বাঙালি শিক্ষিত সমাজ-বিএলএস
প্র্রস্তাবনা
বাংলাদেশের বীর বাঙালিরা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা করে জাতীয় স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর পরও আমরা দেশটিকে সমৃদ্ধশালী দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। জন্মের সময় জনসাধারণ ছিল মাত্র ৭.৫ কোটি। সময়ের আবর্তনে আজ ১৫ কোটির বেশি। বাংলাদেশ ষড়ঋতূর দেশ। কৃষি ও শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে আভ্যন-রীন সম্পদ বৃদ্ধি না করতে পারলে আমাদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত। সময়ের বিবর্তনে উন্নত বিশ্বের যাবতীয় সুবিধা এখন আমাদের থাকলেও আর্থিক দৈন্যতার জন্য আমরা সকলে ভোগ করতে পারছি না। কারণ, আমরা সময় থেকে অনেক দূরে। মানসিকতা বৃটিশ আমলের। যারা সনদধারী শিক্ষিত তারাও অধিকার ও দায়িত্ব সচেতন নয়। তাই সমকালীন শিক্ষার অভাবে আমরা একটা বিশৃঙ্খল জাতিতে পরিণত হয়েছি। এজন্যে মানব সূচক উন্নয়নে আমরা ১০০% দূর্ণীতিগ্রস' দেশ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছি। যারা রাজনীতি করি তারা এর দায়ভার একে অন্যের ঘারে চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টায় ব্যস্ত। সুস্থ রাজনীতি আজ অনুপস্থিত। সকল দুর্ণীতির মূলে রয়েছে ক্ষুধা ও আর্থিক অনিরাপত্তা। কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের সহজ লভ্যতার জন্য আজ তথ্য আদান প্রদান সহজ হয়েছে। পৃথিবীর যাবতীয় পদ্ধতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় গাণিতিক পদ্ধতিতে (পারমাণবিক গঠন অনুযায়ী) সুশৃংখল ভাবে কেনা বেচা করে সমাজের সকলে মিলে অল্প সময়ে আমাদের মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি করা যায়। বেকার ও সমাজের সকলকে এই পদ্ধতিতে আত্মনির্ভর করে গড়ে তুলে সমবায় ভিত্তিক পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব। সম্ভব বৃহত শিল্পও।
আয় বৃদ্ধি পেলে জনগণকে সম্ভব অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা। বাংলাদেশ একটি পরিবার। একটি সংগঠনও। কোন সংগঠনের সদস্যের দরকার ঐ সংগঠনের নিয়ম কানুন জানার জন্য সংবিধান পড়া। যিনি সংবিধান জানেন না তিনি ভোটার কিন' সুনাগরিক নন। দুঃখের বিষয় এদেশের অনেক উচ্চ শিক্ষিতরাই সংবিধান পড়েন না। সাধারণদের কথাতো বাদ।
তাই সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে আমি মেহ্দী হাসান দোহা বরিশাল-এর কয়েকজন বিভিন্ন পেশার তরুনকে ‘বাঙালি শিক্ষিত সমাজ-বিএলএস Bangali Literary Society-BLS নামক একটি সমকালীন সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তাব করি। যাহা বিজয় দিবস ২০০৪-এ সাংগঠনিক রূপে আত্ম প্রকাশ করে। এখানে শিক্ষিত বলতে আমরা বুঝাচ্ছি যে, সমকালীন যাবতীয় ব্যাক্তিগত ও সামাজিক কর্মকান্ডে পারদর্শী ব্যাক্তিই শিক্ষিত। সনদ অর্জন করা বাধ্যতামূলক নয়।
লক্ষ্য - করণীয়
একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার জন্য সকল জনগণকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। বিএলএস প্রাথমিকভাবে বরিশাল শহরের প্রতিটি পরিবারকে কম্পিউটার ভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ২০,০০০/- টাকা মাসিক আয়ে উন্নীত করার জন্য কাজ করে যাবে। কারণ, এই পদ্ধতির অপব্যবহারকারী মাল্টি-লেভেল কোম্পানি গুলোর খপ্পরে পরে ইতিমধ্যে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে একটা শ্রেনী হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। বিএলএস শুধুমাত্র সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে সকলের নিশ্চিনে- অংশগ্রহণের পথকে সুগম করেছে এবং মাল্টি-লেভেল প্রতারনার হাত থেকে রক্ষা করছে।
পর্যায়ক্রমে বরিশাল শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএলএস এর শাখা প্রতিষ্টা করা হবে। সময় উপযোগী এই আন্দোলনকে গতিশীল করে নিজস্ব স্বেচ্ছা সেবকদের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে সমগ্র দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে একটি সুখি সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ গড়াই বিএলএস এর একমাত্র লক্ষ্য। বিজয় দিবসে এই অঙ্গীকার নিয়েই বিএলএস এর আত্মপ্রকাশ।
১.আয় বৃদ্ধি প্রাপ্ত পরিবার গুলোকে নিয়ে একটি সমকালীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
২.একটি কন্ট্রোল রুম প্রতিষ্টা করে যে কোন নাগরিকের যে কোন জরুরী সেবা প্রদান করা।
৩.মরহুম সাংবাদিক মাইনুল হাসান স্মরণে মেরুদন্ড নামে একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ।
৪.একুশ শতক নামে একটি জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করা ।
একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার জন্য সকল জনগণকে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার বিকল্প নেই। বিএলএস প্রাথমিকভাবে মাল্টি লেভেল পদ্ধতিতে বরিশাল শহরের প্রতিটি পরিবারকে কম্পিউটার ভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ৫০,০০০/- টাকা মাসিক আয়ে উন্নীত করার জন্য কাজ করে যাবে। কারণ, এই পদ্ধতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবে ইতিমধ্যে অনেকেই ক্ষতিগ্রস' হয়েছেন। অন্যদিকে যারা বুঝতে পেরেছেন, তারা আয় করিতেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বিএলএস শুধুমাত্র সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে সকলের নিশ্চিন্তে অংশগ্রহণের পথকে সুগম করেছে। পর্যায়ক্রমে বরিশাল শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএলএস এর শাখা প্রতিষ্টা করা হবে। সময় উপযোগী এই আন্দোলনকে গতিশীল করে নিজস্ব স্বেচ্ছা সেবকদের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে সমগ্র দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে একটি সুখি সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ গড়াই বিএলএস এর একমাত্র লক্ষ্য। বিজয় দিবসে এই অঙ্গীকার নিয়েই বিএলএস এর আত্মপ্রকাশ।
বাংলাদেশে ৫৬টির বেশী কোম্পানী বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যবসা করে যাচ্ছে। পর্যালোচনা করলে দেখা যায় মাত্র একটি কোম্পানী বাংলাদেশের জনগণ, পরিবেশ ও সময়ের সাথে গতিশীল। বিএলএস তার দেশ গঠন প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে এই কোম্পানীকে বেছে নিয়েছে ।
সফল কার্যক্রম
১. পৃথিবীর বিজ্ঞানী সমাজের সাথে একযোগে ২০০৫ সালকে আইনস্টাইন বর্ষ হিসাবে পালন ।
২. জানুয়ারী ২০০৫ আগুনমুখা নামে একটি অর্ধবার্ষিকী সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ।
৩. ২৬ মার্চ ২০০৫ ইডিপি-বিএলএস প্রকল্প প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে শুরু ।
৪. বিএলএস বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ -এর নিবন্ধন লাভ ২৪ মে ২০০৬
বর্তমান কার্যক্রম
১। আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ইডিপি-বিএলএস কার্যক্রম।
২। সামাজিক নিরাপত্তার জন্য সকল নাগরিককে সংবিধান শিক্ষায় সচেতন করা।
ইডিপি-বিএলএস
পারমাণবিক গঠন পদ্ধতিকে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজে লাগিয়ে ইডিপি-বিএলএস প্রকল্পের মাধ্যমে মাত্র ২৮০০+২০০= ৩০০০/- টাকার পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে মাসিক ২০,০০০/- নিশ্চিত আয়ের ব্যবস'া করা। বিএলএস সময় ব্যবস'াপনা সফটওয়্যার দ্বারা পূর্ব নির্ধারিত নিবন্ধনের মাধ্যমে মাত্র ৩০০০/- টাকা পন্য ক্রয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করিয়ে একজন গ্রাহককে ১ মাস পর ২য় মাসের প্রথম সপ্তাহে ৫০০/- টাকা, দ্বিতীয় সপ্তাহে ১০০০/- টাকা, চতুর্থ সপ্তাহে ৩০০০/- টাকা, পঞ্চম সপ্তাহে ৬০০০/- টাকা সহ মোট ১০,৫০০/- টাকা আয়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এবং পরবর্তী সপ্তাহে ৩০০০/- টাকা নবায়ন ফী গ্রহন করে নবায়নের তারিখ থেকে ১৫ দিন পর ১ম কিসি-তে ১০,০০০/- এবং পরবর্তী ১৫ দিন পর ২য় কিসি-তে ১০,০০০/- প্রদান করিতেছে। অর্থাত প্রতি ২০,০০০/-আয় করার পর পরবর্তী সপ্তাহে প্রতি মাসে ৩০০০/- টাকা নবায়নের মাধ্যমেই মাসে ২০,০০০/-আয় করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বি:দ্র:-কোন গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন করতে ব্যর্থ হলে তাহার আর্থিক সুবিধা বাতিল বলে গন্য করা হবে।
১) আয় বৃদ্ধি প্রাপ্ত পরিবার গুলোকে নিয়ে একটি সমকালীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
২) একটি কন্ট্রোল রুম প্রতিষ্টা করে যে কোন নাগরিকের যে কোন জরুরী সেবা প্রদান করা।
৩) পৃথিবীর বিজ্ঞানী সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে ২০০৫ সালকে আইনস্টাইন ইয়ার হিসাবে পালন করা।
৪) জানুয়ারী ২০০৫ আগুনমুখা নামে একটি অর্ধবার্ষিকী সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ।
৫) মরহুম সাংবাদিক মাইনুল হাসান স্মরণে মেরুদন্ড নামে একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ।
উদাত্ত আহবান
বিএলএস এর সমন্বয়কারী কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্রধারী স্বেচ্ছাসেবকরা পর্যায়ক্রমে সকলকেই এই আর্থিক উন্নতি ঘটাতে অংগীকারাবদ্ধ। তাই তাড়াহুড়া না করে শুধুমাত্র আমাদের পরামর্শ অনুযায়ী এই উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে সবাইকে অনুরোধ করাছি। সময় উপযোগী এই আন্দোলনে সময়কে ছোট করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সময়ের সাথে গতিশীল হওয়া। বিএলএস সময়ের সাথে গতিশীল। আপনিও হোন।সকল নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থানের পরিবেশ তৈরীতে বিএলএস প্রতিশ্রতিবদ্ধ। বাংলাদেশ একটি সমাজ, একটি পরিবার। আমরা সবাই এক। বাংলাদেশ একটি সমাজ, একটি পরিবার। আমরা সবাই এক।
সংবিধান-ই নাগরিকের শক্তি....... তথ্যই মুক্তি
মেহ্দী হাসান খান দোহা
সমন্বয়কারী, বাঙালি শিক্ষিত সমাজ-বিএলএস

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

