বাংলাদেশিদের ওপর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের নির্যাতন, গুলি এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।
বৃহস্পতিবার চাঁদপুরে এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ সরকার বারবার এ ধারনের ঘটনার প্রতিবাদ করে আসছে। সীমান্তে এসব ঘটনা যাতে না ঘটে- সে বিষয়ে ভারত সরকারও একমত। দুই দেশের সরকারই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শুন্যের কোঠায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও দীর্ঘ দিন ধরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের হাতে বাংলাদেশি হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার ভোরেও সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ জানালে গত বছর ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সীমান্তে রক্তক্ষয় বন্ধে প্রাণঘাতী নয়-এমন অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে বিএসএফকে।
তবে বিএসএফ প্রধান ইউ কে বনসাল মঙ্গলবার বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “গুলি চালানো পুরোপুরি বন্ধ করা কখনোই সম্ভব না। যতক্ষণ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অপরাধমূলক কাজ চলতে থাকবে, ততোক্ষণ বিএসএফকে তা আটকাতেই হবে। সেটাই এই বাহিনীর দায়িত্ব।”
এর একদিন পরেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক অনুষ্ঠানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, সীমান্তে বিএসএফ নিরীহ বাংলাদেশিদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ না করলে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে নালিশ করবেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার আগে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে পেশাজীবী, দলীয় নেতা-কর্মী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, টিপাইমুখ নিয়ে যে যৌথ সমীক্ষা হবে তাতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা থাকবেন। বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে যৌথ নদী সমীক্ষা সম্পন্ন হবে।
আমার লিপষ্টিক আফু যে এত্ত কতা কইচে, তাতেই আমার মন ভইরা গেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

