আমার প্রিয় পোস্ট

জেলাসমূহের নামকরণ (পর্ব-৩)

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

পর্ব-১
পর্ব-২


সব কিছুর নামকরণের একটা বিশেষ কারণ থাকে বা বিশেষ কোন পরিস্থিতির কারনেই কোন স্থান, কাল বা পাত্রের নামকরন করা হয়। বিভিন্ন জেলার নামকরণ কিভাবে হলো, তার প্রচলিত ধারণাগুলো নিচে দেয়ার চেষ্টা করলাম। এ পর্বে দেখুন-


রংপুরঃ রঙ্গপুর থেকে রংপুরের উৎপত্তি। ’রঙ্গ’ অর্থ আনন্দ আর ’পুর’ অর্থ স্থান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ এখানে চম্পাবতী নামে একজন সুন্দরী বাঈজী বাস করতেন। তিনি নাঁচের কারণে নবাবদের প্রিয় ছিলেন। তার নাম থেকে চাঁপাই এবং নবাবরা নিয়মিত আসতেন বলে নবাবগঞ্জ। এই দুইয়ে মিলে নাম হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ।


জয়পুরহাটঃ রাজা জয়পালের নামানুসারে জয়পুরহাটের নামকরণ করা হয়েছে।

নওগাঃ এক সময় ৯টি ছক বা মহল্লা নিয়ে একটি জনপদ গঠিত হয়। সন্নিহিত এই ৯টি ছক বা মহল্লা থেকে কালক্রমে নওগাঁ নামকরণ হয়েছে।

দিনাজপুরঃ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি দীনুজ রায়ের নামানুসারে দিনাজপুর হয়। আবার কেউ কেউ মনে করেন রাজা দীনুজ মর্দন দেবের নাম থেকেই দিনাজপুর নাম হয়েছে।

গাইবান্দ্ধাঃ রাজা বিরাঠের গো-চারণ ভুমিতে গাভী বা গাই বেঁধে রাখা হতো, এই থেকে গাইবান্দ্ধা নাম হয়েছে।

কুড়িগ্রামঃ মহারাজা বিশ্বসিংহের দ্বারা কুড়িটি পরিবারকে উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুরূপে স্বীকৃতি দিয়ে এই অঞ্চলে প্রেরণ করেন। এই কুড়িটি পরিবারের আগমনের কাহিনী থেকে নামকরণ করা হয় কুড়িগ্রাম।

লালমনিরহাটঃ রেল শ্রমিকরা বনজঙ্গল কাটতে গিয়ে লালমনি পেয়েছিল বলে লালমনিরহাটের উৎপত্তি। অনেকের মতে, ফকির মজনু শাহ’র ঘনিষ্ঠ ধর্নাঢ্য এক মহিলা যার নামানুসারে লালমনিরহাট নামকরণ করা হয়।


নীলফামারীঃ ব্রিটীশ আমলে এখানে একটি নীল চাষের বড় ফার্ম ছিল। নীল ফার্ম বা নীল খামার থেকে পরে হয়ে যায় নীলফামারী।

পঞ্চগড়ঃ পাঁচটি গড়ের সমষ্টি পঞ্চগড়। গড়গুলো হলো- পীরগড়, রাজগড়, ভিত্তর গড়, সিদ্ধেশ্বরী গড় এবং গোসেন গড়। এই পাঁচটি গড়ের জন্যই নাম হয়েছে পঞ্চগড়।

ঠাকুরগাঁওঃ নারায়ণ চক্রবর্তী ও যতীশ চক্রবর্তী নামে দুই ভাই বাস করতেন এখানে।তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তির কারনে তাদের বাড়িকে বলা হতো ঠাকুরবাড়ি। এই ঠাকুরবাড়ি থেকেই পরবর্তীকালে নাম হলো ঠাকুরগাঁও।

চুয়াডাঙ্গাঃ নবাব আলীবর্দী খাঁর হরিণ চুরির অপরাধে অভিযুক্ত চুয়া মল্লিককে স্বপরিবারে এখানে নির্বাসন দেয়া হয়। চুয়া মল্লিকের নামানুসারে পরে চুয়াডাঙ্গা হয়।

মাগুরাঃ মাঘ নামটি এতই পরিচিত ছিল যে, পর্যায়ক্রমে এই মাঘ থেকে মাগুরা হয়েছে। কেউবা বলেন, এখানে অনেক মাগুর মাছ পাওয়া যেত বলে নাম হয়েছে মাগুরা।

নড়াইলঃ নড়াইল জমিদার পরিবারের নামানুসারে নড়াইল হয়েছে।

ঝিনাইদহঃ এখানে নদীর ধারে ঝিনুক কুড়ানো শ্রমিকদের বসতি গড়ে ওঠে এবং ঝিনুক কুড়ানো অঞ্চল নামে পরিচিতি লাভ করে। ঝিনুককে আঞ্চলিক ভাষায় বলে ঝিনাই আর দহ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। এই দুয়ে মিলে ঝিনাইদহ নামের উদ্ভব।



....চলবে

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পুরোনো পত্রিকা থেকে ;
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও...

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: চলুক। বেশ ভালো একটা কাজ হচ্ছে।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন:
@ ভাল পোস্ট!


ধন্যবাদ, তো (!) কেন?

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: শিক্ষনীয় ..........ধন্যবাদ। রইল।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও...

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে....।

৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
স্বপ্নকথক বলেছেন: চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা নামকরনের সঠিক তথ্য বা পাথুরে প্রমাণ পাওয়া যায় না। ১৯৯৭ সালের রেকর্ডে চুয়াডাঙ্গার নাম "চুঙ্গডাঙ্গা" হিসেবে উল্লেখ আছে। সৈয়দ আব্দুস সামাদ তাঁর 'চুয়াডাঙ্গা গেজেট'-এ বলেছেন, "চুয়াডাঙ্গা নামটা সম্ভবত চুংগু (Chungo) মল্লিকের ডাক নাম থেকে এসেছে। চুংগু মল্লিক ছিলেন মুন্সী জান মহাম্মদের পূর্বসূরী এবং পাকিস্থানের সাবেক মন্ত্রী ডাঃ এ এম মালিকের প্রপিতামহ"
এ সম্পর্কে "কুষ্টিয়ার ইতিহাস" গ্রন্থে বলা হয়েছে, "চুয়াডাঙ্গার নাম অনুসারে মনে হয় কোন এক সময় ভৈরব নদের চর হিসাবে জেগে উঠেছিল।
"চুয়া" শব্দের অর্থ উঁচু ও পরিস্কার ডাঙ্গা। শব্দগত ভাবে স্থানটির অর্থ হয় পরিস্কার ডাঙ্গা এবং এই ভাবেই স্থানটির নাম হওয়া অসম্ভব নয়"।
-সূত্র "চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাস"- (হামিদুল হক মুন্সী)

আপনার লেখাটির সূত্র জানতে পারলে ভালো লাগতো।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন:
একদিন প্রতিদিন
দৈনিক যুগান্তর
০৯.০১.২০০৫

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গঠনমূলক সমালোচনা করুন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই