আমার প্রিয় পোস্ট

পুরান চাল ভাতে বাড়ে, পুরান ব্লগার ভাতে মরে

ক্লেদাক্ত বৃষ্টিতে নতুন ঈশ্বরের সাথে......(উৎসর্গ রাশেদ ও এক্সিমো)

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ঘন্টা দেড়েক আগে শুরু হওয়া ঝড়মুখো বৃষ্টি, ঘরমুখো মানুষগুলোকে যেভাবে তাড়িয়ে তাড়িয়ে খোঁয়াড়ে ঢোকানোর জন্য ছোট্ট একটা মেলোড্রামা করেছিল, দর্শকেরা তাতেই কুপোকাত। উত্তাল বৃষ্টির সাথে বিদ্যুৎ চমকানোর আবহ সংগীত মহানগরের চিরচেনা এবং মাঝেমাঝে কেবলই নির্বোধ গ্রহীতা; বাসিন্দাদের ভেতরে লুকানো শংকারাশির ম্যাজিক বাক্সটা আবারো নেংটো করে খুলে দিল। এইতো কিছুদিন আগেকার টায়ার ফাটার শব্দেই জেএমবির বোম, অথবা তারো আগে মেয়ে সমেত জটলা মানেই বাঁধন, অথবা ভীরের জায়গা গুলোতে এইচআইভি রোগীর সূচ, অথবা এখন দোকানগুলোর তড়িঘড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়া, জোঁটবেধে আড্ডা মারার সময় সামরিকের নজরদারী ইত্যকার নানা গল্প। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পর হস্তে লিখিত শংকার স্ক্রীপ্ট, আর বিশ্বস্ত দর্শকের মত এই উত্তর আধুনিক নাটকে অংশগ্রহণ ও আরো নির্বোধের মত মনে করতে থাকা দর্শকের অবস্থান হলে কি হবে নাটক তো চলে আমাদের দেখাদেখিতেই। যেন খুব মিহি একটা সর্ম্পক, ইচ্ছে মত বাতিল বা গ্রহণযোগ্য, নিজকে খুব ক্ষমতাশালী ভাবা অন্তত একালের ক্ষমতাবানদের কাছাকাছি কেউ।
যদিও আরো ভেতরের শিলালিপিতে ক্ষুদিত হয়ে চলছে, চালের দাম, বিদ্যুত, পানি, গ্যাস ইত্যাদির নেই হয়ে যাওয়ার ভয়, মাসে দুই তিন বার মদ না খেতে পারার ভয়, ভুল করে ভুমিষ্ট হওয়া শিশুটির খাবার কিনতে না পারার ভয়, একদা প্রেমিকাকে বাড়ী পর্যন্ত এগিয়ে দিতে যেয়েও চুম্বনের নৈতিকতার ভয় এবং স্বামীটির সেলফোনে খোঁজখবর; আসলে নজরদারি, বউকে পালিয়ে নারী, নারীকে পালিয়ে বউ, এফেয়ার এড়িয়ে প্রেম, প্রেম এড়িয়ে কাম, কাম এড়িয়ে বন্ধুত্ব, বিশ্বস্ততা এড়িয়ে ওয়েব পর্ণ। হাহ! বৃষ্টি; উপলক্ষ্য মাত্র। পাবলিক বাসের ঠেলাঠেলির আগে একটু চোখে চোখ, ভেজা শরীরের একটু বে আব্রু আহবান, কানে ঢোকানো হেডফোনে লিংকিন পার্ক; আসলে একটু বৃষ্টি-রতির গান। এতো গেল ৮০০০ থেকে ৩২০০০রের গল্প।
মঞ্চের প্রায় আলো না পড়া জায়গায়টা, সেখানে আদিকাল থেকেই সবচেয়ে ভীর, উপরের দল এখনো দিয়ে রেখেছে একই চরিত্র, যেন এখানে এসেই সময় স্থির। এদের আমরা আলাদা করে চিনিনা, এরা গোষ্ঠী এরা কেউই ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন নি। যেন এক ঝাঁক, মানুষ নয় পঙ্গপাল। এদের ব্যক্তি করে চেনা কষ্টকর। এনজিও ফান্ড ছাড়া এদের আলাদা করে চেনা, নাটকের চরিত্র ছাড়া আলাদা করে চেনা, শোকশোক উপকার উপকার ছাড়া আলাদা করে চেনার কোন দরকার নেই। এরা কথা বলে আমাদের টিভিতে, বিবৃতি দেয় আমাদের পত্রিকায়, এরা লঞ্চ ডুবে মারা যায় আমাদের উৎসব পার্বণে, এরা ঝুলে থাকে আমাদের প্রদর্শণীতে, এরা ১লা বৈশাখে নোংরা ভাবে প্লেট পরিষ্কার করে, এরা টার্গেট, এরা ক্ষুদ্রঋণ, এদেরই কেউ কেউ আবার কমদামী মোবাইলে কমদামী প্রেমিক প্রেমিকা সেজে সোহরোয়ার্দীকে অশ্লীল করে তোলে। এরা চুরি করে, রাহাজানি করে, এরা ভীর বাসে বুকে হাত দেয়, এরা কাটপিস দেখে আর বসুন্ধরার সুন্দর হাগুখানা নোংরা করে। এরা কিনতে পারেনা বেশি কিছু, কিন্তু এরা বেড়াতে আসে। ছি: শুক্রবারে আর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকেনা।
এই এরাদের দল আর শেষ হয়না, এরা বাড়ীতে বাসন মাজে, টাকা দিলে ঘরের শোভন জামাই আর উঠতি যুবকদের নষ্ট করে, গার্মেন্টস ম্যানেজারের সাথে কথা না বলে শুয়ে পড়ে, এরা নোংরা থাকে, এদের গা থেকে অদ্ভুত গন্ধ বের হয়, এরা এক্সট্রা হয়, এরা মাটি কাটে, ইট ভাঁটায় মারা পড়ে, এরা বোঝা টানে, এরা ভিক্ষা করে, এরাই সন্ত্রাসী, এরা গাবতলীতে থাকে, এরা বস্তি টস্তিতে থাকে, এরা কমিউনিটি সেন্টারে হাড় কুড়ায়, এদের ভাতের দরকার হয়না এরা শুধু বংশবৃদ্ধি করে আর দেশটাকে নষ্ট করে। এদের মধ্যে একটু যারা ভাল তারা গার্মেন্টস এনজিও আর ক্ষুদ্রঋণ করে। এরা ভোটের জন্য ঠিকমত ছবিও তোলেনা। এরা নিজ শিশু বিক্রি করে, এরা কমদামী বেশ্যা হয়, এরা রিকশা চালায়; আবার কি ঢং দেখ নিজেদের গানের অনুষ্ঠানও করে। এরা অশ্লীল, এরা সারা রাত জেগে যাত্রায় কাচুঁলি খোলা আর ছায়া তোলার জন্য অপেক্ষা করে। এরা ধনী গৃহকত্রীকে খুন করে বিদেশে যাওয়ার টাকা যোগার করে, এরা কি বেকুব এরা প্লেনের টায়ার ধরে সাইপ্রাস যেতে চায়। এরা কি বোকা কন্টেইনারে পঁচে পঁচে মরে। এরা মঙ্গা, সিডর প্রুফ বৃষ্টিতে এদের কিছু হয়না। এরা বৃষ্টিতে ভারা বাড়ায় কিন্তু এদের সর্দি কাশি হয়না।
আর তারা; যুদ্ধ, বৃষ্টি, মঙ্গা, নির্বাচন, সামরিক, গ্লোবালাইজেশন, ৪৭, ৫২, ৬৯, ৭১, ৭৫, ৮৬, ৯২, ৯৬, ২০০১, রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধ, সেকুল্যার, জঙ্গীবাদ ইত্যাদিতে তাদের কিছুই হয়না। এদের নিম্ন পদস্থরা রাজনীতি করে আর মাঝে মাঝে জেলে যায়। এদের নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। ঈশ্বর নিয়ে আসলে বেশি কিছু বলার থাকেনা, তিনিই বৃষ্টি দেন। আর বৃষ্টিভেজা আমরা কেবল ঈশ্বর হতে চাই।
বাড়ী ফেরার বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি, আবার দাঁড়িয়ে নেইও। আমার শংকা স্তর পারিপার্শ্বিকের তুলনায় এত বিষ্ময়করভাবে হ্রস যে বৃষ্টির আনন্দের কিছুটা অংশ এখনো উপভোগ্য। হঠাৎ করেই পিঠে হাত; বুঝলাম পরিচিত স্পর্শ। কিন্তু পূর্বে যেমনটা হোত তেমন উচ্ছাস আমার মধ্যে তৈরী হলনা। অপরপক্ষ একটা নিশ্চিত অপরাধবোধ থেকে কথা বলছেন, এবং তার অপরাধের কথা আমি জানি কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছেন। অপরাধ আমার কাছে গুরুতর। আমার নিকট বন্ধুর তহবীল তছরূপ। এই ব্যক্তিকেই, যাকে আমি বন্ধুর মতই মনে করতাম, তিনি আমার বন্ধুর অন্য ব্যস্ততা ও অমনোযোগের সুযোগে ব্যবসায়িক অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আমার সেই বন্ধু; তার কারণেই তসরুফকারীর প্রাক্তণ এমপ্লয়ারের সাথে ঝগড়া করেছিলেন এবং একটি সন্তানের জনক তসরূফকারীকে বের করে দেবার জন্য সর্ম্পক ছেদ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, নিজের আর্থিক সংকটের কালেও তসরূফকারীকে কাজ দিয়েছিলেন।
একই বাসে ফিরছি, জলো বদান্যতায় তসরূফকারী নিজেই টিকেট কেটেছেন। আমার তখন তাকে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে। টিকিটের দাম দিতে চেয়ে স্বস্তি না জুগিয়ে আমি বরং তাকে উদ্বেগের শাস্তিটা দিতে চাইলাম। আমি নিখুঁত অভিনয়ে তার সাথে কথা বললাম এবং প্রসঙ্গগুলো এড়িয়ে গেলাম। তিনি নানাভাবে আমি কিছু জানি কিনা জানতে চাইছিলেন। আমি বুঝতে দিলাম না। ভেতরের ছন্দটা অনেক আগেই হারিয়ে গিয়েছিল। ডানদিকে দেখছিলাম শেরাটনের সবুজ প্লাষ্টিকের দ্যুতি, কৃত্রিম না হলে বোধহয় এমন সবুজ আর পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়না। যদিও একদা বন্ধু এবং কার্যত বিশ্বাস ঘাতক সর্ম্পকে সেই সবুজের কথাই আমি মনে করেছিলাম। সমস্ত যাত্রায় স্নিগ্ধ বৃষ্টি আমার কাছে থকথকে গুয়ের মত ভারী হয়ে উঠল।
স্পষ্ট বুঝতে পারলাম, তসরূফকারী জাগতিক মঞ্চের সবচেয়ে উপেক্ষিত জায়গা থেকে সেন্টার স্টেজে উঠে আসতেই চেয়েছেন । কেননা জন্ম যে তার নিম্ন মাঝারীর দলে, এরপর কষ্টে সৃষ্টে-মহানগরে আশ্রয়, এরপর বন্ধুদের সহযোগীতা, আবার শুরু করা আবার হারানো, এরপর শুধু উপরে উঠতে চাওয়া, কেননা সেই সবচেয়ে ভাল বোঝে দলিতের সারির গল্প। এটা খুব নতুন কিছু নয় যেমনটা আমরা অনেকেই করি প্রতিনিয়ত। এজন্যই বন্ধুর পিঠে ছুরি বসিয়ে দিতে তার একটুও হাত কাঁপেনি। জানি ব্যাক স্টেজ থেকে সেন্টার স্টেজে চলে আসার এটাই সবচেয়ে সহজ পথ আজকাল। যদিও এটাই একমাত্র রাস্তা নয়, যদিও এটাই কোনক্রমে সর্বোত্তম রাস্তা নয়। এই মঞ্চের নির্মাতারা এমনটাই স্ক্রীপ্টে লিখে দিয়েছেন, এমনটা মনে করাও আবশ্যক নয়। যদিও মঞ্চ থেকে বাদ পড়ার নানাবিধ ভয়ের গল্প এভাবেই কাজ করে আসছে। তাই শেষ পর্যন্ত কষ্টক্রোধে তার টুটি ছিঁড়ে ফেলতে আমার আর ইচ্ছে হল না। মনে হল আরেকজন ভীতু তসরূফকারীর ক্ষুদ্র ঈশ্বর হবার বাসনাই জেগেছে কেবল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঈশ্বর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: প্রিয় পোস্টে এড করা হলো ।
২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
বাউণ্ডুলে বলেছেন: এই পোস্টটি ডিলিট খেয়েছে :(

ছাগখোয়াড় ইন ব্লগ ডট নেট

ছাগখোয়াড়ে ছাগ রবে না তা কি কভু হয়
তারপরেও মানুষগুলো উল্টো কথা কয়
ভাবনাগুলো সমিল বলেই ছাগুরামের পসার
তারবেলাতেই মডুসীতার হাতগুলো যে অসাড়
তিনপায়েতে লাফিয়ে ছাগু ঢুসিয়ে বেড়ায় হেথা
ম্যাতকারেতে করছে বিদিক লিখছে সদাই যা তা
তারপরেও তিনিই প্রভু লোক দেখানো ব্যান
ফিরে আবার আগের মতোই তিনি ও তার সব ফ্যান
তার চেচানি শুনতে হবে কারণ তিনিই বস
মডুগুলো আগেই ছিলো কর্তৃপক্ষও বশ
ইচ্ছেমতো খেয়ালখুশী নিয়মভাঙার খেলা
এনিয়ে মুখ খুললে জেনো ব্যান হবে এই বেলা
মানুষগুলোর সহ্য নিয়ে উদাস যারা আজি
জেনে রেখে খুব শীঘ্রই পাল্টে যাবে বাজি
ছাগুর দয়ায় হিট বেড়েছে এই খুশীতেই থাকো
বুঝছো না তো মানুষগুলো সঙ্গে পাবে নাকো
মালিক বলে দোষ করেও স্বৈরাচারী ফলাও
সেসব নিয়ে লিখলে পরে ডিলিট মেরে পালাও
ছাগদেবতার পুজো করেই দিন করে দাও কাবার
এই কারণেই সামহোয়ার আজ হয়েছে ছাগখোয়াড়
লিখতে একটা পেজ দিয়েছো মাথা নাওনি কিনে
আমরাও জেনো থাকতে পারি এই ছাগল খোয়াড় বিনে
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার খাসী কাবাব অনেক পছন্দ।...এইটা ডিলিট খাইছে নাকি?

৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
পথচারী বলেছেন: তাই শেষ পর্যন্ত কষ্টক্রোধে তার টুটি ছিঁড়ে ফেলতে আমার আর ইচ্ছে হল না। মনে হল আরেকজন ভীতু তসরূফকারীর ক্ষুদ্র ঈশ্বর হবার বাসনাই জেগেছে কেবল।---------ক্ষুদ্র ঈশ্বররা বেশীদিন স্থায়ী হয়না।
কিন্তু আমরা ক্ষুদ্র ঈশ্বর চাইনা। স্থায়ী ঈশ্বর চাই।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: শেষ পর্যন্ত ঈশ্বরই চাই? স্থায়ী অস্থায়ী যাই হোক ঈশ্বরই চাই? কেন?

৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
কোবরেজ বলেছেন: অপশক্তির দালালদের চিনে রাখা হচ্ছে (সাময়িক পোষ্ট)

যে সকল দালাল/দালালী গন/গনিকা ব্লগের আন্দোলনের বিপক্ষে গিয়ে নিয়মিত পোষ্ট দিয়ে কর্তৃপক্ষের অন্যায় সিদ্ধান্ত এবং বিষ্ঠা যুক্ত ব্লগের পক্ষে কাজ করছেন তাদের সাবধান হবার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

তাদের প্রতিটি নাম আমরা টুকে রাখছি। এবং পরবর্তী যে কোন সময় ব্লগে এবং রিয়েল লাইফে তাদের উপর প্রয়োজনীয় ব্যব্স্থা নেয়া হবে।

এবং সর্বসাধারন কে অনুরোধ করা যাচ্ছে দশই এপ্রিল পর্যন্ত কমেন্ট/পোষ্ট/লগইন থেকে সম্পূর্ন বিরত থাকার জন্য।

রাজাকার মুক্ত ব্লগ চাই।
৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: তাদের প্রতিটি নাম আমরা টুকে রাখছি। এবং পরবর্তী যে কোন সময় ব্লগে এবং রিয়েল লাইফে তাদের উপর প্রয়োজনীয় ব্যব্স্থা নেয়া হবে।

উরে মইরে গেলাম।
থ্রেট দিলা নাকি কোবরেজ? নাকি পরে যাতে কেউ কমেন্ট করতে ভয় পায় সেইটার পাটাতন তৈরী করলা? নাকি পি আলোর দালাল?
তোমার মত আবালের প্রদত্ত ফর্মূলায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালিত করণের চাইতে শ্যামলীর গু ফকির হওন ভাল। আমার শর্ট পড়লে তুমিও হাইগা দিয়া যাইয়ো।
৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: দুঃখিত, আপনার ব্লগে অন্যের ব্যাপারে কিছু বরতে হচ্ছে বলে ।
কোবরেজ এর ব্লগে গিয়েছিলাম, কিন্তু মন্তব্য করার মত লেখাই নেই উনার কোনো। তাই বাধ্য হয়ে কোবরেজ এর মন্তব্য করা অন্যের ব্লগে এসে কথাগুলো বরতে হচ্ছে।
.................................................................................................

Click This Link এই ব্লগে মন্তব্য করতে গিয়ে
কোবরেজ বলেছেন: অপশক্তির দালালদের চিনে রাখা হচ্ছে (সাময়িক পোষ্ট)
যে সকল দালাল/দালালী গন/গনিকা ব্লগের আন্দোলনের বিপক্ষে গিয়ে নিয়মিত পোষ্ট দিয়ে কর্তৃপক্ষের অন্যায় সিদ্ধান্ত এবং বিষ্ঠা যুক্ত ব্লগের পক্ষে কাজ করছেন তাদের সাবধান হবার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
..................................................................................................
কোবরেজকে বলছি,
কোবরেজ,
দালাল/দালালী গন/গনিকা - আপনার ব্যবহার করা এই শব্দগুলোর অর্থ আপনি জানেন এইটা ধরে নিয়ে বলছি। আপনি বলতে চেয়েছেন যে, যারা আপনাদের তথাকথিত আন্দোলনে সমর্থন না দিয়ে লেখালেখি করছেন তারা দালাল আর গনিকা । অর্থাত আপনি সহ (আপনি এই লেখাটিতে কমেন্ট করে বা কমেন্ট লিখে নিজেই নিজেকে এই দলে টেনে নিয়েছেন) আমরা যারা তথাকথিত আন্দোলনে সমর্থন না দিয়ে লেখালেখি করছি তারা দালালী আর গনিকাবৃত্তি (আপনি সহ) করছি। আপনি তো এটাই বোঝাতে চেয়েছেন, তাই না?

১ম কথা হচ্ছে, নিজেকে দালাল আর গনিকা ভাবতে কেমন লাগছে আপনার?
২য় কথা হচ্ছে, দালালী আর গনিকাবৃত্তি করে আপনি যে সংসার চালান তাতে আর কে কে আছে?
৩য় কথা হচ্ছে, দালালী আর গনিকাবৃত্তির(এটা মেয়েরা করে, পুরুষরা না) এই পেশায় আপনি ছাড়াও আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং সদস্যারাও কি জড়িত?

৪র্থ কথা হচ্ছে,আপনার কথাগুলো এতটাই আপত্তিকর যে, আপনাকে ঘৃনা করবো সেই রুচিটাও হচ্ছে না।

আমরা যারা নিয়মিত এই ব্লগে এসে লেখালেখি করি (আপনান ভাষায়, দালাল আর গনিকা) তাদের সবার পক্ষ থেকে আপনাকে মুখ ভরে "থু" দিলাম।
"থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" । "থু" ।
৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: নাহিদ: আপনার দু:খিত হওয়া!!!! উমম!!! ঠিক আছে । যদিও আমি নিজের ব্লগ পবিত্র জাতীয় কনসেপ্টের সাথে একমত না।
আরেকটা বিষয় হইল গিয়া রুচির, এইটারেও আমি অনেক ভিন্নভাবে দেখি। আমার ব্লগে এখন পর্যন্ত কেউ ব্যান হন নাই, আমি নিজ সহ কারো কমেন্টও মুছি নাই। এইটা আমার রাস্তা।

আপনার ব্লগে ব্লগে গিয়া কোবরেজরে থুথু মারণ পদ্ধতি আমার পদ্ধতি না। এইটারে আমার কোবরেজের থ্রেটের বদলা বদলা টাইপ লাগতাসে। সে আপনারে কি গাইল দিল আর ভয় দেখাইলো, সেইটা নিজেই ডিল করণ মনে হয় ভাল। এইটা আমি ব্লগের ঐতিহাসিকতা থেকেই বলছি।

যা দেখলাম তাতে আপনার ব্লগের পোষ্ট জীবন বেশি দিনের না। এইটা কোন দোষও না, বিশ্লেষণ অক্ষমতাও না কিন্তু। আপনার পরিস্থিতি ডিল করণের প্রবণতার সুর দেইখা এই প্রসঙ্গ টানলাম।

কোবরেজের বক্তব্য ও ভাষার যে দাপট (আমার কাছে অনেক সময়ই তা হাহাকার লাগলেও) আপনার ব্লগে ব্লগে গিয়া প্রতিবাদ একই দাপট তৈরী করবনাতো?

দালাল আর গনিকা শব্দ আপনারে কষ্ট দিছে মনে হইল। কিন্তু আপনে যদি নিজের অবস্থানে শক্ত থাকেন তাইলে এই গালিগালাজ নিয়া মাথা না ঘামানোই ভাল। এই জায়গায় আপাত নৈর্ব্যক্তিক (আদতে যেটাই একমাত্র সম্ভব হয়) থাকার চেষ্টা করতে পারেন।


যে কোন ট্যাগিংই বিরক্তিকর, আর এই ট্যাগিং এর মালিকানা নিয়া বইসা থাকন আবালত্ব। কিন্তু আপনার কাউন্টার একটিভিটি সেইটারে নাকচ কইরা দিতে পারে। বৃহত্তর গল্পেও ট্যাগিং নিয়া আমি ক্রিটিক্যাল। এইটা আমার রাজনৈতিক অবস্থান। কিন্তু এইখানে কোন আবাল আইসা কি বলল আর ডর দেখাইলো এইটা নিয়া আমার মাথাব্যাথা নাই। যুক্তি সবসময়ই থ্রেটের চাইতে শক্তিশালী। তারপরও আমি দেখি কোবরেজ আমার বাস্তব জীবনে কি কি ক্ষতি সাধন করতে পারে।

যাইহোক আপনার একটিভিটি নিয়া আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন। আপনার ব্লগ জীবন সৃষ্টিশীল হোক ।
৮. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: অসাধারণ এবং অসাধারণ ।

বিনীত ধন্যবাদ পোস্টের লেখককে অসাধারণ এই পোস্টের জন্য ।

আনন্দের সঙ্গে প্রিয়তে যোগ করে রাখলাম ।
১০. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৫
পাপী বলেছেন: বাপরে বাপ!! এতো ডিটেইলস লেখা!!! সরাসরি প্রিয়তে রাখলাম।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
টংকেশ্বরী বলেছেন: আনন্দের সঙ্গে প্রিয়তে যোগ করে রাখলাম ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তুমি তোমার ইমেজ মতই
প্রোফাইল বানাও
কি ব্লগে
কি জীবনে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ