somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হোয়েন দ্য ডগ বাইটস ইটস মাস্টার

১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারেরা একসময় ছাত্রসংগঠনগুলোকে পুষতো। পরীক্ষা ও অন্যান্যক্ষেত্রে অবৈধ ফেবার পাবার আশায় ছাত্র পাতি নেতারা তাদের শিক্ষক প্রভুদের বাজার ঘাট করে দিতো- এমন জনশ্রুতি আছে। কিন্তু দিন এবার বদলেছে। এবার প্রতিশোধ নেবার পালা।
ছাত্রসংগঠনগুলো এখন আর শিক্ষক প্রভুদের নিয়ন্ত্রনে নেই। বরং কেন্দ্রীয় মহাপ্রভুদের নিয়ন্ত্রনে। আর এই মহাপ্রভুদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আর ছাত্রনেতা সমান গুরুত্বপূর্ণ। বরঙ ক্ষেত্রবিশেষে ছাত্রনেতা ভিসির চেয়েও বেশী মর্যাদা পেয়ে থাকে।
নিজেদের পৌরুষে মহাপ্রভুর শক্তি সহযোগে এখন তাই ছাত্রনেতারাই বেশী শক্তিশালী। এককালের শিক্ষক মাস্টারেরা এখন ছাত্রনেতাদের কাছে জিম্মি। তাই আগে হয়তো শিক্ষক ছাত্রকে ধমকাতো আর এখন ছাত্র শিক্ষককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠায়।
যে কুকুর এতোদিন লেজ নেড়ে প্রভুর সব কথায় সায় দিতো, এখন সে ভেংচি কেটে কামড়াতে আসে। শিক্ষক বেটাতো দন্তহীন। তাই তার একমাত্র প্রতিরোধ জলাতংকের টিকা নেয়া। কুকুরের বিষদাত ভাঙার সাধ্য তার নেই।
১০।০৮২০১০ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতে চারজন শিক্ষককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। কারো কিছু করার ছিলো না। সবাই চোখ পাকিয়ে দেখেছে। কারণ, কুকুর জেগে উঠেছে, এবার প্রভুর কামড় খাওয়ার পালা। বলছি না যেসব শিক্ষক মার খেলেন তাদের গুণধর ছাত্রদের হাতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সাপকে ফনা তুলতে সহায়তা করেছেন। তারা হয়তো করেন নি। কিন্তু তাদের পূর্বসূরী শিক্ষকরাতো করেছেন। সুতরাং এর প্রায়শ্চিত্ত হতেই হবে। তাই হচ্ছে। পুর্বসূরী শিক্ষকদের অপকর্মের কুফল ভোগ করছেন এখনকার তরুণ শিক্ষকরা। সর‌্যি, আপনাদের জন্য কিছু করার নেই। পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

কিছুদিন আগে জাহাঙগীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তো উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রায় সবাইকে একসাথে অপদস্ত করেছিলো সেখানকার ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। কিছুই করতে পারে নি ভিসি। মানে মানে সংঘর্ষস্থল ত্যাগ করেছে। মনের আশ মিটিয়ে মারামারি করেছে দুদল ছাত্রলীগ।
যে ভিসি সবার প্রভু তিনিও এখন তার ছাত্রের কাছে নখদন্তহীন বাঘ। কারণ, রাত পোহালে ঐ ছাত্রলীগ নেতা আর ভিসি একই মহাপ্রভুর কাছে যায়।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×