যা চাই তাই দেখি*
তরজমা: শাহাদাৎ তৈয়ব
এই রাত্রিতে আমার পেছনে
বৃক্ষের পাতায়, জীবনরে পত্রে পত্রে
আমি অনবরত দৃষ্টি খুলে দেখতে থাকি।
আমি পানির স্মরণে, ধুলো মাটির স্মৃতিতে
স্থির তাকিয়ে থাকি
আমি ধ্যানমগ্ন হই-
এই রাত্রির ভেতর এমন রাত ছাড়া আর কিছুই দেখিনা।
কয়েকটি মুর্হূত ঠুকরে ঠুকরে খায় আমার জীবন
কয়েকটি সেকেন্ড আবার ছোট করে যায় রাত্রির দৈর্ঘ্য
রাত আর বাকী থাকে না শুধু বাকী থাকে একটি সময়
যেখানে আমরা লড়াই করি সময়রে প্রতিকূলে
কিন্তু রাত তার অন্ধকারেই ফিরিয়ে আসে
আর আমি তার ছায়াময় গহবরে পড়ে থাকি....
তোমার অবশিষ্ট জীবন শকুনরে জন্য**
তোমার অবশিষ্ট জীবন শকুনরে জন্য। তুমি কে? যাতে তুমি একাই পাথর খুঁড়ে যাচ্ছ
পার হয়ে যাচ্ছ র্সবশেষ শূন্যতা, র্সবশেষ শুভ্রতা ? চমৎকার!
দুজন নিঃস্ব, দুজন বিধবা তোমার পাশেই সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে
এবং তোমার পরেরজন কেবল শূন্যপেটের হাহাকার নিস্তব্ধতা
এই হলো মানুষের তামাশার পরিস্কার প্রমাণ। এই হলো মানুষরে মাযেজার শাক্ষ্য।
তুমি কি এখন এই কালে নিজের ছায়াকে বিশ্বাস করবে?
তুমি কি এমন সময়ে বিশ্বাস করবে গোলাপ?
অথচ তুমি কি নির্ভুলে উচ্চারণ করে ফেললে তোমার নাম, দেশের নাম, এমনকি আমার নাম। বন্ধু! যেনো তুমি অর্জন করে ফেলেছো
তোমার প্রতিশ্রুতি!
আমরা অতিশয় খুলে দিচ্ছি তোমার জন্য গোলাকার মঞ্চ
তুমি একাই এগিয়ে যাও শকুনরে কাছে
তোমার আর কোনো পৃথিবী নাই কারণ তুমি ধবংস হয়ে যাবে
শকুনের কাজ এখন তোমার থেকে মুক্ত হওয়া
শকুনরে কাজ এখন তোমার চামড়া ছিঁড়ে ফেলা।
যেনো আমি ঘুমাতে পারি,
তুমি কি পার না একটি চাঁদকে নিভিয়ে দিতে?
একটু ঘুমাবো এইতো তোমার জানুর উপর। অতপর ঘমের ঢেউয়ের স্তুতিতে বাক্যরা জেগে উঠবে।
যা ভেদ করে ওঠে র্মমর পাথররে ভেতর থেকে ।
সূত্র:
* ২০০৫- আল আ'মালুল কামিলা-৩ (রচনা সমগ্র-৩), পৃষ্ঠা: ১৭৯.
রিয়াদ আর রাইস, বৈরুত, লেবানন।
কাব্যগ্রন্থ: আরা মা উরীদু( অামি যা চাই তাই দেখি)
** ঐ, পৃষ্ঠা: ১৫৮
কাব্যগ্রন্থ: ওয়ারদু আকাল্লু(স্বল্প মূল্যের গোলাপ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

