আমার প্রিয় পোস্ট
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- আসেন দেখি আমাদের প্রিয় পৃথিবী আমরা কোথায় কিভাবে রয়েছি - ফাহিম আহমদ
- পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং রহস্যময় পাঁচটি স্থান,চাইলেও যে জায়গাগুলতে যেতে পারবেন না কখনই - নিয়নের আলো
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- যাদুবিদ্যা ও ডাইনীতন্ত্র!! - রেজোওয়ানা
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- বাংলা কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় লাইনগুলো সামুর প্রতিটা ব্লগার এবং পাঠকের যা অবশ্যই পড়া উচিত। - শব্দহীন জোছনা
- কিছু কৌতুহল জাগানো ছবি ! সিরিয়াস ভাবে না নিলেও ক্ষতিনেই । সাথে কিছু লিংক - গরম কফি
- কবি নজরুলের অদ্ভুত কান্ড, হাস্যরসের মন্তব্যগুলোর কয়েকটি..... - মানব ো মানবতা
- মুহাম্মদ ( স: ) সম্পর্কে জর্জ বার্নাড শ, টমাস কার্লাইল, মহাত্মা গান্ধী এবং আরও কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব - তালহা তিতুমির
- গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীসমূহ এবং লুকিয়ে থাকা বিশ্ময়কর সব সত্য - গুরু গোলাপ
- অপারেশন : টরেন্ট - এইবার কই যাইবি। আমার মতো যারা টরেন্ট বুজেন না, কিন্তু ব্যবহারের করতে চান তারা আসেন
- নূর-ই-আল-মামুন
তৈরী করুন আপনার পছন্দের এনিমেটেড বাংলা শব্দ
- নিরব হাসি
- চোখের সমস্যা হলে আমার দোষ নাই - সাগর চক্রবতী
- ****ফটো রসিকতা - ২ *********[
] - শূন্য আরণ্যক
- *** ফটো রসিকতা ***



- শূন্য আরণ্যক
- Illusions কালেকশন। (সম্পূর্ণ নিজের দ্বায়িত্বে দেখেন। মাথা ঘুরলে তার জন্য আমি দায়ী নই।) (পোস্টে অনেকগুলো ছবি আছে। লোড হতে সময় লাগতে পারে।।।) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- তুতেন খামেনের অভিশাপ এবং এর রহস্যময় পরিনতি - মির্জাইমরান০০৭
- আমার পড়া সর্বশ্রেষ্ঠ সীরাত - কলম.বিডি
- যেই ছবিটা প্রতিদিন একবার দেখা উচিত ! - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- সালতামামি ২০১১ : বছর জুড়ে গল্প, কবিতা ও উপন্যাস লেখা পাঠকপ্রিয় সৃজনশীল ব্লগারেরা - রেজওয়ান মাহবুব তানিম
- আপনি ভাবলে অবাক হবেন !!!
- চন্দ্রসাগর
- দৃষ্টিভ্রম কিছু ছবি !! চোঁখে ভেলকি লাগায় - hks001
- চলুন এবার চির অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর সুন্দর কিছু জায়গা থেকে ঘুরে আসি আর কিছুসময়ের জন্য বিষ্ময়ে হারিয়ে যাই !!!!!! পার্ট- ২ - বঙ্গবাসী হাসান
- কয়েকটি ইসলামিক নিদর্শন(নাস্তিকদের প্রবেশনিষেধ)থ্রি ইন ওয়ান - সোহাগহোসেন
- ১২টি মজার পোষ্ট এর সংকলন, (৮টি ১৮+) - সোহাগহোসেন
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- চেনা ছড়া'র হাফ সেন্চুরী - ১৫০টি চেনা ছড়া - মনিরুল হাসান
- প্রসঙ্গ ব্যাক্তিগত লাম্পট্য; ফেসবুকে উদ্দেশ্যমূলক প্রেমের ছড়া বা সহিত্যচর্চা - ইশতিয়াক অাহমেদ
- ব্লগীয় বধ্যভূমি, প্রতিদিন ১৪ ই ডিসেম্বর - আশীফ এন্তাজ রবি
- বলধা গার্ডেনের ব্লগাড্ডা আনন্দে মূখরিত কিছু মুহূর্ত (পুনঃপোস্ট) - সায়াদ
- ছড়ায় ছড়িয়ে দিলাম... অনলাইনে যারা আছেন..(কিছুক্ষন আগের তালিকা থেকে নেয়া ) - ইশতিয়াক অাহমেদ
- পুকুর ভরা ভালোবাসা - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- দিওনাগো বাসর ঘরের........... - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- অবিশ্বাস্য কিন্তু সত্য-৫ - মুকুট
- জেনে রাখ্ - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- জীবনানন্দ দাশ এর ৬ বনলতা সেন রিপোস্ট - মোজাম্মেল প্রধান
- মারাত্মক এডাল্ট ছড়া ০২ - মোজাম্মেল প্রধান
- ইশতিয়াক আহমেদ এর সাম্প্রতিক ছড়া বনাম প্রতিছড়া - মোজাম্মেল প্রধান
- সবচেয়ে সোজা কাজ সিগারেট টানা - মোজাম্মেল প্রধান
গল্পটা খরগোস অথবা নির্বোদ অলসের
২৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
ছেলেটা বড্ড অলস, যদিও কাজ করার মতো যতেষ্ঠ শক্তি তার আছে কিন্তু কাজ তার খুব অনাগ্রহের বিষয় তার বুড়ো বাপটাও হয়ে পড়েছে প্রায় কর্ম অক্ষম আর মা নিজেদের ছোট আঙ্গিনায় সবজি চাষ করে কোন এক ভাবে টিকিয়ে রেখেছে সংসার টাকে ।
অলস ছেলটার কাজ করার গুন না থাকলেও একটা গুন অবশ্য ছিল তা হলো পশু পাখিদের প্রতি অক্রিত্তিম ভালোবাসা, কয়দিন যাবত ও একটা খরগোশ পুশছে যেটাকে ও একটা সাপের মুখ থেকে বাঁচিয়ে এনেছে
মারক্তক জখম ছিলো খরগোশটার শরীরে ছেলেটা খুব যত্ন নিয়ে সারিয়ে তুলেছে তা, অলস যুবক ছেলেটা যখন দেখলো খরগোশ টাকে সুস্থ্য বলা যায় তখন ও খরগোশটাকে ছেড়ে দিলো বনের ভেতর ।
রাতে ওদের ভাঙ্গা ঝুপরি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো ওরা, আর বাইরে ঝর বইছিলো প্রচন্ড গতিতে এই ঝরের রাতে কোন এক অচেনা নারী কন্ঠ বাইরে থেকে ডাকতে থাকে,
প্রথম অলস ছেলেটার মা এর ঘুম ভাঙ্গে দরজা খুলে দিলে হুরমুর করে ভেতরে ঢোকে অসম্ভব সুন্দর একটা মেয়ে ক্রিম রংয়ের শাড়ি পরা মেয়েটাকে পরি অথবা তার চেয়েও সুন্দর মনে হচ্ছিলো, মেয়েটা বলল-
আমি আমার ঠিকানা হারিয়ে ফেলেছি আমাকে তোমরা আশ্রয় দাও
ততক্ষনে জেগে উঠেছে অলস ছেলেটা এবং ওর বুড়ো বাপ ।
বাপ বলল- কিন্তু আমার ঘরে যুবক ছেলে আছে তোমাকে এখানে আশ্রয় দেয়া শোভনিয় নয় তাছাড়া তুমি খুব সুন্দর মেয়ে মানুষ আমার ভাঙ্গা ঘর
তুমি চাইলে খুব ভালো বাড়িতে আশ্রয় নিতে পারো,
মেয়েটা বলল- কিন্তু আমার ইচ্ছে আমি তোমাদের এখানেই থাকি তোমার চাইলে আমি তোমাদের অলস ছেলের সাথে বিয়ে বসতেও রাজি আছি তাতে করে আললাহ হয়তো তোমাদের অবস্থার উন্নতি করবেন ।
সুন্দর মেয়েটার কথায় ওরা আপত্তি করলোনা বিয়ে হয়ে গেল ওদের ।
বিয়ের দুদিন পরে মেয়েটা ওর স্বামি অলস ছেলেটাকে বলল- তুমি আমাকে একটা চিকন সুঁই এনে দাও আর দাও সেলাই করার জন্য একটা কাঠের ফ্রেম, আমি তোমাকে একটা চাদর বুনে দেবো যা হবে খুব মুল্যবান আর সেটা বিক্রি করে ঘুচে যাবে তোমাদের অভাব ।
ছেলেটা যদিও অলস তবু তার সুন্দর বউয়ের চাওয়া টা সে পূরন করলো
সুঁই আর ফ্রেম নিয়ে মেয়েটা ঢুকলো ওদের শোবার ঘরে আর বলে গেল আজ সারাদিন এবং সারা রাত যতক্ষ ন না সে নিজে কাজ শেষ করে বের
হয় ততক্ষন কেউ যেন তাকে না বিরক্ত করে
ও কেউ ঠিক বুঝতে পারলোনা কি ঘটছে, যতক্ষন না সুন্দর মেয়েটা ঘর থেকে বের হলো, মেয়েটার হাতে অত্যন্ত মিহি কারুকাজ করা একটা চাদর
যা ওরা সারা জীবনেও দেখেনি এতটাই কারুকাজ করা ছিলো তাতে
মেয়েটা ওর অলস স্বামির হাতে তুলে দিলো চাদরটা, বলল- এটা বাজারে নিয়ে যাও আর বিক্রি করো খুব বেশি দামে যা দিয়ে তোমাদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করা যায় আর হ্যা, এটা যার কাছেই বিক্রি করো তাকে বলে দিও সে যেন এমন চাদর দিতিয়টা আশা না করে কারন আমি এমন চাদর সুধু একটাই বুনতে পারি ।
অলস ছেলেটা বাজারে গেল সেই চাঁদর নিয়ে তার চাঁদরটা কিনতে চাইলো অনেকে কিন্তু সেই ধনি ব্যাবসায়িটাই পেল যে দিলো সবার চেয়ে বেশি দাম
একটা মাত্র চাঁদর বিক্রি করে ঘুচে গেল ওদের অভাব ওরা হয়ে উঠলো গ্রামের বিত্তশালি পরিবার ।
চাঁদর কিনে নেয়া ধনী ব্যাবসায়িকে যদিও বলেছিলো যে এমন চাঁদর আর হবেনা তবু সে বারবার আসতে থাকলো সেই অলস ছেলেটার কাছে এমন আরও চাঁদর এর জন্য আর সেই অলস নির্বোদ ছেলেটাও হয়ে উঠলো লোভি । তাই বারেবারে তার সুন্দর বউকে বলতে থাকলো এমন আরও চাঁদর বানিয়ে দিতে, তার বউ একরকম বাধ্য হয়েই বানিয়ে দিলো আরও একটি চাঁদর কারন এটা না করলে তাকে তার অলস নির্বোদ স্বামির অত্যাচার সইতে হবে,
এমন করে কেটে গেল আরও কিছুদিন তৈরি হলো আরও কিছু চাঁদর
ওরা হতে থাকলো আরও ধনী কিন্তু কেউ দেখলোনা তার সুন্দর বউ ধিরে ধিরে হয়ে যাচ্ছে রুপহীন রষহীন মলিন একজন মানুষ
সুন্দর মেয়েটার সৌন্দর্য কমে যাওয়াতে আকর্ষনও কমে গেল সবার এবং অলস নির্বোদ ছেলেটা ওকে আরও চাঁদর বুনতে বলল ।
তোমরা খুব লোভি চাওয়াটা সীমাহীন খুব তারতারি হয়তো এ লোভ তোমাকে ছাড়তে হবে এই বলে মেয়েটা সুঁই আর ফ্রেম নিয়ে ঢুকলো ঘরে
একে একে কেটে গেলো তিনটা দিন ও বের না হওয়াতে অলস ছেলেটা কিছুটা ঘাবরে গেল মেয়েটা চাঁদর তৈরি করার সময় কাউকে বিরক্ত করতে না করে যায় তাই বলে কখনও এত দেরি হয়না অলস ছেলেটা ওর বুড়ো বাপ আর মা কে নিয়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকলো আর দেখলো ওর সেই বনে ফিরিয়ে দেয়া খরগোসটা শরীরের শেষ পশম টেনে তুলে তা দিয়ে চাঁদর বুনছে চাঁদর বোনা শেষ হতেই শরীর ফুটো করে রক্ত বের করে চাঁদরে দিতেই সেটা সুন্দর কারুকাজে ছেয়ে গেল ,
এরপর খরগোশটা ছুটে গেল বনের দিকে, অলস ছেলেটা চেয়ে দেখলো ওর সর্বশেষ পষম আর সর্বশেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে তৈরি করা চাঁদর রেখে
চলে যাচ্ছে লোমহীন রক্তহীন খরগোশটা ।।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নকীবুল বারী বলেছেন:
চমৎকার উপকথা......................
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ভালো। বানান ভুল আছে বেশ কিছু, ঠিক করে নিয়েন।
বজ্রাহত বলেছেন:
ধন্যবাদ।চালিয়ে যান!
খুব ভালো লাগলো তাই
কষ্ট করে লগইন করে মন্তব্য একটা দিয়েই ফেললাম।
লেখক বলেছেন: আপনার কষ্টে আমি
উৎসাহিত হলাম
পরবাসীবাংলা বলেছেন:
চমৎকার গল্প। ভালো লাগলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















