কথা হচ্ছিল বাবা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়ের মধ্যে।
মেয়ে: বাবা, আমার ওজন কত হবে বলতে পারবে?
বাবা: কেন মা, হঠাত ওজন নিয়ে ভাবছিস যে?
মেয়ে: বলই না আমার ও জন কত হবে?
বাবা: কত আর হবে। ২৫/২৬ সের হতে পারে।
মেয়ে: বল কি বাবা, তাহলে তো আমার পড়াশোনা হবে না।
বাবা: পড়াশোনার সাথে ওজনের কি সম্পর্ক?
মেয়ে: স্কুলে আজ টিচার বলেছেন এক মন না হলে পড়ালেখা হয় না। আমার ওজন তো এক মন হয়নি।
-02-
পরীক্ষার হল। বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। হলে সুনসান নীরবতা। হঠাৎ দেখা গেল সেই নীরবতা ভেঙ্গে কয়েকটি ছেলে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে।
শিক্ষক এগিয়ে গিয়ে বললেন, এই ছেলেরা, তোমারা এতো কথা বলছ কেন?
একটি ছাত্র উঠেছ দাঁড়িয়ে বলল, স্যার প্রশ্ন এসেছে সম্রাট আকবরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর। আমরা কয়েক জন মিলে সম্রাট আকবরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করছিলাম ।
এই আর কি।
-০৩-
অনেক পিচ্চি আর মিষ্টি একটি মেয়ে তার মাকে আহ্লাদে গদ গদ হয়ে জিজ্ঞেস করল:
মা, তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
মা বললেন: হ্যাঁ, হয়েছে তো।
মেয়ে: কার সাথে ?
মা: কেন, তোমার বাবার সাথে!
দাদীমণির কি বিয়ে হয়েছে?
হ্যাঁ, হয়েছে তো।
কার সাথে?
তোমার দাদা ভাইয়ের সাথে।
মেয়েটি হাসতে হাসতে বললঃ তোমাদের তো দেখি ভারী মজার ব্যাপার। সবার তো দেখি একই বাড়ীর লোকের সাথে বিয়ে হয়েছে।
-০৪-
জেলার ফাঁসীর আসামীকে বললেন: তোমার শেষ ইচ্ছে কি বল?
আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খাওয়াতে পারবেন?
: তাহলে মরার আগে তুমি শান্তি পাবে?
: জ্বি না স্যার। ওর হাতের রান্না এমন জঘন্য যে তা খেলেই কেবল মরে যেতে ইচ্ছে করে।
-০৫-
জাহাজটি তখন মহাসাগরে । গভীর সাগরে হঠাৎ জোরে শোরে ঝড় উঠল। জাহাজের অবস্থা খারাপ। ডুবে যাবার মতো অবস্থা।
ক্যাপ্টেন সাহেব সব যাত্রীকে ডেকে বললেন, জাহাজের ওজন অনেক বেশী হবার কারণে ডুবে যাচ্ছে। তাই আপনাদের জিনিসপত্র গুলো যার যার কার্ধে তুলে রাখুন। জাহাজ এতো বেশী ওজন বইতে পারবে না। দেরী করবেন না যেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


