গণমিছিল কর্মসূচিতে বাধার পর বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে চাঁদপুরে। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন দুইজন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি জেলা কমিটি সকাল সোয়া ১১টার দিকে জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল বের করে। পুলিশ তাতে বাধা দিলে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে শহরের লেকের পাড় এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তিনজন।
নিহতরা হলেন- লিমন (২৫) এবং আবুল হোসেন গাজী (৫৫)। লিমনের বাসা শহরের গোয়াখোলা এলাকায়। আর আবুল হোসেন গাজীর বাসা শহরের বাবুরহাট এলাকায়। তিনি পেশায় রিকশাচালক।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে গত ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রামে এক জনসভা থেকে ২৯ জানুয়ারি সারাদেশে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।
কিন্তু আওয়ামী লীগ একই দিনে রাজধানীতে জনসভা করার ঘোষণা দিলে রোববার সব ধরনের সভা সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনাতেও। এছাড়া বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও পাবনাতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা।
এই পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ মহানগরগুলোর গণমিছিল কর্মসূচি একদিন পিছিয়ে দেয় বিএনপি। তবে জেলায় জেলায় রোববারের কর্মসূচি বহাল থাকে।
ঘোষণা অনুযায়ী সকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে চাঁদপুর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে।
শহরের কালীবাড়ি, লেকেরপাড়, নতুনবাজার, চিত্রলেখা মোড়সহ শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করা হয়। মুহূর্তেই সহিংসতা সারা শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
চাঁদপুর মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।
হাচিনা বুবুর কাছে জানতে চাই - আর কত প্রাণ নিয়া তুই খুশী হবি আর যুদ্ধাপরাধী ক্যাসেট বাজাবী??????????????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

