আমার প্রিয় পোস্ট

আপাতত ঘুরপাক খাচ্ছি!

সুন্দরবন পরিভ্রমণ (ছবিব্লগ)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0

পোষ্টের গ্রাভিটি বাড়ানোর জন্য আন্তরিকভাবে দু:খিত

প্রাথমিক ক্যাচাল: গত অক্টোবর মাসের ২৬ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত (২০০৯ সালের) GeoDev (Geoscience for Global Development) নামে একটি আর্ন্তজাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় শিল্পকলা একাডেমিতে। যার আয়োজক বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (Geological Survey of Bangladesh সংক্ষেপে GSB); AGID (Association of Geoscientist For International Development); Bangladesh Geological Society; IGEO (International Geoscience Education Organization)
IUGS (International Unon of the Geological sciences).
এটি মূলত ভূবৈজ্ঞানিক গণের সম্মেলন ছিল এবং এই সম্মেলনে বিশ্বের ৩৫ টি দেশের প্রতিনিধি আসেন। সম্মেলন শেষে ২৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সুন্দরবন ট্যুরের আয়োজন করা হয়। হ্যা/ না অপশন থাকায় সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা অনেকেই ট্যুরে যাননি। এই ট্যুরে প্রায় ৮০ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন।

১.

দ্যা বেঙ্গল টুরস থেকে পাওয়া সুন্দরবনের মানচিত্র।

২.

দ্যা গাইড টুরস এর অবসর জাহাজ।

৩.

দ্যা বেঙ্গল টুরস এর ডিংগি জাহাজ।

৪.

দ্যা বেঙ্গল টুরস এর ডিংগি জাহাজের চালক।

জাহাজ থেকে নেমে স্পট দেখার জন্য অবসরের আছে স্পিডবোট এবং ডিংগির নৌকা।
৫.

নৌকায় আমজনতা।

৬.

নৌকায় এক নানীরে দেখা যায়। তিনি নানা সহ এসেছিলেন। নানীর বাড়ি জার্মানী আর নানার বাড়ি ইতালী। নানীর বয়স ৭৫ বছর তিনি ইয়োগা টিচার আর ভেরী স্মার্ট। নানার বয়স ৮৫ তিনি বেশীর ভাগ সময় জাহাজেই ছিলেন কারণ একটু অসুস্থ।

৭.

নাম তার ব্যাঙ্গা আর বাড়ি নাইজেরিয়ায়। ব্যাঙ্গার সাথে আমরা বেশ ব্যাঙ্গাব্যাঙ্গি করেছি। তার সাথে ভালই জমেছিল পোলাপাইনগো। প্রথমে ভেবেছিলাম তার বয়স আমগো লাহান। পড়ে শুনি হের বয়স ৪৭ বছর। আর তিন সন্তানের জনক। সে বেশ বাকপটু। শেষের দিন সে এমন এক বক্তিমা দিয়েছিল। চউক্ষে পানি আয়া পড়েছিল।

৮ থেকে ১১ নং পর্যন্ত করমজল

৮.

ছবিই বলে দিচ্ছে কোন জায়গা। প্রথম পদক্ষেপ এখান থেকেই শুরু।

৯.

ছবির বামপাশের জন আমার কলিগ, দ্বিতীয় জনরে তো চিনেনই, বাম থেকে তৃতীয় জন ভেরোনিকা, অমায়িক একজন মহিলা। সে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে, আসলে সে নাইজেরিয়ান বংশোদ্ভুত। আর একবারে ডানের জন আমার বন্ধু।

১০.

এক মিনি সাইজের বান্দর তার বাচ্চাসহ পোজ দিছে। এই রকম এক বান্ধর আমাদের এক বসের ডান হাতের আঙ্গুলে কামড় দিয়ে রক্ত বের করে দিছে। কারণ বসে তার সাথে ছবি তুলতে চাইছিল, কিন্তু সে মানতে নারাজ আছিল।

১১.

রাশিয়ান এক আবুলরে দেখা যায়। আবুল এজন্য বলতেছি--আমাদের অনুষ্ঠান শেষের দিন শিল্পকলা একাডেমিতে কালচারাল শো চলছিল। সে তখন বাইরে বসেছিল--দুই ছিনতাইকারী এর কাছ থেকে ১০০০ ডলার, পাসপোর্ট, ভিসা সব কাইড়া লইছে। ক্যামেরাটা শুধু হোটেলে ছিল বিধায় রক্ষা পাইছে।

১২ থেকে ১৪ হাড়বাড়িয়া ইকোটুরিজম

১২.

এখানেও ছবি বলছে হাড়বাড়িয়া ইকোটুরিজম স্পট।

১৩.

হাড়বাড়িয়া ইকোটুরিজম স্পটে নাম না জানা গাছ

১৪.

হাড়বাড়িয়ায় লেকের মাঝখানে একটা মাচাং, বসতে ভালই লেগেছিল।

১৫ থেকে ২১ নং ছবি হিরণ পয়েন্ট এলাকার

ইচ্ছে ছিল রাতে হিরণ পয়েন্টে থাকব, কারণ ঐ এলাকায় রাতের বেলা প্রচুর হরিণ দেখা যায়, যাদের চোখ টর্সলাইটের মত জলজল করে। কিন্তু ভাটার কারণে আমাদের জাহাজ আটকা পড়েছিল। যার দরুণ সাগরের সন্নিকটে মোহনার কাছে রাত কাটাতে হয়েছে।

১৫.

অতি প্রত্যুষে হিরণ পয়েন্টের উদ্দেশ্যে।

১৬.


১৭.


১৮.


১৯.

এই সময় মনটা ধুকপুক করছিল। কারণ ব্যাঘ্র মামা অতি সন্নিকটে এসেছিল, বানরের আর পাখির কিচির মিচির ডাক শোনা যাচ্ছিল। তার নমুনা নিম্নের ছবিতে।

২০.

কিছুক্ষণ আগে চলে যাওয়া বাঘের পায়ের ছাপ। আর এই সময় প্রচন্ড আসটে গন্ধ ছিল এই জায়গায়। এর থেকে বোদ্ধাগন বিশেষ করে গাইড এবং সিকিউরিটির লোকজন জানান এই কথা। প্রচুর হরিণই হচ্ছে এই এলাকাটায় বাঘের ঘনঘন যাতায়াতের কারণ। লোকজন কম থাকলে একটারে মনে হয় টাইনা লইয়া যাইত।

২১.

আবারও বাঘের পায়ের ছাপ।


২২ থেকে ৩৯ নং ছবি কটকা সমুদ্র সৈকতের

যাওয়ার পথের দৃশ্য:

২২.

কটকা সমুদ্র সৈকতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

২৩.

এগোচ্ছি মনে হয় সৈকত খুব কাছেই।

২৪.

না সৈকতটা খুব কাছেনা। প্রায় ২ কিমি বাঘের ভয়ে ভয়ে হাঁটতে হয়।

২৫.

এই ছবিটা একটু ভালভাবে লক্ষ্য করুন। সমস্যা হলে পরের ছবিতে যান।

২৬.

(শোনা কথা: বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জাহাজ এখানে ভেঙ্গে পড়েছিল)
কিন্তু প্রস্তরফলকে লেখা:
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে: মতিউর রহমান স্মরণে
বনকর্মচারী, সর্বসাধারণ ও বন্য প্রাণীদের পানীয় জলের জন্য
পুকুর
কটকা, জামতলা
স্মরণখোলা রেঞ্জ
সুন্দরবন বিভাগ, খুলনা।

কিন্তু সেখানে কোন পুকুরও দেখা যায়নি। হয়ত ছিল, কালের প্রবাহে পলি ভরাট হয়ে গেছে।

২৭.

আবারও রাশিয়ান ভদ্রলোক। আসলে লোকটা খুব সহজ সরল।

কটকা সমুদ্র সৈকতে ছুটাছুটি:

২৮.


২৯.


৩০.

পুংটাগুলার আকাম।

৩১.

কি পোজ একেকজনের।

৩২.

অর্ধ দলের ছবি।

৩৩.

এক্কেরে পুরা দলের ছবি।

৩৪.

একজনে কইল রাজকাকড়া। যারে কয় জীবন্ত ফসিল। আমি দেখি স্টিং রে'র মত। যার ল্যাঞ্জার গুতায় অষ্ট্রেলিয়ান কুমির শিকারী স্টিভ আরউইন মারা গেছিল।

৩৫.

কটকা সমুদ্র সৈকতের ভগ্নদশা। সিডরের সময় ধ্বংস হয়েছিল প্রায়, এখন মোটামুটি পুনর্জীবিত হচ্ছে।

৩৬.


সমুদ্র সৈকত থেকে ফিরে আসার দৃশ্য:

৩৭.


৩৮.


৩৯.


সুন্দরবনের কিছু ওয়াচ টাওয়ারের ছবি: ৪০ থেকে ৪২

৪০.

হাড়বাড়িয়াতে এটি।

৪১.

হিরণ পয়েন্টে।

৪২.

কটকা সমুদ্র সৈকত যাওয়ার পথে।

জাহাজ চলাকালীন নদীর দুই তীরের দৃশ্য:

৪৩.

সাদা বক দেখা যায়।

৪৪.

বান্দর আর বক এক ঘাটে পানি খায়।

৪৫.

৪৬.


এর নাম নাকি গোলপাতা। কোন বিশেষ অজ্ঞ যে নামটা দিছে


পাখির চোখে সুন্দরবন যেমন

৪৭.


৪৮.


৪৯.

সান্ধ্যকালীন জাহাজের ডেকে।

৫০.

পুরাটাই টাইটানিকের ঐ দৃশ্যটার লাহান। শুধু কেট আর ডি ক্যাপ্রিও নাই।

৫১.

রাতের বেলা দেশী মুরগীর বার্বিকিউ

সকাল বেলার সূর্য্যি মামা:

৫২.


৫৩.


৫৪.


সান্ধ্যকালীন সূর্য্যি মামা:

৫৫.


৫৬.

৫৭.


৫৮.


৫৯.


৬০.


৬১.



ডিসক্লেইমার: অনেক ঘোরাঘুরির পর একদিন মাত্র বনের মধ্যে গাছগাছালির ফাঁকফোকড় দিয়ে হরিণের দল চোখে পড়েছে। কিন্তু ছবি তোলার সুযোগ পাওয়া যায়নি, তার আগেই তারা চম্পট দিয়েছে। আর এবার হরিণ তেমন একটা চোখে পড়েনি। তাই হরিণের ছবি দিতে পারলাম না বলে দু:খিত। ব্যাঘ্র মামার দেখা না পাওয়ায় তার পায়েরছাপ টুকুই উপস্থাপন করা হলো।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছবিব্লগ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনারেও পিলাচ++++++++++++++++++++

২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
হেমায়েতপুরী বলেছেন:

এই লন আপনের বাগ্গো মামা :)


২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: হালুম----বাঁচাও মোরে :)

৩. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
সহেলী বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ।
এসব ছবি , ক্যাপশন সহ শেয়ারের জন্য।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্ট পড়ে জানান দেয়ার জন্য!

৪. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
খোশনবীশ বলেছেন: Impersonal ছবিগুলো ভাল লেগেছে। ফটোগ্রাফার আপনি হলে আপনার view sense ভাল।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন:
লইজ্জার মধ্যে ফেলে দিলেন:)

ভাললাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৫. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
কালপুরুষ বলেছেন: ছবি ও বর্ণনা সমৃদ্ধ চমৎকার পোস্ট।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: কালপুরুষদা' কে সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

৬. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ পোষ্ট পড়ে জানান দেয়ার জন্য!
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: :)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: :):):)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: হ ঘুইরা আহেন ভাল লাগবে আর মনটা উদাস থেকে চাঙ্গা হবে :-B

৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: পুরাই নস্টালজিক হৈলাম :( সুন্দরবন ট্যুর আমার স্মৃতিময় ঘটনাগুলোর মধ্যে একটা।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আহারে দুস্ক দিলাম মনে লয়! বিশেষ করে রাতের বেলা জাহাজে শুধু পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দ মনে অন্যরকম অনুভূতি এনে দেয়।

১০. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:


আপনি নিশ্চয় জিএসবিতে কাজ করছেন। চমৎকার পোস্ট, দেশে থাকলে নিশ্চয় যোগ দেয়ার সূযোগ পেতাম।সবাইকে শুভেচ্ছা।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: মনোয়ার ভাই তা কি আর বলতে হয়:)
আপনার পরিচয়টা তো দিলেন না :)

আপনি যোগ দিতে পারলে অবশ্যই ভাল লাগত। বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক লোকজন এসেছিল। ভালই মজা হয়েছে, এক সাথে অনেক পরিচিত/ অপরিচিত জিওসাইন্টিস্ট দেখে ভালই লেগেছে।

১১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:
আমি আফিয়া আপার (আপনাদের ডিজি) এক বৎসরের জুনিয়র।কূয়েত অয়েল কোম্পানীতে বিশেষজ্ঞ ভূতাত্ত্বিক হিসেবে কাজ করছি।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার তথ্য জানানোর জন্য, আপনি তাহলে ভাল পজিশনেই আছেন। আমিও আপনার ইউনিভার্সিটির ছোট ভাই। দোয়া রাইখেন ভাই, আর ভাল থাইকেন।

দেশে আসলে/ আমাদের অফিসে আইসেন আর এট্টু দেখা দিয়েন। আমার প্রোফাইলেই পুরা নাম দেয়া আছে। আর আমার পজিশন: এডি।

১২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
শ।মসীর বলেছেন: ভাল লাগল অনেক.......আমিও গিয়েছিলাম একদা।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

তাইলে তো আপনার সুন্দরবন ঘোরার ভালই অভিজ্ঞতা রয়েছে:)

১৩. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: ভাইয়া কি খেয়াল করেছেন বাঘের শুধু দুটো (সামনের আর পিছনের) পায়ের ছাপ পড়ে? মনে হয় মানুষের মতো দুই পায়ে হাটছে!!
২২ আর ৩৯ নম্বর ছবিটা আমার ভাল লেগেছে।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: আসলেই তাই।

২২ আর ৩৯ নম্বর ছবি ভাল লাগার জন্য ধইন্য

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

১৫. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
জ্বীন বলেছেন: ভালো লাগলো ।

ফটো ২৬, "বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জাহাজ এখানে ভেঙ্গে পড়েছিল। তাকে জানাই সশ্রদ্ধ স্যালুট।" - এইটা মানে কি ?

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের যুদ্ধ বিমান যতটুকু জানি পাকিস্তানে ভেঙ্গে পড়েছিল। কাহিনী কি ??
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ভাল লাগার জন্য।

আসলে শোনা কথায় বিশ্বাস করতে নেই, শুধু মাঝেমইধ্যে ছাড়া। কে জানি বলল এখানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জাহাজ ভেঙ্গে পড়েছিল।
কিন্তু প্রস্তর ফলকের মধ্যে লেখা:

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে: মতিউর রহমান স্মরণে

বনকর্মচারী, সর্বসাধারণ ও বন্য প্রাণীদের পানীয় জলের জন্য

পুকুর
কটকা, জামতলা
স্মরণখোলা রেঞ্জ
সুন্দরবন বিভাগ, খুলনা।

কিন্তু সেখানে কোন পুকুরও দেখা যায়নি। হয়ত ছিল, কালের প্রবাহে পলি ভরাট হয়ে গেছে।

এই ক্যাপশনটুকু দিয়ে দিচ্ছি ঐ ছবিতে। পরিশেষে আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

১৬. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
ওমর আশরাফ সুলতান বলেছেন: সুন্দর কখনো দেখা হয়নি, তবে ছবি দেখে এখন লোভ হচ্ছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: সুন্দর তো অনেক কিছুই দেখেছেন:) এবার তাহলে সুন্দর-বন দেখে আসেন:)

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য!

১৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
সুবিদ্ বলেছেন: কমপক্ষে আরো ২ বার যাব ইনশাআল্লাহ

ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: কেন নয় অবশ্যই যাবেন :)

আমি তো লম্বা সময়ের জন্য যেতে চাই!

১৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৯
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: নীলকমল নামে আমি একটা উপন্যাস লেখেছি।

অনেকে আমাকে নিয়ে হেসেছিল আর বলেছিল নীলকমল নামক কোন স্থান সুন্দরবনে নেই B:-/


আমি কখনো সুন্দর বন যাইনি।

কেমন ভয়ঙ্কর :|

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: আপনি তাহলে উপন্যাসিক! উপন্যাস পোষ্ট করেছেন তো ব্লগে?

মানুষের কথায় কিবা যায় আসে যদি নিজের চেষ্ঠা থাকে:)

পারলে একবার ঘুরে আসেন। অনেক ভাল লাগবে।

এবং আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আর যেন ভাল ভাল উপন্যাস রচনা করেন --এ কামনা করি।

১৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
বড় বিলাই বলেছেন: খুব ভালো লাগল। ৩৯ নং ছবির জন্য একটা এক্সট্রা প্লাস।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ!

আপনাকে ডাবল প্লাস:)

২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২
পলাশমিঞা বলেছেন: ভাইজান একখান কথা কই হাইসেন্না, ১৮ নং টা আমার আসল নাম।
আপনারে বলার কারণ, আমি আপনার কবিতা ভালা পাই এবং হুমারে ডরাই। যাতা মারি ধরলে দম বন্ধ হইতে চায়।


শুভ কামনা।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা ঠিকাচে হাসলাম না কিন্তুক 8-|

২১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২
পলাশমিঞা বলেছেন: দুবলারচড় গিয়েছিলেন ( বানান হয়তো ভুল) নীলকমল একবার পোস্ট করেছিলম। ১০ পৃষ্ট পরে ডরেভয়ে মুছেছিলাম।

পূর্বরাগ নামে একটা উপন্যসা আমার সাইটে আছে চাইলে পড়তে পারবেন টাকা দিতে হইবনা :)
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: আমাদের দেখার জন্য স্পটগুলো পরিকল্পিত ছিল--মংলা পোর্ট থেকে প্রথমে করমজল; হাড়বাড়িয়া; হিরণপয়েন্ট; দুবলার চর, কটকা সমুদ্র সৈকত। কিন্তু অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের শেষ মুহুর্তে বেঁকে বসার দরুণ (অবশ্য যথেষ্ঠ কারণও ছিল) দুবলার চর যাওয়া হয়নি। পরে দেখা গেল আমরা অনেক আগেই মংলা পোর্টের কাছাকাছি এসে গেছি। যার দরুণ আর একটা জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। জায়গাটার নাম-জংলার চর।

পূর্বরাগ উপন্যাস পড়ার ইচ্ছে রইল:)

২২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: অসাধারণ!!!

++++++++

প্রিয়তে।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: মে ঘ দূ ত কে অসাধারণ!!! ধন্যবাদ:)

২৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫১
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: হেব্বি হইছে। লোভীমনটা আর লোভ সামলাতে পারছেনা। মনে হয় মার্চেই লোভ-লোপ হবে।
খুবই সুন্দর লাগল। সবগুলো ছবিই সুন্দর হইছে।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০১

লেখক বলেছেন: আপনার কথা হুইনা ভালাই লাগল:)

আপনাকে ২০ টাকার ধইন্যাপাতা:)

আর যত তাড়াতাড়ি পারেন ঘুইরা আহেন।

আর মনে লয় গ্রীষ্মকালে সুন্দরবন ট্যুর কষ্টকর হবেক।

২৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
রাজিব শাহরিয়ার বলেছেন: দারুন হইছে.... সেই সাথে চমৎকার বর্ণনা.....
আপনাকে প্লাস.....
এবং অবশ্যই প্রিয়তে....
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে দারুণ, চমৎকার আর প্রিয় একখান ধন্যবাদ:)

২৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
পুরাতন বলেছেন: দারুন দারুন দারুন
৯ নং ছবির ছেলেটা কেন ওর নাম ভিক্টোরিয়া রাখলো :P
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ:)

৯ নং ছবিতে ব্লাক একজনরে দেখা যায়। তার নাম ভিক্টোরিয়া নয় ভেরোনিকা--সে আসলে মেয়ে মানুষ:)

২৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নানী তো অনেক ইস্মার্ট !

ভেরোনিকা নামটা সুন্দর, ভেরোনিকা ডিসাইডস টু ডাই বইটার নাম মনে পড়ল

বাঘের পায়ের ছাপ !! ওরে বাবা ! বা-ঘ...বা-ঘ ! :-*

ওয়াচ টাওয়ার গুলো কি হরিণ দেখার জন্য ? তাহলে সমস্যা নাই, কিন্তু বাঘ দেখার জন্য হলে একটা কথা আছ, বাঘ যদি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে দেখতে চায় যে, মানুষগুলো আসলে কি দেখে এখান থেকে ! :-&
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: সত্যি কচ্চি নানী অনেক ইস্মার্ট :)

ভেরোনিকা মেয়েটার ব্যবহারও সুন্দর:) আমিতো আবার ইংলিশে উড়োজাহাজ তাই ইংলিশ নভেল খুব একটা পড়া হয়নি :-B

বাঘের ভয়ে ধুকধুক অবস্থা ছিল তখন :((

ওয়াচ টাওয়ার গুলো সুন্দরবনের ওভারভিউ দেখার জন্য! আর বাঘ মামা দেখে ফেললে সমস্যা নাইক্কা:) সুন্দরবনের সিকিউরিটির লোকজন বন্ধুক সহ পিছে/ সামনে থাকে, তাদের ছাড়া ঘুরঘুর করা নিষেধ আছে।

২৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
মুছাব্বির বলেছেন: পোস্ট পড়ে ও ছবি দেখে মুগ্ধ। প্রথম স্থানটা 'করমজল থেকে ঘুরে এলাম গত সপ্তাহে।' আগামী তে সব জায়াগা একসাথে ঘুরে আসার ইচ্ছাটা আরো প্রবল হলো আপনার পোস্টের ছবিগুলো দেখে।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: হ বাকীটা ঘুরে আসুন।

তবে সুন্দরবন যেহেতু বিশালাকার এলাকা- ৫ জেলাতে সুন্দরবন বিস্তৃত। তাই সব জায়গা ঘুরতে পারবেন না হয়ত। মূল জায়গা গুলো ঘুরে আসেন ভাল লাগবে।

২৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১
ওসমানজি২ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। আগামী বছরের প্রোগ্রাম সুন্দরবন। তখন ভীষন কাজে লাগবে। ছবিগুলো অসাধারণ। ++
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

আগামী বছরের সুন্দরবন প্রোগাম সফল হোক এ কামনা রইল।

২৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
পলাশমিঞা বলেছেন: আপনার সাথে আমার কথা আছে,

কথা হল নীলকমল নিয়ে,

সুন্দর বন যাওয়ার পথে কোথাও কি মরুভুমি পাওয়া যায়?
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: সুন্দরবন যাওয়ার পথে মরুভুমি!

কোন মরুভূমি? নাম তো জীবনে শুনিনি:)
মইরা যাওনের আগে হয়ত শুনবার পারুম, সুন্দরবনে মরুভূমি আছে বা সৃষ্টি হইছে:)

৩০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
মাসুদ চৌধুরী বলেছেন: দারুনস +++
আপনার ছবিটি কোনটি???
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: ইসরে দেইখাও বুঝেন নাই--এক্কেরে পুরা দলের লগে আছি:)

৩১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১১
পলাশমিঞা বলেছেন: সায়ম মুন ভাই আমাকে সাহয্য করুন, ঢাকা থেকে ক্সবাজার পরে সুন্দর যাওয়ার পথ নির্দেশ দেন।

সুন্দর বনে কি পাহাড় আছে না নেই :(


উপন্যাস কিন্তু লেখা হয়েছে। সব ঠিকঠাক না থাকলে লোক হাসবেতো।

সুন্দরবনেতো হাতী আছে, না নেই :(
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: ঢাকা থেকে কক্সবাজার সরাসরি যাওয়ার বেশ কিছু গাড়ী আছে সকাল ১০/ সারে ১০ টার দিকে ছাড়ে--ইউনিক/ শ্যামলী পরিবহন। সায়েদাবাদে তাদের কাউন্টার আর ভাড়া ৪৫০ টাকা। এছাড়া মার্সিডিজ বেঞ্চের গাড়ী সৌদিয়া-এসআলম আছে তার ভাড়া ৯০০ থেকে ১২০০ টাকার মত। কক্সবাজার থেকে সরাসরি খুলনা/ সুন্দরবনের গাড়ী আছে কিনা জানিনা। তবে চট্টগ্রাম থেকে খুলনা/যশোর বাসে যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আপনাকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম আসতে হবে। তারপর সেখান থেকে খুলনা।

আর একটা কথা মংলা পোর্টটা কিন্তু বাগেরহাটে, মংলা পোর্টের একটু পরেই সুন্দরবন শুরু। সুন্দরবন ঘুরানোর জন্য দ্য বেঙ্গল টুরস আর দ্য গাইড টুরস এর জাহাজ আছে। তারা ঢাকা থেকে খুলনা যাতায়াত করাবে এসি বাসে, এরপর জাহাজে ঘুরাবে। এরজন্য ২ রাত আর ৩ দিন ব্যয় হবে-- ভাড়া কত জানিনা।

সবচেয়ে ভাল হয় আগে সুন্দরবন ঘুরে আসুন এরপর কক্সবাজার/ এর উল্টোটাও করতে পারেন।

সুন্দরবনে কোন পাহাড় নেই আর হাতি মামাও নেই:)

পার্বত্য এরিয়ায় বিশেষ করে রাঙামাটিতে হাতি দেখেছি।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: সুন্দরবন যেতে চাইলে দ্য বেঙ্গল টুরস অথবা দ্য গাইড টুরস লিখে গুগল সার্চ দিয়ে বিস্তারিত জানলে ভাল হবেক:)

৩২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
অপ্‌সরা বলেছেন: আমিও গিয়েছিলাম গাইড ট্যুরের সাথে।
মুগলী আর তার বড় ভাই আমার বিশেষ পরিচিত। ওর একটা পিচ্চি মেয়ে আছে যার নাম মধুফুল।

পোস্ট টা খুবি মজার আর মনোহরনকারী হয়েছে ভাইয়া !!!
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আমাদেরকে গাইড ট্যুর/ বেঙ্গল ট্যুর দুই কম্পানীরই জাহাজই নিতে হয়েছিল। কারণ পঙ্গপালের সংখ্যা অনেক বেশী।

আমি ছিলাম বেঙ্গল ট্যুরের জাহাজে, তাই মুগলী আর তার বড় ভাইকে চিনতে পারলাম না:(

গাইড ট্যুরের জাহাজ অবসর দেখতে সুন্দর হলেও ওদের চেয়ে বেঙ্গল ট্যুরের সার্ভিস অনেক ভাল। বিশেষ করে খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে- কখন কি ধরনের খাবার দিতে হবে, সে সম্পর্কে তারা বেশ সচেতন এবং রান্নাও অসাধারণ টেষ্টি। এজন্য খাবারের সময় বেশ কিছু ভোজনরসিক পঙ্গপাল আমাদের জাহাজে উড়ে এসে জুড়ে বসত। ষ্টাফদের ব্যবহার অমায়িক।

পরিশেষে পরীকে অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য:)

৩৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১
পলাশমিঞা বলেছেন: আমি এখন কিতা করতাম :((

রি রাইট করতে হবে নাকি?

জঙ্গল আছেতো না তাও নাই :(


আসলে ভ্রমণ করেই এই বইটা লেখতে হবে নতুবা মাইর খাব :|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: জঙ্গল আছে:) বান্দর/ হরিণ/ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি/ কুমিরও কিন্তু আছে:) আছে অসংখ্য নদী-নালা:)
ভ্রমণ করেই বইটা লিখলে ভাল হবেক নইলে ধরা খাওনের চান্স আছে =p~

৩৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২
পলাশমিঞা বলেছেন: হ শুধু ধরা না গনধোলাই হবার চাঞ্চ বেশী।

তয়, ঘটনা হল ওরা কিন্তু সিলেট থেকে যাত্রা শুরু করে। দেশ ভ্রমণে যায়। পথেতো মরুভুমিও মিলতে পারে কি কন ;)
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: হ শুধু ধরা না গনধোলাই হবার চাঞ্চ বেশী:)

তয় আমার হাতে আপনের উপন্যাস পড়লে খপর আছে;) দেশের বহুত জায়গায় গেছি/ যেখানে গাড়ী যায়না সেখানেও নৌকা/ পায়ে হেটে গেছি:)

তয় আর যাই কইরেন উপন্যাসটা এখনই পাবলিশ কইরেন না। দেশটারে মরুভূমি হওনের সময় দেন:)

৩৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
আশরাফুল ইসলাম সাগর বলেছেন: সাবাশ বেটা। ভালো ছবি তুলেছিস। কিন্তু মামা, ঐ "বিশেষ" ছবি তো দিলি না.... :P

আমার যাওয়া হলো না... আফসোস.... তবে রেডি থাকিস, এবার পুরা ব্যাচ মিলে ফেব্রুয়ারিতে আমরা বগা লেক যাবো... :)
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মামা:)
ঐ বিশেষ ছবি তো ইফতেখারের কাছে - ওরে ধর পাইয়া যাবি:)


পুরা ব্যাচ মিইল্লা বগা লেক যাবার বড় শখ। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে হইলে যাইতে পারুম কিনা কইতে পারতেছি না। আমার ফিল্ড শুরু জানুয়ারীর ৬ তারিখে আঠার দিনের জন্য, তাও আবার সিলেটে। এরপর আবার শুরু হবে একটানা ফিল্ড ---এপ্রিল/ মে পর্যন্ত ।

তবে ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে ব্যবস্থা করলে একটা সুযোগ নেওন যাইতে পারে:)

৩৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪২
লালসালু বলেছেন: আমারে সুন্দরবনের নেশা ধরাইয়া দেওনের লাইগা মাইনাস
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আমি নিজেই একখান মাইনাস দিলাম। তাইলে মাইনাসে মাইনাসে পিলাচ হবেক:)

৩৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: দেশে গেলে কাছে লাগবে। আপাতত পোস্টটা নজরে রাখলাম।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ঠিকাচে:)

৩৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭
মেহবুবা বলেছেন: প্রিয়তে থাকবার মত পোষ্ট ।
অনেক ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য ।
@ আইরিন সুলতানা , ভেরোনিকা আলী নামে কিংবদন্তী মুষ্টিযোদ্ধা আলীর সুন্দরী স্ত্রী ছিলেন একজন । সেই থেকে জানবার ইচ্ছে ভেরোনিকা নামের অর্থ ।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য:)

@আইরিন আপু, মেহবুবা আপুর প্রশ্নের উত্তর চাই --দিতাভে:)

৩৯. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫৮
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোষ্ট টার জন্য। অনেক ছবি আছে এখানে। :)
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ -- বাবুনি সুপ্তি!

৪০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২৮
বো কা মা ন ব বলেছেন: আপনার পোষ্টটা তো আরো জোশ। + :P
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন:
তাই নাকি বো কা মা ন ব! :-B

৪১. ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১১
অপলক বলেছেন: সব বিভাগে গেছি। আফসোস এখনও খুলনা বিভাগে যাওয়া হয়নি। সুন্দরবন তো পরের কথা। তবে আপনার ছবিগুলো দেখে খুব ভাল লাগল। ধন্যবাদ।
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: খুলনা বিভাগ তথা সুন্দরবন ঘুরে আসার সুযোগ একদিন ঠিকই পেয়ে যাবেন------------এই বাণী যেন সফলতা পায়:)

৪২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫২
নিশাচর০০৭ বলেছেন: সুন্দর হইছে। ভালো লাগলো অনেক। খুলনা গিয়েছিলাম, কিন্তু সুন্দরবন যাওয়া হয়নি।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন:
ইয়া ঢিসসইও! পিচ্চিটা ক্যাডা - ভয় পাইছি B-))

খুলনা গিয়েছিলেন কিন্তু সুন্দরবন যান্নি খুব খ্রাপ কথা। এরপর গেলে ঘুরে আসবেন:)

৪৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৬
কালিদাষ বলেছেন: thank u vai a i am realy happy to see ur blog and if u and all of our bangaladeshi h elps to elecct sunderbon to build sunderbon as worlds new 7 wonders competition i think u will be care full about this
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: বিভিন্ন মহল এ ব্যাপারে এগিয়ে এসেছেন এবং আসতেছেন। আশা করি আমাদের এই বনটা উপযুক্ত মর্যাদাই পাবে। পোষ্টে আসার জন্য থ্যাঙ্কস কালিদাষ!!

৪৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:১৪
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো ছবির সাথে সাথে বেড়াতে পেরে। কি আর দেব, ধন্যবাদ সাথে + নেন।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আপনাকে ঘুরাতে পেরে ভাল লাগলো!! :)

শুভকামনা রইল!!

৪৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৫৯
সালমাহ্যাপী বলেছেন: আপনার এই পোস্টটা পড়ে আমার সুন্দরবন ট্যুরের কথা মনে পড়ে দেল।কি মজাই না করেছিলাম আমরা সবাই :(
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আমারও মনে পড়লো :(

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৮৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কালে কালে বিবর্তনের ধারায়,
রজঃস্বলা তটিনী গিয়েছে ক্ষয়ে,
স্রোতরেখা আঁকা সুখচিহ্ন তার,
গেল বুঝিবা উদয়াস্ত রয়ে।

পটভূমে আঁকা সোনালী কাবিনে,
সদা হাস্যোজ্জ্বল চন্দ্রাবয়ব,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই