আমার প্রিয় পোস্ট
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আজম খান আমাকে এক কাপ চা খাইয়েছিলেন ... - ইমন জুবায়ের
- মনোসরনি-এর ৫ টি গান ডাউনলোড - মুয়ীয মাহফুজ
- [ফিরে দেখা] স্টারস - বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিকে বিপ্লব সৃষ্টি করে ধ্বংসের পথে নিয়ে গিয়েছিল যে অ্যালবামটি - রাইসুল জুহালা
- কবীর সুমনের ৬টি অ্যালবাম ডাউনলোড - দেয়াল
- বিজ্ঞাপন ও ছোটকাগজ বিষয়ে - রথো রাফি
- আর্তুর র্যাঁবো: জীবন ও কাব্য - ইমন জুবায়ের
- পল সেজাঁ - মাহবুব রশিদ
- সামহোয়ারনামা ৪ এর বদলে সিঙ্গারের গল্প "আয়না" - সুমন রহমান
- এই গল্পটার নাম দেয়া যায় যারা বৃষ্টিতে ভিজে নাই অথবা জ্যোৎস্নার দেয়াল ভেঙে যাওয়ার গল্প - অমিত চক্রবর্তী
- সমকামীতায় সচেতন ন্যাচারালাইজ হবার সময় হয়েছে এই সমাজের - অন্যমনস্ক শরৎ
- ছাপার অক্ষরে চিৎকার... - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( শেষ পর্ব ) - ইকারুসের ডানা
- হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা - ইমন জুবায়ের
- মাঝরাতের আগন্তুক - প্রবর রিপন
- শীতভর সেলাই করি ছেঁড়াকাঁথা - রথো রাফি
- কবিদের নবীত্বের পতন অথবা “ভালো সমাজ” মিথের পুনরূৎপাদন - অন্যমনস্ক শরৎ
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- ফিলিস্তিনি কবি মাহমুদ দারবিশ : একজন ‘আসাফির বিলা আজনিহা’ বা ডানাশূন্য চড়ুই ... - ইমন জুবায়ের
- ফিলিস্তিনি কবি মাহমুদ দারবিশ এর একটি কবিতা: আইডেন্টটিটি কার্ড - ইমন জুবায়ের
- আর্টস (http://arts.bdnews24.com) -এর দু বছর । কিছু বাছাই লেখা - ব্রাত্য রাইসু
- আধুনিক ও উত্তরাধুনিক : সলিমুল্লাহ খান - জ্ঞানদাস
- রসু খাঁ, তার খুনসমূহ এবং ক্রসফায়ারচিন্তা - সুমন রহমান
- পাঁচটি লেখা - রথো রাফি
- রিপন-এর মৃত্যু - প্রবর রিপন
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য - ত্রিভুজ
- বব ডিলান এর একটি গান: সময়ে জন্ম (বর্ন ইন টাইম) ... - ইমন জুবায়ের
- কবীর সুমনের লিরিক, অ্যালব্যাম-ইচ্ছে হ'ল(ডাউনলোড লিংক সহ) - দেয়াল
- কাব্বালাহ: একুশ শতকে ... - ইমন জুবায়ের
- মিরোস্লাভ হোলুব - রথো রাফি
- ওই বুট ওই লাথি, ওই আমাদের শিক্ষক, ওই পড়ে মার খায় জনতার লোক - ফারুক ওয়াসিফ
- ক্রমশই হয়ে উঠতে হবে বিশ্বস্ত ঘাতক - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- শ্মশান পাহারায় আগুণবুকে জাগ্রত আছি - মনজুরুল হক
- মাওবাদীদের নিয়ে কিছু কথাঃ সাথে খারেজির একটি পোষ্ট - জাতেমাতাল
- বিলবোর্ড-নিবাসিনী - সুমন রহমান
- লেসবিয়ানিজমের অ আ ক খ - টি_মৃদুল
- আমাদের উত্তরাধুনিকের একাংশ আত্মরতিপরায়ন কিংবা তারা পরস্পরের মুখমেহনে ব্যস্ত। - রাসেল ( ........)
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- সুমন চ্যাটার্জী-র এই ভিডিওটা দেখছেন?
- বিপন্ন বিস্ময়
- এলিয়েন - প্রবর রিপন
- সুশীল শহীদ কিছু হয় না, ১৯ মে ভাষা শহিদ দিবস - দীপঙ্কর
- কায়েস আহমেদ - ইমরুল হাসান
- ছবি দেখেন ছবি - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- ইউথানাশিয়া - মুয়ীয মাহফুজ
- প্রতিষ্ঠিত লিটলম্যাগগুলো লেখকসম্মানী দেয় না কেন? - তারিক টুকু
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- শান্তনু চৌধুরীর ৫টি কবিতা - সুতরাং
- ১.সুতি চাদরের কেমিক্যাল জঙ্গল আর শিকার কাহিনী - মৃদুল মাহবুব
- এসো শিশুকে শত্রু পোড়ানো ভাষা শেখাই - সাইদ র'মান
- তারেক ও ক্যাথেরিন মাসুদের অন্তর্যাত্রা বা সিলেটী ডায়াসপোরা কিংবা দি হোমল্যান্ড মানে পিতৃভূমি - রায়হান রাইন
- নিয়ন আলোর বিভ্রম প্রণালী - মুয়ীয মাহফুজ
- তুমি, তোমার সরাইখানা এবং হারানো মানুষ - মাসুদ খান
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- রিমিক্স মৌয়ালের শব্দঠোঁট - রথো রাফি
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লুজ-কালো মানুষের বেদনার নীল রক্ত রাঙানো সংগীত(মিউজিক ভাবনা২) - মুয়ীয মাহফুজ
- জোনাক ধরার কাচের বয়াম - মুয়ীয মাহফুজ
কালঘুম (২য় অংশ)
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০
এবার আলো আধাঁরীতে বেড়ে ওঠা সম্পর্কগুলোর দিকে তাকাতে নিজের দৃষ্টিকে নির্দেশ করলাম । চোখের মনি হয়ত তখন নব্বই ডিগ্রি এঙ্গেল থেকে ঘুরতে শূরু করেছিল : ঘূর্ণনরত অবস্থায় কিছুই দৃষ্টির আয়ত্বে আসে না শুধু মনে হল যীশু অর্ধেক উঠে দাঁড়িয়েছেন কাঁটার মুকুট পরে নগ্ন,এই মাত্র; ঝুলন্ত সক্রেটিস সন্দেহ নিয়ে তাকাচ্ছেন হাতে ধরে রাখা পানপাত্রের দিকে,একটুও নড়ছে না; কী শুস্ক ঐ ঠোঁট ঐ তরল তৃষ্ণায়। অন্য পাশের ছায়ায় হেসে উঠে দাড়িতে হাত বোলাচ্ছে সক্রেটিসের সন্দেহ দেখে চে গুয়েভারা : যখন ছায়া অতিক্রম করে জীবনানন্দ দাশ ঠিক কি দেখছিলেন বোঝা যাচ্ছিল না । হঠাৎ বিস্তৃত হয়ে ছবির ধাঁধায় পড়ে যন্ত্রণা ,সন্দেহ,হাসি আর উদাস দৃষ্টি পথে বিভ্রান্ত হয়ে আমার ব্যক্তিগত ছবির এ্যালবাম হাতড়াতে ক্লান্ত হয়ে গেলাম অথচ কোন ছবি খুঁজে পেলাম না। বিভ্রান্তির বোধ আমাকে ঘিরে ঘিরে চক্কর দিতে থাকে আর শরীরে অনুভুত হতে থাকে এক বিলোড়িত চেতনা । এইবোধ আমাকে আতঙ্কিত করে তোলে; কারণ ,পূর্বপুরুষের চেতনার উঠানে উত্তরপুরুষের নির্বিকার মূত্রত্যাগ দেখেছি । আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেতে চেতনারোহিত মাদকের আশ্রয় নেই যা আমাকে এক বন্ধু উপহার দিয়েছিল । সে হয়ত পরিস্থিতির কথা পূর্বেই নিজের ধারণায় ধারণ করেছিল কারণ সে যখন দ্রবটি আমাকে দেয় তখন কৃতজ্ঞতার চিহ্ন মুখমন্ডলে ফুটিয়ে তুলেছিলাম; সে ক্রুর হাসি হেসে আমার পিঠ চাপড়ে দিয়েছিল । আর আমি ফুসফুস প্রসারিত করে টেনে নিতে থাকি অক্সিজেন । বিশুদ্ধ অক্সিজেন এবং দেখতে থাকি কি আজব রসায়নে সহ্অবস্থানরত অক্সিজেন ও সীসা যা আমার রক্তের নালী দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে মস্তিস্কে।
এই তবে পৃথিবীর সুস্থতা ,নৈতিকতা বোধ কিন্তু আমি অসুস্থ¯হয়ে যাচ্ছি সামাজিক সুস্থতায়। এইসব দুর্বল মূর্হুতগুলো অনেক ঘটনার পুনরাবির্ভাব ঘটায় । সেই মেয়ে যার নাম বলামাত্র সকলেই চিনে ফেলবে । তাই আগে ঘটনা লিপিবদ্ধ করি পাছে ভুলে যাই স্বভাবদোষে । এক খন্ডকালীন কুয়াশার দেশে তার সঙ্গে দেখা । দেখা বলতে পরিচয় মিন করছি না । স্রেফ দেখেছি । তাছাড়া সেদিন বাকপ্রতিভার চাইতে মুদ্রা প্রতিভাই বেশী বিকশিত হয়েছিল । তাই কথা হয়নি অথবা হয়েছিল কিনা বুঝতে পারি নি । কখন,কে, কোথায়,কিভাবে কথা বলে এবং তা বুঝে ওঠা অনেক কষ্টকর । সেই দেশটিতে আমার অবস্থান অবধারিত কারণ আমি ঐ দেশেই জন্মেছি। ফলে দেশটিতে একটা নদীর ধারণার প্রবাহিত জলরাশির পাশে প্রায়শই বসতাম নদীতীর মনে করে । তো পাড়ে বসলে যা হয় আর কী তেমন । মেয়েটা একটা ভেলায় ভেসে যাচ্ছিল অনিশ্চিত গন্ত্যবে । অনেক দুর থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম তাকে । তার পায়ের কাছে পড়ে ছিল একটা পুরুষ নিথর হয়ে । মেয়েটি তাকিয়েছিল উর্ধ্বমুখী কোনও গন্তব্য তৃষ্ণায় আর তার শরীর ঢেউয়ের মুদ্রায় বিকশিত হয়ে নেচে উঠছিল ,কোনও দিকেই কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না । এতে তার গন্তব্যে যাবার উদগ্র বাসনা প্রস্ফুটিত হচ্ছিল এবং এ সুযোগে তার নাচ দেখতে পারছিলাম তীরে বসে । ঠিক তখনই সুর্যাস্তের কিনার দিয়ে চক্কর দিতে দিতে একঝাঁক পিরানহা ডাইভ দিয়ে নেমে যায় নদীর জলে ,তখন নিশ্চিত দেখতে পেলাম কয়েক মিনিটেই ভেলায় শুয়ে থাকা মানুষটির মাংস ছিড়ে ছিঁড়ে খেয়ে যাচ্ছে মাছগুলো ; মেয়েটি এসব কিছুই দেখে না , সে তাকিয়েছিল উর্ধ্বমুখে আর তার শরীরইন্দ্রিয় ব্যস্ত ছিল নাচের মুদ্রায়। একলাভেলায় সে ভেসে চলে গেল কোথায় ,আমি জানতে পারলাম না শুধু বেদনার স্রোতে নদীটিকে হারিয়ে যেতে দিলাম। অনেক দিন পর প্রত্নœখননে হয়তো কোনও নদীপথ আবিস্কার হবে আর পাওয়া যাবে কিছু হাড়ের ভগ্নাংশ । ঘটনাটি আমি কাউকে বলিনি কারণ মেয়েটিকে সবাই চিনত ঘটনা সহ। আর ঐ দেশটিতে কোনও মাংসাশী মাছ ছিল না । তবে পরে অন্যান্য দেশ এবং মহাদেশ থেকে মাংসভূক মাছ আমদানী করা হয়েছিল ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আমি কে বলেছেন:
হুমম...
মাঠশালা বলেছেন:
হুমম... কি?
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
ঝরঝরে লেখা, মুন্সীয়ানা আছে ভাষার। সম্ভাবনাময়।
বীথিলতা বলেছেন:
...'কিন্তু আমি অসুস্থ¯হয়ে যাচ্ছি সামাজিক সুস্থতায়'...সত্যিই মুন্সিয়ানা আছে আর সম্ভাবনাময় তো বটেই.....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














