সম্প্রতি সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষা উপদেষ্টার একটি মন্তব্য সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে। কথিত বুদ্বিজীবি কাম উপদেষ্টা বলেছেন; "বিচারের রায় যাই হোক ঢাবি'র ছাত্র শিক্ষকদের মুক্তি দেয়ার সিদ্বান্ত হয়েছে"। তবে কি আজকাল আদালতের রায়ও উপদেষ্টা পরিষদে সিদ্বান্ত হয়, নাকি আদালতের রায়কেও উপক্ষো করার দোর্দন্ড় প্রতাপ তাদের?
তবে, এত দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতাদের স্বাস্তি হয়েছে কার সিদ্বান্তে ? হাসিনা - খালেদার শাস্তিও কি পুর্ব নির্ধারিত? বিচারের প্রক্রিয়াটা কি শুধূই প্রহসন?
আচ্ছা, কেউ যদি বলে, খালেদা আর হাসিনা এদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, অনস্বীকার্যভাবে তারা অনেক ভাল কাজও করেছেন; সুতারাং তাদের বিচার কার্য্য চলতে পারেনা বা মুক্তি দেয়া হউক, তবে কি তাদেরও মুক্তি দেয়া হবে? ঢাবি'র শিক্ষকরা তাদের তুলনায় নস্যি।
আসলে "হোমড়া চোমড়া আর তাদের চামচিকা ছাড়া কেউ বিচারের উর্ধ্বে নয়" - দেশে এই নীতি প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। নতুবা ঢাবি শিক্ষকদের বেলায় প্রহসন কেন? তারা কি আইন আদালতের উর্ধ্বে ? তারা যদি কোন অপরাধ নাই করে থাকে তবে তাদের এতদিন জেলে রাখার কারণ কি আর যদি অপরাধই করে থাকে তবে শিক্ষা উপদেষ্টার বক্তব্যের ব্যাখ্যা কি?
আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত পাড়াসহ বিভিন্ন পেশায় এ ধরনের পার্টটাইম পেশাজীবি কাম পার্টটাইম রাজনীতিবিদদের কর্মযজ্ঞ কম দেখিনি, এরা দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের সুবিধাভোগী তস্কর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেসনজট সন্ত্রাস, আদালত - ব্যাংক পাড়াসহ সর্বত্র , হরতাল, অবরোধ, ভাংচুরের জন্যে এরা কম দায়ী নয়। আমরা যদি ১/১১ এর পুর্বাবস্থায় ফিরে যেতে না চাই তবে সব অপরাধ অপরাধীর অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



