আমার প্রিয় পোস্ট

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে "ফিউশন ফাইভের" পোষ্টের পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে কিছু কথা

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

শেয়ারঃ
0 0 0


ব্লগে তর্ক-বিতর্ক করে পাহাড়ে সহিংসতার আগুন নেভানো যাবে না, কথায় শান্তির ফুলঝুরি ঝরালে শান্তি আসবে না। প্রয়োজন আমাদের মানসিক পরিবর্তন। এই ঘটনার পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ব্লগে দুটি গ্রুপ তৈরী হয়ে গেছে। কেন আমরা বিভাজিত হবো? নাকি বিভাজনের সুèক্ষ্ম রেখা তৈরী করে দেয়া হচ্ছে আমাদের মাঝে সুকৌশলে। এ ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত কৌশলই মূল বিষয়।

আমার কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর:
১। পাহাড়ে সা¤প্রতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে কারা- পাহাড়ীরা না কি বাঙ্গালীরা?
২। শন্তু লারমা বাহিনী বাঙ্গালীদের স্বার্থ সংরণ করছে না কি পাহাড়ীদের ?
৩। এনজিওগুলো বাঙ্গালীদের স্বার্থ দেখছে না পাহাড়ীদের?
৪। পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ীরা সংখ্যাগুরু না কি বাঙ্গালীরা?
৫। নির্যাতন করছে পাহাড়ীরা না কি বাঙ্গালীরা?
৭। বিচ্ছিন্নতা আন্দোলন করছে পাহাড়ীরা না কি বাঙ্গালীরা?
সচেতন ব্যক্তিমাত্র জানেন- সবগুলো প্রশ্নের উত্তরই পাহাড়ীদের দিকেই বর্তায়।
ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে আমাদের সেনা সদস্য, নিহত হয়েছে বাঙ্গালী। কিন্তু মিডিয়ায় রিপোর্ট এসেছে পাহাড়ীদের ঘরে আগুন দিয়েছে বাঙ্গালীরা।

প্রতি বছর পার্বত্য চট্টগ্রাম সফর করা আমার নেশা। শহুরে যান্ত্রিকতা বেষ্টিত থেকে হাঁপিয়ে উঠলেই চলে যাই পাহাড়ে। এ বছর ১ জানুয়ারী খাগড়াছড়ি গিয়েছিলাম। ২ তারিখে আদিবাসী অধিকার সংরণ কমিটির জনসভা হয়। পোষ্টারে সন্তু লারমা, খুশি কবির সহ দুইজন মানবাধিকার নেত্রী ও আমাদের একজন মন্ত্রীমহোদয়ের নাম দেখলাম। স্থানীয়দের পরামর্শে সফর সংক্ষিপ্ত করে জনসভা শুরুর আগেই পাহাড় ছাড়লাম। পাহাড়ের কোন কোন স্থানে ২৪ ঘন্টাই চলছে শন্তু লারমা বাহিনীর সন্ত্রাস, হত্যা, চাঁদাবাজী, মুক্তিপণ আদায়, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান। এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থার আড়ালে চলছে গোয়েন্দাগিরি, অস্ত্রপ্রশিক্ষণ ও বিচ্ছিতাবাদী তৈরীর নীলনকশা। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের তত্ত্বাবধান ও অর্থায়নে চলছে এসব। ওখানে সেনাবাহিনী ছাড়া সমতলের মানুষদের আপনজন কেউ নেই। তারা জানালো- আমরা নিজ দেশেই পরবাসী। কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানতে পারি জীবন-জীবিকার সন্ধানে তাদের পূর্ব পুরুষরা এখানে এসেছিল। কেউ সরকার থেকে লীজ নিয়ে, কেউ স্থানীয়দের কাছ থেকে জায়গা কিনে ৫০-৬০ বছর ধরে বসবাস করছে। বললাম- এত সংকীর্নতার মধ্যে এখানে থাকছেন কেন? তারা বললো- এক সপ্তাহ থাকেন এখানে, পাহাড়ের মায়া আপনিও ছাড়তে পারবেন না। সত্যিই তাই, দুই দিনের সফরে মনে হল যেন থেকে যাই এখানে। বাস ছেড়ে আসতেই মনটা হু হু করে কেঁদে উঠেছিল সেদিন। ষড়যন্ত্রকারীরা যেভাবে চতুর্দিক থেকে ঘাপটি মেরে আছে- তাতে পাহাড়ী অঞ্চল যে কোন সময় হাতছাড়া হওয়ার আশংকা দেখেছি। আচ্ছা বলুনতো- এই পাহাড়ী অঞ্চল ছাড়া বাংলাদেশের চিত্র একখন্ড মরুভূমি নয় কি? বজ্রমুঠি চেপে সেদিন সংকল্প করেছি- যদি এমন দিন আসে, তবে জীবন দেব, তবুও এক মুঠো মাটি দেব না।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পার্বত্য চট্টগ্রাম ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪
সপ্নীল বলেছেন: কিছু স্বার্থান্বেষি মিডিয়া, এনজিও আর আন্তর্জাতিক চক্র পরিকল্পিত ভাবে এই বিভাজন সৃষ্টি করছে। সবচাইতে বড় আশংকা হল আমাদের দেশের কিছু গৃহপালিত বুদ্বিজীবি পাহাড়িদের পক্ষে চিৎকার করছে অথচ বাংগালীদের বেপারে তারা নিরব।
এদেশের স্বাধীনতাটাই আজ প্রশ্নবিদ্ব এসব চক্রের কারনে।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: সত্যিই তাই।

২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ক্রমিক -২ , হাজির !

তাহলে কি পাহাড়ীদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিলেই , পাহাড়ী অঞ্চল রক্ষা হয়ে যাবে বলে আমরা ধরে নিবো ?
৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
পার্বত্য অঞ্চলে গেলে কি শুধু ওদুদ ভূইয়ার লুটপাঠর টাকায় গড়া আলিসান বাড়িতে আথিতিয়তা গ্রহণ করেন নাকি ? বাস থামিয়ে আর্মি ও বিডিআরের লোকেরা যে চান্দাবাজি করে তা কখনও বাঙালি ঠিকাদার কাছ থেকে কি পরিমাণ মাসোয়ারা আর্মি আদায় করে জানেন নাকি কিছু জুম্মারং পাচমাইল বরকতল এলাকায় গিয়ে আদিবাসীদের বিদ্যুৎবিহীন কষ্টের জীবন কখনও কি কাছ থেকে দেখেছেন ? আর ব্র্যাক গ্রামীণ ব্যাংক, আশা সহ সবগুলি অধিকাংশ এনজিও কিন্তু বাঙালী এলাকায় কাজ করে
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: কি বলব ঠিক বুঝতে পারছি না।

৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯
নেক্সাস বলেছেন: এনজিও ও মানবাধিকার সংস্থার আড়ালে চলছে গোয়েন্দাগিরি, অস্ত্রপ্রশিক্ষণ ও বিচ্ছিতাবাদী তৈরীর নীলনকশা।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>


৫ বছর ছিলাম পাহাড়ের বুক। জড়িত ছিলাম স্থানীয় প্রেস ক্লাব আর সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।খুব কাছ থোকে দেখেছি পাহাড়ের প্রকৃত হালচাল।
এখন বলতে গেলে আপনি হয়ে যাবেন হানাদার।

ঐসব অতি দরদী সুশীলদের কে বুঝাবে যে সবুজ পাহাড়ের আদিগন্ত বিস্তৃত শ্যামলিমার আড়ালে চলছে অস্ত্রের মজুদ,চলছে আরেকটি তিমুর কিংবা ইসরাইল বানানোর নীল নকশা।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: একজন প্রত্যক্ষ্যদর্শী পেলাম।

৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫
ডঃ জেকিল বলেছেন: ফি ফার পোস্টে কথাগুলো বলা যেতনা।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: হয়তো যেত....

৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
লালসালু বলেছেন: প্লাস মাইনাস আছে, কমেন্ট নাই কেন?
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর সমস্যা সমাধান করলাম।

৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫১
হক কথা২৩ বলেছেন: সুন্দর একটি পোষ্ট লিখেছেন।
(+) এবং প্রিয়তে....
৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬
পশু বলেছেন: ষড়যন্ত্রকারীরা যেভাবে চতুর্দিক থেকে ঘাপটি মেরে আছে- তাতে পাহাড়ী অঞ্চল যে কোন সময় হাতছাড়া হওয়ার আশংকা দেখেছি।
ঠিক কইসেন।
Click This Link
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনি তো দেখছি মানুষ। পশু বলে কে?

৯. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৬
সুপান্থ রহমান বলেছেন: পাহাড়ে একজন বাঙালী থাকতে স্বাধীন জুম্মল্যান্ড কোনদিন বাস্তবায়িত হবেনা .....
১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: শপথ নিলাম।

১০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০৬
পিচ্চি চাপাবাজ বলেছেন: সালমান সিদ্দিকী - - - - - -

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কথা কম কাজ বেশি-তে বিশ্বাস করি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই