বেশ ক'দিন যাবৎ সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীরা বেশ আতংক উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন, বিভিন্ন সূত্র, প্রিন্ট ও টেলিভিশন খবরে প্রকাশ; সৌদি প্রশাসন বাংলাদেশীদের ব্যাপারে বেশ নেতিবাচক সিদ্বান্ত নিতে যাচ্ছে, তারা নতুন করে কোন ভিসা ইস্যু করছেনা, ইতোমধ্যে যাদের রেসিড়েন্স পারমিট এক্সপায়ার হচ্ছে তাদের তা রিনিউ করতে গড়িমসি করছে, বাংলাদেশী শ্রমিকদের এখানে কন্টিনিউ করার ব্যাপারটা তারা রীতিমত পুনঃবিবেচনাও করছে বলে খবরে প্রকাশ। খবরটা খুবই উদ্বেগজনক ও মরাত্মক। অবৈধ ও অপরাধী ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হচ্ছেনা বলে গতকাল সৌদি রাস্ট্রদূত যে একটা বক্তব্য দিয়েছেন তা আংশিক সত্য, প্রকৃতপক্ষে অনেক বৈধ লোকও হয়রানির স্বিকার হচ্ছে।
সে দিন বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলরের বক্তব্য শুনে মনে হলো তারা ব্যাপারটাকে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছেননা বা গুরুতর ব্যাটারটা কে হালকাভাবে নিয়ে জনগনের উৎকনঠা প্রশমিত করতে চাচ্ছেন। সরকার ইতোমধ্যে রিয়াদস্থ দূতাবাস কে ঘটনা তদন্তপূর্বক ঢাকায় রিপোর্ট করতে বলেছে এবং সে প্রেক্ষিতে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারি প্রতিনিধিদলের সৌদি সফরের পরিকল্পনা করেছে। তবে দূতাবাস কর্মকর্তারা যাই বলুন, তাদের সেবার মান সম্পর্কে প্রবাসী মাত্রই ওয়াকিবহাল, সম্প্রতি জিদ্দা কনস্যুলেট অফিসে দূতাবাস কর্মকর্তা-কর্মচারি কতৃক বাংলাদেশীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনা তাদের সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
যাইহোক, ইতোমধ্যে একটি বড় সংখ্যক বাংলাদেশীকে ধর পাকড়ের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে, যাদের সিংহ ভাগই বৈধ লোক, প্রতিনিয়ত বাংলাদেশীরা যত্র তত্র নানা সমস্যায় পড়ছে নিছক আমাদের সম্পর্কে সৌদিদের নেতিবাচক ধারনার কারনে। আর এই নেতিবাচক ইমেজের ইন্দ্বনদাতা হলো সৌদি ইংরেজী দৈনিকে কর্মরত আমাদের অতিব ব্ন্দ্বু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাংবাদিকবৃন্দ আর তাদের কে রেফার করছে আরবী পত্রিকাগুলো, এসব পত্রিকায় সত্য মিথ্যা হেন কোন কুৎসা নেই যে রটানো হচ্ছেনা বাংলাদেশীদের বিরুদ্বে আর আমাদের দূতাবাস গুলোর ভুমিকা ঠুটো জঘন্নাথ। আল্লাহই ভাল জানেন ইতোমধ্যে কত পরিবার তাদের আয়ের উৎস হারিয়ে পথে বসেছেন।
আরো সমূহ ক্ষতি হবার আগে আমাদের সরকার আর দূতাবাসের উচিত কার্য্যকর পদক্ষেপ নেয়া, নতুবা বিশ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে, পথে বসবে বিশ লাখ পরিবার, ধ্বসে পড়বে অর্থনীতি।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



