আমার প্রিয় পোস্ট

যে কোন প্রয়োজনে স্বরণ কইরেন: hopelessduniya@yahoo.com এই আইডি তে..এড কইরেন...

:-*আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস রহস্য

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২

শেয়ারঃ
0 36 0

Loose Change নামে আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের উপরে একটি প্রামান্য চিত্র দেখেছিলাম জাপানে থাকতে। এটা গুগল ভিডিওতে আছে; শেষ সংকলনটা প্রায় ১২৯ মিনিট লম্বা। এই প্রামান্য চিত্রতে ৯/১১ তে আমেরিকায় তথাকথিত সন্ত্রাসী হামলার তাৎক্ষনিক টেলিভিশন রিপোর্টগুলোর সাথে আছে কিছু যৌক্তিক বিশ্লেষণ। এতে বেরিয়ে আসছে যে বুশ প্রশাসনের দেয়া ব্যাখ্যা মনগড়া। দুই টাওয়ার ধ্বসে পড়ায় জেট ফুয়েলের কোন ভূমিকা নেই। ওগুলো আগে থেকে পেতে রাখা বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে প্রশাসনের লোকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। ইন্টারনেটের মত একটা মাধ্যম না থাকলে এই ঘটনাটা অতি সহজেই ধামাচাপা দিয়ে ফেলতো সংশ্লিষ্টরা।

এটাকে কনস্পিরেসি থিওরীও বলে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এটা বানানোর সাথে জড়িতদেরকে বিভিন্ন ভাবে নাকাল করা হচ্ছে। মুক্তচিন্তার দেশ আমেরিকার (!) প্রচারমাধ্যমে এটা কখনও প্রচার হয়নি। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার দুটি টিভি চ্যানেল এই রকম আরেকটি ভিডিও প্রচার করে যেটার নাম: 911 in plane site। এই ডিভিডিটি ঢাকার বাজারে পাওয়া যায়। এটা প্রচার করে ঐ চ্যানেলের দায়িত্বপ্রাপ্তরা রাজনৈতীক রোষের মুখামুখি হন, অপরপক্ষে প্রচুর দর্শক এটা প্রচারের সাহস দেখানোর জন্য ধন্যবাদ দেয়।
Click This Link রিপোর্ট)

সংক্ষেপে ঐ বিশ্লেষণমূলক প্রামান্যগুলোর চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরি।

১. প্রথম প্রশ্ন আসে যে ঐ সময়ে বিল্ডিং-৭ কেন একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়লো। টুইন টাওয়ার কম্পাউন্ডে মোট ৭টি বিল্ডিং ছিল। এর মধ্যে টুইন টাওয়ার দুটি এবং বিল্ডিং-৭ মোট ৩টি বিল্ডিং একই ভঙ্গিতে ভেঙ্গে পড়ে। বিল্ডিং-৭ ভেঙ্গে পড়ে আরও ৫/৬ ঘন্টা পরে। এটাতে কোন বিমান আঘাত করেনি, তাই জেট ফুয়েল বা অন্য অযুহাত খাটে না। তবে এই বিল্ডিং-এ গোয়েন্দা সংস্থার অনেকগুলো অফিস (এবং ওয়াল স্ট্রীটের বিভিন্ন কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্ট রক্ষিত) ছিল।

২. বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার মেকানিজমে বলা হয়েছে - অত্যন্ত তাপে স্টীল স্ট্রাকচার ফেইল করে। একটা ফ্লোর আরেকটার উপরে ভেঙ্গে পড়ে আর এভাবে ধারাবাহিকভাবে পুরা দালান ভেঙ্গে পড়ে।
- এটার বিরূদ্ধে প্রথম যুক্তি হচ্ছে: পুরা বিল্ডিং দুইটা মোট ১১ ও ৯ সেকেন্ডে ভেঙ্গে পড়েছে। টুইন টাওয়ারের ছাদ থেকে অভিকর্ষের প্রভাবে কোন বস্তু পড়লেও সেটা মাটিতে পৌছাতে একই সময় লাগবে। অর্থাৎ পুরা ভবনটি মোটামুটি ফ্রী-ফল বা মুক্ত ভাবে পড়ার গতিতে নেমে এসেছে। এক ফ্লোর ভেঙ্গে আরেক ফ্লোরের উপরে পড়লে এবং তার প্রভাবে ভাঙ্গলে সময় আরেকটু বেশি লাগার কথা।
- বিরূদ্ধে দ্বিতীয় যুক্তি হচ্ছে - জেট ফুয়েলে সৃষ্ট আগুনে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২০০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট হতে পারে, আর স্টীল স্ট্রাকচার ভেঙ্গে পড়তে হলে কমপক্ষে ৩০০০ ডিগ্রী তাপমাত্রা দরকার (- এই ব্যাপারে বিভিন্ন মতামত আছে)। এছাড়া ভেঙ্গে পড়ার সময়ও আগুন লাগা ঐ তলাগুলোর জানালাতে মানুষ সাহায্যের জন্য হাত নাড়ছিল। এত তাপমাত্রায় মানুষের বাষ্পীভূত হয়ে যাওয়ার কথা।
- এছাড়া ভবন দুইটা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল, অর্থাৎ আগুনের তেজ ছিল না কারণ সঠিকভাবে জ্বলা আগুনে ধোঁয়ার রং অন্যরকম হয়।

৩. ঐ তিনটি ভবন ছাড়া আগুন লেগে পৃথিবীতে কোন ভবন সম্পুর্ন ভেঙ্গে পড়েনি। (ভাল কথা ভবন-৭ কেন ভেঙ্গে পড়লো ... ওখানে তো জেট ফুয়েলের ছিটেফোটাও পড়েনি)

৪. ৯/১১ এর সকাল বেলা পর্যন্ত ঐ তিন ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব যে কম্পানির হাতে ছিল, ঐ নিরাপত্তা কম্পানির মালিক কে জানেন কি? জেব বুশ - জর্জ বুশের ছোট ভাই।

৫. মোট ৭টি বিল্ডিং-এর মধ্যে শুধুমাত্র ঐ তিনটিই একজন মালিকের লিজ নেয়া ছিল। এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ঐ তিনটি বিল্ডিং-এর নিরাপত্তার জন্য প্রায় সাড়ে তিন বিলিওন ডলারের ইন্সুরেন্স করা হয়েছিল যার মধ্যে সন্ত্রাসী হামলার একটা বিশেষ ধারা/অনুচ্ছেদ ছিল। বিল্ডিং ধ্বংসের পরে দুটি বিল্ডিং দুটি আলাদা সন্ত্রাসী হামলা এই দাবী দেখিয়ে আদালতের রায় পেয়ে উনি ৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ নিয়েছেন।

৬. ফায়ার সার্ভিসের কথোপকথনের টেপ থেকে জানা যায়, ঐ ভবনগুলোর আগুনের অংশগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী পৌঁছে গিয়েছিল এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে বলে রিপোর্ট করছিল। (- এই টেপ অনেকদিন পর আদালতের নির্দেশে অবমুক্ত করা হয়)

৭. ভবন ভেঙ্গে পড়ার ভিডিওগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখলে দেখা যায় যে যেই তলা ভাঙ্গছে সেই তলা থেকে বেশ কয়েক তলা নিচের জানালাগুলো থেকে বিষ্ফোরণের ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। (ধারাবাহিক ভাবে)। এছাড়া তাৎক্ষনিক টিভি রিপোর্ট এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীদের রিপোর্টেও ভবনের ভেতরে প্রচুর বিষ্ফোরণের কথা এবং ক্লিপ আছে - যেগুলো ঐ একবার ছাড়া আর প্রচার হয়নি!

৮. এক তলার উপরে আরেক তলা ভেঙ্গে পড়লে খুব জোরে ছিটকে কিছু বাইরে আসার কথা না। কিন্তু আশে পাশের ভবনে অনেক ভারী বস্তুকে গেথে থাকতে দেখা গিয়েছে যেটা বিষ্ফোরণের শক্তি ছাড়া সম্ভব না। (ছড়িয়ে পড়ার জন্য আনুভুমিক বল আসলো কোথা থেকে)

৯. ভবন ভেঙ্গে পড়ার মোট সময়, নিচের ফ্লোরগুলো থেকে ধারাবাহিক বিষ্ফোরণের ধোঁয়া এবং কেন্দ্রে সুনিয়ন্ত্রিত ভাবে ভেঙ্গে পড়া দেখে বোঝা যায় যে টুইন টাওয়ার এবং ভবন ৭ আগে থেকে পরিকল্পিত ভাবে পুতে রাখা বিষ্ফোরকের সাহায্যে কন্ট্রোল্ড ডিমোলিশনের মাধ্যমে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। (রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট-এ এ ধরণের ভবন ধ্বংস দেখায় মাঝে মাঝেই - শতকরা ১০০ ভাগ সাদৃশ্য)

১০. এই ঘটনার ফলে লাভবান হয়েছে কারা (মোটিভ?)। এটাকে অযুহাত বানিয়ে দ্রুত জনগণের সমর্থন নিয়ে ইরাক আক্রমণ করা হয়েছে। আর যুদ্ধ মানেই যুদ্ধাস্ত্র ... আর সেগুলো কেনা হয় সমরাস্ত্র কারখানা থেকে --- ওগুলোর মালিক কে? সরকারী কোষাগারের টাকা সহজেই তাদের পকেটস্থ।

১১. ক্রাইসিস সৃষ্টি করে জনগণের সমর্থন আদায়ের কৌশল অনেক পুরানা রাজনৈতীক কৌশল।

১২. যেই বিমানগুলো টাওয়ারে আঘাত করেছিল তাৎক্ষনিক রিপোর্টে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছে যে ওগুলোতে কোন জানালা ছিল না। প্রথম আঘাতের মাত্র একটি ভিডিও ফুটেজ আছে তাই পরিষ্কার ছবি দিয়ে সত্যতা যাচাই করা যাচ্ছে না, কিন্তু ২য় আঘাতের বিভিন্ন ক্যামেরার ভিডিও ফ্রেম বাই ফ্রেম দেখলে দেখা যায় যে ঐ বিমানটি স্বাভাবিক কোন বিমান নয়। বিমানের নিচে পেটের মধ্যে বিশাল কিছু একটা লাগানো। এই ধরণের বিমান সেনাবাহিনী রিমোটকন্ট্রোল বিমান হিসেবে ব্যবহার করে ... যার কিছু ছবি দেখলে এই দুইয়ের সাদৃশ্য বোঝা যায়।

১৩. দুইটি বিমান ভবনে আঘাত করার ঠিক আগ মূহুর্তে (সেকেন্ডের ভগ্নাংশ) আঘাত স্থলের ভেতরে বিষ্ফোরণের আলো দেখা যায়। সম্ভবত জেট ফুয়েল প্রজ্জ্বলন নিশ্চিত করার জন্য ওগুলো করা হয়েছে। (911 in plane site)

১৪. পেন্টাগণে আসলেই কোন বিমান আঘাত করেছে বলে মনে হয় না। বিস্তারিত বিশ্লেষন 911 in plane site এবং loose change এ বলা আছে।

১৫. সাজানো ঘটনার মনগড়া রিপোর্ট আগেই ওদের নিয়ন্ত্রনাধীন সমস্ত চ্যানেলে চলে গিয়েছিল। বিবিসির একটা রিপোর্টে রিপোর্টার বলছে ভবন-৭ ও ধ্বসে পড়েছে, কিন্তু তখনও তাঁর পেছনে ভবন-৭ দাঁড়িয়ে ছিল এবং আরও ২০ মিনিট পরে ওটা ধ্বংস হয় wink।

ডকুমেন্টারিটা দেখলে আরো অনেক কিছুই জানতে পারবেন। বিষ্ফোরণের শব্দ বিশ্লেষন দেখানো আছে -- সেটাতেও বিষ্ফোরণ করানো হয়েছে বোঝা যায়।

আমার কাছে 911 in plane site এর ডিভিডি আছে, দোকানেও পাবেন। আর loose change এবং 911 misteries -part 1 নামে দুইটা ভিডিও ডাউনলোড করেছি (প্রায় ৩০০মেগা)। কেউ চাইলে সিডি বা পেন ড্রাইভে নিতে পারেন। কিংবা ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে।
http://www.question911.com/linksall.htm

যাদের ইন্টারনেট স্পীড বেশি তাঁরা লুজ চেঞ্জ - গুগল ভিডিও থেকে দেখতে পারেন। এটা ইন্টারনেটে সর্বাধিক দেখা ভিডিওগুলোর একটি।
http://video.google.com/videoplay?docid … 8768610598

------লেখাটি লিখেছেন প্রজন্ম ফোরামের সমন্বয়ক শামীম ভাই

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫
অ্যালন বলেছেন:
ইউটিউবে বৈশা দেক্লেই পাবেন সবুত্তর..
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: জি...
ঠিক তাই

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫
টুশকি বলেছেন: পুরা পোস্ট টা পড়তে এবং মাথায় ঢুকাতে অনেক সময় নিবে। পরে অন্য সময় পড়ে দেখব পারলে
তুমি জাপানেও থাকতা?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: না
------লেখাটি লিখেছেন প্রজন্ম ফোরামের সমন্বয়ক শামীম ভাই

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৭
খলিল মাহমুদ বলেছেন: বিশ্লেষণটি ভালো লাগলো। দেখি ডাউনলোড করা যায় কিনা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ওকে

৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
ফয়সালরকস বলেছেন: এ বিষয়ে বহু আগে (২০০৩ এর শেষে সম্ভবত) একটি ওয়েব লিংক খুজে পেয়ে অফলাইন ব্রাউজার দিয়ে নামিয়েছিলাম। ভিডিও, ইমেজ, লিংক এর পর লিংক ইত্যাদি সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ মেগা হয়ে গিয়েছিল। পরে গবেষনা করার ইচ্ছা ছিল কিন্তু যথারীতি ক্রাশ। আবার অনেকদিন পর মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ। আবার শুরু হবে ইনশাল্লাহ।+
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
নীল চাঁদ বলেছেন:
loose change এবং 911 misteries -part 1 এই দুইটা ক্লিপ স্পীডজনিত কারণে ডাউনলোড করা সম্ভব নয়। দয়া করে আপনার সথে যোগাযোগ করার জন্য ইমেইল কিংবা কন্টাক নাম্বার টা কি দিবেন?
৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
হোরাস্‌ বলেছেন: আমি একটা প্রশ্নের উত্তর খুজতেছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই আল-কায়দা বা ওসামা বিন লাদেন বা মোল্লা ওমর গত সাত বছরে শত শত অডিও ভিডিও (এবং ওয়েব সাইটে) দিয়ে অসংখ্য বার অসংখ্য বিষয়ে সারা পৃথিবীর মানুষকে বিভিন্ন মেসেজ দিলেও একটি বারের জন্যেও তারা টুইন টাওয়ারের ঘটনা অস্বীকার করেনি। কেন? যে কাজটা তাদের সর্বপ্রথম করার কথা সেইটা এই সাত বছরে একবারও উল্লেখ করেনি। বরং তারা অসংখ্য বার বলেছে প্রয়োজন হলে তারা আবারও টুইন টাওয়ারের মতো ঘটনা ঘটাবে। এই সবই আরব মিডিয়া (বিশেষ করে আল জাজিরা) থেকে পাওয়া। প্রকারন্তরে তারা তো দোষটা স্বীকারই করে নিলো। এইটা তো নির্দোষ ব্যক্তির আচরণ না। কেউ যদি নিজেকে নির্দোষই দাবী না করে তাহলে আদালত (জনগন) তাকে কিভাবে নির্দোষ হিসাবে রায় দেবে?
১০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৬
চাণক্য বলেছেন: @ হোরাস--


বালক মিথ্যা প্রচারণা কেন করিতেছ হে? এই পর্যন্ত লাদেন কিংবা মোল্লা ওমর কখনই স্বীকার করে নাই যে তাহারা টুইনটাওয়ারে হামলা করিয়াছে।

যাহারা করিয়াছে লাদেন তাহাদের কর্মকান্ডকে সমর্থন জানাইয়াছে, কিন্তু নিজেরা করিয়াছে বলিয়া স্বীকার করে নাই কখনও।

লাদেন যদি আমেরিকাকে নাকানি চুবানি খাওয়াইবার এহেন কর্মকান্ডে জড়িত থাকিত তবে অবশ্যই ইহার ক্রেডিট লইতে চাহিত। কিন্তু সে ইহা কখনই করে নাই। ইহা বিশ্লেষক দিগের নিকট, লাদেন তথা আল কায়দার চরিত্রের সাথে বেখাপ্পা ঠেকিতেছে। কারন লাদেন যদি আক্রমন না করিয়া স্বীকারই না করিবে তো আক্রমন করিয়া লাভই বা কি হইবে।

বৎস, মিথ্যা প্রচার হইতে বিরত হও, পরকাল বলিয়া যদি কিছু থাকিয়া থাকে তবে সেথায় সত্য কথন কাজে আসিবে।।
১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫৭
ধীবর বলেছেন: ্জলজ্যান্ত প্রমান থাকা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে যারা আল কায়েদা বা মুসলমানদের দোষ দিতে কার্পন্য করছেন না, তারা আসলে মিথ্যে প্রচারনার অসহায় শিকার অথবা ইসলামের প্রতি চরম বৈরি।

লেখক সাহসিকতার সাথে কিছু সত্য তথ্য তুলে ধরলেও এতে ঘৃণাবাদিদের সন্তুস্ট করা যাবে বলে মনে হয় না। ধন্যবাদ ও প্লাস @ লেখক।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
হাল্ক বলেছেন: চমৎকার লাগল।
১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
শামস শামীম বলেছেন: এটা আমেরিকার সাজানো। সায়েন্সজোনের ব্যাখ্যাগুলো যথেষ্ট যুক্তিসংগত।

ভারতের বোম্বের ঘটনাটিও আমার কাছে সাজানো মনে হচ্ছে। হয়তো দেরীতে এর প্রমাণ মিলবে।
১৫. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
মুসাফির... বলেছেন: ভাল পোশ্ট - ,সোযোগ দিয়ে পড়লাম।
১৬. ০৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
মুসাফির... বলেছেন: ভাল পোশ্ট - , মনোযোগ দিয়ে পড়লাম।
১৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭
ব্রাইট বলেছেন: খাইসে! পুরা বিগ ব্যাং থিওর্রী
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: :) বুজতে হবে

১৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৩
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: যেইটযেইস্টে দেখছিলাম, ঐ ডকুমেন্টরীটা বেশী ভালো ।দেইখেন।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ওকে ভাই-, ধন্যবাদ

১৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: দেখতে হবে মনে হচ্ছে। ভাল লাগে না পৃথিবী ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২৫

লেখক বলেছেন: আসলেই ভালো লাগেনা. . .

২০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
লুজ চেন্জ কি বাংলাদেশে পাওয়া যায়। টরেন্ট ডাউনলোডে একেবারে মাসখানেক লেগে যায়। প্রিয়তে নিলাম। প্লাস।
২১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩
ভাইটামিন বদি বলেছেন: ভাল লাগল....

সবই ক্ষেমতা এবং হালুয়া-রুটির হিসাবরে ভাই....!!!
২২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:২৭
দ্যা রক্ বলেছেন: লাউডার দেন ওয়ার্ডস.. লুজ চেন্জ। এই লিংক গুলো নিয়ে গবেষনা করেছিলাম সেই ২০০৬ এ। অসাধারণ যুক্তি তত্ব।
উপরে একজন কমেন্ট করেছিলেন যে.. আল কায়েদা কেন এর দোষ স্বীকার করল?
উত্তর: মুনাফেক নামক একটি শব্দের সাথে কি আপনি পরিচিত?
২৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩২
শেরজা তপন বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ- সুযোগ পেলে ডকুমেন্টারী গুলো দেখে তারপরে য়ের মন্তব্য করব!
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩
বাবুআনা বলেছেন: একসিলেন্ট!!!!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: হয়তো

২৫. ০৫ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৬
আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন: কিছু লোক কিছু বিশেষ কথা শুনে খুশি হয়। লেখক খুব বড় পন্ডিত এবং বিশ্লেষক।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি দেখিনি,
আমি জানিনি,
আমি শুনিনি অনেক কিছু.............
আমি চাইনি,
আমি পাইনি,
তবু ঘুরেছি..............................
তোমার পিছু।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই