স্পেসশীপ স্ক্রুসাকাস-৩ এর সভাকক্ষে মহাবিশ্বের সব বুদ্ধিমান প্রানীর প্রতিনীধিরা অপেক্ষা করছে। সবারি মুখ থমথমে, সবাই চিন্তিত এরকম সভার সাধারণত দরকার পরে না তবে আজকের অবস্থা ভিন্ন অহক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ লাল তারকাপ্রাপ্ত বিজ্ঞানি ন্রুসাক্স-২৯ এর বিচার সভা অনুষ্ঠিত হবে আজ, বিজ্ঞানীদের বিশেষ করে লাল তারকা খচিত বিজ্ঞানীদের দোষগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখা হয় কি এমন অপরাধ করেছে ন্রুসাক্স-২৯ যে আন্তমহাকাশীয় বিচারসভার দরকার হোলো।
কথোপকথন শুরু করলো কৃত্তিমবুদ্ধিমত্তার ওডিসি
মহামান্য ন্রুসাক্স তুমি মহাকাশ আইনের সবচেয়ে প্রাচীন আইন টি ভেঙেছো, তুমি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে শনির চাঁদ থেকে মানব কোষ সংগ্রহ করেছো এবং মানব ক্লোন করার চেষ্টা করেছো এই নিকৃষ্ট অপরাধের ব্যাপারে তোমার কিছু বলার আছে?
মহামান্য ওডিসি আমি আসলে দেখতে চেয়েছিলাম বুঝতে ছেয়েছিলাম মানুষের চিন্তা ধারা আমি জানতে চেষ্টা করছিলাম কেন মানুষ তৈরী নিষিদ্ধ আন্তমহাকাশীয় সংস্থা যখন চাইছে আদিমকাল থেকে এখন পর্যন্ত সব বিলুপ্ত প্রানীগুলো আবার ফিরিয়ে আনতে পুরো মহাবিশ্ব চষে ফেলছে একটি নতুন প্রানীর ফসিলের জন্য তখন মানুষ কেন নিষিদ্ধ থাকবে?
মহামান্য ন্রুসাক্স কোন আন্তমহাকাশীয় সংঘর্ষে অন্য কোন গ্রহের প্রাণীর আঘাতে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানব সম্প্রদায় পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়নি তারা নিজেরা নিজেরা যুদ্ধ করে পৃথিবীকে বসবাসের অনুপোযোগী করেছে এবং শুধু মাত্র নিজেদের নয় ধ্বংস করেছে পৃথিবী নামক গ্রহকে ধারনা করা হয় পৃথিবীতেই সর্ব প্রথম প্রানের বিকাশ হয়েছিলো। এহেন প্রজাতী মহাকাশের শান্তির জন্য হুমকী স্বরুপ।
আপনি নিশ্চই অবগত আছেন মহামান্য ন্রুসাক্স ৫০ আলোকবর্ষ পুর্বে মহান বিজ্ঞানী ঙ্রাঞ অতীতের পৃথিবী থেকে মানব শিশু সংগ্রহকরে
কৃত্রিম উপগ্রহগ পৃ৭৭ এ মানব সভ্যতা স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন এবং পরবর্তিতে তাদের চতুর্থ প্রজন্মের বিজ্ঞানীরা প্রতিপৃথিবী পরিভ্রমনের পরীক্ষা করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন যা সমগ্র মহাবিশ্বকে ধ্বংসের সম্মুখে নিয়ে গিয়েছিলো তারা যদি তাদের প্রতিপৃথিবী পরিভ্রমন যানটি মহাবিশ্বের বাইরে নিয়েযেতে সক্ষম হোতো তাহলে পুরো মহাবিশ্ব ধ্বংশ হয়ে যেত।
এটি ছাড়াও অতীতে যতবার মানব সম্প্রদায় পুন:প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে ততবারি তা এই বিশ্বব্রম্মান্ডের জন্য হুমকীর সৃষ্টি করেছে।
অত্যন্ত দু:খের সাথে জানানো হচ্ছে যে আপনার প্রতিটি কোষ ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
ন্রুসাক্স-২৯ এর মৃত্যুদন্ডের সাথে সাথে সেদিন আন্ত:মহাকাশীয় সভায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মহাকাশে সংগৃহীত সকল মানব কোষ ও ডিএনএ ধ্বংশ করে দেয়া হবে সাথে সাথে মহাকাশের ইতিহাস থেকে মানুষ ও পৃথিবী সংক্রান্ত সকল তথ্য সরিয়ে ফেলা হবে যাতে পরবর্তীতে কেউ মানুষ সৃষ্টির কথা না ভাবে।
যখন ন্রুসাক্স-২৯ এর বিচার সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং মানব সম্প্রদায়ের সকল তথ্য মুছে ফেলা হচ্ছে তখন ন্রুসাক্স-২৯ এর সময়যানএকজোড়া মানবমানবী নিয়ে অতীতের পৃথিবীর দিকে যাত্রা করছে।
ন্রুসাক্স-২৯ পুনরায় মানব সভ্যতার বীজ বপন করলেন নাকি মহাবিশ্বের ধ্বংসের বীজ বপণ করলেন তা সময়ি বলতে পারে।
তবে এই একজোড়া মানবমানবী যে আদম-হাওয়া/অ্যাডাম-ইভ/ মনু-শতাব্দী নামে পরিচিত হইবে না তার গ্যারান্টি দেয়া যায় না
(একটু সাইফাই লিখার অপচেষ্টা করলাম ক্ষমাঘেন্না কইরা দিয়েন)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



