আমার প্রিয় পোস্ট

আপাতত ঘুরপাক খাচ্ছি!

সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস (Swine Flu Virus- AH1N1) - কিছু কথা!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭

শেয়ারঃ
0 2 0



সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস মেক্সিকো হতে ২০০৯ এর এপ্রিল থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং এ পর্যন্ত বিশ্বের অনেক দেশেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। মেক্সিকো, আমেরিকা, ব্রাজিল, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। ব্রাজিল সবচেয়ে ঝুকির মধ্যে আছে। ব্রাজিলে এ পর্যন্ত সর্বাধিক লোক মারা গেছে, মৃতের সংখ্যা ৫৭৭। আফ্রিকার প্রায় ২০ টি দেশে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ভাইরাস অনেক দেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পরতে পারে বলে বিশেষজ্ঞগণ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশে এই প্রথম রাজধানীর ধানমন্ডির বেসরকারী ল্যাবএইড হাসপাতালে মিতা চক্রবর্তী (৩৫) নামে এক রোগী গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

সোয়াইন ফ্লু?
মানুষের মত শুকরেরও ফ্লু হতে পারে কিন্তু মানুষ যেসব ফ্লু দ্বারা সচরাচর আক্রান্ত হয় সেগুলোর মত না। বর্তমানে যে মহামারী আকারে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছে এর আগে এরকম দেখা যায় নাই। শুধুমাত্র যারা শুকরের সংস্পর্শে আসত তারা আক্রান্ত হত এই ভাইরাস দ্বারা। এখন যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে তা আগের ভাইরাস গুলোর থেকে ভিন্ন কারণ এই ভাইরাসটি একজন থেকে আর একজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। World Health Organization (WHO) এর নাম দিয়েছে "Pandemic (H1N1) 2009" ।

কিভাবে ছড়ায়:
এই ফ্লু ছোঁয়াচে, অন্যান্য মৌসুমী ফ্লুর মত একজন থেকে আর একজনকে আক্রান্ত করে। হাঁচি, কাশি বা করমর্দনের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। যাতে এই ভাইরাস ছড়াতে না পারে এজন্য আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাঁচি, কাশির সময় নাক/ মুখ রুমাল দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এই সময় বাইরে বের হওয়া যাবেনা। তাদের হাত নিয়মিত পরিস্কার রাখতে হবে। যতদূর সম্ভব সুস্থ লোক থেকে দূরে রাখতে হবে।


উপসর্গ:
সববয়সী মানুষের মাঝে এই সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস ছড়ায়। এই ফ্লুর উপসর্গ অন্যান্য ফ্লুর মতই। যেমন তিন দিনের বেশী জর, সর্দি, কফ, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা,শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, অবসন্নতা ইত্যাদি। এই ফ্লু হলে অনেকের এই উপসর্গগুলোর সাথে ডায়রিয়া/ বমিও হতে পারে। এই উপসর্গগুলোর মধ্যে কমপক্ষে দুইটি উপসর্গ থাকে। কিন্তু অন্য কারণেও এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সুতরাং একমাত্র ল্যাবটেষ্টই বলা যেতে পারে রোগী সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত কিনা।

চিকিৎসা:
গত ২৭/০৮/০৯ তারিখ পর্যন্ত ১৪৪ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে Institute of Epidemiology, Disease Control and Research(IEDCR) & National Influenza Centre (NIC), Bangladesh (Mohakhali, Dhaka-1212 ; ; http://www.iedcr.org) থেকে। আজকে পর্যন্ত ২৪৭ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে এবং আগামী ২ সপ্তাহ বাড়বে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেছেন আর টেস্টের দরকার নেই, ফ্লু মনে হলেই চিকিৎসা দিতে হবে, যাতে সোয়াইন ফ্লুর প্রকোপ না বাড়ে। বাংলাদেশে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্লু আক্রান্তের সময়। সিজনাল ফ্লু এবং সোয়াইন ফ্লু নিয়ে গবেষণা করছে IEDCR এবং ICDDR,B (মহাখালী) এবং এখান থেকে ফ্লু টেষ্ট করানো যায়। বর্তমানে সোয়াইন ফ্লুর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এন্টিভাইরাল Oseltamivir এবং Zanamivir, তবে বাংলাদেশে Oseltamivir ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারীভাবে এই Oseltamivir জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হচ্ছে। যার একটি কোর্সে ১০টি ক্যাপসুল থাকে। আপাতত সরকার ৪০,০০০ কোর্স Oseltamivir সংগ্রহ করবে এরপর আরও ২০০০০০ সংগ্রহ করবে ২০০৯ এর ডিসেম্বরের মধ্যে। WHO জরুরী ১১০০০ Oseltamivir; ৮০০০ N95 mask এবং ২০০০০ সার্জিক্যাল মাস্ক পাঠিয়েছে। DGHS, ২০ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক পাঠিয়েছে। Personal Protective Equipment (PPE) জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হচ্ছে। ঢাকার মহাখালীর Chest Disease Hospital (NIDCH) প্রয়োজনীয় সেবা দিতে প্রস্তুত। এ পর্যন্ত ৫০০০ জন ফিজিশিয়ান ট্রেইনআপ করা হয়েছে এবং ৩০ টি জেলায় এই সেবা পাওয়া যাবে। এই বছরের শেষের দিকে বাকী জেলাগুলোতে সেবা পাওয়া যাবে।

প্রতিরোধ ব্যবস্থা:
নিম্নে WHO কর্তৃক প্রস্তাবিত ১০ টি ব্যবস্থার কথা বলা হলো যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে:

১. আপনার হাত পরিস্কর রাখুন: সাবান দিয়ে প্রায়শই হাত পরিস্কার করুন

২. পর্যাপ্ত ঘুমান: অন্ততপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন: কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন যা শরীর থেকে বর্জ্য নিস্কাশনে সহায়ক হবে।

৪. শক্তিবর্ধক খাবার খান: চর্বি জাতীয় খাবারের চেয়ে বেশী করে শস্য, শাকসবজি, ফলমূল খান।

৫. এলকোহল পরিত্যাগ করুন: এলকোহল শরীরের অবসাদ বাড়ায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ করে।
৬. শারীরিক ভাবে কর্মদক্ষতা বাড়ান (শরীরচর্চা): অন্ততপক্ষে সপ্তাহে ৩/৪ দিন দ্রুত ৩০/৪০ মিনিট হাঁটুন। যা শরীরের অবসাদ দুর করবে, ঘামের মাধ্যমে বর্জ্য বের হবে। রক্তের অক্সিজেন সার্কুলেশন বৃদ্ধি পাবে এবং চিন্তা মুক্ত করে শরীরকে চাঙ্গা রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
৭. যেকোন ধরনের সংস্পর্শ থেকে সচেতন হতে হবে: যেমন কারো সাথে করমর্দনের পর বা কারও ব্যবহৃত কলম বা অন্য কোন জিনিস নাড়ার পর অবশ্যই আগে হাত পরিস্কার করতে হবে- তার আগে হাত মূখমন্ডলে দেয়া যাবেনা।
৮. অসুস্থ লোকের সংস্পর্শ পরিত্যাগ করতে হবে: হাঁচি/ কাশির মাধ্যমেই ফ্লু ছড়ায়। সুতরাং রুমাল ব্যবহার করতে হবে এবং ঘনঘন রুমাল পরিস্কার করে নিতে হবে। অসুস্থ লোকের সংস্পর্শ পরিত্যাগ করতে হবে/ নিদেনপক্ষে ২০ ফুট দূরে থাকতে হবে।
৯. কখন সেবা দরকার তা জানতে হবে: সোয়াইন ফ্লু এবং অন্যান্য ফ্লুর মধ্যে বেসিক তেমন পার্থক্য নেই। সুতরাং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তার দেখাতে হবে। যদি আপনার এলাকা সোয়াইন ফ্লু প্রবন হয় তাহলে যথাশীঘ্র ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

১০. সচেতন থাকতে হবে নিজেকে এবং সচেতনতা বাড়াতে হবে।

নিম্নে হাসপাতাল সমূহের নাম দেয়া হল যেখানে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাবে।

সরকারী হাসপাতাল:
১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
২. স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
৩. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
৪. ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর ডিজিজ অব চেষ্ট এন্ড হসপিটাল (NIDCH)
৫. ইনফেক্সাস ডিজিজ হসপিটাল

বেসরকারী হাসপাতাল:
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
২. বারডেম (BIRDEM)
৩. বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ধানমন্ডি
৪. উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল, উত্তরা
৫. হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৬. ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৭. ঢাকা শিশু হাসপাতাল
৮. সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন:
১. মহানগর শিশু হাসপাতাল
২. মহানগর জেনারেল হাসপাতাল (কর্মজীবি হাসপাতাল)

সিটি কর্পোরেশন হেল্থকেয়ার সেন্টার (এনজিও দ্বারা পরিচালিত ৯৫টি)

আরও জানতে চাইলে: প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই

ডিসক্লেইমার: এখানে তথ্যগুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে এবং টিভি ও পত্রিকা থেকে নেয়া। অনেকে হয়ত সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য এখানে তুলে ধরা হলো।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সচেতনতামূলক পোষ্ট ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৩
সায়েম মুন বলেছেন: ভুলত্রুটি থাকলে বা কোন ধরনের পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ করা হল।
২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক-কে।
সাম্প্রতিক সময়ের সবেচে' জরুরী বিষয়ের উপর আলোপাত।
এই বিষয়ে আরো গণসচেতনাতা বাড়ানো দরকার।
সমস্যাটি যাতে প্রবলভাবে ছড়িয়ে না পড়ে আমাদের দেশে।

পোস্টটাকে সর্বউচ্চে আটকে দেবার জন্য
কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: এই বিষয়ে আরো গণসচেতনাতা বাড়ানো দরকার।
সমস্যাটি যাতে প্রবলভাবে ছড়িয়ে না পড়ে আমাদের দেশে।

৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪০
মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখক কে...আরো বেশী করে গণসচেতনাতা বাড়ানো দরকার...++++
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আজকে নাকি আরও ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।
উদ্বেগজনক খবর। কাজেই গণসচেতনতা বাড়ানো দরকার জরুরী।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই আপনাকেও ধন্যবাদ।
প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই।

৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৮
নিবিড় অভ্র বলেছেন: ধন্যবাদ :)
অনেক ধন্যবাদ :)

আমি শুনেছি শ্বাসকষ্টও এর আরেকটা উপসর্গ.... (মানে যাদের পূর্বের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ইত্যাদি নেই)
যদি তাই হয় তবে পোস্টে যোগ করে দেবেন প্লিজ.... :|

সবার সুস্বাস্হ্য কামনা করি...... :)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: যোগ করে দিলাম।

৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
তরু বলেছেন: জরূরি পোস্ট।

প্রিয়তে।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: আজকে পর্যন্ত ২৪৭ জন আক্রান্ত।

অত্যন্ত উদ্বেগজনক ব্যাপার।

তাই প্রতিরোধই হচ্ছে উত্তম পন্থা।

৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: উদ্বেগজনক ব্যাপার।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই উদ্বেগজনক ব্যাপার।

গণসচেতনতা বাড়ানো দরকার জরুরী।

৮. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
আরিয়ানা বলেছেন: খুবই ইম্পর্টেন্ট পোষ্ট। অনেক ধন্যবাদ ইনফরমেশন গুলোর জন্য।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: আরিয়ানা আপু অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ে জানান দিয়ে যাওয়ার জন্য।

৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পোষ্ট ষ্টিকি হলে অনেক উপকারে আসতে পারে।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: সোয়াইন ফ্লু নিয়ে ব্লগে এপর্যন্ত অনেকে লিখেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য যার লিখাটা কর্তৃপক্ষ ভাল মনে করেন সেইটা ষ্টিকি করা উচিত।

১০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পোষ্টের শিরোনাম থেকে ইমোটিকনটা সরিয়ে দিলে ভাল হয়।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: পরবর্তীতে এডিট করার সময় ইমোটিকনটা সরিয়ে ফেলা যেতে পারে।

১১. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১১
হাসান মাহবুব বলেছেন: সোয়াইন ফ্লু নিয়ে এতদিন চিন্তা করতামনা। তবে অবস্থা এখন খুবই বেগতিক এবং ভয়ংকর। আজকে বাইরে মুখোশধারী মানুষদের আধিক্য দেখে তো রীতিমত ভয় পায়া গেসি। পোস্টের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: আমিওতো চিন্তা করতাম না। ভেবেছিলাম মেক্সিকো, আমেরিকা, ব্রাজিল থেকে আমাদের দেশে আসতে আসতে হয়ত সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস নাই হয়ে যাবে। কিন্তু এখনতো দেখি অবস্থা বেগতিক।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!

১৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন: জরুরী পোস্ট... প্রিয়তে অবশ্যই... অসংখ ধন্যবাদ...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কালে কালে বিবর্তনের ধারায়,
রজঃস্বলা তটিনী গিয়েছে ক্ষয়ে,
স্রোতরেখা আঁকা সুখচিহ্ন তার,
গেল বুঝিবা উদয়াস্ত রয়ে।

পটভূমে আঁকা সোনালী কাবিনে,
সদা হাস্যোজ্জ্বল চন্দ্রাবয়ব,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই