আবার ব্লগে মানবতার অথন্টিসিটি নিয়া আবালত্ব বিরাজমান। কে বেশি কাজ করল কে প্রচার করল কে কার নাম ম্যানশন করে নাই কোন ব্লগের কথা আইছে কোনটা আসে নাই এসব নিয়া বাঙালীর পুরানা পুঙ্গাপ্রীতি জাইগা উঠছে দেখা যায়। আমার কাছে এর সবগুলাই অসহায়ত্বের নমুনা। এগুলা নিয়া মান অভিমানও চুড়ান্ত আবালত্ব। যদি গু খুইজ্জা বেড়াইতে হয় তাইলে পুরা বাঙলাদেশ পইড়া আছে সেইখানে চেষ্টা করণই ভালো। শ্বাশত এক্ষেত্রে মূল বিষয় না হইয়া পদ্ধতি আর এইটা নিয়া দ্বিমত হওন কেন্দ্রে চইলা আসল।
একভাবে এই পোষ্ট লেখনের অধিকার আমার নাই, কারণ আমি কার্যত শ্বাশতের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। কারণ যাই থাক না কেন। যারা তার জন্য কাজ করছেন শ্রম দিচ্ছেন তাদের স্যালুট। কিন্তু কাহিনী মাঝপথে রাইখা আবালের মত ফালাফালি ুদানোর কোন মানে হয় না। অভিযোগের কারণ যতটা যথার্থ এই মুহূর্তে মনে হোক না কেন সামষ্টিক ইন্টিগ্রিটির জন্য আলাপ নিজেগো মধ্যে সাইরা ফেলন ভাল। আর তা না হইলে কি বোর্ড বুকে জড়াইয়া কারণ অনুসন্ধানের জন্য দুদকরে ডাক দিতে পারেন কেউ কেউ। মানবতা সহজ কাজ না কোনদিনই ছিলনা এবং সর্বপোরি এইটা একদিনের কয়েক ঘন্টার ফালাফালির বিষয়ও না। সামনে আরো অনেক কাজ করতে হবে, জারিফকে নিয়া ভাবতে হবে, এরপর আরোও। এইটা একটা ধারাবাহিক চর্চা। যারা এইটা নিয়া বেশি ফালাফালি করতাছেন তারা নিশ্চিতভাবেই কাজের পরিবেশের দূরদর্শীতা নিয়া মোটেও চিন্তিত না বরং চিন্তিত নিজের মানদন্ডে অন্যরে মাপনের। সেইটা যে কেউ সারাজীবন ধইরাই করে, কিন্তু অন্যর জন্য কিছু করতে হলে বিভক্ত নীতি একটা চরমতম আবালত্ব। এই পথে হাইটেন না কেউ।
ফলে জনগণ একটু বিশ্রাম নিয়া আবার কাজে ঝাপায়া পড়েন আপনারা যারাই এটার সাথে জড়িত তাদের জন্য অপরিসীম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

