somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাইন নদীর তীরে ভালবাসা আমার পথ চেয়ে বসে আছে

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এতক্ষন পর্যন্ত সব ভালই ছিল। শান্ত ভাবে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল মুক্তাদির। বোর্ডিং কার্ডটা হাতে পাবার পর থেকেই সে টের পাচ্ছে বুকের বাম পাশের চিনচিনে ব্যাথাটা। কেমন একটা অনেক কিছু হারানোর বেদনা টের পাচ্ছে সে। মুক্তাদির ভাবছে এই ব্যাথা কবে দূর হবে। আদৌ দূর হবে কি ।

চির চেনা ভূবন সে আজ ছেড়ে যাচ্ছে। পিছনে পরে রয়েছে বাবা-মা, অতি আদরের ছোট বোন আর ভাইটি । আবার কবে তাদের সাথে দেখা হবে সে জানেনা। প্রিয় বন্ধুরা, চিরচেনা প্রিয় দেশের মাটি, আরো আরো কত কি। বিষন্ণতা ভর করল তার মাঝে।

এয়ারপোর্টের চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে সে ভাবছে , পদ্মা, মেঘনা , যমুনা পাড়ের কেউ নয়, শৈশবের স্মৃতি জড়ানো প্রিয় পায়রা নদীর পাড়ের কেউ নয় তার ভূবনে তোলপাড় করে দিল হাজার মাইল দূরের রাইন নদীর পাড়ের এক শুভ্র শ্বেতাঙ্গিনী । যে বসে আছে তার পথ চেয়ে রাইন নদীর পাড়ে। এলেনা সে শুভ্র শ্বেতাঙ্গিনী । তার হাত ধরে স্বপ্নিল কথোপকথনে মুক্তা নিজেও কতবার ঘুরে বেড়িয়েছে সে রাইন নদীর পাড়ে। রাইন হয়ে উঠেছে তার চিরচেনা পায়রা নদীর মত। এলেনার শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রাইনের প্রতিটি বাঁক তার মুখস্ত। সকালে ফোনে কথা বলতে বলতে এলেনা যখন জগিং করে ঠিক কত মিনিট পর কোন বাঁকে মোড় নিবে সে ঠিকি বুঝতে পারে। প্রতিটি বাঁক দেখে সে প্রথম দেখাই বলে দিতে পারবে এর নাম।

ব্যস্ত নিস্তরঙ্গ কর্মময় জীবন কে একটু পাশ কাটাতে ক্লান্ত মুক্তা বন্ধুদের সাথে ছুটে গিয়েছিল সুন্দরবন। সিলভার ওয়েভ ট্যুরিজমের পূর্ব পরিচিত গাইড পলাশ ভাই শুরুতে জানিয়ে দিলেন এই ট্যুরে আমাদের সাথে আট জন বিদেশী ও যাচ্ছে। আপনারা আট জন আর মালিক ও তার বন্ধু পরিবারের চার জন। ঝামেলা মুক্ত ট্যুরই হবে এই ভাবতে ভাবতে তারা চেপে বসল জাহাজে। যার যার পছন্দ মত কেবিনে সব রেখে উঠে আসল ডেকে। মালিক সবাইকে একে অন্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। হাই হ্যালোর বাইরে কতই বা ইংরেজী বের হয় মুখ দিয়ে, তাই সে আড্ডা বেশীদূর গড়ালনা। তারা বন্ধুরাই ব্যস্ত হয়ে পড়ল নিজেদের মত করে উপভোগ করাই।

এলেনা ,সদ্য টিন এজ অতিক্রম করা এই কিশোরী বাংলাদেশে আছে প্রায় দুমাস ধরে। তার একাডেমিক সোস্যাল ওয়ার্কের অংশ হিসেবে সে ঠাঁয় গেড়েছিল ময়মনসিংহে। সেখানে মাটি নামের এক এনজিওতে কর্মরত আছে তার বোন ও দুলাভাই। এ কারনেই বাংলাদেশকে বাছে নেয়া। বোনজামাই মিলন জার্মানীতে পড়াকালীন তার বোনের সাথে প্রেম হয়, ধারাবাহিকতায় তার বোন আজ স্হায়ী ভাবেই এদেশের বাসিন্দা হয়ে গেছে। পুচকে টাও কি সুন্দর দু ভাষাই কথা বলে এখন। তাদের বাবা মার আগমন উপলক্ষ্যেই এই সুন্দরবন সফরের ব্যবস্হা করেছে বোন জামাই। সাথে আছে মাটিতে কর্মরত আরও তিন জন, তারাও জার্মানীর।

সুন্দরবনের পরতে পরতে মুগ্ধতা ছড়িয়ে আছে। এক একটা বাঁক পেড়িয়ে তারা ছুটে চলেছে সামনে। ডেকে হাত পা ছড়িয়ে আড্ডা দেয়া আট বন্ধু উপভোগ করছে মুগ্ধতা , কথা বার্তায় বের হয়ে আসছে এত ডিন মুগীতে দেখা সেই সব দৃশ্যের কথা, বিলাসবহুল জাহাজ ভেসে চলেছে আমাজনের মাঝ দিয়ে, দুপাশে ঘন জঙ্গল। আমাদের সুন্দরবন ও কোন অংশে কম নয়। রুপসা পেরিয়ে তারা এখন পশুর নদীতে। বনের গভীর থেকে ছোট ছোট খাল এসে মিশেছে নদীতে । বাওয়ালীরা ছোট ছোট নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে।

ছোট্ট জনকে কোলে নিয়ে ডেকে আসা বাঙ্গালী যুবা মিলনের সাথে তাদের বেশ ভাব জমে গেল। সে আড্ডায় এসে যোগ দিল এলেনা আর তার বোন।
এনজিওর কার্যক্রম সহ আর অনেক কিছু নিয়েই আড্ডা দিতে দিতে তাদের জাহাজ এসে পড়ল দুধসাদা নদীতে। ঢেউ এর প্রাবল্যে অতিরিক্ত ফেনীল সাদার জন্য এমন নামকরন।

এলেনা ছিপছিপে হালকা গড়নের এক তন্বী তরুনী। আহামারি কিছু নয়। প্রথম দেখাই ভাল লাগার ও তেমন কোন কারন নেই। জানা গেল মশা আর বিদ্যুতের নিত্য যাওয়া আশা বাদ দিলে চমৎকার লাগছে তার এই দেশ, এর আগে কাদা মাটিতে হাঁটার কোন অভিজ্ঞতা তার ছিলনা। দারুন মজা পাই সে কাদা মাটিতে খালি পায়ে হাঁটতে। তাদের দেশে প্রচলিত মাড ট্রিটমেন্টের বাস্তব প্রয়োগে সে দারুন খুশী, আর সবচেয়ে ভাল লেগেছে গ্রামের মানুষগুলো , নিরন্ন তবুও আপ্যায়নের জন্য যে তাগাদা তাদের এক কথায় অনন্য।

এই এতটুকুই । এরপর আর তেমন কোন কথা হয়নি। তারা তাদের মত করে আড্ডা দিয়ে গেছে। শেস বিকালের আলোয় তারা যখন আড্ডা দিচ্ছিল তখন দূর থেকে এলেনা দাণনড়িয়ে দেখছিল। মুক্তার একবার ইচ্ছে হচ্ছিল তাকে আড্ডায় আমন্ত্রন জানায় । সংকোচের কারনে তা হয়ে উঠেনি।

কটকায় নোঙ্গর করা জাহাজে রাতের খাবার শেষ করে বন্ধুরা মিলে তারা চলে গেল ছাদে। এমন জোছনালোয় ঘুমানোর কোন কারন থাকতে পারেনা। এলেনাও ছাদে উঠে আসে আরেক শ্বেতাঙ্গিনী নোরা সহ। তারাও যোগ দেয় আড্ডায়। গুনগুন করতে থাকা এলেনা অনুরোধের ঢেঁকি গিলে একে একে কয়েকটা জার্মান গান ও গেয়ে শোনায় তাদের। নোরা, এলেনার সংকোচহীন অবস্হান আর আড্ডা ভালই লাগে সবার।

পরদিন শুরু হয় সুন্দরবনের গহীনে ঘোরাঘুরি। মুক্তা জানেনা ঠিক কখন থেকে সে আর এলেনা পাশাপশি হাঁটা শুরু করেছিল, গল্প করছিল এটা সেটা নিয়ে। পুরো টাইগার পয়েন্ট এক সাথে হেঁটে বেড়াল তারা। জার্মান আর বাংলাদেশের মেল বন্ধন - চান্সে বন্ধুরা খোচা দিতে ছাড়লোনা । সে খোচা উপেক্ষা করে সে তার মত করে সময় কাটিয়ে দিচ্ছে, সে উপভোগ করছে এটাই বড় কথা তার কাছে।

ভরা পূর্ণিমায় কি মানুষ মোহ গ্রস্ত হয়ে পড়ে । মুক্তা ঠিক জানেনা। তবে সে যে অনুরক্ত হয়ে পড়েছে এটা সে টের পাই। মালিকের বদান্যতায় রাতে আয়োজন করা হয় ফ্রী রাইড এর। ভাটার টানে নৌকা ছেড়ে দেয়া হবে। দেড় ঘন্টা তারা ভেষে যাবে, তারপর ফিরে আসবে। একটু রিস্কি হলেও রোমাঞ্চকর এ অভিযানে কারো মাঝে কোন উদ্বেগ দেখা গেলোনা। রাত এগারটায় নৌকা ভাসিয়ে দেয়া হল। আকাশ জুড়ে ষোড়শী চাঁদ। এমন রাতেই লেখা যায় "আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে" ।মাঝির অনেক গোলো গান শেষে কে একজন যেন বলে উঠল আমরা এখন জার্মান গান শুনব। এলেনাকে খুব একটা জোড় করতে হয়নি। গানের নিজস্ব একটা ভাষা আছে। করুন সুরে সেটা টের পেল সবাই। অনুবাদ করে দিল এলেনাই। বন্ধুর অপেক্ষারত বিরহিনী কোন তরুনীর গান।

সর্বগ্রাসী জোছনায় মুক্তা কি তলিয়ে যাচ্ছে। সে বুঝতে পারছেনা। পুরা জোছনা ভ্রমন এ সে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল এলেনার দিকে। শুভ্র জোছনায় শুভ্র শ্বেতাঙ্গিনী তাকে নিয়ে যাচ্ছিল এক ঘোরের জগতে। শুভ্র শুভ্রতায় তলিয়ে গেল মুক্তা। সে আর কূল খুজে পাইনি।

সারারাত নির্ঘুম এটাও যেন সে টের পাইনি, এলেনার জিজ্ঞাসু দৃস্টিতে তার মনে পড়ল সে সারারাত ঘুমাইনি। মুক্তা তার অদৃ্ষ্ট দেখতে পাচ্ছে। না, সে আর ফিরে আসতে পারেনি। ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজীতে পার করে দেয়া চারটি দিন, অজেয় সুন্দর বন মুক্তাকে ঠেলে আরেক অজেয় পথে। না মুক্তাকে জিততেই হবে, মনস্হির করে ফেলল সে। এলেনা ও কি এমন কিছু ভাববে, ভাবার মত কোন কারন কি আছে , সে পথে মুক্তা গেলনা।

আড্ডায় সময় পার করার মত একটা টপিক পেয়ে গেল বন্ধুরা। মুক্তা অবিচল। মুক্তা ঢাকায়, এলেনা ময়মনসিংহ এ। এক সকালে মুক্তা ছুটে যায় সেখানে। চমকে উঠে এলেনা, খুশি হওয়ার প্রকাশটুকু দেখাতে সেও কোন কার্পন্য করেনি । সময় গড়িয়ে চলে, মুক্তা -এলেনা, এলেনা-মুক্তা , একে অন্যের আরও কাছাকাছি আসে। বন্ধের দিনে এলেনা ঢাকায় আসে, মুক্তা সেখানে যায়, ওগো বিদেশিনী তোমারে যে চিনি চিনি, এই ঘোরে মুক্তা তাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াই লালবাগ কেল্লা থেকে আহসান মন্জিল, বোটানিক্যাল থেকে আশুলিয়া । চুরি করেছ আমার এই মনটা, হায়রে হায় মিস লংকা - বন্ধুরা ব্যস্ত হয়ে পরে মিস লংকার জায়গায় মিস জার্মানীকে কি করে সেট করা যায়।

তুমি বললে তোমার জন্য জার্মানীর ভিসার ব্যবস্হা করতে পারি আমি। সম্বিৎ ফিরে পায় মুক্তা। বন্ধুদের ছেড়ে উড়তে থাকা মুক্ত বিহঙ্গ মুক্তা বাস্তবে ফিরে আসে। এলেনার যাবার সময় হয়ে এসেছে, মনে করিয়ে দেয় এলেনা। জার্মানীতে সেটেল্ড হবার শর্ত মেনে নেয় মুক্তা, কিন্তু সেটা এলেনার পাঠানো ভিসায় নয়। তাহলে বন্ধুদের সামনে সে মুখ দেখাতে পারবেনা, নিজের কাছেও সেটা ভাল লাগবেনা। ঠিক হয় এক বছরের মাঝে সে স্টুডেন্ট ভিসায় সেখানে যাবে, মেনে নেয় এলেনা, ভালও লাগে মুক্তার দৃঢ়তা। এলেনার ঠোঁটে হালকা ছোয়া দিয়ে বিদায় জানায় এয়ারপোর্টে।

টিউশন ফি নেই, লেখাপড়া শেস করে সেখানে থেকে যাবে এই জন্যই কি আপনার জার্মানী যাবার আগ্রহ। ভিস অফিসারের এই কথায় মেজাজ চড়ে যায় মুক্তার। আমি এলেনার জন্য জার্মানী যাচ্ছি, ওকে নিজের করে নেয়ার জন্যই, আমার অপেক্ষায় দিন গুনছে সে, আমিও তাকে দেখার প্রীতিক্ষায়। সব শুনে ভিসা অফিসার আর দ্বিতীয় চিন্তা করেনি।

বন্ধুদের কেউ একজন খোচা দেয় জার্মানী গিয়ে দেখবি এলেনার এক হাত ধরে আছে পল, অন্য হাতে এডাম, আর লং ড্রাইভে যায় ববির সাথে। মুক্তাকে এসব টলাতে পারেনি একটি বারের জন্যও, একটা এসএমএস করে দিত সাথে সাথে, ফিরতি জবাবে নতুন স্বপ্নের জাল বুনত সে। সে স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে, বাস্তবতার মুখোমুখি হতে সে পাড়ি দিতে চলেছে হাজার মাইল। বিষন্নতা আর স্বপ্নের হাতছানি ডুমড়ে মুচরেদিচ্ছে তাকে।

মাইক্রফোনে এমিরেটসের যাত্রীদের তিন নং গেটে যাবার আহবানে বাস্তবে ফিরে আসে মুক্তা।

সিট বেল্ট বাঁধতে বাঁধতে মুক্তা ভাবে পদ্মা পাড়ের তরুনী যদি প্রেমিকের পথ চেয়ে দিনের পর দিন থাকতে পারে, পায়রা নদীর জলে সাঁতরে দিন কাটানো উচ্ছ্বল সেই কিশোরটি যদি আজ প্রেয়সীর হাতছানিতে হাজার মাইল পাড়ি দিতে পারে , তবে রাইন নদীর তীরের সেই তন্বী তরুনীটিও আজ রয়েছে প্রেমিকের পথচেয়ে।
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×