আমার প্রিয় পোস্ট

shamseerbd@yahoo.com

ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও কিছু স্মৃতিকথন !!

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

শেয়ারঃ
0 69 0



হ্যালো
আসসালামুআলাইকুম স্যার। আমি শামসীর।
আচ্ছা ছেলেরা বলল তুমি নাকি জব টব না খুজে সারাদিন ঘুমিয়ে পার করে দিচ্ছ।
(আমিত পুরা টাসকি খাইয়া গেলাম, স্যার বলে কি, নিজের সামলে নিয়া বললাম ) স্যার সুখবরটা বলার জন্যই ফোন করছি। স্যার আমার ঐ জায়গাতে জব হয়েছে, ওদের টেকনিক্যাল এ আমাদের ডিপার্টমেন্টের আমিই প্রথম রিক্রুট।
কংগ্রাচুলেশনস , সো তোমার উপর কিন্তু অনেক দায়িত্ব।
দোয়া করবেন স্যার।

জবে জয়েন করার পর স্যারকে ফোন দেয়ার পর উপরের কথোপকথন। আমার ঘুম প্রিয়তার খবর স্যারকে কে দিল এই নিয়া চিন্তা করতে করতে পরের ব্যাচের একটাকে ফোন দিলাম। অট্টহাসি দিয়া বলল , ভাই আমরা স্যারের বাসায় গিয়েছিলাম। তোমাদের ব্যাচের সবার খবর জানতে চাইলে একজন বলল সবাই জব করে আর শামসীর ভাই জব করবেননা। কেন জানতে চাওয়ায় একজন স্যাররে বলছে তুমি সারাদিন ঘুমাও, জবটব নিয়া তোমার ভাবার টাইম নাই। এতক্ষনে আমি বুঝলাম ঘটনা কি !!!

পছন্দমত না হলে যে আমি কোন কাজেই নাই সেকথাটা আর স্যারকে বলা হলনা। কি করেই বা বলি , আমি যে অনেক আগে স্যারের অন্য একটা কথা পছন্দ করে বসে আছি।

৯৯ ব্যাচের ওরিয়েন্টশনে স্যার বললেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সময়টা তোমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময় শুধু মাত্র বইমুখী হলে চলবেনা, তোমাদের অনেক দায়িত্ব, চারপাশটা দেখ, শিখ, বই এর বাইরেও আরেকটা পৃথিবী আছে, তার জন্য ও তোমাদের অনেক দায়িত্ব আছে। নিতান্তই কিছু করতে না পারলেও অন্তত দেখ। এটা তোমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, এটাকে নস্ট হতে দিওনা।

স্যারের শেষ কথাটা যেন আমার মাথায় ঢুকে গেল "নিতান্তই কিছু করতে না পারলেও অন্তত দেখ। " ফটোগ্রাফীর শখটাও যেন আরও গতি পেল। তাই ক্লাশ চলাকালীন সময়েও আমার ঠিকানা ক্লাশে না হয়ে হয়ে গেল অন্যখানে। বই বাদে বাকী সব ই আমার ভাল লাগে, আড্ডা, টংবাজী, এই ঐ অনুষ্ঠান করা এসব ই হল আমার রুটিন। খেলার মাঠে সবার আগে আর ক্লাশে সবার পরে যাওয়াটাই বেছে নিলাম।

স্যার কে প্রথম দেখি ভার্সিটিতে ভর্তির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে। স্যার আর ম্যাডাম একসাথে আসছিলেন। সালাম দেয়ার পর স্যার এত সুন্দর করে উত্তর দিয়েছিলেন আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। স্যাররা ছাত্রদের সালামে সাধারনতঃ ওয়ালাইকুম বলেই ছেড়ে দেন, আমার বাবা ও তাই করেন দেখেছি। কিন্তু স্যার সবসময় পুরা স্পস্ট করেই উত্তর দেন, অন্তত আমি এর ব্যত্যয় দেখিনি। কেন জানি ব্যাপারটা আমার খুব ভাল লেগে গিয়েছিল, যিনি সালাম দেন তাকে গুরুত্ব দেয়ার একটা বিষয় ফুটে উঠে এতে।

ওরিয়েন্টেশনে যখন আমার স্কুলের নাম বললাম স্যার সাথে সাথেই বলে উঠলেন আরে ঐ স্কুলেরত (চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল) আমিও ছাত্র ছিলাম। আচ্ছা অমুক অমুক স্যাররা কি আছেন। হাসি দিয়ে বললাম স্যার আপনি আজ থেকে কত বছর আগে পড়েছেন , ওনারাত এতদিনে রিটায়ার্ড করেছেন। হুমমম তা ঠিক বলছ।

প্রথম পিকনিকে স্যার আমাদের সাথে যেতে পারলেননা, পুরা ক্লাশই আমরা ব্যাপারটাই হতাশ হলাম। যেটা স্যারকে বলাতে তিনি পুষিয়ে দিলেন লাস্ট সেমিস্টারে আমাদের সাথে পিকনিকে গিয়ে, সে এক অন্যরকম মজা ছিল, স্যার আমাদের সাথে লেকে নেমে সাঁতার ও কাটলেন।



শুরুতেই একটা অন্যরকম বিষয় চোখে পড়ল। ডিপার্টমেন্টের কাজ কর্মের বিষয়ে স্যার নিজেই অফিসে ছুটে যেতেন , স্যারের ক্লান্তিহীন পথচলা, আমি অবাক হতাম যেখানে স্যার ডাক দিলে অফিসের সহকারীরা ছুটে আসবে, সেখানে তা না করে তিনি নিজেই ফাইল নিয়ে ছুটে যেতেন যেকোন কাজে। আরোও অবাক করা বিষয় ছিল রাত আটটা নয়টা পর্যন্ত ডিপার্টমেন্টে থেকে স্যার এত বই লেখার সময় কোথায় পান।

মজার ব্যাপার হচ্ছে স্যারে সাইন্সফিকশানের মোটেও ভক্ত হতে পারিনি, অন্যভাবে বললে আসলে এ ধরনের ফিকশন আমার খুব একটা ভালও লাগেনা। তবুও কপোট্রনিক সুখদুঃখ বইটি বেশ ভাল লেগেছিল, যেটা পড়ে আমি আসলে বুঝেছিলাম সাইন্সফিকশান কি জিনিস !! আমার বন্ধু রাশেদ, দুস্ট ছেলের দল, হাত কাটা রবিন , নিঃসঙ্গ গ্রহচারী, আয়না ঘর ................. খুব কমই পড়া হয়েছে স্যারের বই। নিজের জন্য কখনো না কিনলেও গিফট দেয়ার জন্য স্যারের বই ছিল প্রথম পছন্দের। অটোগ্রাফ সহ একটা বই প্রাপককে নিশ্চিত মুগ্ধ করত, অন্তত আমার ছোট ভাই বোনকেত দেখেছি মুগ্ধ হতে যখন তারা দেখত তাদের নাম লিখে স্যার শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন !!

পরিচিত প্রায় সবাই একটি জিনিস জানতে চাইতেন স্যার কি ক্লাশ নেন, কেমন, নেন কিনা। সত্যিকথা বলতে গেলে আমার জীবনে পাওয়া স্যার দের মধ্যে আমি সবচেয়ে ভাল ক্লাশ নিতে দেখেছি জাফর স্যারকে। সময়ানুবর্তিতার পারফেক্ট উদাহরন হিসেবে তার নামটা সবার উপরে থাকবে। স্যাররা ক্লাশে না এলে বা দেরী করলে আমাদের রাগ করার কোন কারন ই নেই , ধুম আড্ডা গান চলত, এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলেন তিনি যথাসময়ে ক্লাশে হাজির, বলতে গেলে আমাদের আগেই সকাল আটটার ক্লাশে তিনি হাজির হতেন, কখনো না জানিয়ে ক্লাশ বাদ দিয়েছেন একথা মনে পড়েনা, আগেই জানিয়ে দিতেন অমুক দিন তিনি থাকবেননা, অমনটিও হয়েছে কদাচিৎ। সিলেটের বাইরে ওনার সকল শিডিউলই থাকত শুক্র শনিবারে।

আমারমত বই বিচ্ছিন্ন বালক ও ঠিকি ওনার ক্লাশে হাজির হত, তন্ময় হয়ে শুনত, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন কোর্সটা এখন ও আমার মনে দাগ কেটে আছে। এত চমৎকার করে স্যার এক একটা জিনিস বুঝাতেন না বুঝে উপায় ছিলনা। আমার ভার্সিটি লাইফে এই একটা কোর্সের ই প্রেমে পড়েছিলাম আমি। এমন না যে আমি উল্টিয়ে ফেলেছি কিছু একটা করে বাট সে ভাল লাগাটা এখন ও রয়ে গেছে মনে, ঐ একটা বইই পড়তে আমি আগ্রহ পেতাম।

একাডেমিক বিষয়ে স্যার ছিলেন স্বৈরাচারী, যার সুফল পেত সিএসই বিভাগের ছাত্ররা, অন্য সবার আগে সেমিস্টার শেষ করে। খেলাধুলা বা অন্য আয়োজনের জন্য সবার আগে আমি স্যারের রুমে গেলেও পরীক্ষা পিছানোর মত প্রিয় দাবীতে স্যারের মুখোমুখী হতে চাইতামনা। একবার সবাই মিলে গেলাম একটা কোর্স ফাইনাল পিছানোর জন্য। স্যারের সোজা উত্তর এর জন্য আমার কাছে এসেছ কেনো। লাইব্রেরীর সামনে যে বাস গুলো দাঁড়িয়ে আছে সেগুলো ভেঙ্গে দাও, পরীক্ষা এমনিতেই পিছিয়ে যাবে, ব্যর্থমনোরথে ফিরে আসা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিলনা।

ভার্সিটিতে ক্লাশ চালুর জন্য একবার আমরা আন্দোলনে নামলাম, ধারাবাহিকতায় একদিন একাডেমিক কাউন্সিলের সবাইকে অবরুদ্ধ করা হল। টানা আঠার ঘন্টা চলল সে অবরোধ কাল, স্যার ও ছিলেন তাদের মাঝে। রাত তিনটার দিকে আমাদের ডাক পড়ল ভিসির রুমে। সামনেই ছিলাম- স্যার এইসব ব্যাপার নিয়ে কখনো নেগেটিভ কিছু শো করেননি। একাডেমিক ব্যাপারের সাথে কখনো আউটসাইড ইস্যু জড়াতেননা। ছাত্র শিবিরের হল শাখার সভাপতি ছিলেন আমাদের ডিপার্টমেন্টের, শিবিরকে স্যার যতই অপছন্দ করুননা কেন এসব ব্যাপার কখনো বিভাগে স্হান পাইনি।

বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে রেজাল্ট মূল ব্যাপার হলেও দুবারের দুটো ঘটনা একটু আলোড়ন তুলেছিল। একজনকে নেয়া হয়েছিল যাকে স্যার অসম্ভব পছন্দ করলেও শিক্ষক হিসাবে তিনি খুব একটা ভাল করতে পারেন নি, যদিও আদার সাইডে তার মত স্মার্ট লোক খুজে পাওয়া মুশকিল, যিনি এখন দেশের টেলিকম সেক্টরে বেশ ভাল অবস্হানেই আছেন, শিক্ষকতা তাকে দিয়ে হবেনা বুঝে সরে গিয়েছিলেন। পরের আরেকটা নিয়োগ নিয়ে বলতে পারি অন্য অনেকের চেয়ে সে অনেক ভাল করবে, আর মন্ত্রী এমপিদের রিকোয়েস্টে যেসব অযোগ্যদের নেয়া হয়েছে তাদের চেয়ে স্যারের ব্যক্তিগত পছন্দ অনেক ভাল ছিল এ কথা আমি বলতে পারি।

একাডেমিক ব্যাপারে স্যার যতটুকু একনায়ক কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার সমিতির সভাপতি হিসাবে তিনি ছিলেন ঠিক ততটাই গণতান্ত্রিক। আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নেয়া সিদ্ধান্ত গুলোর উপর তিনি কখনোই কোন কিছু চাপিয়ে দিতেন না। সমিতির নির্বাচন নিয়ে অনেকের আপত্তি থাকলেও স্যার বলতেন এখান থেকেই আমাদের জয় পরাজয় মেনে নেয়ার মানসিকতা তৈরি হবে, জীবনে সবসময় যে জিতব তাত নয়।

স্যারের বাসায় প্রথম যাওয়া হয় আমার এক বন্ধু দেশের বাইরে চলে যাবার আগে স্যারের সাথে দেখা করার শখ পূরন করতে আসায়। স্যার ম্যাডাম দুজনেই চমৎকার আড্ডা দিতে পারেন এবং আমুদেও তারা। শেষে স্যারের বাসায় এমন হয়েছিল আমরা কয়েকজন এক সাথে গেলে কেউ কেউ ডাইনিং রুমে গিয়ে ফ্রীজ ও খুলে ফেলত।

স্যারের সবচেয়ে প্রিয় গল্প হচ্ছে ম্যাডামের কাছে তার টাকা ধার নেয়ার গল্প। আমেরিকায় পড়ালেখা করার সময় যখন দেখলেন ম্যাডাম থেকে নেয়া ধারের পরিমান বেশী হয়ে গেছে তখন নাকি তার মনে হয়েছে বিয়ে করে ফেলাই এই ধার মুক্তির সমাধান। ক্যাম্পাসে হাত দেখতে জানা স্যার নাকি ম্যাডাম কে বলেছিলেন তার স্বামী অনেক ধনী হবে। বাসর রাতে ম্যাডামের প্রথম কথাই নাকি ছিল- হুমম আমার স্বামী অনেক ধনী হবে তাইনা !!!

ম্যাডাম কে আর জিঞ্জাহা করা হয়নি এখন তার প্রতিক্রিয়া কি। যে কোন প্রোগ্রাম আয়োজনে দেখা যেত শেষে গিয়া পাঁচ দশ হাজার টাকা শর্ট- আমাদের তখন নিশ্চিত গন্তব্য ছিল ম্যাডামের ধনী স্বামী।

স্যারের সব বিষয় যে আমার সবসময় ভাল লাগে তা নয়। স্যারের অনেক কলামের লিখা আমার পছন্দ হয়নি। পছন্দ হতে হবে এমনও কোন কথা নেয়। আমার মত আমার স্যারের মত তার। তবে স্যারের একটা বিষয়ে নীরবতায় অনেক কস্ট পেয়ে শেষমেস আমি স্যারকে একটা এসএমএস করে বসেছিলাম। অন্য সবসময় রিপ্লাই দিলেও স্যার এর কোন জবাব দেননি। সেটা ছিল টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে, যেটা নিয়ে স্যার আগে অনেক সরব ছিলেন। লিখেছিলাম স্যার এই বিষয়ে আপনার লেখা চায়। জানিনা কেন তিনি নীরব ছিলেন, কি ছিল সীমাবদ্ধতা।

বিচলিত হওয়া ব্যাপারটা স্যারের মাঝে কখনো দেখিনি ,যদিও মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে প্রায়ই তার কাছে চিঠি আসত। তবে একটা ব্যাপারে স্যার বেশ হতাশ হয়েছিলেন সেটা বেশ বুঝা যেত যখন হুমায়ুন আহমেদ শাওন কে বিয়ে করলেন। এই ঘটনা নিয়ে শিক্ষক সমিতির মিটিং এও অনেকে স্যারকে বেশ উচ্চস্বরে টিপ্পনি কেটেছিল যা আমাদের কানেও এসেছে। স্যারের শিক্ষক পরিষদের রাজীতিতে জড়ানো টাও আমার ভাল লাগতনা, কেন জানি মনে হত তার ঘাড়ে বন্দুক রেখে বাকিরা প্র্যাকটিস করছে।

স্যার তার বিভিন্ন লেখায় মানুষের প্রতি তার গভীর বিশ্বাসের কথা বিভিন্ন ভাবে তুলে ধরেছেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমিও সবসময় মানুষকে বিশ্বাস করার চেষ্টা করি , বেশ কয়েকবার ধরা খেলেও আমার এই বিশ্বাসে পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু আমার সাথে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় স্যার যেন তার মানুষের প্রতি বিশ্বাসের কথা ভুলে গেলেন।

প্রথম সেমিষ্টারের কোন একটা ক্লাশে আমি একদিন দেরী করে যাওয়ায় শেষে স্যারের কাছে গেলাম পার্সেন্টিজের জন্য। খাতা খুলে স্যারত হতবাক। তোমার টাত দেয়া হয়ে গেছে। আমিও হতবাক। ধুম করে স্যার বলে বসলেন তোমার দশটা পার্সেন্টিজ কাটা এবং সাথে সাথে তিনি গোল দাগ করে দিলেন। বললেন তোমার কোন বন্ধু প্রক্সি দিয়েছে, কে দিয়েছে সেটা স্বীকার না করলে তোমার এটা কাটাই থাকবে। আমিত টাসকি খাইয়া গেলাম বলে কি।
পরে বন্ধু মামুন সহ স্যারের রুমে গিয়ে বললাম স্যার কেউ প্রক্সি দেয়নাই, আর আপনার ক্লাশে প্রক্সি দিবে এমন সাহস কারও নাই। স্যার কোন কথা শুনলেননা। রুম থেকে বের হয়ে আমি চরম হতাশ হলাম, স্যার আমার কথা বিশ্বাস করলেননা বলে। এই দুঃখের কথা বিদায় অনুষ্ঠানেও আমি বলে এসেছি। যদিও স্যার আরোও বড় ব্যাপারে আমার উপর বিশ্বাস স্হাপন করে এই ক্ষত পুষিয়ে দিয়েছিলেন।

বিভাগের যুগপূর্তি উৎসবের প্রায় দেড় লাখ টাকার বাজেট পুরাটা আমি নিজ হাত দিয়ে খরচ করেছি। শেষে নির্বাহী সভায় যখন হিসাব দিলাম তখন স্যার বললেন আমি ধরে নিলাম অর্থ ব্যয়ে কোন অসংগতি নেই, বাকী সদস্যরাও একই কথা বলায় স্যার বিল পাশ করে দিলেন। সেদিন থেকে যেন আমার নিজের উপর দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেল, এই বিশ্বাস রক্ষা করার জন্য আরও সতর্কতা সবসময় কাজ করত। এরপর অন্যান্য প্রোগ্রামে আমি আরও বেশী সতর্ক থাকতাম ঐ বিশ্বাসের মুল্য যাতে অক্ষুন্ন রাখতে পারি সেজন্য।

অনেকে প্রশ্ন তুলেন জাফর ইকবাল বাঙ্গালী জাতিকে কি দিয়েছেন। এই নিয়ে আমার তেমন একটা মাথা ব্যাথা নেই- আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে তিনি আমার মাঝে দায়িত্ব বোধ ও সবসময় সৎ থাকার যে প্রেরনা জাগিয়ে দিয়েছেন তাতেই আমি খুশী।

শুভ জন্মদিন স্যার।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার আমি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৪
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: খুব ভাল লাগল। লেখাটা বারবার পড়ার মত। শুভ জন্মদিন স্যার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
পল্লী বাউল বলেছেন: অনেক সুন্দর করে লিখেছেন বদ্দা।

শুভ জম্মদিন স্যার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বদ্দা ।

৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: :) শামসীরের সেরা পোষ্ট।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: :):)

৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: শুভ জন্মদিন জাফর স্যারকে। এই মানুষটাকে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছি এটাই অনেক বড় পাওয়া। অনেকেই জাফর স্যার সম্পর্কে অনেক কথা বলেন। কিন্তু তাকে কাছ থেকে না দেখলে বোঝা যাবে না আসলে তিনি কেমন। সুন্দর লেখা শামসীর ভাই।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: তাকে কাছ থেকে না দেখলে বোঝা যাবে না আসলে তিনি কেমন।

৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
সিউল রায়হান বলেছেন: স্যারের সরাসরি ছাত্র একজনের এরকম লেখা পড়ে ভাল লাগলো......... স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা :)


স্যারকে নিয়ে লিখলে যাদের লাগে সেই শিবির সারমেয়গুলি হাজির /:)

মাইনাসটা কে দিল ??? ভিজিটর লিস্টটা দেন তো
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: কি লাভ- ওরা ঐ নিজের মনেই পুড়বে ।

তারা একটা জিনিষ কখনো বুঝবেনা যে ছেলে নিজের মাকে বিশ্বাস করানোর জন্য মাটি খুঁড়ে বাবার লাশ বের করে , মোজা দেখে শনাক্ত করে তার অনুভূতিটা কেমন হবার কথা।


৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
সিরাজ বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার

৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
পুরাতন বলেছেন: লেখাটা অনেক ভালো লাগলো ভাইজান :)
তবে ডাঙগায় জাফর স্যারের কোন ছবি ছিলনা B:-)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ডাঙগায় জাফর স্যার :)


৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
ফাগুল বলেছেন: চমৎকার লেখা ভাইয়া। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
রোহান বলেছেন: পুরো লেখাটা চমৎকার হয়েছে... শেষ প্যারাটার জন্য একটা ভেরি ভেরি স্পেশাল প্লাস... এইটা অবশ্যই শামসু নানার ওয়ান অফ দ্যা বেষ্ট পোষ্ট..
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: :):)

১০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ধন্যবাদ শামসীর চমৎকার একটা লেখার জন্য। আরো ২/১ জনের কাছে শুনেছি রেসপন্সিবিলিটি কি জিনিস সেটা ড. জাফর ইকবাল কে দেখলে। একই কথা খাটে তার স্ত্রী সম্পর্কেও। তারা শুধূ পড়িয়েই দায়িত্ব শেষ করেন না, একটা আদর্শ তৈরী করে দেন।

শুভ জন্মদিন ড. জাফর ইকবাল ষ্যার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: সাধারন ছাত্র ছাত্রীদের আন্দোলনের উপর দল/লীগ হামলা চালালে স্যার ম্যাডাম সবার আগে ছুটে আসতেন। সাথে থাকতেন।

অনেকে বলত এসব আন্দোলনে স্যার বেক দেন, অথচ আমি নিজে এমন দুটা আন্দোলনে সবার সামনেই ছিলাম, নিজের কত প্ল্যান করেছি বাট কখনো স্যারের সাথে এসব ব্যাপারে আমাদের কেউ কথা বলেছে বলে আমার মনে পড়েনা। ধান্দাবাজরা এসব ছড়িয়ে মজা পেত, কারন ছাত্রছাত্রীরা নিজেরা কিছু করতে পারে এটা তারা মানতে চাইতনা, বুঝতে চাইতনা সবাই তাদের মত কুকুর নয়।

১১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
মাহাফুজ বলেছেন: স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
স্যারকে খুবই পছন্দ করি।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
রুচি বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ+
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১
মদন বলেছেন: কত ভালো লেখে রে...
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: তাই নাকি ;)

১৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
মীনোক্ষভাকুলকূবলয় বলেছেন: অনেক সুন্দর লেখা। শুভ জন্মদিন জাফর ইকবাল স্যারকে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
জানপরী বলেছেন:
শুভ জন্মদিন ড. জাফর ইকবাল স্যার।
লেখাটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ছিলাম। অনেক সাবলীল লেখা।
স্যারের মতাদর্শের সাথে একমত না হলেও স্যারের ব্যাক্তিত্বকে সম্মান করি।
ধন্যবাদ শামসীর ভাই এমন একটা লেখা দেবার জন্য।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ।

১৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
নট ডিফাইন বলেছেন: চমৎকার লেখা।
স্যারের কি আছে বা ঘাটতি আছে জানিনা, তবে স্যারের একজন ছাত্র হিসেবে, আপনি যেভাবে স্যার কে তুলে ধরলেন তাতে মুগ্ধতা ছড়ায়।

ভাল থাকুন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
হুনার মন্দ বলেছেন: দারুণ লেখা। মুহাম্মদ জাফর ইকবাল'কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। এদেশে তাঁর মতো মানুষের অনেক আকাল চলছে...
১৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
নুশেরা বলেছেন: স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। স্যারের আজীবন সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।


=============================================

চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ শামসীর। ছবির এই পিকনিকটা কোথায় হয়েছিলো?

স্যার ছবি তোলার সময় একটা কথা প্রায়ই বলে নিতেন, "ছবিতে কিন্তু আমার চুল বেশী সাদা দেখায়, আসলে আমার চুল এখনও অতো বেশী পাকেনি..." :)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আপু কেমন আছেন, আপনাকেত ব্লগে ইদানিং দেখিইনা, কোন লেখাও নেই সেই রেসিপির পরে।

পিকনিকটা ছিল মাধবপুর লেকে।

সবার সাথে স্যারের ক্লান্তিহীন ছবি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে থাকা একটা দেখার মত জিনিস, কোন বিরক্তি নেই।

১৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
এস বাসার বলেছেন: ভাল লেগেছে। জাফর ইকবাল কে পছন্দ করি, সব মানুষেরই সীমবদ্ধতা থাকে, উনারা আছে। কিন্তু ভাল লাগলো আপনার চমৎকার লেখা।

শুভ কামনা রইলো।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
অচেনা সৈকত বলেছেন: চাইলেও জীবনে কখনও জাফর ইকবাল স্যারের মত হতে পারব না, তাই আদর্শ মানুষটির জন্মদিনে শুধুই শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার। যদিও উনি আমার স্যার ছিলেন না! কিন্তু আমি উনার লেখা অনেক পছন্দ করি। অনেক ভাল লাগে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার লেখার জন্য। আর জানালেন তার জন্মদিনের কথা।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার !
সুন্দর পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ। আমার ছেলেরা স্যারের ভয়াবহ রকমের ভক্ত। ওদের ক্ষেপানোর জন্য মাঝে মাঝে স্যারের একটু বদনাম করি। আর যাই কোথায়, আমার তখন হালুয়া টাইট করে ফেলে ওরা।
অ.ট.- স্যারের ছবিগুলো কি কমলগঞ্জের মাধবপুর লেকে তোলা ?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হুমম ভাইয়া মাধবপুর লেক থেকে তোলা।

২৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

স্যারের জন্মদিনে অন্তহীন শুভেচ্ছা.........




লিখাটা ভালো লাগছে শামসীর ভাই।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ভাল্লাগছে।

জাফর ইকবাল স্যারের চুল-



২৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
শেরজা তপন বলেছেন: এমন একজন গুনী ব্যাক্তির জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে পরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে-
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: :):)

২৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
আরজু বলেছেন: আফসোস এই পিকনিকে যেতে পারিনি।আমি জানি , শামসীর এই পিকনিকে থাকার জন্য কি কষ্ট করেছিল।ধন্যবাদ শামসীর,সুন্দর লেখার জন্য।আচ্ছা , যে রাতে আমরা ভিসির অফিসে আটকা ছিলাম অনেক্ষন , তরিখটা কি খেয়াল আছে ?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: আয়োজনের পুরা কৃতিত্ব ছিল শিহাব সাইফুলের..........।

পেপার কাটিংটা আছে মনে হয়। ডেট তো খেয়াল নাই।

২৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
অ্যানালগ বলেছেন: তাঁর প্রতি রইল জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমার ভাল লাগে। ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: :):)

৩০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: তাই বুঝি সাজু ;)

৩১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
শরিফ নজমুল বলেছেন: সুন্দর লিখা। নতুন করে তাকে চিনলাম আপনার লেখার মাধ্যমে। যদিও স্যারের কিছু বিষয়ের সাথে আমি একমত হতে পারি না, তবুও তাকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি। শ্রদ্ধায় যোগ হলো নটুন মাত্রা।
স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আর আপনাকে লিখার জন্য ধন্যবাদ। প্লাস।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৩২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০
শেহাব বলেছেন: এখন পর্যন্ত আমার দেখা সবচেয়ে সৎ লোকদের একজন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: আমাদের সময় ভর্তি কমিটির চেয়্যারম্যান হিসাবে পাওয়া পুরা টাকাটাই তিনি দিয়ে দিছিলেন লাইব্রেরীর বই কিনার জন্য। আমি অবাক হইছিলাম এত টাকা কেমনে দিয়া দিলেন :):)

৩৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০২
সুবিদ্ বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো........শুভ জন্মদিন 'স্যার'!!

উনার অবশ্যই টিঁপাইমুখ নিয়ে এখন লেখা উচিত.........
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করি।

৩৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
ফয়সালরকস বলেছেন:
শামশীর ব্রাদার...আমার প্রানের ব্রাদার,

এইডা আম্নের এই বছরের বেষ্ট পোষ্ট...অনেকদিন ধইরা উডাইয়া রাখা ছিল মুনে অয়...

+
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: গতকাল হঠাৎ মনে পড়ায় লেখলাম..............:):)

ধইন্যা ভাইজান :):) কেমুন চলে।

৩৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়া, গত বইমেলায় স্যার আর ম্যাডামের সাথে দেখা হলো। উনারা তখন গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন।আমি আর আমার কাজিন দৌড়ে গেলাম। একটা অটোগ্রাফ নিতে আর তাদের সাথে ছবি তুলতে। ম্যাডামটাকে আমার কিযে ভালো লাগলো। এত মিষ্টি চেহারা আর ব্যাবহারটাতো তার চাইতেও বেশী। উনি সানন্দে রাজী হলেন আরো কিছু এমন প্রশংসা করলেন যে এখানে বলতে আমার লজ্জা লাগছে ভাইয়া। সাবই হাসবে মনে হয়। তাই আর বললাম না।:P
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: আমাদের না স্যারের চেয়েও ম্যাডামের সাথে মজা করা হত বেশী। ম্যাডাম যে কোর্সটা নিছিলেন সেটাতে যে কি মজা হত- স্যারকে যত ঝাড়ি দেয়া যায় সবই দিতেন আমাদের সামনে।

ম্যাডামতো ক্যাম্পাসের মা রুপী টিচার ছিলেন, অনেক আমুদে অনেক প্রনোচ্ছল। সব সমস্যা যেন তাকে বলা যেত।

আমাদের একজনতো স্যারকে গিয়ে বলল আমাদের বাসায় দারোয়ান লাগবে, এখানেত কাউকে চিনিনা, কি করি ;)

আপু আপনার কথাটাও বলে ফেলুন। প্রমিজ হাসবনা :):)

৩৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
ফয়সাল আকরাম বলেছেন: ভাল্লাগসে শামসির ভাই :)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: :):)

৩৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: লেখা ঠিক আছে। এই ব্যাটার ডেডিকেশন, সময়ানুবর্তিতা, প্রফেশনালিজম, আর কমন সেন্স---এই জিনিস গুলা শিখার মত।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: হুমমম

৩৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০১
কাঙাল মামা বলেছেন: ইসসস!! উনার যদি একটা ক্লাস পাইতাম...:(

শুভ জন্মদিন স্যার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: সিলেট যাইয়া বলবেন স্যার আপনার একটা ক্লাশ করব তাহলেই হবে, না বলে ক্লাশে ঢুকে গেলেও হয় :)

৩৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
চাঙ্কু বলেছেন: স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।

কাঙাল মামা বলেছেন: ইসসস!! উনার যদি একটা ক্লাস পাইতাম...:(
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: আরে মনে নাই ২০২২ সালের কথা ;)

৪০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
সাপিয়েন্স বলেছেন: স্যারের ও ম্যাডামের বয়স কত হলো ?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: বয়স দিয়া কাম কি :):)

৪১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
ইসানুর বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।
ধন্যবাদ+
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: :):):)

৪২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
জেরী বলেছেন: স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: :):)

৪৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
শেহাব বলেছেন: তবে স্যার বোরিং। ম্যাডাম বস!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: হুমমম.......ম্যাডাম ঢুমাইয়া আড্ডা দিতে পারেন।

৪৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
হিমেল নাগ রানা বলেছেন: ৩য় সেমিস্টারে ম্যাথ কোর্স ড্রপ দিলাম। এর পর ঐটা করতে গিয়ে দেখি ... একই নামে ভিন্ন উপাদানের আরেকটা কোর্স। মানে কোর্স এর কন্টেন্ট শাফল করেছে। গেলাম ম্যাথ ডিপার্টমেন্ট এ। বললো যে আগেরটার বদলে এটা নেয়া যাবে কিন্তু ডিপার্টমেন্ট হেড এর পারমিশন লাগবে। সারের সাথে দেখা করতে গেলাম ভয় নিয়ে। সার এপ্লিকেশন টা পড়ছেন আর চশমার উপর দিয়ে আমাদের দিকে তাকাচ্ছেন। আমি মুখ শুকনো করে দাঁড়িয়ে আছি। সার হঠাৎ বলে উঠলেন "তোমরা তো সাধারণ ছাত্র না ... অসাধারণ! "আমি মনে মনে বলি কয় কি??? বললাম "জ্বি সার?" সার বলেন যে, "না যেরকম অসাধারণ ভাবে এই রকম অসাধারণ একটা কোর্স ড্রপ করেছো আবার কিরকম করে এটার রিপ্লেসমেন্ট ও বের করে ফেলেছো ... এটা তো সাধারন ছাত্রদের কাজ না ..." । এমন লজ্জা পেয়েছিলাম যে কান ধরেছি যে ঐ প্রথম ঐ শেষ ... এরকম কাজ আর করবোনা।


আমি 'এ' বিল্ডিং এর রেলিং এ বসলে ম্যাডাম কেমনে জানি উনার রুম থেকে দেখে ফেলতেন। দুই দিন অন্য স্টুডেন্ট দের দিয়ে ডেকে মানা করেছিলেন। আমি স্বাভাবিক ভাবেই পাত্তা দেইনি। আমি বুঝতেও পারিনি ম্যাডাম এটা মনে রাখবেন। এর প্রায় বছর খানেক পর একদিন একই কাজ করেছি। ম্যাডাম আমার সামনে হাজির। আমি থতমত খেয়ে নেমে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ম্যাডাম আমাকে ঝাড়ি না দিয়ে আমার বাসার খবর নিতে শুরু করলেন ... মা কি করেন বাবা কি করেন বাড়ি কই ... এগুলা। আমি সিরিয়াস ভয় পেয়ে গেছি। এর পর হঠাৎ করে শুরু করলেন ঝাড়ি ... "তোমাকে আরো দুইবার সাবধান করে দেয়ার পরও তুমি ঐখানে বস ... কিছু হলে তোমার বাবা মা কে কি জবাব দিবো ... আর যাতে কোনোদিন না দেখি ... ... ... "। আমি ততক্ষণে পালাতে পারলে বাঁচি। ম্যাডাম এর মেমোরি যে কত ভালো সেটা বুঝেছিলাম ... ক্লিয়ারেন্স নেয়ার সময়। ঐদিন সার এর রুম এ ম্যাডাম ও ছিলেন। আমি সালাম দিলাম ... ম্যাডাম আমার নাম ধরে বললেন যে "তুমি হিমেল না?? কেমন আছো?"।


লম্বা কমেন্টের জয় দুঃখিত। পুরান ঘটনা মনে পরে যাওয়াতে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

শুভ জন্মদিন সার!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: মামা স্যার যদি জানত তোমার রোল নাম্বার ২৩, তয় বুঝতা মজা করে কয়, ঝাড়ি কি।

শোভন -৯৫
শিহান-৯৬
সুবীর-৯৭
রুবেল-৯৮
শামসীর-৯৯
হিমেল -০০

ক্লাব ২৩ এর প্লেয়ার । ডিপার্টমেন্ট থেকে এই ২৩ রোলটা বাদ দেয়ার কথাও উঠছিল মিটিং এ :):)

এরা সবাই এক একটা মাল ;)

৪৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
সামস আরাফাত বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার ! সত্যিই এমন একজন মানুষকে শিক্ষক হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। অসাধারাণ একজন মানুষ, শিক্ষক ও অভিভাবক। তার ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করে। অসম্ভব ভাল লিখেছ ভাই।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: স্যারের চরিত্রে তোর অভিনয়টা জোশ হইছিল :):)

৪৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
হিমেল নাগ রানা বলেছেন: @৪৪ নম্বর কমেন্টের ফলোআপঃ

"এরা সবাই এক একটা মাল "

আবার জিগায়???? :D
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: হা হা হা

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: :)

৪৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
শেহাব বলেছেন: সামস আরাফাত কিন্তু একবার ডিপার্টমেন্টে আমার লেখা একটা নাটকে জাফর ইকবালের চরিত্রটি করেছিল। ম্যাডাম বলেছিল এই জাফর ইকবাল অনেক পরিষ্কার।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: হুমমম

৪৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: স্যারের সাথে কিছু কথা হয়েছিল ভবদহ নিয়ে আন্দোলনের সময়। আমার বাড়ীর পাশেই ভবদহ, ভবদহের মানুষের কষ্ট আমি দেখেছি অনেক কাছ থেকে, অথচ আমার চেয়েও স্যারের উপলদ্ধি ছিল অনেক গাঢ়। তখনই মনে হয়েছে এমন খাঁটি মানুষকে যদি আরও কাছ থেকে দেখতে পেতাম তাহলে হয়ত আরো কিছু শেখা হত জীবনে। তোরা ভাগ্যবান স্যারের সান্নিধ্য পেয়েছিস বলে।

লেখাটাও অসাধারন হয়েছে। আসল জাফর ইকবাল স্যারকে অনেকখানি জানতে পেরেছি তোর লেখার মাধ্যমে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দোস্ত ।

৫০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: লগে আমাগো ২৩ মীর্জা।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: হুমমম

৫১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
স্নো হোয়াইট বলেছেন: ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর আমার প্রথম জন্মদিনে স্যার আমাকে তার একটা বই উপহার দিয়েছিলেন। সেদিনের অনুভূতির কথা আমি কখনো ভুলতে পারবোনা।

লেখটা খুব-ই সুন্দর হয়েছে, আর ছবিটা জোশ!

শুভ জন্মদিন স্যার।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৫২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
বড় বিলাই বলেছেন: ভালো লাগল।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: :):)

৫৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
ফেরারী... বলেছেন: ভাই লেখাটা সেই রকম হইছে...অসাধারন অসাধারন অসাধারন...

২টা মানুষ সৎ থাকার প্রেরনা দিয়েছে আর দিয়েও যাবে আজীবন ১। আমার বাবা ২। স্যার

আবারো ধন্যবাদ অসাধারন লেখার জন্য...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: শুভ জন্মদিন....... ড. জাফর ইকবালকে........
লেখা ভাল লেগেছে।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
নতুন রাজা বলেছেন: শুভ জন্মদিন জাফর স্যারকে...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪২
কালীদাস বলেছেন: ভাইয়া, লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছে। পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। টিচার হিসেবে, সাইন্টিস্ট হিসেবে, লেখক হিসেবে সব দিক থেকেই তিনি যথেষ্ট সফল। স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা!

একবার কোন এক বলদ জানি তাঁর দোষ বের করেছিল- তাঁর কোন পাবলিকেশন নেই গত ৬বছরে, আগের গুলোও খুব আহামরি নয়-কাজেই তিনি শিক্ষক হিসেবে ব্যর্থ! ঐ লোককে আজকের পোস্ট-টা পড়াতে পারলে সবচেয়ে ভাল হত। রাজনৈতিক অভিপ্রায় যদি আমাদের পছন্দ নাও হয়, তাঁর মাপের মানুষ/টিচার কয়জন আছে দেশে?

প্লাস!!!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: টিচার হিসেবে, সাইন্টিস্ট হিসেবে, লেখক হিসেবে সব দিক থেকেই তিনি যথেষ্ট সফল।

৫৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
অপ্রয়োজন বলেছেন: উনার মতন আরো কয়েকটা মানুষ কে যদি এদেশ পেতো ...


উনাকে শিক্ষক হিসেবে পাই নি ... দুর্ভাগ্য :(
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: উনার মতন আরো কয়েকটা মানুষ কে যদি এদেশ পেতো ...

৫৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৩
আলিম আল রাজি বলেছেন: এই পৃথিবীর সব চেয়ে বড় সত্য কথা-টা হচ্ছে "রাজি জাফর ইকবাল স্যারের সব চেয়ে বড় ভক্ত"


চমৎকার লেখা
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: :):)

৫৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৫
হতবুদ্ধি বলেছেন: "হ্যালো
আসসালামুআলাইকুম স্যার।"

এইটা ভুল সম্বোধন, আমার বিরাট কৌতুহল যে সালামের উত্তরে উনি কি বলেন। আপনার অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন।

এনিওয়ে, শুভ জন্মদিন স্যার, আপনি জন্মেছিলেন বলেই সংশয়বাদীরা হয়েছে নিশ্চিন্ত, শান্তরা হয়েছে উগ্র। কি এক বিরাট সম্মোহনী শক্তি আপনার!!!!!!! দোয়া করি, আপনার একচোখা রোগটি ভাল হয়ে যাবে, আপনি হুমায়ুন আহমেদের মত দুই চোখ দিয়েই সমানভাবে দেখতে পারবেন একদিন।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার কথায় আমিও হতবুদ্ধি। পুরাটা না পড়ে কমেন্ট করে ফেললেন।

জা ই: হ্যালো
শা: আসসালামুআলাইকুম স্যার।

৬০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০
মনপুরা বলেছেন: ভাল লাগল।
স্যারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাবী। :):)

৬১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১
কাঙাল মামা বলেছেন: আরে, ক্লাস করা এতই সোজা??!! দাড়ান, আমরা এই সেমিস্টার ব্রেকে সিলেট আসতেছি, আপনার কাছ থেকে সিলেট ঘুরার কিছু টিপস নিবো পরে....আর দেখি শাহজালালে ঢু মেরে, ক্লাস পাই কিনা ;)
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ওকে ...।

৬২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন: জানিনা, স্যার এ ব্লগটি পড়বেন কি-না ! স্যারের সান্নিধ্যে যাঁরা এসেছেন সত্যিকার অর্থেই তাঁরা এ গ্রহের মহাভাগ্যবান মানুষ। আমার সে সৌভাগ্য হয়নি। ঈশ ! একটু যদি স্যারকে ছুঁতে পারতাম !!!!!!!!
শুভ জন্মদিন স্যার।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: স্যার একদম সাধারন একজন মানুস কিন্তু।

৬৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০২
রিমি (স. ম.) বলেছেন: অবশ্যই এইটা শ।মসীর মাম্মার লেখা ওয়ান অব দ্য বেস্ট পোস্টস। :):)
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি মাম্মা :):)

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
চাঙ্কু বলেছেন: ২০২২ সালতো মেলা পরে । স্যারের ক্লাস করার জন্য এতদিন অপেক্ষা করতে হবে?? আফসুস
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: :(:(

৬৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০
পৃথিবীর আমি বলেছেন: শুভ জন্মদিন ড. জাফর ইকবাল স্যার।স্যারের সরাসরি ছাত্র একজনের এরকম লেখা পড়ে ভাল লাগলো ।।।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৮
সাইফ শামস বলেছেন: প্লাসাইলাম। সোজা প্রিয়তে। অনেক সুন্দর লেখা। স্যারকে নিয়ে আরো লেখা আশা করি।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় স্যারকে নিয়ে আমার চেয়ে আপনি আরও বেশী ভাল লিখতে পারবেন, শুরু করেও থেমে গেলেন কেন ??

কেমন আছেন।

৬৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
বিলাশ বিডি বলেছেন: শামসীর, এই ব্লগে আমার পড়া অন্যতম সেরা লেখা এটি! অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো চমৎকার একটা লেখার জন্য!

মাঝে মাঝে যখন কোনো কারণে খুব হতাশ লাগে, যদি জীবনের কোনো মানে খুঁজে না পাই, তখন মনে হয় জাফর স্যার যখন বেঁচে আছেন তখন বেঁচে থাকা নিশ্চই অর্থপূর্ণ একটা ব্যাপার! একটা মানুষ যে অন্যদের বেঁচে থাকার, জীবনকে ভালোবেসে মানুষকে ভালোবেসে কাজ করে যাওয়ার এতোবড় প্রেরণা হতে পারে সেটা জাফর স্যারকে না দেখলে আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হতো!
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ বিলাস ভাই ।

স্যারকে আসলে যারা কাছ থেকে দেখেনি তারা বুঝতে পারবেনা তিনি কি ।

৬৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
crickettomorrow.com বলেছেন: অনেকে বলত এসব আন্দোলনে স্যার বেক দেন, অথচ আমি নিজে এমন দুটা আন্দোলনে সবার সামনেই ছিলাম, নিজের কত প্ল্যান করেছি বাট কখনো স্যারের সাথে এসব ব্যাপারে আমাদের কেউ কথা বলেছে বলে আমার মনে পড়েনা। ধান্দাবাজরা এসব ছড়িয়ে মজা পেত, কারন ছাত্রছাত্রীরা নিজেরা কিছু করতে পারে এটা তারা মানতে চাইতনা, বুঝতে চাইতনা সবাই তাদের মত কুকুর নয়।

ভাই, আপনি আবার কোন আন্দোলনে সামনের সাড়িতে ছিলেন? জানবার মন চাইতাছে। আফনেরে তো আমি চিনি। মিছা কতা কন কে ভাই। আদর্শগত ভাবে জাফর স্যারের সঙ্গে আমাদের অনেকেরই কোন ভিন্নতা নেই। একই মতাদর্শী। তবে ঢালাওভাবে তার প্রশংসা করার পক্ষে আমি না। আর কারো জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে এ ধরনের মিথ্যা প্যাচাল পারে যারা তাদের কথা আর কি বলবো!

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: জনাব ঢালাও ভাবে আমি কোন প্রশংসা করেছি বলে মনে হয়না।

আপনে আমারে চিনলে আসল নিকে খোমা লইয়া হাজির হন, আমিও আপনারে একটু চিনতে চাই- আপনি কোন মহান লোক। আপনি আমারে কতটুকু চিনেন সেইটা মাপতে পারতেছিনা।

আর যদি চিনেনই তবে - শাবি শিক্ষক নিয়োগ আন্দোলন আর ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনার সময়কার প্রথম আলো, যুগান্তর , সিলেটের ডাক....।পত্রিকা গুলো খুলে দেখতে পারেন, না হলে আমার কাছেও কপি আছে, আইসা দেইখ যাইয়েন।

কারো জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে এ ধরনের মিথ্যা প্যাচাল পারে যারা তাদের কথা আর কি বলবো! --- জনাব আমি জাফর ইকবালের খাই ও না পড়িওনা, আমার চাকরিও তার ফোনে হয়নাই, নিজে কামলা দিয়া খাই, নিজের মত চলি। সো.......................

আবারও বলি- আপনি আমারে ঠিক কতটুকু চিনেন এইটা না জাইনা শান্তি পাইতেছিনা। কারন উপরে আমার সময়কার শাবির ছাত্র ছিল এমন আরও দশ জনের কমেন্ট আছে।পইড়া দেখেন।

আমি কাউকে গালি দেয়াটা পছন্দ করিনা!!!!!!!

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: :):)

৭১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: অসম্ভব ভালো লাগলো লেখাটা। +++++
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৭২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: লেখাটা খুব ভাল লাগল.....প্রতিটা শব্দে যেন ভালবাসা জড়ানো। উনার জীবন সুন্দর হোক।
শিক্ষকের শেখানো পথ ধরে তোমার চলমান জীবন আরো সুন্দর হোক।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু। আপনাকেও শুভেচ্ছা।

৭৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
আহমেদ রাকিব বলেছেন: crickettomorrow.com আসল নামে আসেন ভাই। আপনারে চিনতে মন্চায়। শাবিতে বেশ বড়সড় একটা আন্দোলন শুরু হয়েছিল সাধারণ ছাত্রদের ব্যানারে। যেটা কিনা অনাকাংখিত একটা ঘটনায় প্যাচ খাইয়া ঘুইরা গিয়া সি,এস,সি র আন্দোলনে পরিনত হয়। অনেক লম্বা ঘটনা। বিশাল পোষ্ট লেখা লাগবে। না জেনে এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।
৭৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @crickettomorrow.com: Click This Link আপনি সম্ভবত এদের দলের কেউ। নিজের নামে আসতে ভয় পান? পেছন থেকে কথা বলায় কোন সাহসের পরিচয় নেই।

৭৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
crickettomorrow.com বলেছেন: লেখক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবালকে যতো কাছ থেকে দেখেছেন আমিও ততোটা কাছ থেকেই দেখেছি। আরো বেশি সময় ধরে। আর আমরা যখন আন্দোলন সংগ্রাম করছি তখন সামুর এই লেখক কলেজে পড়তেন, বিশ্ববিদ্যালয় তো দূরের কথা!

যাক, আপনাদের কি মনে আছে সেই নামকরণ আন্দোলনের কথা। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নামে একটা ছাত্রী হলের নাম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সিলেটে আন্দোলন শুরু করেছিল একটি গোষ্ঠী। আমরা সেই মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাহ করেছিলাম। নয় মাস লেগেছিল আমাদের দেশ স্বাধীন করতে... আর আমরা ৭ মাসেও আমাদের একটা হলের নাম দিতে পারি নাই- শহীদ জননীর নামে।

সেই কষ্টের কথা যদি বলি- তবে শ্রদ্ধেয় জাফর স্যারের ঘাড়ে কিছুটা হলেও এর ব্যর্থতার দায় চাপে। আমরা তো প্রস্তুত ছিলাম। তবে চাপাতে চাই না। আমরা সৈনিক ছিলাম। আছি এবং থাকবো। তবে করপোরেট সৈনিক নই। যাহা সত্য তাহাই বলি এবং বলার চেষ্টা করে এসেছি।

আর লেখককে আরেকটা কথা না বললেই নয়! বলবো। ভাবছি আলাদা একটা পোস্ট দেব।



২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: জনাব আপনি মনে হয় আমার লেখাটা বুঝেনই নাই। আমি আগেই বলেছি আমার মত আমার, স্যারের মত স্যারের আর আপনার মত আপনার। হেডিংটা দেখুন আমি আমার দৃস্টিতে স্যারকে জাজ করেছি অন্য কারও চোখে নয়, কে কি বলে কে কি ভাবে তা দিয়ে নয়। আমি যে সময়টুকু তাকে পেয়েছি সে সময়টুকু নিয়েই লিখেছি।

লিখে ফেলুন সামু ওপেন জায়গা- আপনার অনুভূতিত আমি লিখতে পারবনা, দুটা এক হবার ও কোন কারন নেই।

৭৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
crickettomorrow.com বলেছেন: আর যদি চিনেনই তবে - শাবি শিক্ষক নিয়োগ আন্দোলন আর ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনার সময়কার প্রথম আলো, যুগান্তর , সিলেটের ডাক....।পত্রিকা গুলো খুলে দেখতে পারেন, না হলে আমার কাছেও কপি আছে, আইসা দেইখ যাইয়েন।[/si

পত্রিকার কথা বললেন তাই আরেকটা বিষয় টেনে আনি। তর সইলো না। ওই সময় প্রথম আলোর যে প্রতিনিধি ছিল হেয় তো ছিল পুরা দালাল। কখনো আওয়ামী লীগের, কখনো বিএনপির। যুগান্তরেরটার অবস্থা তো আরো খারাপ। ওই পোলা তো জামায়াতের পক্ষেও লিখতো। তো এইসব দালালদের রেফারেন্স না টেনে অন্য কোনো রেফারেন্স দেন মিস্টার লেখক।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা আপনার সাথে প্রবলেম কার আমার না স্যারের। যদি আমার সাথে হয় তবে বলুন সেটা কি, ভুল হয়ে থাকলে শুধরে নিব। পত্রিকার রেফারেন্স দেয়াটা ভুল হইছে- জানা ছিলনা সাংবাদিকরা ভার্সিটি লেভেলেই দালালির সাথে জরাইয়া পড়ে। তয় ছাত্র কল্যান উপদেস্টা সাজেদুল করিম যখন ডেকে বলে তোমারে কিন্তু শোকজ করা হবে, তোমরা বাড়াবাড়ি করছ- তখন নিজেকে কিছু একটা যদি ভাবি সেটাকে কি দোষ দিবেন। মারামারিতে যাইয়া পত্রিকায় নাম তোলার সাধ কারো হবে এটা জানা ছিলনা । আর তার আগেই পত্রিকায় আমার নাম এমনিতেই আসছে, নিজ গুনেই- সো ওটার তেমন একটা মোহ ছিলনা । কম্পিউটার টুমরোর সাংবাদিক আমিও ছিলাম। আমার একক আলোক চিত্র প্রদর্শনীর খবর ও পত্রিকায় আসছে..সো সাংবাদিকরে বলে নাম লেখার প্রয়োজনটা কি বলবেন, লাভটাই বা কি !!!

এবার একটু অহংকার করেই বলি যতদিন ক্যাম্পাসে ছিলাম নিজ নামেই ছিলাম, কারো যেমন কোন ক্ষতি কখনো করিনি , তেমনি খারাপ কিছু করেছি এটাও কেউ বলতে পারবেনা। আমার জীবনের সেরা সময়টা আমি উপভোগ করেছি অনেক ভালবাসা নিয়ে অনেকের সাথে, যা এখন ও অব্যাহত। ব্যাক্তি প্রচারনা নিজেকে নিয়ে ভাল লাগছেনা, যেটার কোন মানেও নাই, লাভ ও নাই।

৭৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫০
crickettomorrow.com বলেছেন: তবে সবচেয়ে বড় সত্যি হলো- আমি জাফর স্যারের চেয়ে ওনার সহধর্মিনী ইয়াছমিন ম্যাডামকে উপরে রাখি। উনি মুখে যা বলেন ঠিক সেই কাজটিই করতেন। আয়নার মতো পরিষ্কার একজন শিক্ষক, একজন মা, একজন অভিভাবক।

ইয়াছমিন ম্যাডামকে সেল্যুট।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ম্যাডামকে আপনি পছন্দ করেন জেনে ভাল লাগল।

৭৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
সাপিয়েন্স বলেছেন: পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে সামু ব্লগ শাহজালালীতে ভর্তি। আর মাত্র তিন বছর পরেই তো এই মহামানবের ষাটতম জন্মবার্ষিকী। সেটা একটা বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে করতে পারেন, এবং সেজন্য এখনই একটা সর্বদলীয় (মোটামুটি) কমিটি তৈরী করে কাজ শুরু করে দিন। মধ্যকাল কি বন্দনামুক্ত রাখা যায় ?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: হুমমম

৭৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৮
বিপ্লব৯৮৪২ বলেছেন: আচ্ছা স্যার যখন পানিতে নামেন তখন কি ওনার পরনে জুতা , পকেটে মোবাইল,GPS device , হাতে ঘড়ি ছিল ?
থাকলে ভালো হতো । মাথার উপর চশমা পরার মতো ,পানিতে নামার সতর্কতা হিসেবে মাথার উপর একটি রিসিভার থাকলে ভালো হতো । ডুবে গেলে কোথায় আছেন , কি করছেন বলা যেত ।অথবা ফোবিয়ানের যাত্রীরা , যারা মহাকাশে মহাত্রাস করে মাঝে মাঝে পৃথিবীতে এসে গবেষনার জন্য মানুষ ধরে নিয়ে যায়,তারা ধরে নিয়ে গেলে কোন পথ দিয়ে যাচ্ছে তা জানিয়ে মহাকাশ স্টেশনে বসে থাকা RAB কে আগাম খবর জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়া যেত ।

তোমার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে স্যার বিয়ে করে দেনমোহর দেন নাই । তিনি সালমান শাহ – মৌসুমি অভিনীত ,শফি বিক্রমপুরী পরিচালিত এবং মুক্তির পর ১ম শোতেই আমার দেখা পর্দা কাপানো “দেনমোহর” ছবিটি দেখেন নাই । দেখলে এমনটি হতো না ।
নারীরা এমনিতেই জাতীয় ও আর্ন্তজাতিকভাবে বঞ্চিত।
আমার মনে আছে , চোর ভিসি তারেক কৌশলে ম্যাডামের Promotion বন্ধ করে দিয়েছিল । শুনে আমার ভীষন খারাপ লেগেছিল । যাইহোক , স্যার যদি এখনো দেনমোহর না দিয়ে থাকে , আমার বন্ধুরা এখন অনেক ধনী , তাদের বলে আগামীমাসে বেতন পেলে ফেরত দিবেন –এই শর্তে ধার দিতে পারি ।
কোন এক পন্ডিত জানি বলেছিলেন ,
নারীকে তার প্রাপ্য দিলে
দেশ ও দশের সুফল মিলে ।


তিনি বছরের ঠিক সময়ে জন্মেছিলেন । তবে সুক্ষভাবে বললে,২৩ শে ডিসেম্বর না হয়ে ৩১ শে ডিসেম্ব্রর হলে ভালো হতো ।
কারন স্কুল খোলা ১ তারিখ । ৮ দিন বসে বসে সময় নষট করার কোন মানে হয় ?

আমিও স্যারের মতো জন্মদিন বিদেশী কালচার , অহেতুক মাতামাতি বলে এসবের ধারধারি না । তবূ ও এ লেখা পড়ে দেরীতে হলেও বলছি ,শুভ জন্মদিন ।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আমারও মনে হয় দেন মোহর দেন নাই, উল্টা যৌতুক নিয়েছেন :):)

৮০. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২
মুভি পাগল বলেছেন: স্যার কি ছাত্রদের সাথে একেবারে বন্ধুর মত মেশেন?
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: মোটামুটি ঐ রকম ই ......

৮১. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৪
কোর আই সেভেন বলেছেন: প্রিয়তে। আর কিছু বলার মতো পাচ্ছি না।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমমম

৮২. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৭
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: লেখাটা পড়ে মনে হইল তেল চুইয়া চুইয়া পড়তেছে :D

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: হ ভাই পুরা তেলের ডিব্বা, স্যার আমার একাউন্টে একটা চেক জমা দিছেন..।

৮৩. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
চিমটি বলেছেন: জাফর ইকবালের কিছু সুখকর মূহুর্তের ছবি ইউটিউবে-(মেয়েদের কোন ড্যান্সপার্টিতে)
http://www.youtube.com/watch?v=gi4PmmkDeOY
Click This Link
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: apni khusito..............

৮৪. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৪
মিরাজ is বলেছেন: ভাল লাগে এই মানুষটাকে অনেক ।
শুভ জন্মদিন স্যার। অনেক অনেক ভাল থাকবেন ।

আপনার লেখাটা অনেক ভাল লাগল ভাই ।
প্রিয়তে ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার। অনেক অনেক ভাল থাকবেন ।

৮৫. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৫
জুন বলেছেন: একজন মানুষ হিসেবে এবং একজন লেখক হিসেবে তাকে আমি অনেক পছন্দ করি শামসীর । তার কপোট্রনিক সুখ দুঃখ বইটা আমার বহু বছরের বহু প্রিয় একটি বই।
আর তুমি লিখেছো ও খুব সুন্দর করে যাকে বলা যায় অনাবদ্য।
প্লাস।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু..........

৮৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
দুর্বলতার অমিত বলেছেন: পড়তে পড়তে কখন যে চোখে পানি চলে আসছে খেয়াল এ করলাম না।
প্রচন্ড হিংসা হচ্ছে আপনার লিখা পরে, আপনি অনেক লাকী একজন মানুষ, এমন একজন মানুষের সান্নিধ্য পেয়েছেন।

এই নাদান ভক্তের পক্ষ থেকে স্যারের কাছে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পাঠাই দিয়েন।
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবা ভাল থাকবেন........।

৮৭. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
সাবিলা ইনুন বলেছেন: অসাধারণ লেখা ভাইয়া। ২০০৮ সালে আমি যখন ডি.নেট - এ কাজ করি তখন কোনো একটা দরকারে স্যারকে আমি ১০ মিনিটে ৪/৫ বার ফোন দিসিলাম, লাস্ট কলের সময় স্যারের প্রথম কথা - সাবিলা, আর কতো যন্ত্রনা করবি। আমার উত্তরটা ছিল - স্যার আজীবন।
পরের বছর - বাগেরহাট ট্যুর, আবারো আমি আর স্যার এক বাসে। আমার বাসের টিকিট স্যারদের সাথে করা হইসে এইটা তানিন আমারে জানানোর পরে তানিনরে আমি যেই পরিমান গালি দিসি B-) । আমারে থামানোর ওয়েটা তানিন ভালো কইরাই জানে - আপা রাগ করেন ক্যান, আপনারে জাফর স্যারের লগে টিকিট দিসি। মাইনষে চাইয়া যেইটা পায় না। কই আমারে খাওয়া দিবেন, তা না কইরা গালি দিতাসেন। এই কথা শোনার পর রাগ করকে কোন গাধায়। আমার রাগও শেষ। স্যারের সাথে এক বাসে যাবো এই খুশিতেই আমার টাইম পাস হইতে শুরু করলো। এমনিতে আমারে সকাল বেলা ঘুম দিয়া উঠানো কি পেইন আমার আম্মু সব চাইতে ভালো করে জানে। যাত্রার আগের দিন রাতে আম্মুরে ফোন দিয়ে বললাম কালকে সকাল ৬টায় উঠায় দিওতো, পরের দিন আম্মু ফোন দিয়ে দেখে আমি আরো এক ঘন্টা আগে উঠে রেডি হয়ে গেসি। বাস কাউন্টারে গিয়ে ওয়েট করতেসি স্যার কখন আসবেন, স্যাররে কতো দিন জ্বালাই না :-B :-B । কিছুক্ষন পর স্যার আসলেন। কাউন্টারে আমাকে দেখেই হাসতে শুরু করলেন - যার অর্থ হইলো, এই মাইয়া আর কতো যন্ত্রনা করবো আমারে। যাত্রা শুরু হইলো, স্যারের যন্ত্রনা শুরু হইলো আর আমার আনন্দ :D । এই ট্যুরটা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটা ট্যুর হয়ে গেলো। আমি স্যারের সাথে পিরোজপুর গেলাম, স্যারের বাবা একজন মহান শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর জিয়ারত করার সৌভাগ্য হলো আমার। [আমাদের এই ট্যুর নিয়ে পরে প্রথম আলোর ছুটির দিনে - এ একটা লেখা প্রকাশিত হয়েছিল]
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: শুভকামনা সাবিলা......।

৮৮. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২০
শেহাব বলেছেন: ৫ বছর তাকে কাছ থেকে দেখাটা অনন্য একটা অভিজ্ঞতা...
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আসলেই......।

৮৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫৪
পারভীন রহমান বলেছেন: আমাদের সময় ভর্তি কমিটির চেয়্যারম্যান হিসাবে পাওয়া পুরা টাকাটাই তিনি দিয়ে দিছিলেন লাইব্রেরীর বই কিনার জন্য। আমি অবাক হইছিলাম এত টাকা কেমনে দিয়া দিলেন



উনার স্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী উনি ধনী মানুষ সুতরাং ...... ;)
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: :):)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: শুভ জন্মদিন স্যার

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: :)

৯২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:০২
মেহেদি২৪ বলেছেন: প্রিয়তে। আর কিছু বলার মতো
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: শুভকামনা।

৯৩. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৫
িনদাল বলেছেন: কাছে পাইলাম না :(
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: :(:(

৯৪. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৮
কাঊসার রুশো বলেছেন: অনেক অনেক সুন্দর একটা লেখা। সারকে নিয়ে একটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। যেখানে আবেগের বাড়াবাড়ি উচ্ছ্বাস নেই। আবার নেই স্যারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের কোন কমতি।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুশো । ।

৯৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৬
মর্তবাসী বলেছেন: লেখাটা মাঝে মাঝে পড়ি। যখন হতাশ হই। যখন মানুষের প্রতি বিশ্বাসগুলো নড়বরে হয়ে যায় , তখন এই পোস্টা পরি।

ধন্যবাদ শামসীর ভাই সুন্দর এই লেখার জন্য।
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: শুভকামনা সবসময়ের জন্য- মানুষই পারে, মানুষই পারবে বদলাতে সব অসুন্দর । বিশ্বাস সব চেয়ে বড় সম্পদ.......

৯৬. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৮
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: আপনি অনেক ভাগ্যবান, ভাইয়া!! লেখাটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৮৬৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
At present I am living in the consequences of a choice made earlier

বেঁচে আছি এটাই আনন্দের.........।।

ইচছা হয় সারাদিন ঘুরি পথ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ