In this university, local brothers (Malay) are leading the male smokers and international sisters are leading female smokers. ইকোনমিক্স ক্লাসের উগান্ডিয়ান লেকচারার ক্লাসে একদিন ধুমপান সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন এ কথাটি। তখন মনে হয়েছিলো মেয়েরা আবার স্মোক করে নাকি! হতেও পারে!! দেশে যে মহিলারা ইট ভাঙ্গে বা কোদাল দিয়ে মাটি কাটে তাদের অনেক কেই দেখেছি আকিজ বিড়িতে সুখটান দিতে। মনের সাথেই তর্ক করছিলাম, মালেরা ধুমপানে লিড দিচ্ছে! তাহলে আরবদের কি অবস্থা? আমার দেখা আরব অনেক ছাত্ররাই তো স্মোক করে। নাহ, হতেও পারে! পরে অনেক ভেবে চিন্তে এবং পরখ করে দেখলাম আসলেই মালেদের ব্যাপারটা সত্য। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ছাত্রীরাতো আর যেখানে সেখানে স্মোক করে না। যদি করতো তাহলেতো দেখতেই পেতাম। পরে অবশ্য এটাও জানতে পেরেছি যে গ্রীল (আগের নেস ক্যাফে) কফি শপের বামে পিছনে একটা যায়গা আছে সেখানে নাকি মেয়েরা ধুমসে স্মোক করে।
সেদিন একটা চরম বাজে এসাইনমেন্ট করছিলাম, দুইটা লিস্টেড কোম্পানীর পাঁচ বছরের সাপ্তাহিক ফিনান্সিয়াল ডাটা এনালিসিস করতে হবে এবং ঐ দুটো কম্পানির মাঝে নেগেটিভ কোরিলেশান থাকতে হবে। তার পর এনালাইসিস। নেগেটিভ কোরিলেশান খুজে পেতে ঘাটতে হয়েছে তিরিশটারও অধিক কোম্পানী। অবশেষে যেটা পেলাম তা নিয়ে কাজ শুরু করে একদম শেষে এসে দেখি একটা কোম্পানীর কিছু প্রয়োজনীয় ডাটা Bloomberg এও নাই ইয়াহো ফাইনান্সেও নাই। পড়লাম মহা বিপদে, এক এক করে খোজ নিয়ে দেখি সবারই কোন না কোন সমস্যা আছে। একটা পর্যায়ে গিয়ে কেউ আগাতে পারছে না।
ফোন করে পরিচিত সবগুলো গ্রুপকে ডেকে একসাথে বসলাম দেখি কি হয়।
এসাইনমেন্ট করতে করতে রাতের ১২টা পেরিয়ে গেল। তাও শেষ হলনা। এদিকে সবাই টায়ার্ড। এমন সময় বসনিয়ান মেয়েটা আমাকে জিজ্ঞেশ করলো “ডু ইয়ু হ্যাভ স্মোক?” অবস্থার তাৎক্ষনিকতায় আমি “না” বলতেও ভুলে গেলাম। মাথায় ঘুরতে লাগলো একটা প্রশ্ন। এই মেয়ে স্মোক দিয়ে করবেটা কি?? মেয়েটার পুনরায় জিজ্ঞাশায় সম্বিত ফিরেপেতেই দুপাশে মাথা নাড়িয়ে জানিয়ে দিলাম “নাই” ভাবতে লাগলাম ও মনে হয় লাইটার খুজছে, হয়তো অন্য কোন কাজে। কিন্তু না। সে এবার সবাইকে উদ্দেশ্য করে বল্ল, আই এম নট ফিলিং ওয়েল নাও, আই থিংক আই নিড টু স্মোক, ডাজ এনি ওয়ান হ্যাভ সিগারেটস প্লিজ?
আমার পাশের স্বদেশীটার আবার সিগারেট না হলে সকালের প্রাতরাস সম্পন্ন হয় না। তার কাছে আর কিছু না থাকলেও লাইটার আর সিগারেট ঠিকই আছে। সে বল্ল আমার কাছে আছে। এই বলে পকেট থেকে সিগারেট বের করে মেয়েটাকে দিল। মেয়েটা সিগারেট নিল, আগুন ধরালো, পাক্কা ধুমপায়ীর মত সিগারেট টা মুহুর্তেই শেষ করে ফেল্ল। একটুও জড়তা, বা ইতস্ততা তার মাঝে পরিলক্ষিত হলোনা।
আমারদেশের অতি কাছের বন্ধুরাও ননস্মোকারদের সামনে স্মোক করতে ইজি ফিল করে না। অনেকেই আগে বলে নেয় “দোস্ত একটু বিড়ি টানুম মাইণ্ড খাইস না” কিন্তু ওর মাঝে এসবের কোন বালাই দেখলাম না। এমনকি ফরেন ফ্রেন্ডসরাও আগে বলে নিয়ে পরে স্মোক করে। কিন্তু এই মেয়ে ওসবের ধারও ধারলোনা।
এখানে কিছু ছেলে আছে মেয়েদের মত বিহেভ করে, ওরা যখন মেয়েদের মত করে চলা ফেরা করে তখন মেয়েদের চেয়েও এদের মেয়েলি ভাবটা বেশী বেশী হয়ে যায়। ওরা যতটা করে অতটা মেয়েরাও করে না। ঠিক তেমনি মেয়েরা যখন তাদের স্বভাব চরিত্রথেকে বেরিয়ে আসে এবং পুরুষালী আচরন করতে শুরু করে তখন ওরা ছেলেদেরকেও ছাড়িয়ে যায়। যেমন এক সময় আমাদের দেশের নারীবাদিরা বলে বেড়াতো তাদেরকে নাকি আপাদমস্তক ঢেকে রাখা হয়, তাদেরকে ঘরের কোনে লুকিয়ে রাখা হয়। তাদের অধিকার আছে রাস্তায় যাবার, বাইরে যাবার, ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে তারা তাদের অধীকার আদায় করে নিল। এখন তাদের পোষাকে আষাকে, চলায়-ফেরায় পুরুষেরাও লজ্জায় চোখ নামাতে বাধ্য হয়। পুরুষের মত সমান অধিকার পেতে তারা তাদের আবরন খুলতে খুলতে এমন পর্যায় নেমেছে যে, সমাজের পুরুষ গুলোর অবস্থা হয়েছে কার্তিক মাসের নেড়ী কুত্তার মত। মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে থেকে ওরা চোখের মজা লুটে নেয় নীরবে, সুযোগ পেলে সীস বা ইভটিজিংযের মাধ্যমে আরও কিছু মজা নেয় তারা। আর বেশী বেয়াড়া যেগুলো আছে তারা কেউ এই স্বধীন নারীদেরকে ফুসলিয়ে ফাসলিয়ে নিয়ে গোপন অভিসারে লিপ্ত হয়। পরে আবার সেই গোপন অভিষারের সচল চিত্র ইন্টারনেট গড়িয়ে মানুষের মোবাইলের মেমরিকার্ডের সিংহভাগ দখল করে থাকে। পরে দেখা যায় সেই সচল চিত্রের নায়িকা এতদিনের চরম অবহেলা আর বিরক্তের বস্তু ওড়নার খোজে হন্য হয়ে ওয়ার ড্রপের আনাচে কানাচে হাতড়ীয়ে বেড়ায়। কারন অসহনীয় লাঞ্চনাময় এ জীবনের সমাপ্তি যে এই ওড়নার মাধ্যমেই সারতে হবে। এতদিনের অবহেলার ওড়নাটা আজ তার একমাত্র চাহিদার কেন্দ্রে এসে পড়লো। এতে কি ওড়নার অট্টহাসিটা সে আদৌ শুনতে পায়?
এদিকে আবার শুরু হয়েছে অন্য এক খেলা, নতুন এক ধরনের নেড়ী কুকুরের উত্থান ঘটেছে দেশে। দেশের সিংহ ভাগ নারীদেরকে বাইজির পোষাকে দেখে তাদের মন ভরছে না। বরং যেসকল বোনেরা নিজেদেরকে অযাচিত নেড়ীকুকুরের আক্রমন থেকে বাঁচাতে এবং সৃষ্টি কর্তার প্রদত্ত বিধানকে মানতে গায়ে হিযাব জড়িয়ে নেন সে সকল বোনেদের উপরও ওদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে। তাই ছলে বলে কোউশলে নয় সরাসরি চেষ্টা চলছে তাদের গায়ের ঐ আবরনকে টেনে খুলে নিতে। ওদের কাছে ওড়না কোন সমাধান নয়, সমস্যা। কারন ওরা চায় আমাদের রুচিশীল বোনেরাও তাদের জীবনের অংক সর্বশেষে এসে ঐ ওড়না দিয়েই সমাধান করুক। আর এই ফাকে তাদের লালসার পুর্ন হিস্যা তারা লুটে নিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

