আমার প্রিয় পোস্ট

পুরান চাল ভাতে বাড়ে, পুরান ব্লগার ভাতে মরে

মুখ, মুখোশ আর একজন বিক্রয়কারী তরুণী

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

শেয়ারঃ
0 1 0

কলাবাগানে হুট করে পুরোনো বন্ধুর (এককালে যাকে/যাদের বেস্ট ফ্রেন্ড অভিধায় অলঙ্কৃত করার চল ছিল এমন একজন) সাথে রাস্তায় দেখা; তাকে বগলদাবা করেই এলিফ্যান্ট রোড থেকে ধানমন্ডি লেক। রোযা রাখসস যখন ইফতারী খাওয়াইতেই হইব, এই বলে জোর করে আদায় করা ইফতারীর দাওয়াত। সঙ্গে বান্ধবী ছিল বলে তার প্রেস্টিজ কনসার্ণ (বাণ্ধবী আমার আর কনসার্ণ তার...এরই নাম খারার উপরে বাটপারী)। আমার ভালো মানুষ বন্ধুটা আর বান্ধবীরে নিয়া লেকের পাশে জমজমাট ইফতার সেরে আজিমপুর, তারপর ল্যাবএইড। অপরিকল্পিত আপ্যায়ণে চাকুরীজীবি বন্ধুটিরও দীর্ঘ রিকশা ভ্রমণের ফলে সৃষ্ট মোটা ধরণের ভাড়ায় উসখুস এবং আমার উদ্ধার প্রকল্প (বেচারারে আর কি দোষ দিব)। ফলাফল, পকেটে কেবল বাস ভাড়ার টাকা। ফিল সেইফ কৌশল অবলম্বন করে অবশেষে তার ঔদার্য্যের পুরোটুকু কব্জা করে আরো দশ টাকা আদায় এবং সেইসাথে উল্টা ঝাড়ি কিসের চাকরী যে করস, রিকশা ভাড়াও থাকেনা। কম বাজেটে বন্ধু বান্ধবীর সঙ্গ, জমজমাট আড্ডা; পুরোটাই উঠতি মধ্যবিত্ত পেশাজীবি দলের একটি অকষ্মাৎ ভালো সন্ধ্যার বয়ান।

বাসে চেপে ফুরফুরে মেজাজে ফিরছি। শুক্রাবাদে এসে যখন বাসটা থামল তখন রাস্তা জুড়ে ঈদের ক্রেতার ভীর। অথচ বাসে ওঠার ঠেলাঠেলি নেই। জানালার পাশে বসে নতুন যাত্রীদের ওঠা দেখছি। ছোটখাট গড়ণের একটি মেয়ে অনিশ্চিত গলায় বাসের হেলপারের কাছে গন্তব্য সর্ম্পকে নিশ্চিত হয়ে বাসে উঠল এবং আমার পাশের সিটেই বসল। আলাপটা শুরু হল কন্ডাকটর যখন ভাড়া চাইতে এল তখন। মেয়েটি আমার দিকে তাকিয়ে একটু অপ্রস্তুত হয়ে বলল, আমি ১০ নাম্বার যাব; ভাইয়া ভাড়া কত? আমি বললাম ১৫ টাকা, সে আরো অপ্রস্তুত হয়ে উঠল। মেয়েটার সেই সময়ের অপ্রস্তুতিতে সহজেই অনুমেয় যে সেই পরিমাণ ভাড়া তার কাছে নেই। মেয়েটির ইতস্তত ভাব দেখে বললাম যে বাকী টাকাটা আমি দিয়ে দেই। আবারো বেশ কিছুটা অস্বস্তি নিয়েই সে রাজি হল। ভাড়া মিটিয়ে চুপচাপ বসে আছি, এই ত্বড়িৎ সহায়তার (৫ টাকাও একটা সহায়তা) জের ধরে আলাপ বাড়ানোর ইচ্ছা আমার নেই, খুবই ভিন্ন ও অসম্মানজনক অর্থ পরিবেশিত হতে পারে (এই যেমন কৃতজ্ঞতা সূত্রে আলাপ, নারী হিসেবে বিশেষ আগ্রহ, মেয়েটির ইচ্ছা না থাকা স্বত্ত্বেও কথা বাড়ানো ইত্যাদি)। বাস আসাদগেট পৌছাতে পৌছাতে মেয়েটি নিজ উদ্যগেই সচ্ছন্দে কথা বলা শুরু করল। ওর সাথে আমার যোগাযোগও শুরু হল। এই প্রথমবার আমি একটু ভালোভাবে ওকে লক্ষ্য করলাম, ছোটখাট গড়নের একটা মেয়ে, ১৮/১৯ বছর বয়স। নামধাম স্কুল কলেজ পর্যন্ত যেয়ে যখন জিগ্গেস করলাম শুক্রবাদে বেড়াতে এসেছিল কিনা তখনি একটু হোঁচট খেলাম।

ও একটা শপে সেলস গার্ল এর চাকরী করে সেখানে কাজ শেষ করেই বাসায় ফিরছে। সেপ্টেম্বরেই জয়েন করেছে রাস্তাঘাট কিছুই পরিষ্কার করে জানে না (আগে ফার্মগেট থাকতো এখন মিরপুর থাকে, এজন্যই)। তার বাবারই তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু সেদিন বাবা আসতে পারেনি। আলাপের প্রথম থেকেই লক্ষ্য করছিলাম যে ও বেশ স্বতষ্ফূর্ত, কথাবার্তা জমে ওঠার এক পর্যায়ে ও ওর বন্ধুর কথা, বান্ধবীদের কথা বলল, আমি মজা করে জিগ্গেস করলাম তোমার বয়ফ্রেন্ডের খবর কি? ও বলল প্রেমটেম আমার ভালো লাগে না। ও এমনভাবে কথাগুলো বলছিল যে আমি অনুমান করছিলাম গল্পটা সরল নয়। এছাড়া আমার মাথায় ঘুরঘুর করছিল ওর চাকরী করার কথা। আবার এও ভাবছিলাম এখন তো অনেক পোলাপানই এরকম জবে ঢোকে। কিন্তু ওর পোশাক যে শ্রেণীর কথা বলছিল তাতে অস্তিত্বের লড়াই যতটা প্রবল ততটা টুকটাক আয়ের বা এডভেঞ্চারের নয়। আমি ভাবলাম আরেকটু খতিয়ে দেখা যাক (নৃবৈজ্ঞানিক ট্রেনিং এর বাজে ফলাফল, আমার দোষ না)। আলাপের এক পর্যায়ে ও বলল ভাইয়া আমার কথা শুনলে আপনি বুঝবেন না, অনেক সমস্যা অনেক। আমি আমার ক্লোজ বান্ধবীকেও এগুলা বলিনা। কি দরকার ওকে চাপ দেয়ার। আমি বললাম তাই নাকি!! দেখা যাক আমার ১৮/১৯ এ যে স্ট্রাগল সেটার কাছাকাছিও তোমারটা যেতে পারে কিনা। ও আমার এই চ্যালেঞ্জটা নিল, কিন্তু ততক্ষণে বাস ১০ এর কাছাকাছি চলে এসেছিল। তাড়াহুড়ার মধ্যেই ও আমার ফোন নাম্বার নিল। আমি কাগজে লিখে দিলাম। ও বাস থেকে নেমে যাবার পর, দেখলাম অনেক পুরুষ যাত্রীই (আমার আশপাশে অন্য কোন মহিলা যাত্রী ছিলনা) দ্বন্দসন্দেহঈর্ষার চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছে। এই চোখগুলো আমার চেনা, এই প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিকও নয় কিন্তু এগুলোকে মোকাবিলার রাস্তাও আমার জানা। আমি চোখগুলোর দিকে তাকিয়ে কেবল মৃদু হাসলাম।

ও ফোন করবে কিনা এ নিয়ে আমার কোন সন্দেহ ছিল না। দুদিন পর ও দোকান থেকে ফোন করল, আমার সেই ৫ টাকা ফেরত দেয়া এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলাপ হল। কিন্তু দেখা করার জন্য কিছুতেই সময় মিলছিলনা, দোকানের জন্য ওকে সকাল ১০টায় বেরিয়ে যেতে হয় আর ফিরতে হয় রাত দশটায়। মাসিক ঐ ৩৫০০৳ ওর দরকার, কতটা দরকার তা আরো পরে বুঝেছি। একদিন সময় হল, প্রখর রোদে হাঁটতে দাঁড়াতে আমরা আলাপ শুরু করলাম। ওরা তিন ভাই বোন ও মেঝ। রিকশায় করে আসতে আসতে ওর বাবা কি করেন জানতে চাইলে ও বলল এর উত্তর দিলে হয়ত আমি ওর সাথে রিকশায় বসতেও চাইবো না (ওর শ্রেণী মর্যাদার সতর্ক হিসাব আমাকে নতুনভাবে ভাবাতে শুরু করল)। । ওর বাবা ট্যাক্সি ড্রাইভার, প্রাথমিক টাকাটা ধারদেনা করে মাসিক ৮০০০৳ কিস্তিতে ট্যাক্সি কিনেছেন কিন্তু প্রায়ই তার কিস্তির টাকা বাকী পড়ে যায়। ওদের পরিবার কয়েক বছর আগেও যেমন সচ্ছল ছিল কিন্তু এখন আর তা নেই। ওর বড় ভাই মোবাইল দোকানের কর্মচারী। ছোটভাই পড়াশুনা করছে না। মায়ের একদা বহুগামীতার কারণে পারিবারিক অশান্তি খুবই তীব্র। বাবার কর্মবিমূখতা ও পরিবার বিমুখতা এমন যে পারিবারিক দ্বায়িত্ব পালনে সে প্রায় অসমর্থ। কয়েক মাস আগেও তারা ফার্মগেটে থাকতো কিন্তু ভাড়া বাকী পড়ায় সেখান থেকে বের করে দিয়েছে। এমনকি তাও নয়, এরও আগে বাড়ী ভাড়ার জন্য বাড়ীওয়ালা তাকে বাসায় আটকে রেখেছে এবং তার এসএসসি পরীক্ষার একটি বিষয়ে অংশ নেয়া হয়নি। টাকা না পেয়ে বাড়ীওয়ালা তাকে ও তার মাকে বেশ্যাবৃত্তিতে নেমে যাওয়ার উপদেশ দিয়েছে। এবং এখন তারা যে বাসায় থাকছে সেখানেও ২ মাসের ভাড়া বাকী পড়ে গেছে এবং অনুমান করছে এখান থেকেও চলে যেতে হবে। তার প্রায় মনোবিকলনগ্রস্থ মায়ের সাম্প্রতিক প্রবণতা হল তার বাবা এবং তার মধ্যে অবৈধ যৌন সর্ম্পক নিয়ে সন্দেহ করা।

যে বন্ধুটির প্রতি ওর সত্যিকার দূর্বলতা আছে, যাকে সে ভালোবাসে তার কাছ থেকে সে সরে এসেছে। যে ১৫০০টাকা তার কাছ থেকে ঋণ করেছিল (বকেয়া বাড়ী ভাড়া দেবার জন্য) তার কাছ থেকেই এজন্য অপমানিত হয়েছে। আবার অন্য ধর্মের সেই ছেলেটিকেই সে সবচেয়ে ভালোবাসে, কেননা সবকিছুর পরও ছেলেটি তাকে সত্যিকার! পছন্দ করে। মোবাইল যেটা ছিল সেটা পারিবারিক কলহে শহীদ হয়েছে । আগে যে দোকানে চাকুরী করত সেই দোকানের মালিক ও ম্যানেজার তাকে নানা বাজে ইঙ্গিত করে। তারা তাকে সহ অন্য নারী কর্মচারীদের আয়নার ফাঁক দিয়ে দেখতো। তবে মোদ্দা কথা তার ৩৫০০৳ দরকার, নিজের পরিবারকে উদ্ধার করা দরকার। সে অন্য ধর্মের ছেলেকে পছন্দ করলেও বিয়ে করতে পারবে না। কেননা তার বিয়েতে ৫০০০০টাকা খরচের যে ওয়াদা তার চাচা করেছে বিধর্মী বিয়ে করলে সেটাও সে পাবে না। আবার সে কেবল একা বাঁচতেও চায় না। অর্থাৎ ওর আব্রুর মূল্য জানে, পারিবারিক সদস্যপদের মূল্য জানে, ভালোবাসার মূল্যও জানে। তবুও পুঁজি হিসেবে শরীর, শ্রম, সম্পর্ক এসবের লেনদেন সে খুব ভালোভাবে জেনে ফেললেও সে আব্রু রক্ষা করতে চায়, তবুও সে অন্তত সচ্ছল ও আন্তরিক পুরুষের স্বপ্ন দেখে।

অনেক কষ্টে আমি আমার স্তম্ভিত অবস্থা তার কাছ থেকে লুকাই এবং আরেকটা মন খারাপ করা উপকারী কথা বলি। আমি বলি কোন সহৃদয় পুরুষের কল্পনা করার চাইতে তুমি স্বাবলম্বী হবার নতুন নতুন রাস্তাগুলো খোঁজ। নিজেকে ভালোবাস। যখন থেকে তুমি টাকা পয়সা কামাচ্ছো, দেখবে তোমার সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, তুমি তোমার মত জীবন যাপণ করতে পারবে। দৃশ্যত ওর পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রথাগত উপকারী চোখগুলো এত ঘোলাটে যে; কোন পকেটে রাখাই কষ্টকর মনে হয়। ও একেবারে দরিদ্র না ও গার্মেন্টস কর্মীও না, ও শিক্ষিত কিন্তু এসএসসি পাশ না। ও এখন যেই শ্রেণীতে সেটাই তার আদি শ্রেণী না। তাহলে ও কি? ও হল মহানগরে বিদ্যমান এরকম অসংখ্য বাস্তবতার একটি। যার প্রতিটিই এত তীব্র যে কোন তুলনা চলেনা। তুলনা দিয়ে হয়ও না। ওকে দিয়ে ছোটগল্প হয়, নাটক হয়, ইদানীং এনজিও হয়, গবেষণা হয়, অথবা সবচেয়ে অবধারিত গল্পে আপোষ হয়, যৌনবৃত্তি হয় (বৈধ বা অবৈধ উভয় অর্থেই)। ওকে দিয়ে কি হয় এই কথা বলার সাহস অন্যদের হয় ওকে জানতে পারলে। ওর ভাঙ্গা কাঠামোগুলোকে চিহ্নিত করতে পারলে। ও যদি আজ বা কাল যৌনকর্মী হিসেবে নামও লেখায় তাতে আমার তীব্র কষ্ট থাকলেও অসম্মান থাকবে না।

কিন্তু আমি ওর এই হয়ে ওঠাটাকে দেখতে চাই না। যদিও অন্ধ বাস্তবতা; সুবিধাভোগী বাস্তবতা বলে যে ওর জন্য কিছু করাই সবচেয়ে দুরুহু, এমনকি সরাসরি আক্রান্ত, রোগগ্রস্থের চাইতেও। ও হয়ত পঙ্গু হলে আরো সহজ হোত। সোজা চাঁদা দিয়ে আসতাম। কিন্তু শ্রেণী, লিঙ্গ, সামাজিক মতাদর্শ আর ধর্মের পঙ্গুত্ব ওর বাস্তবতাকে আরো ভয়ঙ্কর আরো নি:শ্বাসহীন মারাত্মক করে তোলে।

নামপদহীন এই অসংখ্য ও দের ভীরে কোন না কোনভাবে রাস্তা খুঁজে নেওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার জটিল পরিক্রমণে মুখ ও মুখোশের খেলাটা যে এত নগ্নভাবে সামনে আসবে সে জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না মোটেই। আলাপ শেষ করে ওকে বাসে তুলে দেই। ও আমার কাছে কিছুই চায় না বরং আত্মসম্মানার্থে ধারের ৫ টাকা পরিশোধ করতে চায় খাইয়ে, বা অন্তত রিকশা ভাড়া দিয়ে। আসলে ভাই বা বন্ধুর মত ও কেবল ওর বাস্তবতা শেয়ার করতে চায়। আমি জোরালো স্বরেই ওর সাথে কথা বলি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি বোবা বিমূঢ় থাকি।

এই ও, কে নিয়ে কি আপনাদের কৌতুহল হয়? তাহলে নিশ্চিত জানুন, আজ-কাল-পরশু এই ঈদের মরশুমেই আপনাদের কারো কাছেই সে হয়ত হাসিমুখে পোশাক বিক্রী করছে। এবং আপনি আরেকটি সুদৃশ্য প্যাকেট আর মুখোশ আঁটা হাসি নিয়ে ঘরে ফিরছেন, আপনি পোশাকগুলো দেখছেন, মুখগুলো দেখছেন না, মুখ দেখায় আনন্দ নেই। মুখগুলোকে প্রথার সমাজ সুদৃশ্য প্যাকেটের মতই আড়াল করে রেখেছে।

বি:দ্র: ও র সম্মানের খাতিরেই আমি কোন নাম ব্যবহার করিনি। আমার কাছে মনে হয়েছে যে ওর সম্মানজনক কোন মাসিক আয়ের ব্যবস্থা হলে সমস্যা অনেকখানি দূরীভূত হয়। এ বিষয়ে ব্লগের দুই তিন জনার সাথে কথাও হয়েছে। আমি মনে করি ব্লগে এরকম যোগাযোগ বা ক্ষমতার ব্যক্তিও আছেন অনেকে। ব্লগেরই এক বন্ধু আগ্রহও দেখিয়েছেন। আমি সংবেদনশীল মানুষদের কাছ থেকে আরো জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করছি। অন্তত একজন ও, একটি পূর্ণাঙ্গ নামে আনন্দময়ী হয়ে উঠুক।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সমাজের মুখ ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
কঁাকন বলেছেন: হ্যাটস অফ
আর তার জন্য শুভ কামনা
২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
আন্দালীব বলেছেন: কী এক কাহিনী...আর অনুপূঙ্খভাবে লিখিত।

মেয়েটার কিছু হলে সত্যি ভালো লাগবে। হঠাৎ করে একটা মেঘলা দুপুর নামিয়ে দিলেন।

নিজে থেকে কিছু করতে পারলে ভালো লাগতো। কিন্তু সেই সুযোগ সীমিত...

আপনার এই ভূমিকাতে অজস্র স্যালুট। শুভকামনা। ভালো থাকবেন।
৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
মাহবুব লীলেন বলেছেন:
এতো বেশি বাস্তবতায় কোনো কমেন্ট খুঁজে পাওয়া যায় না
৪. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
মদন বলেছেন: সম্ভবত আমার ক্ষমতার বাইরে..
আমি না পারি, অন্য কেউ নিশ্চয় পারবে।
৫. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
নুশেরা বলেছেন: শরৎ আপনাকে আমার নতজানু শ্রদ্ধা।
৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
নিশাচর বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ পোষ্ট টির জন্য। পিলাচ...................+
৭. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
অরণ্যচারী বলেছেন: বিশাল লেখা। একটু পরে পড়ব। পোস্ট পর্যবেক্ষণে থাকল।
৮. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: পোষ্টের মন্তব্যে কি লিখবো এইটা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়লাম।

"ভালো, চমৎকার, অসাধারণটাইপ'' বক্তব্য লেখা যায়, তাতে আসলে মুল আখ্যানের চেয়ে আখ্যান বয়ানকারী বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাড়ায়।

সমাজ,রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্বায় সেরে ফেলা যায়।তাতে আসলে সমাজ,রাস্ট্র কিংবা সেলসগার্লদের কিইবা আসে যায়!শুধু নিজেকেই বুঝ দেওয়া ছাড়া।

আপনি জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করছেন।আমি জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়া লিখতে পারি।তারপরেও জানি এইটা আমার কাছে শুধু একটা লেখা হয়েই থাকবে।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এই দ্বিধা অনেকেরই হবে, লিখতে যেয়ে বারবার আমার হয়েছে।

এই লেখা আরেকটি উত্তম/জনপ্রিয় পোষ্ট না হওয়ার চাইতে আমার উদ্দেশ্য যে জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়ার কথা তা হল তার আয়ের জন্য ব্যবস্থা করা। আমার মনে হয় অনেকেই আছেন যিনি বা যারা চাইলে এটা সম্ভব করে তুলতে পারেন। আমি এটাকেই সবচেয়ে অর্থবহ বলে মনে করব।

৯. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
পারভেজ বলেছেন: সমাজের একটা অংশ প্রতিনিয়ত এই সুক্ষ্ণ রেখার উপর দিয়েই হাটছে, যেখান থেকে চ্যুত হওয়ার সংখ্যাও একটা বড় অংক। আপনার পক্ষে কতটুকু নৈর্ব্যাক্তিক থেকে এই লেখাটা পোস্ট করা সম্ভব হয়েছে জানিনা। কিন্তু বিঃ দ্রঃ পড়ে মনে হলো সব ক্ষেত্রে মনে হয় নৈর্ব্যক্তিক থাকা যায়না। আপডেট লেখা আশা করবো।
"অন্তত একজন ও, একটি পূর্ণাঙ্গ নামে আনন্দময়ী হয়ে উঠুক।"
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: সত্যিকার আপডেটটা দেয়ার জন্য আপনাদেরই কারো কারো বস্তুগত, চাকুরীদান/কাজ দান অর্থে সহায়তার দরকার হবে। না হলে শেষ পর্যন্ত এটা একটা সুদৃশ্য বাহাস ছাড়া কিছুই থাকবে না।
আমি নৈর্ব্যাক্তিক নই। বৃহত্তর চিত্র একেবারে গাঁ ছুয়ে না গেলে তো আবার প্রথার মানুষজনাদের ঘুম ভাঙ্গে না। বুঝবেন আশাকরি।

১০. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
অরণ্যচারী বলেছেন: লেখাটা পড়লাম। প্রতি মূহুর্ত যাদের যুদ্ধ করে চলতে হয় এমন এক লড়াকু সৈনিক তিনি। তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল।
১১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: শরৎ এর অনুভূতীকে শ্রদ্ধা প্রথমেই ( এভাবে অনেকেই অনুভব করতে জানে না )

সবাই নিজ নিজ অবস্থানে থেকে যতদূর সম্ভব ঠিক ততটুকুই যদি করা যায় তাহলেই দৃশ্যটুকু অনেকটুকু সুন্দর হতো। মানুষতো মানুষের জন্যই।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই মানুষ মানুষের জন্যই সুমন। বারবার প্রতিবারই।

১২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়ার কথা তা হল তার আয়ের জন্য ব্যবস্থা করা। আমার মনে হয় অনেকেই আছেন যিনি বা যারা চাইলে এটা সম্ভব করে তুলতে পারেন"।

ঠিক বুঝলাম না।

আপনি যদি সতন্ত্রভাবে শুধু এই মেয়েটির জন্যই আয়ের ব্যবস্থা করতে বলেন, তাইলে হয়তো সামর্থবান কেউ বা কাহারা এগিয়ে আসতে পারে।কিন্তু যদি এই ক্লাসটাকে মিন করেন(শেষ কয়টা প্যারায় সেইরকম ইন্ডিকেশন আমরা পাই), তাইলে ব্যাক্তিগত দানশীলতা দিয়ে কি কিছু করা কি আদৌ সম্ভব!

"অন্তত একজন তো সাহায্য করি" এই ভাবধারায় এই মেয়েটির ভাগ্যের পরিবর্তনে অনেকেই হ্য়তোবা এগিয়ে আসবে।আদতে কিন্তু আমাদের অধিকতর নিয়তিবাদীই করে তুলে।আপনার সংগে আলাপ না হইলে হ্য়তোবা তাঁর কথা আমরা জানতামই না।

মন্তব্যগুলো কি অফটপিক হয়ে যাচ্ছে!
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: মন্তব্যগুলো কি অফটপিক হয়ে যাচ্ছে!
মোটেও না ভেরী মাচ অন দ্যা টপিক

তবে...একেবারে কৌশলগত বাস্তবতার স্বার্থে

ব্যাক্তিগত দানশীলতা দিয়ে কি কিছু করা কি আদৌ সম্ভব?
আমি মনে করি সম্ভবত একজনা বা বেশি হলে একগুচ্ছের জন্য সম্ভব। সামষ্টিক সুদূর পরাহত। আমি এই রাস্তায় এখন হাঁটিছি না। বা এর গুরুত্ব কম বলে মনে করছি না। আমি সমাজ কাঠামো পরিবর্তনের বড় গল্পের পূর্বে এই একজনকে সহায়তার কথা বলছি মাত্র।

১৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
সমকালের গান বলেছেন: পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল কোন উপন্যাস পড়ছি নাতো? লেখার ধরনটা খুব ভালো লেগেছে।

আমরা সবাই এত ব্যস্ত থাকি নিজেদের নিয়ে যে এমন ব্যাপার গুলো কখনো আমাদের চোখে পড়েনা। চাকরী, ইনভেস্টমেন্ট, ব্যাংক লোন, পার্টি... এসব নিয়ে যাপিত জীবনে একটি বড় ধাক্কা খাই যখন এমন কিছু হঠাৎ চোখে পড়ে যায়। কিন্তু কখনোই কিছু করতে পারিনা, পারিনি। আপনি অন্তত তাদের কথা অন্তর দিয়ে অনুধাবন করতে পেরেছেন, আমাদের বলতে পেরেছেন। এই কি কম সাফল্য আপনার?

আমি বিশ্বাস করি আপনি এদের জন্য অনেক কিছু করতে পারবেন। তারা সবাই জীবন যুদ্ধে অবশ্যই জয়ী হবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১৪. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: মানুষের কাহিনী পড়তে গেলে কেন যে এমন হয়? এই হতাশা- যেটা ক্রমশই আমাকে কাবু করে ফেলে কারণ কিছু করার সামর্থ নাই, যেটুকু করতে পারি এবং করছি তাতে খুব অল্প মানুষের খুব অল্প সময়ের একটু সুবিধা হবে হয়তো। আশেপাশের সেই অদম্য মানুষগুলোর চেষ্টার সততা দেখে নিজের সম্বন্ধেই সন্দিহান হয়ে পড়ি!

আপনি বেশ এই অদম্য মানুষগুলোর কথা তুলে আনছেন বলে আপনাকে ধন্যবাদ শরৎ। আশা করছি একটা জোরালো ও অর্থবহ প্রতিক্রিয়া পাবেন শিগগিরই।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: বটম লাইন চিন্তা করি। আপনাদের কারো চাইতেই আমি ভিন্ন কিছু না আসলে। সর্বোচ্চ হলে বলতে পারেন কথক। কিন্তু আমরা চাইলেই কিছুটা হলেও খুব সামাণ্য হলেও পরিবর্তন আনতে পারি। অন্তত একজনকে সহায়তার মধ্য দিয়েই। এটাই আমার প্রস্তাবনা।

১৫. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
বিবিধ বলেছেন: লেখকের অসাধারণ সাহিত্য ছাপিয়ে এখানে ফুটে উঠেছে মেয়েটির বাস্তব চাহিদা।

আমার আশা কেউ না কেউ তার প্রয়োজনটুকু মেটাবে।

তার প্রতি শুভ কামনা।
১৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
আবীর নজরুল বলেছেন: আমাদের এই ঘূণেধরা সমাজে একজন পুরুষের পক্ষে স্ট্রাগল করাটাই যেখানে দুরূহ সেখানে এই মেয়েটার চ্যালেঞ্জটা সত্যিই ভয়ঙ্কর রকমের সাহসী পদক্ষেপ। সে যদি তার পরিবার এবং নিজেকে সার্বিকভাবে রক্ষা করতে পারে তবে তা হবে অনেক ভালো একটা ব্যাপার। তবে হ্যা, এজন্য তাকে সাহায্য করা দরকার এবং তা আমাদেরই। শরৎ ভাইয়ার সঙ্গে একাত্ম হয়ে আমারও আহ্বান ওই সামর্থবানদের প্রতি যারা অন্তত সমাজের একটি মেয়েকে সাহায্য করতে পারেন সুন্দরভাবে আগামীর পথ চলতে। ভেবে দেখুন, প্রত্যেকের একটি করে মেয়ের সাহায্যের যোগফলটা নিতান্তই কমে হবে না!
চমৎকার পোস্টের জন্য শরৎ ভাইয়াকে শরতের সবটুকু শুভেচ্ছা।
১৭. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
অ রণ্য বলেছেন: মুগ্ধ

স্যালুট শরৎ দা
অপূর্ব লিখেছেন..................

কেউ কি পারেনা কিছুই করতে

এখনও কি ঘুম এত প্রবল ?


স্যালুট এগেইন
১৮. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
এম্নিতেই বলেছেন: আপনার দৃষ্টিভঙ্গি আর লেখা প্রচন্ড ভাল লাগল। প্রত্যাশা করছি মেয়েটার সমস্যার সুন্দর সমাধান হোক।
১৯. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
দি বিডি নিউজ বলেছেন: অনেকে স্যালুট ... বাহবা দিয়েছেন ... কিন্তুু মেয়েটির যা দরকার তার কথা কেউ বলেননি ..... আমার মনে হয় একজনের পক্ষে সম্ভব না হলে আমারা সবাই মিলে তার জন্য একটা যোগান দিতে পারি এটা আমাদের এবং মেয়েটির সবার জন্য সাহায্য হবে ।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই করবে..একটু উদ্যমী হলেই। রিপন যেমন চেষ্টা করছেন, এমন অনেকেই করতে পারেন।

২০. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: 'ও' এর জন্যে ভালোবাসা রইলো।
২১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন:
ভাইছা আমি দরিদ্র মানুষ। কোনো কাজে আসতে পারুম না। দুঃখের চোটে মইরা যাইতে মন চাইতাছে।
২২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১২
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: আপনি আরেকটি সুদৃশ্য প্যাকেট আর মুখোশ আঁটা হাসি নিয়ে ঘরে ফিরছেন, আপনি পোশাকগুলো দেখছেন, মুখগুলো দেখছেন না, মুখ দেখায় আনন্দ নেই। মুখগুলোকে প্রথার সমাজ সুদৃশ্য প্যাকেটের মতই আড়াল করে রেখেছে। ...

শরৎ, আমি জানিনা কতটুকু সাহায্য করতে পারব। অল্প বেতনের হলেও মেয়েটার জন্য হয়ত স্থায়ী একটা চাকুরীর চেষ্টা করা যেতে পারে। আপনি কি আমাকে দয়া করে মেইল করবেন?
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: এখনি করছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: শরৎ আপনার এই লেখা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। এর থেকে মন খারাপের মতো বাস্তবতা এই শহরে আছে। ঘটে। আমরা কিছুই করতে পারি না। নানা মুখোশে আমরা ঘুরাঘুরি করি, টের পাইনা সব।

`ও'র একটা ভালো, মানে চলার মতো কোন একটা কাজ জুটে গেলে ভাল লাগবে।

এখানে এই বিষয়টি শেয়ার করা জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
২৪. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৮
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: মন্ত্যবে অনেকেই নানাভাবে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এবং তাদের সম্মান ও সহানুভূতিকে অসম্মান না করে বরং উৎসাহিত হয়ে আমি ও র জন্য একটা নিরাপদ ও ভালো কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন এমন আরো অনেকের জন্য বিশেষভাবে প্রতীক্ষা করছি। আশাকরি ন্যুনতম সংবেদনশীল সবাই অনুমান করতে পারছেন যে তার প্রতিদিনকার মুহূর্তগুলোর পরিবর্তনের জন্য একটি নিরাপদ আর্থিক ব্যবস্থা কতটা দরকার।
২৫. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩
রাসেল ( ........) বলেছেন: যোগ্যতা বিবেচনার সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতিগুলোকে প্রশ্ন করতে হয়, মানবিকতা হয়তো মুখ্য একটা বিষয়, তবে এভাবে তেমন উপকার হয় না দীর্ঘ মেয়াদে।

সবাই একটা উপায় খুঁজছেন, হয়তো একটা সীমিত বেতনের চাকুরি, স্বল্প মেয়াদের আর্থিক সহায়তার প্রস্তাবও আছে, তবে যার এত আগ্রহ, তার জন্য শেষ পর্যন্ত মনে হয় সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার মাপকাঠিটা নির্মাণ করাও প্রয়োজন।

বাউবি আছে, সেখানে প্রাইভেটে ডিগ্রী কমপ্লিট করা যায়, অন্তত এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা, বেচারা যদি প্রাইভেটে বাউবি থেকে পড়াশোনা শেষ করতে চায় তবে সেটা করবার কাজে সহযোগিতা করবো।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: তার জন্য শেষ পর্যন্ত মনে হয় সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতার মাপকাঠিটা নির্মাণ করাও প্রয়োজন। একদম সত্যি কথা।
বেচারা যদি প্রাইভেটে বাউবি থেকে পড়াশোনা শেষ করতে চায় তবে সেটা করবার কাজে সহযোগিতা করবো। খুবই আনন্দের সংবাদ।

২৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: পড়েই গেলাম শুধু......
কি বলবো?
মেয়েটার সংগ্রামী জীবনকে স্যালুট......
আপনার লেখা অসাধারণ........
শুভেচ্ছা।
২৭. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনার লেখাটি অসম্ভব ভালো। (অবশ্য আপনার লেখা সম্বন্ধে এই একই কথা বারবার বলতে বলতে বোধহয় আপনাকে ক্লান্ত করে ফেলেছি!) হয়তো মেয়েটির কোনো একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়ে যাবে। জানি, এভাবে কাজ করে বৃহত্তর সমস্যার সমাধান করা যায় না, কিন্তু এই যে একজন মানুষের প্রতি আপনার শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও সংবেদনশীলতা এবং সেসবের চমৎকার প্রকাশ এই লেখা-- এই সবকিছুর মূল্যই আমার কাছে অনেক। এই মানবিক সংবেদনশীলতা সমাজের মধ্যে ক্রিয়াশীল থাকলে একটু একটু করেই অনেক বড় সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো।

আমার শুভেচ্ছা এবং অভিননন্দন নিন।
২৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২১
আমি ও আমরা বলেছেন: এই লিখার বিচার বা বিশ্লেষন করা বোকামী। বরং আমাদের কিছু করা উচিত। এখনই ভাবা উচিত।

আমার আর কিছু বলার নাই। অচল হয়ে পরলাম মামা।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: অচল হইয়েন না। কি করা যায় তা বরং ভাবেন/ করেন। রাভা।

২৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৭
লুকার বলেছেন: জটিল!
আচ্ছা, ওকে সরাসরি সাহায্য না করে কিছু পরামর্শ দেয়া যায় না, যাতে সে নিজেই সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে? তাতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং কারো কাছে কৃতজ্ঞ থাকতে হবে না। সেটা একটা দৃষ্টান্তও হবে।
৩০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৪
সৌম্য বলেছেন: শ্রদ্ধা আসলো অনেক।
৩১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৪
মাছরাঙ্গা বলেছেন: এ লেখা পড়তে গিয়ে জগত বিচ্ছিন্ন হলাম।
৩৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: কিছুই বলার নেই ।

৩৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: এতো বড় লেখা সাধারণত আমি পড়ি না...
অথচ পড়লাম...
আমি অভিভুত শরৎ
নমস্ব তোমাকে দাদা...
৩৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
সবাক বলেছেন: অফটপিক : নোয়াখালীতে সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে পালিত Click This Link
৩৬. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
যীশূ বলেছেন: মানুষটার জন্য শুভ কামনা রইলো।
৩৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: মোস্তাফিজ রিপন আমি আপনাকে সেদিনই মেইল দেই। এখনো আপনার মেইলের অপেক্ষায় আছি।

কমেন্টকারী সবাইকে আবারো অনেক ধন্যবাদ। আমি কিন্তু কার্যকর প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশায় আছি।
৩৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৯
অভিমানী মেঘ বলেছেন: অসাধারন বললেও কিছুই বলা হবে না।

আমি নিজে খুব সাধারন একজন মানুষ। নিজের এমন কোন ক্ষমতাও নেই যে কিছু করব। কিন্তু একটা চেষ্টা করতে পারি।মেয়েটি'র শিক্ষাগত যোগ্যতা আর কি কি কাজ পারে বা কোন ধরনের কাজ করতে চাচ্ছে জানতে পারলে সুবিধা হত। এখানে না বলতে চাইলে এ মেইল করতে পারেন।

দয়া করে আশান্বিত হবেন না। আমার সামর্থ্য নেই কোন কিছু করার। বন্ধুদের সীমিত সামর্থ্যের ভিতর সর্বোচ্চ চেষ্টাটি করব।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: আমি মেইল করছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
পাপী বলেছেন: মাথা পুরা আউলাইয়া গ্যাল! আর ভালো লাগেনা কিছু!!
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনি এখন ভাবেন সেই মেয়েটির জীবনে কি ঘটে চলেছে।

৪০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
কালপুরুষ বলেছেন: লেখাটা আগে আমার চোখে পড়েনি। আজকে পড়লাম। কেন জানি নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। একটা জড়পদার্থের মাংশপিন্ড মনে হচ্ছে।
৪১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪
সুবিদ্ বলেছেন: ওকে দিয়ে ছোটগল্প হয়, নাটক হয়, ইদানীং এনজিও হয়, গবেষণা হয়, অথবা সবচেয়ে অবধারিত গল্পে আপোষ হয়, যৌনবৃত্তি হয় (বৈধ বা অবৈধ উভয় অর্থেই)। ওকে দিয়ে কি হয় এই কথা বলার সাহস অন্যদের হয় ওকে জানতে পারলে। ওর ভাঙ্গা কাঠামোগুলোকে চিহ্নিত করতে পারলে। ও যদি আজ বা কাল যৌনকর্মী হিসেবে নামও লেখায় তাতে আমার তীব্র কষ্ট থাকলেও অসম্মান থাকবে না। -----

এ বিষয়ে কোন আপডেট আছে কি??

মনটা ছুঁয়ে গেল ভাই...

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তুমি তোমার ইমেজ মতই
প্রোফাইল বানাও
কি ব্লগে
কি জীবনে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ