somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[ংন]পদ্মা, মঘেনা, যমুনা- ১/৩[/ংন]

০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেঘনা(এটি একটি বানানো গল্পও হতে পার)ে
ঘটনার শুরুটা ২০০৮ সালরে আগষ্টরে মাঝামাঝরি দকি।ে শফকিুলরে ফোনরে মাধ্যমইে প্রথম পরচিয় মঘেনার (**) সাথে প্রথম পরচিয়। শফকিুল আমার ইউনভর্িাসটিি ফ্রন্ডে, আর মঘেনা ওর কলজে ফ্রন্ডে না হলওে ক্লাস মটে ছলি। মঘেনার ফোন নাম্বার, ওর সাথে পরচিয় শফকিুলরেই অবদান।
আমি তখন ফাইনাল ইয়াররে শষেরে দকিে আর মঘেনা খুলনা ব.িএল কলজেরে মার্স্টাস প্রথম র্পব।ে
দুজনরেই বোঝার বয়সটা হয়ছেলি বলে দুজনার মাঝে সখ্যতা অনকে তাড়াতাড়ি হয়ে উঠছেলি। মঘেনার বাড়ি ছলিো যশোর।ে তাই আমাদরে কথা বলার বশেরি ভাগ সময়টাই ছলি দক্ষণি বঙ্গ নয়ি।ে আমি দক্ষণি বঙ্গরে র্সবজানা দোয়রে কথা বলতাম, আর ও ওগুলোর বপিক্ষে কথা বলতো। অল্প কয়কেদনিরে মধ্যইে ও আমার ভালো বন্ধু হতে চাইলো। আমি রাজি হয়ে গলোম। মনে মনে ভাবলাম সর্ম্পকটা যনে অন্য দকিে মোড় না নয়ে। দুজন দুজনরে সম্বন্ধে জনেছে।ি ও হয়তো ভবেছেলি আমি আমার সর্ম্পকে নগেটেভি কথাগুলো হয়তো বানয়িে বলছে।ি যাই হোক রোযার ছুটতিে আমি আমাদরে বাসায় চলে আস।ি কথা চলতে থাকে প্রতদিনি। দুজনই বশে ভালো বন্ধু হয়ে পড়ছেলিাম। আমার বুঝতে পারছলিাম ও আমাদরে সর্ম্পকটাকে অন্যদকিে ঘোড়াতে চাইব।ে আমার মাঝওে যে ভালবাসা জন্মছেলিনা তা না। আসলে আমি জানতাম আমাকে ওর সংগে মানাবে না। কন্তিু আমি আমার সর্ম্পকে ওকে যইে ববিরণ দয়িছেলিাম ও হয়তো ভবেছেে আমি সব বানিয়ে বলছে।ি যাই হোক ২০০৮ সালরে সপ্টেম্বেররে ৯ তারখি রাত ১০:০৫ মনিটিে আমার ফোনে ওর প্রথম মসেজে আসলো, "মাই ডয়িার, কমেন আছো? প্রয়ি, তুমি আমার ক?ি বড় জানতে সাধ হচ্ছ!ে" আমার মাথা ঘুড়ে গলে। বুঝলাম, ওর কি অবস্থা। রাতে অনকে কথা হলো, অনকে বোঝালাম যে আমাকে নয়িে ও ভুল স্বপ্ন দখেছ,ে আমি ফজিকিালি ও সাথে মানাই না। কন্তিু ও কছিুই মানতে নারাজ। এভাবে চললো ২/৩ দনি। আবগেমাখা অনকে মসেজে আদান প্রদানরে পর আমওি আমার হৃদয়রে গোপন স্বপ্নরে সাথে হাত মলিালাম। এরপর কথা চললো। আমাদরে দুজনার ভালোবাসা দুজনার কাছইে প্রকাশ পলে। বয়সটা আমাদরে এমন ছলি যে স্বুল কলজেরে ছলেমেয়েদেরে মত অহতেুক প্রমে করার নয়। দখোর করার সদ্বিান্ত ণলিওে দখো করা হয়নি। এভাবে প্রায় সাড়ে ৫ মাস কেটে গেল। আমার মায়ের সাথেও একদিন ওকে কথা বলিয়ে দিয়েছি। বড় ভাইয়ে ছোট্ট মেয়েটার সাথেও ও প্রায়ই কথা বলতো। মেঘনা ওর ছবি কুরিয়ার করে পাঠালো। ও যেই মেসে থাকত, ওর রুমমেটদের সাথেও আমার কথা হয়েছে।
যদিও তখনও আমাদের দেখা হয়নি, ভালোবাসা তার নিজস্ব গতিতে অনেক দুর পর্যন্ত চলে গেছে।
এর মধ্যে ওদের বাড়ীতে প্রায়ই ওর বিয়ের জন্য সম্বন্ধ আসতে থাকে। ও সব কিছু থেকে দূরে থাকে।
২০০৯ এর জানুয়ারী ৮/৯ তারিখে মেঘনা ওর চাচার (**) বাড়িতে গেল, ওকে ডেকে পাঠিয়েছিল, ওর চাচাতো বোনের বাচ্চা হয়েছিল সে জন্য। মেঘনা বলে গেল ওর চাচা (**) কোরবান খান (**) খুব রাগী। ওর চাচার (**) সামনে কেউ ফোনে কথা বলেনা। তাই সুযোগ পেলে কথা বলবে। তাই পরিচয়ের পর এই প্রথম ১৮/১৯ ঘন্ট আমরা কথা না বলে থাকলাম। তারপর কথা হলো৩/৪ মিনিট। পরের দিন ও ফোন দিলো। ও বললো, আমি হেরে গেলাম, তুমি কেন এতদিন দেখা করলেনা.. . . . . . .
ওর চাচা তার শালিকার ছেলে বদরুল ইসলামের (**) সাথে ওর বিয়ে দিবে, তাই ছেলে প এসে ওকে নাকফুল পরিয়ে গেছে। তখন আমার সময়টা যে কেমন গেছে তার বর্ণনা দিতে চাইনা। ও ছিলো খুব অভিমানী। আমি ওর ছোট ভাই ফুয়াদেও (**) সাথেও কথা বলেছি। মেঘনা ওর মাকেও জানিয়েছে, কিন্ত ওর বাবা আর চাচাকে জানাতে সাহস পায়নি। কারণ ওর বাপ/চাচাদের ছিলো অনেক রাগ। তাই কেউ সাহস করে কিছু বলার সাহস পায়নি।
মেঘনার বাবা স্ট্রোক করার পর বেশ কিছুদিন অসুস্থ। তাই হয়তো মেঘনাদের ফ্যামিলিতে ওর চাচা ফিন্যালসিয়ালি হেল্প করতো। তাই বিবেকটাও মেঘনার আটকে গেল সেখানে। যেখানে একজন তাদের ফ্যামিলিকে ফিন্যালসিয়ালি হেল্প করছে মেঘনা নিজের ভালোবাস বিসর্জন দিয়ে যেন ঋন শোধ করবে। ভালোবাসার করুণ সমাপ্তি। কিন্তু হৃদয় থেকে কি ভালোবাসা মুছে যায়? ফেব্রুয়ারির সেই কালো রাতটি যে কত কষ্টে কেটেছে, তা সবাই বুঝবেনা। আমাদের কান্না কাটির বিবরণ দিতে পারবনা। মেঘনার বিয়ে হবে ফেব্র“য়ারীর শেষের দিকে। ততদিন আমাদের মেসেজ আদান প্রদান হতো, কথাও হতো। তবে আমরা যে ৫/৬ ঘন্টার বেশি সময় কথা না বলে থাকতে পারতামনা সেই কথা না বলে থাকার সময়টা বেড়েই চললো আজ অবধি।

এখন মেঘনা (**)কেমন আছে?
মেঘনার স্বামী ঢাকাতে বায়িং হাইজ কিংবা অন্য কোন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরী করে। দুজন ঢাকাতেই থাকে। সকাল থেকে রাত ১০/১০:৩০টা পর্যন্ত মেঘনাকে কাটাতে হয় একা একা। অন্য দিন তো দূরের কথা সপ্তাহের ছুটির দিনে সেই বদরুল (**) বৌটাকে নিয়ে বেড়াতেও যায়না কোথাও! বদরুল ছুটির দিনে একাই নিজের প্রফেশনাল কাজে বেড়িয়ে পরে। খুব একাকিত্তে কাটে মেঘনার সময় (দিন)।
এখন থেকে মাস ৬য়েক আগে মেঘনা একদিন ফোন দিয়ে বললো, তোমার অফিস অথবা অন্য কোথাও একটা চাকরী ম্যানেজ করে দিতে পারবে! একটা চাকরীর আমার ভীষণ দরকার।

ঋন শোধ করতে যেয়ে আজ মেঘনার এই অবস্থা। নিজের ভালোবাসার মর্যাদা রাখতে পারলনা। আবার এত বিসর্জনের পরেও মেঘনার কত দুঃখ, স্বামীটা একটু বেড়াতেও নিয়ে যায়না।

এভাবে ভালোবাসার বিসর্জনের কাহিনী যে কোন কাউকেই কষ্ট দিতে পারে।


কিন্তু যদি এমন হয়!

এখন হয়তো মেঘনা (**)চাকরী করছে। এখন ওকে ফোন দিলে ও রিসিভ করেনা।
যোগাযোগ রাখেনা কারো সাথে। ওর বান্ধবীদের সাথেও না, মেসের রুমমেটদের সাথেও না। এমন কি যে চাচার (**) ঋণ শোধের জন্য ওর ভালোবাসা বিসর্জন দিলো সেই চাচাদের (**) সাথেও না।
ওর কোন পূর্ব পরিচিত কেউ যদি ফোন দেয়, মেঘনা দিনের বেলা কথা বলেনা। একটু ফ্রি হওয়ার পরেও কল ব্যাক করেনা কাউকে।
মাঝে মাঝে খুব স্বার্থপর মনে হয় মেঘনাকে। বিয়ের ১.৫ (দেড়) বছর পর ও আমাকে একবারই ফোন দিয়েছিলো, একটা চাকরীর জন্য।
এমনিতেই বিয়ের প্রথম দিকে যে কোনভাবেই হোক আমার নামটা জেনে ফেলেছিল ওর স্বামী। প্রথমে কিছুটা সন্দেহও করতো। ওর একটুও ভয়ে বুক র্কাপেনা আমার জন্য। আমি যদি রাগ করে যখন তখন ওকে ফোন দেই! মেঘনা তো জানে ও স্বমী ফোন নাম্বারও আছে আমার কাছে। কারণ একদিন রাতে ভুল করে আমার নাম্বার থেকে মেঘনার নাম্বারে মিস্ড কল চলে যায়। পরে বদরুল ওর ফোন থেকে আমার নাম্বারে কল দিয়েছিল, জিজ্ঞেস করেছিল কে আপনি ০১.২৫৬. . . ৫১ এই নাম্বারে মিস্ড কল দিলেন?
যাই হোক আমি বুঝে ফেলেছি সবকিছু। সবকিছুই জানি কিন্তু মানিনা, কারণ মানতে পারিনা।

** (অন্য নাম/ অন্য সম্পর্ক)
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫



ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে। এই স্থানটি খুবই নিরিবিলি। দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। এমন ফাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×