somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাহমুদ দারভীশের কবিতা

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যা চাই তাই দেখি*

তরজমা: শাহাদাৎ তৈয়ব


এই রাত্রিতে আমার পেছনে
বৃক্ষের পাতায়, জীবনরে পত্রে পত্রে
আমি অনবরত দৃষ্টি খুলে দেখতে থাকি।
আমি পানির স্মরণে, ধুলো মাটির স্মৃতিতে
স্থির তাকিয়ে থাকি
আমি ধ্যানমগ্ন হই-
এই রাত্রির ভেতর এমন রাত ছাড়া আর কিছুই দেখিনা।
কয়েকটি মুর্হূত ঠুকরে ঠুকরে খায় আমার জীবন
কয়েকটি সেকেন্ড আবার ছোট করে যায় রাত্রির দৈর্ঘ্য
রাত আর বাকী থাকে না শুধু বাকী থাকে একটি সময়
যেখানে আমরা লড়াই করি সময়রে প্রতিকূলে
কিন্তু রাত তার অন্ধকারেই ফিরিয়ে আসে
আর আমি তার ছায়াময় গহবরে পড়ে থাকি....




তোমার অবশিষ্ট জীবন শকুনরে জন্য**


তোমার অবশিষ্ট জীবন শকুনরে জন্য। তুমি কে? যাতে তুমি একাই পাথর খুঁড়ে যাচ্ছ
পার হয়ে যাচ্ছ র্সবশেষ শূন্যতা, র্সবশেষ শুভ্রতা ? চমৎকার!
দুজন নিঃস্ব, দুজন বিধবা তোমার পাশেই সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে
এবং তোমার পরেরজন কেবল শূন্যপেটের হাহাকার নিস্তব্ধতা

এই হলো মানুষের তামাশার পরিস্কার প্রমাণ। এই হলো মানুষরে মাযেজার শাক্ষ্য।
তুমি কি এখন এই কালে নিজের ছায়াকে বিশ্বাস করবে?
তুমি কি এমন সময়ে বিশ্বাস করবে গোলাপ?
অথচ তুমি কি নির্ভুলে উচ্চারণ করে ফেললে তোমার নাম, দেশের নাম, এমনকি আমার নাম। বন্ধু! যেনো তুমি অর্জন করে ফেলেছো
তোমার প্রতিশ্রুতি!
আমরা অতিশয় খুলে দিচ্ছি তোমার জন্য গোলাকার মঞ্চ
তুমি একাই এগিয়ে যাও শকুনরে কাছে
তোমার আর কোনো পৃথিবী নাই কারণ তুমি ধবংস হয়ে যাবে
শকুনের কাজ এখন তোমার থেকে মুক্ত হওয়া
শকুনরে কাজ এখন তোমার চামড়া ছিঁড়ে ফেলা।


যেনো আমি ঘুমাতে পারি,
তুমি কি পার না একটি চাঁদকে নিভিয়ে দিতে?
একটু ঘুমাবো এইতো তোমার জানুর উপর। অতপর ঘমের ঢেউয়ের স্তুতিতে বাক্যরা জেগে উঠবে।
যা ভেদ করে ওঠে র্মমর পাথররে ভেতর থেকে ।


সূত্র:

* ২০০৫- আল আ'মালুল কামিলা-৩ (রচনা সমগ্র-৩), পৃষ্ঠা: ১৭৯.
রিয়াদ আর রাইস, বৈরুত, লেবানন।
কাব্যগ্রন্থ: আরা মা উরীদু( অামি যা চাই তাই দেখি)
** ঐ, পৃষ্ঠা: ১৫৮
কাব্যগ্রন্থ: ওয়ারদু আকাল্লু(স্বল্প মূল্যের গোলাপ)




সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×