বিএসএফের নির্যাতনের ঘটনা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখে লাভ নেই। মাঝে মাঝে এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। এটা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি গতকাল শনিবার ভারতের কলকাতায় এই মন্তব্য করেছে। তার বিশ্বাস এই ঘটনা দেশের মধ্যে সম্পর্কের কোনো রেখাপাত করবে না। আলোচনা করে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করার বিষয়ে মত দেয় ভারতের সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী এই মন্ত্রী।
মুর্শিদাবাদ সীমান্তে ১০৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নে কর্মরত কয়েকজন বিএসএফ জওয়ান বাংলাদেশি এক গরু পাচারকারিকে নগ্ন করে হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে পিটিয়েছিল।এদিকে ‘বিএসএফের নির্যাতের ঘটনা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখে লাভ নেই’ প্রণব মুখার্জির এই মন্তব্যটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ দু’দিন আগে কলকাতা থেকে প্রকাশিত এক প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক পত্রিকা এই ঘটনার পেছনে দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ করার ষড়ন্ত্রের কথা অংশ হিসাবেই এই কাজ করার কথা বলা হয়।বিএসএফের নির্যাতনের ঘটনায় দুই দেশের মিডিয়ার সমালোচনার মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারও বেশ বিব্রত।
বাংলাদেশ সরকার দেশ উজাড় করে ভারতকে সব দিলেও ভারত তাদের বৈশিষ্ট্যগতভাবেই প্রতারণা করছে এবং করবে। কিন্তু ভারতীয় দালালদের পক্ষে এর প্রতিবাদ করা সম্ভব নয়। এই কারণটা সবার জানা তাই আর নতুন করে কিছু বললাম না।
আর তাই এদেশের মানুষকেই এর প্রতিবাদ জানাতে হবে। ভারতীয় পণ্য, টিভি চ্যানেল এবং তাদের দেশ ভ্রমণ করা থেকে বিরত থেকে এই প্রতিবাদ জানাতে পারি।
এই জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





