নোয়াখালী, অগাস্ট ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শামছুদ্দিন মিলনকে পিটিয়ে হত্যার মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ বলছে, আসামিরা পালিয়েছে।
গত ২৭ জুলাই উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের রহিমার টেক এলাকায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ছয় জন নিহত হয়। এর মধ্যে এক জন হলেন ১৬ বছর বয়সি মিলন।
মিলনের মা চর ফকিরা গ্রামের কহিনুর বেগম দাবি করছেন, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ডাকাত সাজিয়ে মারা হয়েছে। ছেলেকে হত্যা, হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা এবং হত্যা পরবর্তী ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট নোয়াখালীর আদালতে একটি মামলা করেন তিনি। আদালতের নির্দেশে মামলাটি সোমবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় নথিভুক্ত হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ফজুল কাদের পাটোয়ারী বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত দুই দিন ধরে আসামিদের খোঁজে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।
কহিনুর মামলায় আসামি করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জামাল উদ্দিন এবং এক নারী সদস্যের স্বামী নিজামউদ্দিন মানিককে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের জানান, রাতে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরপরই দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। কিন্তু সফল হওয়া যায়নি।
গণপিটুনিতে আহত মিলনকে পুলিশ ভ্যানে তোলার পর পুলিশ তাকে নামিয়ে পুনরায় জনতার হাতে তুলে দেয়। পুনর্বার পিটুনিতে মারা যায় মিলন।
মিলন নিহত হওয়ার ১০ দিন আগে রাজধানীর উপকণ্ঠে আমিনবাজারে একইভাবে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিলেন ছয় ছাত্র। ওই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি ছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

