - অনীয়ম
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? / শহীদ জননী জাহানারা ইমাম - অমি রহমান পিয়াল
- আসুন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলতে একসাথে মিলিত হই - জামাল ভাস্কর
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ১৯৭১ : নারী ও মূল্যবোধ (পর্ব-১) - আইরিন সুলতানা
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- আল-জাজিরার ভিডিও দেখুন -মুক্তিযুদ্ধে স্বজন হারানোর কথা শুনুন - আল-কায়ামতি
- অপূর্ব এক পরিবর্তন - অমি রহমান পিয়াল
- ফায়ারফক্সে প্রথম আলো পড়ুন সহজে - আশাবাদী!!
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- BNP Secretary Khandakar Delwar Hossain: PAIJAMA DOWN !!! - এক প্রযুক্তিবিদ
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- হায়দার হোসেনের নতুন এ্যলবাম স্বপ্ন শুধুমাত্র শোনার জন্য - নিঃসঙ্গ
- ভ্লগীয় প্যারোডী- ৪ - চোরকাঁটা
- সুরক্ষিত করুন আপনার সৃষ্টিকর্ম - রতন সুন্দর পাড়ই
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- আজ জন্মদিন তোমার, শেরিফ আল সায়ার - মিলটন
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী / রনেশ মৈত্র - ফকির ইলিয়াস
- সম্রাট অশোক ও রহস্যময় ৯ মানব! - আলেক্সান্দার দ্যুমা
- প্রেমিক নজরুলের সাতকাহন ~ফজিলতুন্নেসা পর্ব-৩~ - বিবর্তনবাদী
- তরুণ লেখকদের পাণ্ডুলিপি প্রসঙ্গ... - খন্দকার সোহেল
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার : শাবাশ নতুন ভারত! - ফারুক ওয়াসিফ
- এন্টি গল্প > প্রাতঃকালে ঈশ্বরদর্শন > - মনজুরুল হক
- শ্রীমঙ্গলের নীল কন্ঠ চা কেবিন। - গুপী গায়েন
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সমাচার। - কুম্ভকর্ণ
- পূর্ণেন্দু পত্রীর কয়েকটি কবিতা - রাহা
- আমাদের নতুন উপহার: যে কোন সাইটে ফোনেটিক কিবোর্ড - নোটিশবোর্ড
- তিনি আমার বাবা - রণদীপম বসু
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- লাইলাতুল মিরাজের বিষ্ময়যাত্রা: বোঝার চেষ্টা করছি... - বিবেক সত্যি
- মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য - সাঈফ শেরিফ
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ১৯৭১-এ দৈনিক সংগ্রাম (পর্ব-৩) - সবাক
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি ----- একটি সিম্পল ছোট গল্প - নোবেলজয়ী
রঙহীন স্মৃতি এবং উলঙ্গ অনুভূতি!
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০০
মনে আছে? মনে আছে তোমার?
আরে ঐ যে তোমার সাথে যেদিন প্রথম দেখা হলো! ঝুম ঝুম বৃষ্টিতে মেতে উঠেছিল প্রকৃতি। তোমার আমার খুশীতে যেনো প্রকৃতিও মিউজিক বাজিয়েছিল। তাই না? কি আসাধারণ সেই মুহূর্ত। ভোলা যায় কি সেদিন?
আর.... আর সেই যে একটু দূরত্ব রেখে একটি গাছের নিচে দুজন বৃষ্টি থেকে বাচার এক চেষ্টা করছিলাম। তাও কি মনে আছে তোমার? হা হা...মাঝখানেতে তোমার ব্যাগটা রেখে বলেছিলে, তুমি দূরে বসো। খবরদার কাছে আসবে না।
আমি তখন মিষ্টি একটি হাসি দিয়েছিলাম। অবশ্য আমি কিন্তু সেদিন খুব একটা সময় তোমার পাশে বসিনি। দাড়িয়েই ছিলাম। আর দেখছিলাম বৃষ্টির ছোট ছোট ফোটায় ভেজা এক অপরূপ মেয়েটিকে। বাংলার প্রকৃতি যেনো সেদিন তোমাকেও বাংলা বানিয়ে দিয়েছিল।
সেই তো শুরু। হঠাৎ একদিন কি মনে করে আমার কাঁধে মাথা রেখে দিলে!
কেনো? কেনো রেখেছিলে? বলবে?
নাহ থাক। বলবার কোনো দরকার নেই। আমি জানি। তুমি সেদিন এক প্রশান্তির সন্ধান করতে গিয়ে আমার কাঁধে মাথা রেখেছিলে। আমিও তোমাকে শক্ত করে ধরে বলেছিলাম, কি হলো হঠাৎ?
তাই না? কি চমৎকার সেই রোমান্টিকতা। মিষ্টি অনুভূতি। এক হিমেল বাতাসের মতো অনুভূতি।
আমি তো তোমাকে প্রায়ই বলতাম, আমার প্রিয় আকাশ। আকাশের নীল রঙ আমার খুব পছন্দ। সে আকাশে আমি হারিয়ে যেতে চাই। যদি কখনও পারি সেই আকাশে হারিয়ে যাবো।
একদিন তুমি নীল রঙের জামা পড়লে। কি মনে করে পড়লে তাও জানি না। সেদিন মিষ্টি রোদও ছিল। মিষ্টি রোদে নীল জামা তোমাকে যেনো আকাশ বানিয়ে দিয়েছিল। আর আমি সেদিন হারিয়ে গেলাম আকাশে। সেই বিশাল আকাশে এক উড়ন্ত পাখির মতো উড়েছিলাম। ডানা ঝাপটে আমি চঞ্চল হয়ে উড়ছিলাম আর তুমি নিশ্চুপভাবে স্থির আকাশের মতো অনুভব করেছিলে আমার আবেগকে।
তোমার খুব পছন্দের ছিল, আমার বুকে মাথা রেখে চুপ করে বসে থাকা। আমিও তখন তোমাকে জাবড়ে ধরে বসে থাকতাম। তোমার প্রতিটি নিশ্বাসকে তখন উপলব্ধি করবার চেষ্টা করতাম।
তুমি যখন শাড়ী পরতে; তখন তোমাকে খেপানোর জন্য বলতাম, তুমি শাড়ী পরবে? আর আমি তোমার পেটের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকবো।
তুমিও লজ্জায় লাল হয়ে উঠতে। শাড়ী পড়লেই হতো! আমার সামনে সেদিন যেনো তুমি আসতেই চেতে না। তোমাকে আরও খেপানোর জন্য বলতাম, ছিহ তোমাকে বিছরি লাগছে।
তুমি তখন অভিমানে মুখটা গম্ভীর করে রাখতে। তোমার সেই গম্ভীর মুখখানা কিন্তু দেখার মতো ছিল! কপাল-টপাল কুচকে একদম ভাব নিয়ে আমার সাথে কথা বলতে। বেশী বেশী রাগ করলে, আমাকে ভাইয়া বলে ডাকা শুরু করতে। তুমিও জানতে তোমার মুখে ভাইয়া ডাকটা আমার একদম পছন্দ না।
আমাকে খেপানোর জন্য এই অস্ত্র তুমি ভালো মতই ব্যাবহার করেছিলে। আমিও খেপে বুম।
যখন রাত নেমে আসতো। রাতের অন্ধকার গভীর থেকে গভীর হতো; তখন আবার তুমি আসতে। ফোনে ফোনে ফিসফিসিয়ে বলতে, এই... কি হলো? এখনও ঝগড়া করবে?
অভিমান আর থাকে কোথায়? সব যেনো মিলিয়ে গেলো তোমার হাসির শব্দতে।
তোমার আমার দু-শব্দের এস.এম.এস হতো। দুটি শব্দ দিয়ে পৃথিবীর অনেক মূল্যবান কথাও যে বলা যায় তা কিন্তু আমরাই জানি। হৃদয়ের সব গভীর কথাও কিন্তু বলে দেয়া যায় দুটি শব্দ দিয়ে।
তোমার আমার ঝগড়ার পর্বটা আরও মজার ছিল। চিৎকার চেচামেচিতে তুমি কাপিয়ে ফেলতে আমার কানের পর্দা। আমি তখন চুপ করে তোমার কথা শুনতাম। তুমি তখন বলতে, কি হলো? আমার ঝগড়াটাও তোমার ভালো লাগে না? চুপ করে আছো কেনো?
সে আরেক বিপদ! আবার ঝগড়ার সময় কথা বলতে গেলে বলতে, তুমি সব-সময় বেশী কথা বলো। আমাকে বলতে দাও না কেনো?
বিপদে চাপা পড়লেও মনে মনে হাসতাম। মনে মনে ভাবতাম, তোমার বুকে মাথা রেখে এক অবুঝ শিশুর মতো আমি শুয়ে আছি আর তুমি আমাকে বকেই চলেছ।
এসব তো আর তোমাকে বলতাম না। বলেই বা কি লাভ! বললে কি আর ঝগড়া করতে?
আবার অন্য কোনো মেয়ের সাথে আমার কথা বলতে দেখলে তুমি যেভাবে রাগে জলতে তখন আমার তোমাকে খুব আদর করতে ইচ্ছে হতো। তুমি জানতে, তোমাকে ছেড়ে আমি যাবো না। তারপরও তুমি কেনো যে সেধে সেধে ঝগড়াটা করতে তাও বুঝে উঠতে পারতাম না।
তুমি যখন কোনো ভুল করতে তখন তোমাকে বোঝাতাম। মনে আছে, তোমাকে একদিন বই মেলা থেকে ফেরার পথে কত্ত বুঝিয়েছিলাম। জীবনের বাস্তবতা মেনে নেয়ার জন্য তোমাকে বুঝিয়েছিলাম। তুমি একদম বাচ্চাদের মতো আমার বুকে মাথা রেখে চুপ করে শুনছিলে। এরপর থেকেই তুমি বলতে, আমার জীবনের লক্ষ্য তুমি ঠিক করে দিলে।
এতো একদিনের কথা। আরও কতদিন যে তোমাকে বুঝিয়েছিলাম। তোমার অপরাধে তোমাকে শাস্তি দেয়ার চেয়েও তোমাকে বোঝানোটাই যেনো আমার উদ্দেশ্য ছিল।
আর আমি সহজে রেগে যেতাম না। তাতেও তোমার অভিযোগ ছিল। আমি কেনো রাগি না!
এসব ভাবতেই হেসে আমি কুটি কুটি হই। না রাগাটাও যে একটা অপরাধ হতে পারে সেটা তুমিই বলেছিলে।
আমার বাসা থেকে চাঁদ দেখা যেতো না। চারিপাশে বিল্ডিংয়ের চাপে বেচারা চাঁদ হারিয়ে যায়। তোমার বাসা থেকে স্বচ্ছ চাঁদটা দেখা যেতো। সেই চাঁদের মতো তুমিও হয়ে উঠতে রহস্যময়ী। রহস্য করে বলতে চাঁদের বর্ণনা। আর সেই সাথে ভরা জ্যোসনায় তোমার সমস্ত ভালোবাসা ঢেলে দিতে আমাকে।
এতো রোমান্টিকতা আমাকে সাজায় না। তাই না? অহেতুক রোমান্টিকতা দেখাচ্ছি। তাই তো?
২.
সুখ তো আর সয় না। আমাদেরও সইলো না। রহস্যময়ী চাঁদ হয়তো আকাশে ওঠে কিন্তু তার বর্ণনাটা এখন আর শোনা যায় না। নুপুরের মতো ঝঙ্কারের হাসিটাও এখন আর আমার কানে বাজে না। কেউ এখন আর আমার সাথে সেধে সেধে ঝগড়া করে না। কেউ এখন আর আমাকে বকে না। কেউ এখন আর আমাকে দু-শব্দের এস.এম.এস করে না। কেউ এখন আর আমাকে বলে না, তোমার বুকে মাথা রেখে সুখ পাই। শান্তি পাই।
কারও অন্যায়ে এখন আর আমি বোঝানোর অধিকারও রাখি না।
জীবন। এটাই জীবন। বাস্তবতাময় জীবন। তোমাকেই বুঝিয়েছিলাম, কঠিন বাস্তবতাকে মেনে নিতে শেখো। তা না হলে জীবনে অনেক ভুগতে হবে।
আর সেই কঠিন বাস্তবতার ফাঁদে যেনো তুমি আমাকেই ফেললে।
সেদিন তোমাকে খুব কাছ থেকে দেখলাম। হাতে তোমার লাল চুড়ি ছিল। পরনে সবুজ জামা। ঠিক যেনো বাংলার রুপ। সেই অপরুপ রুপে আমিও যে তোমায় দেখার এক অদম্য ইচ্ছা নিয়ে বসে থাকতাম। কখনও বলা হয়নি। তুমিই তো বলতে, আমি অনেক চাপা স্বভাবের ছেলে।
মনে হলো, তোমাকে প্রশ্ন করি। প্রশ্ন করি, এখন কি তুমি সে মানুষটিকে আমার মতই চাঁদের গল্প শোনাও? এখন কি তুমি সে মানুষটিকে দু-শব্দের ছোট্ট এস.এম.এস পাঠাও? এখন কি তুমি সে মানুষটির বুকে মাথা রেখে বলতে পারো, আমি তোমার বুকে মাথা রেখে প্রশান্তি পাই? এখন কি সে মানুষটির সাথে অভিমান করো? সে কি তোমায় আমার মতই বোঝায়?
তখন কি আমার কথা তোমার মনে পড়ে?
এই সব প্রশ্ন মনে এসে ভীড় জমিয়েছিল। ভীড় জমিয়েছিল আমার প্রতিটি অনুভূতিতে এবং আমার স্মৃতিতে। কারণ তারা উত্তর চায়।
আমি তাদের উত্তর দিতে পারে নি। তাই সেই স্মৃতিরা সেদিন কেঁদেছিল। আর সে জন্যই সেদিন আমার চোখ দুটো তোমাকে দেখে লুকিয়েছিল।
তাই এখন আর বৃষ্টি আকাশ কিংবা চাঁদ আমাকে কাছে টানে না। কাছে টানে না বাংলার অপরুপ রুপ। তুমিই যেনো আমার মনের সকল রঙ। সেই রঙ এখন বিবর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ সমস্ত অনুভূতিই এখন উলঙ্গ হয়ে গেছে। তাদের উলঙ্গ নৃত্যতে আমি পরাস্ত। তাদের দেখে ঘৃণায় মুখ লুকানোরও সাহস পাই না।
বিঃদ্রঃ গল্পকে ব্যাক্তিগত ভাবিয়া কেউ আবার ধাক্কা খাইবেন না। ![]()
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আবু নাসের মোহম্মদ রেজা বলেছেন:
হয়তো আপনার ব্যাক্তিগত না..কিন্তু অনেকেরই ব্যাক্তিগত কথাগুলো..মিলে যায়..অনুভূতি গুলো এক হয়ে যায়..
লেখক বলেছেন: ভালোই তো। মিলে গেলো। ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আহারে! আমি দুঃখিত। ![]()
লেখক বলেছেন: ধাক্কা খান। ভালো মতো খান।
ঝিল এক্সপান্ড করছে তাও জানি। সোম-বুধ ঝিলের রেগুলার সকালের নাস্তার কাস্টমার। ![]()
লেখক বলেছেন: সোমবার সকাল ৯.৩০ আর বুধবার সকাল ১১টা।
লেখক বলেছেন: ওকে!! ![]()
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















