আমার প্রিয় পোস্ট

shamseerbd@yahoo.com

মায়ের জন্য গান ।।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০০

শেয়ারঃ
0 1 0

ব্যাপারটা যে কাউকে বিশ্বাস করানো আসলেই কঠিন। ৭.১৫ থেকে ৮.১৫ এই এক ঘন্টায় ৬৮ বার কল করা। অতঃপর যার জন্য এই কল তার সম্বিত ফিরে আসা এবং জানানো, হুম আমি ঘুম থেকে উঠেছি। জানিনা কোন ধৈয্য বলে টানা একঘন্টা এভাবে কল করে যাওয়া সম্ভব, যেখানে কল ধরতে কেউ একটু দেরী করলেই আমার মেজাজ খিচড়ে যায়। আর কি অবলিলায় আম্মু প্রতিদিন এই কাজটি করে চলেছেন।

I am not lazy , i just rest before i get tired !!!
আমার মোবাইলের ওয়াল পেপার। বন্ধুদের ধারনা এই ওয়াল পেপারটা শুধুই আমার মোবাইলে মানায়। টানা অনেক রাত পর্যন্ত যেগে থাকা আমার জন্য কোন ব্যাপারই না। কিন্তু একবার যদি ঘুমিয়ে পড়ি তো সব শেষ। উত্তর কোরিয়ার মিসাইল কোন সাগরে পড়ল আর কত গুলা ট্রেন আমার জানালার পাশ দিয়ে গেল তাতে কি আসে যায়। তাই আমার রেষ্ট মানেই হারিয়ে যাওয়া। ঘুমটা কিছুটা ঐতিহ্যও বটে।আমার দাদীর কাছ থেকে পাওয়া। মনে পড়ে ছোট বেলায় আমার দাদা পানের বোঁটা হাতে দিয়ে বলত এটা তোর দাদীর নাকে ঢ়ুকিয়ে দে।দিয়েই ভোঁ দৌড়।সে এক মজার খেলা। তাই ঘুম নিয়ে আমি কি করতে পারি। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গুনের সাথেত যুদ্ধ করা যায়না

আর এই গুনের যন্ত্রনা ভোগ করে চলেছেন আমার মা। মাঝে মাঝে অবাক হই কি করে ক্লাশ ফাইভ পর্যন্ত প্রতিদিন ভোরে উঠে ফুটবল খেলতাম। এই গুনের বহিঃপ্রকাশ ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে। দাঁত মাজতে মাজতে সোফায় ঘুমিয়ে পড়া দিয়ে শুরু। নাস্তা বানাতে বসেও আম্মুর শান্তি নাই।আমি যাতে ঘুমিয়ে না পড়ি সে পাহারাও দিতে হত।

ইন্টার থেকে শুরু হয় গভীর রাত অবধি জেগে থেকে পড়ার প্রবনতা।একঘন্টা পরপর আম্মু এসে দেখত জেগে আছি কিনা। নিত্য নতুন খাদ্যের ফরমূলা খুঁজতাম। কোনটা খেলে ঘুম চলে যাবে। এর মধ্যে নুডলস এতই হিট করল যে আমার অল টাইম ফেভারিট মেন্যু হয়ে গেল। আর বাসার ফ্রিজে নুডলস স্হায়ী আসন পেয়ে গেল। আম্মুত আছেনই সো ফ্রিজে নুডলস থাকবেই।এখনও বাসায় গেলে নুডলস কমন আইটেম। তবে সবচেয়ে অদ্ভুত আবিষ্কার ছিল রাত একটাই ওরস্যালাইন টি। আম্মু একটার দিকে শেষ চা বানিয়ে দিতেন।আর আমি তাতে লবণ মিশিয়ে নিতাম। ফলাফল কি হয়েছে জানিনা তবে পরিণতি হচ্ছে আমার এখন দিনে ঘুমাতেই বেশী ভাল লাগে। সকালে ঘুম ভাঙ্গতেই চায়না।

আমার বাংলা হাতের লিখা যাদুঘরে স্হান পাবার যোগ্যতা রাখে। আব্বু বলেন তোর মায়ের হাতের লিখার আশপাশ দিয়ে হাঁটতে পারলে তোর লিখাও হত দেখার মতন। শুরু হল আম্মুর নতুন যন্ত্রনা। একাধারে আম্মু, , ছিলেন আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা (মায়ের বদৌলতে স্কুলে শিক্ষক কমন রুমের সব নাস্তার ভাগ জুটত আমার ) , নতুন দায়িত্ব নিলেন আমার ব্যাবহারিক খাতার লেখক। ইন্টার পর্যন্ত সব খাতায় আম্মুর লেখা।

এ জীবনে যত মিথ্যা কথা বলেছি তার ৯৫ ভাগ ই আব্বু আম্মুর সাথে।বিশ্বাস এই যে আর যায় হউক তারাত ক্ষমা করে দিবেন। ইন্টারের পরে বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম কক্সবাজার যাব। কিন্তু এই মৃত্যু কূপে বাসা থেকেত যেতে দিবেনা।আর তাই মিথ্যার আশ্রয়। আমি আর মিঠু বললাম ওলীর গ্রামের বাড়ী যাব।রাজু ও কি একটা বলেছিল। শুধু জুয়েলের বাসায় সত্য জানানো হল। কিন্তু জামিলকে বের করি কিভাবে। আবার সৈই মিথ্যা। ওর মাকে বলা হল আমার বোনের বিয়ে। জামিল তিন দিন আমাদের বাসায় থাকবে । অনুমতি হল। অসম্ভব মজা হল কক্সবাজার এ। কেন জানি মিথ্যা বলে আমি কখনও পার পায়নি। এবার ও তাই হল। আমাদের সবগুলা ছবিই নষ্ট হয়ে গেল। এখনও কষ্ট হয়, হিমছড়ির সেই সৌন্দর্য এরপর আর কখনোই তখনকার মত দেখিনি।

আম্মু প্রায় বন্ধুদের বলত ওদের মাকে নিয়ে আসতে।কূটনৈতিক কারনে আমরা তা কখনও বাস্তবায়ন করিনি।
পরের ধরা খাওয়া জামিলের মায়ের হাতে।মাসখানেক পরে ওনি বললেন তোমার মাত একদম একা হয়ে গেছেন, তোমার আপা দূলাভাই কেমন আছেন।আমিত আকাশ থেকে পরলাম।আমার বোন পরে সেভেনে, দূলাভাই আসবে কোথা থেকে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আন্টির সাথে আম্মুর দেখা হবার আর কোন চান্স নেই। তাদের দেখা হয় এর আট বছর পর জামিলের বিয়েতে।মিঠুরা কাছাকাছি থাকলেও ওর মায়ের সাথে দেখা হয় তখন।

ভার্সিটি ভর্তি হয়ে চলে গেলাম দূরে।কি খায় কিভাবে চলি তার এসব দুশ্চিনতার সমাধান দেয় সাধ্য কার। মোবাইলের কল্যানে তিনি পেয়ে গেলেন নতুন লংডিসটেন্স দায়িত্ব। ফোন করে ঘুম থেকে উঠানো। এরপরও সকাল আটটার ক্লাশে খুব কমই স্যাররা আমার দেখা পেয়েছেন। আম্মুর এই চলতি দায়িত্ব এখনও চলছে। তিন বছরের চাকরি জীবনে এগার দিন আমার দেশের বাইরে থাকা আর একমাস হজের জন্য আব্বু আম্মুর বাইরে থাকা বাদে প্রতিটা দিন তিনি আমাকে ফোন করে ঘুম থেকে তুলে অফিসে পাঠান। চাকরীর ভাইভা দিবার দিন ও আমাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দিতে হয়েছে।
খেয়ে যে যায় বলুক আমার বিশ্বাস আমি খুব ভাল রান্না করতে পারি। গরুর মাংস , মুরগী , খিচুড়ী সবই, শুধু ভাতটা একটু ভর্তা হয়ে যায় এই আরকি। এখানেও আমার শিক্ষক আম্মু, মাধ্যম মোবাইল।

রাত এগার থেকে বারটার মাঝে আমার মোবাইল বেশ কিছুক্ষন বিজি থাকবেই। গত তিন বছরের প্রতিটি দিনই। বন্ধুদের কসম খেয়ে বিশ্বাস করাতে হয় আমি আম্মুর সাথে কথা বলছিলাম। আত্মীয়স্বজন সবাই চিটাগং এ আর আমি ঢাকায়। সেখানে ঘটে যাওয়া পারিবারিক সব ঘটনার আপডেট পেয়ে যায় আমি।আম্মুর পাশে বসে আব্বু ছোট বোন আর ভাইটি হাসাহাসি করে এই বলে, যে শুরু হল আজকের সারাদিনের ধারাবিবরনী। তখনই তাদের ভাত খাবার কথা মনে পড়ে।শুরু হয় ভাত দেয়ার জন্য তাড়াহুড়ো। আর চিটাগং গেলে আমাদের ডিনারের ব্যপ্তি প্রায় দুঘন্টা।পাশের আন্টিরা বলে শামসীর আসলেই বুঝা যায় রাত একটা পর্যন্ত আপনাদের হৈচৈ শুনে।

বাবা মার প্রতি ভালবাসা প্রকাশে আমাদের বাঙ্গালী সমাজ বেশ নীরব।ভালবাসাটা বুঝতে না দেয়ার মাঝেই যেন ভালবাসার সার্থকতা। আর তাই বাবা মাকে নিয়ে রচিত সব গানেই হারানোর হাহাকার ফুটে আছে তীব্রভাবে। এটা বুঝেছিলাম জেমসের মা গানটি একবার চলার পর আব্বু যখন বলেছিলেন আবার চালাত গানটা।

বাবা মাকে নিয়ে উচ্ছসিত আবেগ ভালবাসা প্রকাশের কোন গানই নেই আমাদের। অফিসে বসে ওয়লকাম টিউনের মডিওল দেখতে গিয়ে ইচ্ছা হল আব্বু আম্মুর জন্য দুটা আলাদা আলাদা টিউন সেট করব। আজকের আমাকে প্রতি মুহুর্তে গাইড করে যিনি এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন তার জন্য কোন ওয়েল কাম টিউন ই পেলামনা।

দেশমাতার জন্য অনেক গানই আছে। অথচ আম্মু , যার জন্য আমার এই পৃথিবী পাওয়া তার জন্য কোন সুইটেবল গানই নেই। পরক্ষনেই ঘুমই আবার ত্রান কর্তা হিসেবে আর্বিভূত হল। ওয়েল কাম টিউন সেট করলাম :

জন্ম আমার ধন্য হল মাগো
এমন করে আকূল হয়ে আমায় তুমি ডাক ।।

আম্মুর কাছ থেকে এখনও জানা হয়ে উঠেনি গানটা বেজে উঠে কিনা।


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:১০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: লেখাটা খুব ভালো লাগলো। সবচেয়ে ভালো লাগলো একটা কথা।

বাবা মার প্রতি ভালবাসা প্রকাশে আমাদের বাঙ্গালী সমাজ বেশ নীরব। ভালবাসাটা বুঝতে না দেয়ার মাঝেই যেন ভালবাসার সার্থকতা।

তোমার মা নিশ্চয়ই টায়ার্ড হয়ে পড়েছে এতি মধ্যে। একটা বউ আনো। অন্তত ঘুম থেকে উঠিয়ে দেবার জন্য। উনি কিছু না বললেও তোমারত একটা দায়িত্ব আছে নাকি বলো?
১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আমারত ভয় হয়রে আমার বউকেও হয়ত আমার মাকেই ঘুম থেকে উঠিয়ে দিতে হবে। ডাবল পরিশ্রম।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: হুমম।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ভাই ২৭০ কিলো দুরত্ব মাঝখানে।কি করি। ঘটা করে একদিন হয়ত ঠিক আছে।তবে মা ত আসলে প্রতিদিনের।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সাঝু কি এখন ঢাকায় ?

১০ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
আমি তান্ত্রিক বলেছেন: সাম আমার মনের কথা গুলিই তুমি গুছিয়ে লিখলা...
১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: তা নাহয় লিখলাম .......ভাইর আসল পরিচয়টা কেমনে পায়।

১০. ১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: ভাল লিখেছিস দোস্ত । এবার মায়ের দায়িত্ব বউকে হ্যান্ডওভার কর।
১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: সে দায়িত্ব ও আম্মুর ঘাড়ে দিয়া দিছি দোস্ত। খুজে বের করুক কার হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। নাকি তারেও ঘুম থেকে তোলার দায়িত্ব ও নিজে নিবেন।

১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১২. ১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
পাথুরে বলেছেন: ভালো লাগলো। সাবলীল প্রকাশভঙগী........
১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
রোহান বলেছেন: জোস হইছে... +++++++

পুলাপাইন যা কয় মন দিয়া শুনতে হয় :) জলদি ভাবিরে খুইজা আনেন ;)

প্রক্সি দিয়া ঢুকছি তাই প্লাস বুতাম কাম করতাছে না তাই মন খারাপ করে কারো লেখায় যাইতাছি না।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: রোহান বলেছেন: পুলাপাইন যা কয় মন দিয়া শুনতে হয় জলদি ভাবিরে খুইজা আনেন ।

চিন্তায় ফালাইয়া দিলা।

১৫. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৭
সামশুল আলম বলেছেন: আমার মধ্যে আবেগ একটু কম কাজ করে মনে হয়। তাই হয়ত এখনো মাকে উইশ করি নি। তবে তোর লেখা পড়ে মনটা খুব খারাপ হলো। আমি এতো খারাপ। যাই হোক তোকে অশেষ ধন্যবাদ এরকম সুন্দর একটা লেখার জন্য। যাই মার সাথে একটু কথা বলে আসি। তোকে আবারো ধন্যবাদ...ভেতরের মানুষটাকে জাগিয়ে তোলার জন্য
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: সবার ভেতরেই আছেরে......সমস্যা হচ্ছে বাবা মার প্রতি ভালবাসা প্রকাশে আমাদের বাঙ্গালী সমাজ বেশ নীরব।ভালবাসাটা বুঝতে না দেয়ার মাঝেই যেন ভালবাসার সার্থকতা।

১৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৪
অন্যরকম বলেছেন: + এবং সরাসরি হলুদ বাটনে টিপি!

জটিল লিখছস মামু!!!!! এক্কেবারে তোর জীবনী!!!!! :)
খালাম্মা তোর পিছে পন্ডশ্রমই দিয়া গেল! কুইড়াই রইয়া গেলি! মানুষ হইলি না! ;)

১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: মানুষ হইলি না! হাছা কথা কইছসরে ছোড ভাই।আগের মতই আছি।

১৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৮
অন্যরকম বলেছেন: তোর ঘুমের কারণে আমি কম কষ্ট করি নাই! প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য তোদের বাসাই আইসা দেখতাম তুই হয় ঘুমাস না হয় বাথরুমে...! X( খালাম্মা তোরে সকাল থেকে ডাইকাই যাইত আর তোর জন্য নাস্তা রেডি করত, তোর বই খাতা স্কুলে ব্যাগ গুছাইত! আর ঐদিকে স্কুলে যাইতে দেরী হইলে বিজয় ভূষণ আমারে প‌্যাদানী দিত! তোর লেইটের কারণে যে কত মাইর খাইছি!!!! X(
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: :(:(:(:(:(:( মাফ কইরা দিস।

১৮. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
প্রতিটি ক্ষন
প্রতিটি সেকেন্ড
মিনিট, ঘন্টা, মাস ,বছর মা'র জন্য!!


পৃথিবী'র সকল মাকে শ্রদ্ধা আর ভালবাসা!
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
প্রতিটি ক্ষন
প্রতিটি সেকেন্ড
মিনিট, ঘন্টা, মাস ,বছর মা'র জন্য!!


পৃথিবী'র সকল মাকে শ্রদ্ধা আর ভালবাসা!

১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
হিমেল নাগ রানা বলেছেন: ভাই অনেক অনেক অনেক ভাল লিখছো।
অনেক ভালো লাগলো।
১৯৯৮ থেকে আমি বাড়ীর বাইরে থাকি।
যখন বাড়ীতে যাই -- হাজার রকম ঝামেলা তে আটকে দেখা যায় বাসায় থাকা হয় ৫-৬ ঘন্টা ... মা এর সাথে যোগাযোগ তাই মোবাইলে ।
এবার অনেক দিন পর মা ঢাকায় এসছেন।এবার মা দিবসে তাই আমি মা এর কাছে।
উনার একটা অসুখ আছে নাম আইবিএস।আমাদের কে কাছে পেলে মা ঐটার কথাও ভুলে যায়।
১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি ও তোর মতই ছন্নছাড়া ২০০০ থেকেই। সেই ২০০১ থেকেইত একসাথে তুই আমি আমরা ............নাটাইবিহীন ।

১১ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: :)

২১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৩০
শ।মসীর বলেছেন: অন্যরকম বলেছেন:

জটিল লিখছস মামু!!!!

কিরে বেটা ভাইরে মামু বানাইয়া দিলি। বড় মামার সামনে এই ডায়ালগ দিস।থাপড়াইয়া তোর দাঁত নামাইয়া ফেলব। :P
২২. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪২
অন্যরকম বলেছেন: আরে বেটা! বড় মামার সামনে এই কথা কমু নাকি! আমার মাথা খারাপ না পেট খারাপ এ্যাঁ? ..... এই মামু হইতেছে জাতীয় মামু, হোটেল বয়, রিক্সাওয়ালা, দোস্তদেরকে আমরা যা বলি আরকি! ;)
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: হোটেল বয়রে মামু বলা নিয়া বড় মামার সাথে আমার একটা ঘটনা আছে।লিখুমনে পড়ে।

১৩ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: ভাইরে একটা মেইল কর। মাথায় কাম করতেছেনা।


২৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৩
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: "মা দিবস ব্লগ সঙ্কলন - ২০০৯ " ই-বুক আকারে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত পাবেন এই পোষ্টে । পোষ্টটিতে আপনার মতামত আশা করছি।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: মতামত দিয়া আসছি।ধন্যবাদ আবারও এমন উদ্যেগের জন্য।

২৬. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৮
ঝুমী বলেছেন: সুন্দর। আপনার মায়ের মতো আমার মাকেও প্রতিটা ক্ষেত্রে অনেক ধৈর্যশীল মনে হয়। যার বিন্দু পরিমান ধৈর্যও আমার মাঝে নেই! +:)
২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: মায়ের ধৈর্য আসলে কোন কিছুর সাথে তুলনা হয়না। সময়ই মনে হয় মা দেরকে ধৈর্যশীল করে জেয়।

২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

২৮. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: আমাদের সবার মনের কথাটা বললা :)
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।কেমন আছ।

২৯. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫০
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: আমাদের সবার মনের কথাটা বললা :)
৩০. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৮
বিলাশ বিডি বলেছেন: শামসীর, দুর্দান্ত লিখেছো!

মা'র ভালোবাসাটাকে সিম্পলি অপার্থিব মনে হয়...
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: মা'র ভালোবাসাটাকে সিম্পলি অপার্থিব মনে হয়... আসলেই কোন তুলনা হয়না এর।

৩১. ৩০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
দীপান্বিতা বলেছেন: 'বাবা মার প্রতি ভালবাসা প্রকাশে আমাদের বাঙ্গালী সমাজ বেশ নীরব।ভালবাসাটা বুঝতে না দেয়ার মাঝেই যেন ভালবাসার সার্থকতা। আর তাই বাবা মাকে নিয়ে রচিত সব গানেই হারানোর হাহাকার ফুটে আছে তীব্রভাবে। ' --একদম খাঁটি কথা...
৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: হুমম।আমারও তাই মনে হইছে।

০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: কি ভাই ???

৩৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৮
অমিত০৯৭ বলেছেন: মা নাই । এখনো (৩ বছর বাদেও) রাতের বেলায় চোখ ভিজে ওঠে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: মার জন্য দোয়া র‌ইল।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: :):)

০২ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..।

৩৬. ২১ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:৫৬
পারভীন রহমান বলেছেন: তোমার মা এখন কেমন আছেন শামসির? তার জন্যে সালাম .....
২১ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আব্বু আম্মু আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন ।
এইত সকালে আমাকে ঘুম থেকে তুলে অফিসে পাঠালেন :):)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৪৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
At present I am living in the consequences of a choice made earlier

বেঁচে আছি এটাই আনন্দের.........।।

ইচছা হয় সারাদিন ঘুরি পথ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ