তুমি নেই
অতি নীরব নিঃশব্দে চলে গেলে! সাজানো প্রিয় বাগানবাড়ি ভেতর; অবাঞ্চিত পোকার বসবাস; সহস্র আর্তি লুকানো সোনালি একাসিয়া গাছ... খাঁজে খাঁজে ফণা তুলে আর হাসে আর্দ্র অন্ধকার! অচিনদ্বীপ; শাদা চাদর জড়িয়ে নীরবে ঘুমায় কৃষ্ণচুড়া...
পুরনো শহর গুনে শূন্যতা হাহ্কার; জানালার পর্দা, চায়ের কাপ, বাইরে দাঁড়ানো শাদা গাড়িটিও অসহায় নির্বাক... অদৃশ্যে চোখে ঝরে অশ্রু অনাথ হওয়ার বেদনা
দীর্ঘশ্বাস
দুঃখ বা যন্ত্রণা কিছুই নেই!
সবুজ রঙ মরে গেলে পাতাগুলো
হয়ে যায় ধূসর
ভালোবাসার কুটুম পাখি গান
ভুলে চলে যায় দূর অরণ্যে
এটাই নিয়ম... চিরন্তর সত্য
তবুও দাঁড়িয়ে থাকে কৃষ্ণচুড়া
শুকনো ডালে ঝুলে দীর্ঘশ্বাস
প্রবাদ বাক্য
পুরনো প্রবাদ বাক্যে তীব্র বিশ্বাস! জীবনের নতুন প্রভাত জোড়মেহেদির কাঁচা রঙ; হেসেছিলো মাটির ঘর খোলা উঠান, তাঁতীপাড়ার খাঁজে খাঁজে অসংখ্য আতশবাজি হৈ হুল্লুড়! অদৃশ্য স্বপ্ন আঁচল মেলে সুপারী গাছের পাতায়... জোনাকীর ধামাইল; কাঁপে চেরি বাগান; কচি লাউয়ের ডগা...
আট বছরের বিদায়ী সন্ধ্যা! অন্ধ বিশ্বাস; বাসন্তীস্বপ্ন...চূর্ণিত হয় গামছার জমিন... নীল আকাশ অসংখ্য নক্ষত্রের ভীড় অদৃশ্যে রয়ে যায় ম্নিয়মান চাঁদের গল্প
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




