আমার প্রিয় পোস্ট

shamseerbd@yahoo.com

সুখী

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

শেয়ারঃ
0 11 0



জীবনের স্বাভাবিক গতিময়তায় তার সাথে আমার যোগসূত্রের কোন সম্ভাবনায় ছিলনা। সে অসম্ভব কে সম্ভব করেছিল কিশোরীকাল অতিক্রম করার পরও তার মাঝে রয়ে যাওয়া কিশোরিসুলভ চপলতা- না এভাবে বললে ব্যাপারটা কেমন সাহিত্য পাতায় ছাপা হওয়া গল্পের লাইন মনে হবে, সহজ ভাষায় সেটা হবে তার নাই কাজ তো খৈ ভাজ কর্মকান্ডের কারনে।

ব্যস্ত কর্মময় কোন একদিনে মোবাইলে পরপর বেশ কয়েকটি মিস কল আসার পর কল ব্যাক করার পর যখন মিস কল প্রদান কারীর কাছে যানতে চাইলাম বারবার মিস কল দিচ্ছেন কেন - তার সাবলীল জবাব এমনিতেই দিচ্ছি । একটা অপরিচিত নাম্বারে এভাবে মিস কল দিবেন না, ব্যাপারটা বিরক্তিকর - কথাটি সম্ভবত তার মাঝে ঋনাত্মক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। কিছুটা জেদ প্রকাশ সুলভ তার উত্তর আমার ইচ্ছা আমি মিসকল দিব, আপনার ইচ্ছা হলে আপনি কল করবেন, না হলে নাই । এমন করলে আমি কিন্তু কমপ্লেইন করে আপনার নাম্বারটা বন্ধ করার ব্যবস্হা করব। আপনার যা ইচ্ছা করেন। ব্যাপারটা সম্ভব নয় জেনেও বলে ফেললাম কারন তখন কাজের চাপ মাথায় ভর করে ছিল। খোশ গল্পের মুড ছিলনা।

ফোনটা কেটে দেয়ার পর মনে হল তরুনীর আহবানে সাড়া দেবার মত পর্যাপ্ত সময় এখন না থাকলেও পরে কথা হবে বলে রেখে দিলেই হত। তাহলে আবার কল করার একটা সুযোগ থাকত। আফটার অল আই এম ঠু ইয়াং টু সে নো টু এ উইমেন - বয়সটাতো এমনই। পরক্ষনে ভাবলাম শুধু শুধু ঝামেলায় জড়ানোর কোন মানে নাই, আমি যে নাম্বার ইউজ করি তা দিয়ে আমাকে আইডেন্টিফাই করা ডাল ভাতের মত সোজা। শেষ বিকালে হাতের কাজ শেষ করার তাড়াই বেশীক্ষন এই নিয়ে ভাবার অবকাশ পেলামনা ।

সদ্য তরুনী জীবনে প্রবেশ করা মেয়েটি তার কথা রাখল। পরপর বেশ কয়েকটি মিসকল। ছুটির দিন হওয়াতে হাতে কোন কাজ নেই। অলস দুপুরে কল ব্যাক করলাম। হ্যালো বলেই নিজ থেকে তার পরিচয় দিল- আমি হ্যাপী। এই কলেজে অনার্স পড়ছি । আপনি কি করেন। আমি কি করি আপনি জানেন না !! তাহলে আমার নাম্বার পেলেন কৈ , কে দিল। তারও অলস সময়ে অরবিটারি ডায়াল করতে গিয়েই নাকি আমাকে কল করা- তর্ক না করে মেনেই নিলাম। যেভাবে পাবে পাক - আমার কি।
হ্যাপী মাঝে মাঝেই মিস কল দিত । ফ্রী সময় থাকলে আমিও কল ব্যাক করতাম। কথা হত , হাই হ্যালো, ক্লাশ কেমন চলে, আমার অফিস কেমন চলছে। গন্তব্য জানা না থাকলে যাত্রা যেমন হয়।

এমনি করে এমন ই এক দিন কল করার পর বুঝলাম তার মন খুবই খারাপ , ক্ষনপূর্বে কান্না ও হয়ে গেছে একদফা তেমনটিই মনে হল । সম্ভবত সে দিনই তার সাথে আমার দীর্ঘক্ষন কথা হল। জানা হল তার অনেক কিছু।

মায়ের কষ্টেই তার এই কান্না। বাবা ময়ের মাঝে হওয়া মতানৈক্য তরুনী মেনে নিতে পারেনি- মনে মনে আমার এই ভাবনা বেশীক্ষন স্হায়ী হলনা যখন সে কথার ডালপালা মেলে দিল । প্রকাশে বেদনা মলিন - এই ভেবে হয়ত সে শুরু করল।

আমার বাবা দুটি বিয়ে করেছেন। কথাটি শুনে প্রথম দফায় আমি ঠিক আত্মস্হ করতে পারিনি- তাই বলে বসলাম কি বললে। আত্মসন্মানবোধ সম্পন্ন তরুনীর মলিন চেহারাটি কল্পনায় ভেবে নিলাম যখন সে দ্বিতীয়বার অনেক কস্টে একই কথা বলল। হুমম বলেই আর বলার মতন কিছু পেলামনা , কিংবা কি বলতে হবে তেমন কোন অভিজ্ঞতাও আমার ছিলনা।

জেলা শহরের নামকরা উকিল তার বাবা। দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে শহরেই থাকেন। সেই ঘরে তার একটি ছোট্ট বোন ও আছে। কথায় কথায় জানাল ছোট বোনটিকে তার অনেক পছন্দ। সে ও তাকে পছন্দ করে। ভদ্রমহিলা কখনো তার সাথে এমন কোন আচরন করেননি যার জন্য সে তাকে খারাপ বলতে পারে। কিন্তু যখনই তার মায়ের বঞ্চিত হবার বিষয়টি মনে পরে সে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা। তাই শহরের কলেজে পড়লেও সে হোষ্টেলেই থাকে। হঠাৎ হঠাৎ বাবা ফোন করলে সে হয়ত ঐ বাসায় যায়, ভদ্রমহিলার বাসায় থাকার আমন্ত্রনও সে নির্দ্বিধায় ফিরিয়ে দিয়েছিল।

তারা একভাই এক বোন। ভাই ঢাকায় কোন একটি ইউনিভার্সিটিতে পাড়ে। স্কুল শিক্ষিকা মা তার একলায় থাকেন থানা শহরেই। স্বামী সোহাগ বঞ্চিত মায়ের কষ্ট সে কোন মতেই মেনে নিতে না পারলেও সময়ের স্বাভাবিক স্রোতে সব বয়ে চলেছে নিজ নিয়মেই।

বন্ধুত্বে আমি উদার, আর শ্রোতা হিসেবে মহৎ। তার চলতি পথের অনেক গল্পই মন দিয়ে শুনে যেতে হয় আমাকে। হু হা অথবা সামান্য কিছু যোগ করার মধ্য দিয়ে চলে আমাদের কথোপকথন। মাঝে মাঝেই কথা হয়।

ভাল শ্রোতা পেয়ে সেও যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে । স্বাবলম্বী হয়ে মাকে নিয়ে সামনের সুন্দর দিনের স্বপ্ন বোনে সে। স্বপ্ন বেশীদূর আগাতে পারেনা, এক বিকেলে সে জানায় তার বিয়ের কথাবার্তা হচ্ছে। ছেলের মা কোন এক ফাঁকে তাকে দেখে পছন্দও করেছেন।

তোমার মতামত কি এই প্রশ্নে দ্বিধা না করেই সে জানায় ছেলের পরিবার শহরে বেশ ধনী হিসেবেই পরিচিত, গাড়ী আছে তাদের। এক ফাঁকে এও জানায় নিজের গাড়ীতে করে ঘুরা তার প্রিয় কল্পনা গুলোর একটি , স্বচ্ছলতা অনেক বড় বিষয় তার কাছে।

ছেলে কি করে এই প্রশ্নে কিছু সময় নির্বাক থেকে জানায় রাজনীতি করে। কোন কিছু না ভেবেই বলে বসলাম রাজনীতি করে এটা কেমন পরিচয়। ওর সাথে অনেক বড় বড় নেতার যোগাযোগ, রাজনীতিতে ওর ভবিষ্যত অনেক ভাল। জানিনা এই কথাটা বলার সময় তার মাঝে কতটুকু আত্মতৃপ্তি কাজ করেছিল , তবে এই ব্যাপারটা তার বাবার মাঝে বেশ প্রভাব রেখেছে, মা রাজি না থাকলেও তার বাবা ওনাদের কথা দিয়ে ফেলেছেন, ছেলের মেয়ে পছন্দ হলে তিনি রাজী।

তাকে নিয়ে , তার বিয়ে নিয়ে বিচলিত হবার মত কোন বিষয় ছিলনা আমার মাঝে , তাকে নিয়ে কোন পরিকল্পনাও ছিলনা আমার , অন্ধভাবে কখনো পথ চলিনি, তাই যাকে দেখিনি তাকে নিয়ে তেমন একটা ভাবিওনি।

কিছুদিন পর মুঠোফোনে তার এসএমএস পেয়ে ফোন দিলাম। হ্যালোতেই ভীষন উচ্ছ্বসিত মুখাবয়ব দেখতে পেলাম , সে রাজনীতিবিদের সাথে আজ তার দেখা হয়েছে। বয়সটা একটু বেশী হলেও সেএখনও একটি দলের ছাত্র সংগঠনের সভাপতী, ভীষন ক্ষমতা তার, সবাই তাকে ভয় পাই। গাড়ীতে করে আজ তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিল। আইনি অধিকারের আগেই এই ক্ষমতাসীনের ছায়ায় সে ভীষন পুলকিত। কথায় কথায় আমাকে জানায় তার শহর ভ্রমনের আমন্ত্রন। তাদের গাড়ীতে করে পুরো শহর ঘুরিয়ে দেখাবে, অনেক কিছু আছে তাদের শহরে। আমি হাসি, মায়ের কস্টে মলিন যে মুখ , নিজের অনাগত সুখে তা আজ উচ্ছ্বাসের জোয়ারে মাতোয়ারা। গাড়ী বিলাসে সে আজ পাগলপাড়া। মাকে নিয়ে তার সে স্বপ্নের কথা আর কখনো তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়নি।

এনগেজমেন্টের দিন সে জানায় তার এক খালাত দেবর আমারই অফিসে চাকরি করে, আমাকে চিনে । আমিও তাকে চিনলাম, আমার ভালই পরিচিত। আমাকে তাদের বিয়েতে অবশ্যই যেতে হবে, সে ঐ ভাইকে বলে দিয়েছে আমাকে যেন নিয়ে যায়। অফিসে দেখা হওয়ার পর তার হবু ভাবী আমার পরিচিত একথা সে আমাকে জানায়। বিয়েতে আমার যাওয়ার সঙ্গত কোন কারন নেই, যাওয়াও হয়নি। বিয়ের আগে তার শ্বশুর বাড়ীতে বেশ কয়েকবারের ভ্রমন গল্প আমার জানা হয়। শ্বাশুরী তার খুবই ভাল মহিলা , অনেক আদর করেন তাকে, কথায় কথায় তিনি হবু পুত্র বঁধুকে জানিয়েও দেন তিনি যেহেতু ঢাকায় থাকেন বড় ছেলের কাছে , শহরের এই বাড়ীর সব দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। ধনী বাড়ীর কর্তী হবার স্বপ্ন তার চোখে নানান কথায় তা জানাতেও তার দ্বিধা নেই। বিত্ত তার কাছে এত বড় হয়ে কেন ধরা দিল সে ব্যাপারটা নিয়ে আমি অনেক বার ভেবেছি , কোন কূল পাইনি, যেহেতু আমি জানি মায়ের বঞ্চনার অভাবটুকু বাদে আর কোন অভাব তাকে ছুয়ে যাইনি। এক সময় তার বিয়েও হয়ে যায়, পথ চলায় তাকে নিয়ে ভাবার তেমন কোন অবকাশ ও ছিলনা।

"আগুনে পুড়ে গেছে সুখীর পুরো শরীর , হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে " ............ জেলা প্রতিনিধি । অফিসে যাবার প্রস্তুতিকালে হঠাৎ করে থমকে যায় আমি জাতীয় একটি দৈনিকের পিছনের পাতায় বোল্ড করে দেয়া এই সংবাদে। জেলাশহর আর শিরোনামে দেয়া নামটি সমার্থক হলেও আমি মনের গহীনে উঁকি দেয়া দূর্ভাবনাটিকে উড়িয়ে দিয়ে অফিসের পথে বের হয়। যাত্রাপথে বারবার পুরে যাওয়া শরীরটুকু হ্যাপীর এই ভাবনা মনে ঠায় নিতে চাইলেও আমি প্রশ্রয় দিলামনা।

"
অমুক ছাত্র সংগঠনের জেলা সভাপতির স্ত্রীর পুরো শরীর আগুনে পুড়ে গেছে। তিনি এখন হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় লড়ছেন। ডাক্তারদের মতে তার বাঁচার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার স্বামীর ও শরীরের বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে গেছে, তবে তিনি বিপদ মুক্ত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায় সুখী বাসার বেড রূমে কেরোসিনের স্টপে ডিম ভাজতে গেলে সেখান থেকেই দূর্ঘটনার সূত্রপাত। তার স্বামী আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেও আগুনে পুড়ে যান । পরে গৃহপরিচারক ও পরিচারীকা এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এদিকে সুখীর বাবা এই ঘটনাকে দূর্ঘটনা বলে মানতে নারাজ। তিনি বলেন আমার মেয়েকে হত্যার জন্য গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়ের জামাই বিয়ের পর থেকে তাকে যেন একটি গাড়ী কেনার জন্য বার লাখ টাকা দেয়া হয় , এই নিয়ে প্রায়ই সুখীর উপর চাপ প্রয়োগ করত। তিনি এই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় আজ তার মেয়ের এই পরিনতি - এই কথা বলতে বলতে সুখীর বাবা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। পাশে সুখীর আগুনে ঝলসানো শরীর। ডাক্তাররা দ্রুত রোগীকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন।
পুলিশ জানায় এই ঘটনায় কোন মামলা হয়নি এখনও। মামলা হলে তারা তদন্তের ব্যাবস্হা করবেন। এদিকে গৃহপরিচারিকা জানায় বাড়ীতে দোতালায় সুখী তার স্বামী সহ থাকত, আর কেউ ছিলনা, তারা নিচে থাকে। বেডরুমে রান্না করার কারন কি জানতে চাইলে সে কোন কথা বলেনি। "

সপ্তাহ খানিক পরের রিপোর্ট : " ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় অমুক ছাত্র সংগঠনের জেলা সভাপতির স্ত্রী মারা গেছেন। উল্লেখ্য ..................................। এদিকে সুখীর মৃত্যুর জন্য তার স্বামীকে দায়ী করে করা মামলায় "অমুককে" গ্রেফতার করে থানায় নেয়া হয়েছে, আদালত তিন দিনের রিমান্ড মন্জুর করেছেন।"

এরপর থেকে আর কোন আপডেট চোখে পরেনি। মনে মনে অফিসের ঐ কলিগকে খুজতে ছিলাম। একদিন ধুমপান করতে গিয়ে অফিসের সামনে তার সাথে দেখা। তাকে আগেই বললাম পেপারে ঘটনা আমি পড়েছি। সে জানাল তারা বাঁচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু গেলনা। আমি মনে মনে হাসলাম। মামলার খবর জানতে চাইলাম। তার খালাত ভাইর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে সহজ ভাবে সে জানাল। বলল শীঘ্রই নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। আমি আর কথা বাড়ালামনা।

আরও কিছুদিন পর সে জানাল মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। কিভাবে হয়েছে তা জানার আগ্রহ দমন করার সাধ্য আমার ছিলনা। আজ ভাবি যদি জানতে না চাইতাম সেটাই অনেক ভাল হত। রাজনীতিবিদ তার ক্ষমতার জোরে মুক্তি পেয়েছে এটা ভেবে নিলেই পারতাম। নিরেট সত্য জানার পর যে অনুভূতি হয়েছিল তা আসলে প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। সুখীর বাবা চার লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে মামলা তুলে নিয়েছেন। কলিগের ভাষায় মেয়ের বিয়েতে উনার যা খরচ হয়েছে তা দিয়ে দেয়ায় উনি আপোষ করেছেন। আমার আরও কিছু জানার আগ্রহ তখন চলে গিয়েছিল।

----------------------------------------------------------------------------------
----------------------------------------------------------------------------------

ভার্চুয়াল জগতের পরিচয়ে মানুষ অনেক মিথ্যা বলে , এটার শুরু হয় নাম জানতে চাওয়ার মধ্য দিয়ে। সবাই মিছেমিছি একটা নাম বলে দেয়। সুখী আমার সাথে খুব বেশী মিথ্যা বলেনি । হ্যাপী বলেছিল।

সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জীবন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
রোহান বলেছেন: পোষ্টের প্রথম ভাগ পড়তে পড়তে ভাবছিলাম নানাকে আবার কি বলে খোঁচাবো... শেষটা এমন হবে ভাবি নাই....

মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেলো। অনেক.....
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একই।

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: হুমমমম

৩. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: শুরুটায় ভাল লাগছিল.. শেষে একরাশি কষ্টজল..
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: :):)

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: কষ্টজল - নেই কোন ফল :(:(

৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১০
নাজনীন১ বলেছেন: অনেকে এ ধরণের ঘটনায় সমাজকে দুষে, স্বামীকে দুষে, বাবাকে দুষে। সবই ঠিক আছে, কিন্তু সে সাথে আমি কেন জানি এ ধরণের মেয়েদের প্রতি কোন সহানুভূতি দেখাতে পারিনা। একজন ছাত্র সংগঠনের সভাপতি, মেয়েটা কি পত্রিকা পড়ে না, এ দেশের রাজনীতির কি কিছুই সে জানে না? টাকার মোহ কেন একটি মেয়েকে অদূরদর্শী করে তোলে? তাকে তো আর জোর করে বিয়ে দেয়া হয়নি!!

আমার খুব কাছের একজন আত্মীয়াকে দেখেছি শহরের খুব নামকরা বড়লোকের ছেলের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক, তারপর পারিবারিকভাবে বিয়ে, তার শ্বশুরের দুই বিয়ে-সংসার---- এ মেয়েটিকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের মানসিক অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, প্রতি মুহূর্তে শাশুড়ির কূটচালের আতংকে থেকে থেকে ডায়াবেটিস হয়ে গেছে, বাপের বাড়ির লোকদের প্রায় তটস্থ থাকতে হয় মেয়ে জামাইয়ের আদর-যত্ন-আত্তিতে কোন ত্রুটি থেকে যায় কিনা?? নুন থেকে চুন খসলেই মেয়েটিকে হাজারো কথা শোনানো হয়, কত যে অপমান,...... আরো অনেক ব্যাপার। তবুও মেয়েটি অনেক সময়ে সুখী হবার ভান করে, স্বামীর টাকায়, বাড়ী, গাড়ীতে গর্বিত হতে দেখা যায়। জানি না সেটা কতটা সত্যি, আর কতটা মেকী? খুব কাছে থেকে দেখে যাচ্ছি, শুনে যাচ্ছি, প্রায়ই মনে হয় টাকাই কি সব?? মেয়েরা এটা বুঝবে কবে?
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: অধিকাংশ মেয়েকেই দেখি জীবনটাকে ক্ষুদ্রতর গন্ডীর মাঝে সীমাবদ্ধ করে ফেলে । হয়ত এর অনেক মনো বিশ্লেষনিক ব্যাখ্যা ও আছে।

৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: বন্ধুত্বে আমি উদার, আর শ্রোতা হিসেবে মহৎ।
-------------------------------------------------------------
খুব সত্যি কথা।

শামসু, লেখাটা অসম্ভব ভালো হয়েছে। পুরো ঘটনা খুব টাচি বলে বলছি না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেতে একটুও থামিনি। মূল ঘটনা নিয়ে কি বলবো ঠিক বুঝতে পারছি না। এমন অপরিচিত কত হ্যাপি চলে যায় চোখের আড়ালে, মনে আড়ালে, খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে। আমরা তাদের মনে রাখি না। আমাদের মেমরী বড় বেশী জেলিফিস মার্কা হয়ে যাচ্ছে। আমরা আজকাল আর কিছুই মনে রাখতে চাই না। সম্পর্কগুলোকে খুব তুচ্ছ করে দেখা আজকালের ফ্যাশন। ভার্চুয়াল জগতের ছোট্ট সম্পর্কটাকে আজ তুমি সন্মানই দিলে বলবো আমি, হ্যাপিকে মনে রেখে। এপারে একটু সুখের আশায় ছোটা হ্যাপি ওপারে ভাল থাকুক। সুখী হোক।

সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একই।
:( :( :( :( :(
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আমাদের মেমরী বড় বেশী জেলিফিস মার্কা:(:(

৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন: শুরু থেকে এক ভাবে পড়ে গেলাম। আপনার সাময়িক বন্ধুটির করুন কাহিনী মনের ভেতর নাড়া দিল।


কষ্ট কষ্ট লেখা এমন গুছিয়ে আমাদের জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

শান্তিতে থাকুক সুখী অতৃপ্ত আত্মা। ভাল থাকুন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: শান্তিতে থাকুক সুখী অতৃপ্ত আত্মা।

৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
আবু সালেহ বলেছেন:
শেষটা অমন নির্মম হবে ভাবিনি....
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: কেউ কি ভাবে ??

৮. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
আরজু বলেছেন: হুমমম...
ঈশ্বরের মত বলতে ইচ্ছা হয় : "তাহাদের বোধোদয় হোক"।
আরো একটা ব্যাপার বুঝতে পারলাম , তোর সাথে অনেক কম আড্ডা দেওয়া হয় এখন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: তাহাদের বোধোদয় হোক ,


এই ঘটনা কিন্তু অনেক আগের, বছর খানেকতো হবেই , কারো সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছা হচ্ছিলনা, আজ কি মনে করে লিখে ফেললাম ।

৯. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
অপ্‌সরা বলেছেন: কিছু বলার ভাষা নেই!!!
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হুমমম

১০. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: ভাইয়ারে বড় হৃদয় দিয়ে লিখেছো। এই ধরনের ঘটনা আর এই হতভাগীদের নিয়ে কাজ করতে করতে আমার জীবনের ১৭টা বছর কেটেছে। তবুও ঘটনাগুলি শুনলেই কাঁদি দেখলেই শিউরে উঠি এখনও আতংকিত হই।

আমার দিন তো গেল। আমার সন্তানেরা এই পৃথিবীর এত কন্টকাকীর্ন পথে কিভাবে কন্টক বাঁচীয়ে চলবে।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: উত্তর যে আমার জানা নেই আপু।

জীবন টাকে অনেক আগে থেকেই এখন হালকা করে দেখি , চামড়াটাও কেমন গন্ডারের মত হয়ে গেছে, কিছুই আজ আর ভাবায়না মনে হয়, তবুও সময়ে অসময়ে কোথায় যেন সুর কেটে যায়, তখন কিছুই আর ভাল লাগেনা। :(:(

১১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
বড় বিলাই বলেছেন: এমন ঘটনা ঘটতেই থাকে, কিছু প্রকাশ পায় আর কিছু আড়ালেই থেকে যায়।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একতো।

১২. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: হায়রে প্রেম হায়রে ভালবাসা
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ?????????????????

প্রেম ভালবাসায় কি জগতের সব ??

১৩. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
পাথুরে বলেছেন: শামসীর ভাই..কি লিখলেন এইটা...কি লিখলেন??


নাহ..আগেই ঠিক করসি... আমি আর এসবে কান দেবো না , এসব খবর পড়বো না, প্রয়োজনে চোখ বন্ধ রাখবো.....
আমি সভ্য হবো।
আমি সভ্য হবো।
আমি দু'চোখ ভরে ঘুমোব।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ঘুম ঐ সময়টুকুকেই শুধু নিজের মনে হয়রে..........

১৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৪
রেড ওয়াইন বলেছেন: পোস্টটি আপনার পছন্দের তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: :):)

১৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
পল্লী বাউল বলেছেন: সুখীর এরুপ অসুখী জীবন
আর এই করুন পরিণতি
মনটা বিষাদে ছেয়ে গেলো।

পোস্টে অনেকগুলো প্লাস +++
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একই।বড় বিচিত্র আমাদের নিয়তি :(:(

১৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৭
সামশুল আলম বলেছেন: কি বলবো বুঝতে পারছিনা। মানুষ কেন এমন ?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: মানুষতো এমনই , কি বলিস :(:(

১৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
হিমেল নাগ রানা বলেছেন: স্যাম ভাই আমার, অনেক দিন এরকম কিছু পড়ি নাই -- অনেক দিন আশে পাশের মানুষ দেখি নাই -- নিজেরে নিয়ে এতো ব্যস্ত!!!!!!!!! ঘুম থেকে জাগানোর জন্য ধন্যবাদ --- তোমার বন্ধুর জন্য সমবেদনা। আর কিছু বলার নাই
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: বড় বিচিত্র আমাদের নিয়তি ।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
প্রসাদ বলেছেন: শামসীর ভাই, খুব ভালো লেখচো
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু

২০. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
ফেরারী... বলেছেন: মনটাই খারাপ হয়ে গেল...ভীষন খারাপ...

ওই মহান সৃষ্টিকর্তা ১দিন অবশ্যই এর সুবিচার করবেন...সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী রা সেদিন অবশ্যই সত্যি কারের সুখী হবে...
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা ১দিন অবশ্যই এর সুবিচার করবেন ।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: :(:( হুমম

২২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: সুখী-হ্যাপী, কারো দোষ দেখি না। ও হয়তো ভেবেছিলো টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায়। আর ঐবয়সে এইসব স্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক।

সৃষ্টিকর্তা ১দিন অবশ্যই এর সুবিচার করবেন ।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: মন জিনিসটাকে বোঝার সাধ্য কার । সুখের স্বপ্ন নিয়েইতো আমরা পথ চলি।

আমাদের ভাবনায় নিয়তির অবদান বড়ই বেমানান।

২৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এই লেখাটা বিকালে অন্য এক লেখার লিংক এর সু্ত্র ধরে এসে পড়েছিলাম। মনটা এত খারাপ হয়ে গিয়েছিল।হায়রে সুখী!

পৃথিবীটা যদি সব সুন্দরের আবাস হতো!
মানুষের নিষ্ঠুরতা দেখে মনে হয়না.........মানুষ আর মানুষ আছে!

শুভকামনা শামসীর।
এক জীবনে কত কিছু দেখে যেতে হয়!
কত কিছু সয়ে যেতে হয়।

১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: এক জীবনে কত কিছু দেখে যেতে হয়!
কত কিছু সয়ে যেতে হয়। :(:(


আমরা শুধু কামনা করে যায় : পৃথিবীটা যদি সব সুন্দরের আবাস হতো!

২৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
নির্ঝরিনী বলেছেন: মর্মাহত....সুখি হয়তো তার মায়ের কস্টের জীবনটা দেখে, বিত্তবৈভবের মাঝে সুখ খুঁজতে গিয়েছিলো...হায়!!! নিয়তির কি নির্মম পরিহাস...সুখি নামের মেয়েটি আর সুখের মুখ দেখলো না...
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: নিয়তির নির্মম পরিহাস -- আমাদের আর কিইবা করার আছে :(:(

২৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩১
সামস আরাফাত বলেছেন: ভাই, লেখাটা শেষ করে কষ্ট লাগতেছে....মনটা ভীষন খারাপ হয়ে গেল.....

কেন এমন হয় মানুষের জীবন? কেন এই সুখীরা হয় প্রকৃত সুখ থেকে বঞ্চিত? সুখী তুমি যেখানে আছ সুখে থেক। এই নরক তোমাকে সুখ দিতে না পারলেও ওখানে তুমি সুখ পাবেই।

ধিক্কার জানাই আমাদের এই সমাজকে............ধিক্কার এর নরপশুদেরকে....
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: সুখী তুমি যেখানে আছ সুখে থেক।

২৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
সোনালীডানা বলেছেন: হুম...
সুখী- হ্যাপী , হ্যাপী - সুখী , উল্টে পাল্টে নামের মানে আসলে একই।



+
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: কি লাভ - আমরা যে কিছুই করতে পারিনা এমন বিষয়গুলোতে :(:(

২৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৮
চাতকপাখি বলেছেন: এটাই কি বহমান জীবনের বাস্তবতার প্রতীক?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: বাস্তবতার একটা ছবি ...............

২৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: রাজনীতির সঙ্গে জড়িত লোকদের সামাজিকভাবে বয়কট করা ছাড়া আর কোন পথ নাই। রাজনীতির সঙ্গে ভালো লোক খুব একটা দেখা যায় না।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: শামীম ভাই সত্য কথাটা বলে দিলেন আপনি। কিন্তু কে বুঝাবে সুখীর বাবাদের :(:(

কিংবা শুখীরাই বা কবে থেকে জীবন নিয়ে একটু ভিন্ন ভাবে ভাববে ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: লেখাটা যতবার পড়ি আমার মনটাই খারাপ হয়ে যাআই:(:(

৩১. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০১
রিমি (স. ম.) বলেছেন: ঘটেই চলে এমন সব ঘটনা তাই না? চলতেই থাকে।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: চলতেই থাকে।আমরাও দেখে যায় শুধু।

৩২. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
সুবিদ্ বলেছেন: হায় এত কষ্টে মোড়া কেন একেকটা জীবন??
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

লেখক বলেছেন: বাস্তবতার একটা ছবি

৩৩. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
এ ঘটনাগুলো আর কতকাল ঘটবে?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: যতদিন আমরা পুরুষরা মানুষ হবনা ততদিন।

৩৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬
নষ্ট কবি বলেছেন: ভালো লাগলো.....তবে মন খারাপ হোল খুব।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: হুমমম ।

৩৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১
সমুদ্র কন্যা বলেছেন: আজকাল কেমন ভোঁতা হয়ে গেছি। যাই ঘটুক, গায়ে না লাগানোর চেষ্টা করি। বেশিরভাগ সময়ই নির্বিকারভাবে দেখে যাই, পত্রিকার খবরগুলো পড়ে যাই, আর একটু পরে ভুলেও যাই......কোন প্রতিক্রিয়াই হয় না।

খুব কষ্ট লাগছে লেখাটা পড়ে। যদিও আমি জানি একটু পরেই ভুলে যাব। কি জানি, কেন যে জীবন এমন!
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: জীবনটা হয়ত এমনই.........।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: হুমম

৩৭. ২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৬
েভােরর স্বপ্‌ন বলেছেন: মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেলো। অনেক.....
২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: সরি.....

৩৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:০৫
সাইফুল ইসলাম নিপু বলেছেন: ভালো লাগল। লিখাটা অনেক সুন্দর হয়েছে................। ঘটনাটা ..........। :( :( :( :(
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: হুমমম

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
At present I am living in the consequences of a choice made earlier

বেঁচে আছি এটাই আনন্দের.........।।

ইচছা হয় সারাদিন ঘুরি পথ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ