somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডিজিটাল দেশের স্বপ্ন কি শুধু স্বপ্নই থাকবে?

১৪ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সরকারের এক বছর পার না হতেই আশাহত হয়েছেন বৃহত্তর সিলেটের নতুন প্রজন্মের ভোটাররা। তাদের অনেকেই বলেছেন, আগামী নির্বাচনে আর ভোট দেয়ার ইচ্ছা নেই তাদের। তাদের দাবি, ক্ষমতায় গিয়ে মন্ত্রী, এমপি আর সরকারের তল্পিবাহকরা লাভবান হলেও সাধারণ মানুষের উপকার হচ্ছে না। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর হয়ে অনেক নতুন ভোটার মহাজোটকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। কিন্তু এ সরকার আদৌ সে লক্ষে পৌঁছাতে পারবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান অনেকে। মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নাসিম আহমদ বাপ্পী জানান, জীবনে প্রথম ভোট দেয়ার পর নিজেকে দেশের অগ্রযাত্রার সৈনিক মনে করে গর্ববোধ করতেন। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা আর রাজনৈতিক দলগুলোর কাঁদা ছুঁড়াছুড়িতে সেই গর্ববোধ এখন আর নেই। নবম সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের ভোট দেয়া কমলগঞ্জের অনেক তরুণ ভোটারের বক্তব্য আরিফুরের মতো। তাদের আক্ষেপের শেষ নেই। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতারা আর আশার বাণী শোনাবেন না। কারণ নির্বাচনের পর সকলে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। পিলখানার হত্যাযজ্ঞ নতুন ভোটারের জন্য খুব পীড়াদায়ক। কুলাউড়া কলেজের ছাত্রী রেহানা তাবাসসুম বলেন, বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তন নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মৌলভীবাজার শহরের শসমশেরনগর রোডের শাহাদাত হোসেন, সজীব, কামাল, আদনান, সোহেল বলেন, নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া আশার বাণী শুনে ২৩ জন বন্ধু আলোচনা করে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলকে ভাগাভাগি করে ভোট দেন। কিন্তু এখন তাদের মনে আশা ভঙ্গ হয়েছে। নির্বাচনের পর শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র সংগঠনের কর্মতৎপরতায় তারা ক্ষোব্ধ। একজন ছাত্র কিভাবে অস্ত্রহাতে প্রকাশ্যে সংঘর্ষ, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মারধর, ছিনতাইয়ে লিপ্ত হতে পারে, তা তাদের কাছে বোধগম্য নয়। আলাপকালে ওই যুবকরা আরো বলেন, সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারে চীফ হুইপ উপাধাক্ষ আব্দুশ শহীদ আর সদর আসনের এমপি সৈয়দ মহসীন আলীর মতো মহাজোট নেতাদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি জেলাবাসীর জন্য দুঃখজনক। বিরোধী দল প্রসঙ্গে নতুন ভোটারদের অভিমত, সংসদ কার্যকর করার জন্য তাদের নিয়মিত সংসদে যাওয়া উচিত। কিন্তু অনেকদিন তারা সে পথে হাঁটেনি। তারা যে দাবিতে আন্দোলন করছে তারও যৌক্তিকতা নেই। তবে মহাজোট সরকারের এক বছরের সফলতা ও ব্যর্থতার পাল্লা ওজনের পূর্ণাঙ্গ সময় এখনও আসেনি বলে নতুন ভোটাররা মনে করেন।

২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×