ঘটনার শুরু: আজিজের তিন তলার বারান্দায় বইসা আছি, এমন সময় দেখি বিপরীত দিকের দালানে আমাদের পূর্ব প্রজাতি ঘাপটি মেরে বসে আছেন। আমি হয়ত দেখতে পেতাম না যদি না আন্দালীব বলতেন। কি আর করা প্রজাতির মায়া আমরা কেউই ছাড়তে পারি না। আর যারা আর্ট কালচার নিয়া অনেক ব্যস্ত তাদের বলি, বাস্তবতার জাদু নিয়া নাড়াচাড়া শুরু করেন। তাইলে কষ্ট কইরা জাদু বাস্তবতা তৈরীর চেষ্টা করতে হইব না।
একদা এক বৃষ্টিভেজা বিকেলে একটি বান্দর আজিজের বিপরীত দালানে বসিয়াছিল
এতক্ষণ এক জায়গায় বসিয়া থাকা ঠিক বানর স্বভাবের সাথে যায় না, তাই সে গাত্রোত্থান ঘটাইলো
কিন্তু এখানেই সে শান্ত হইল না, হইলে তাকে এই প্রজাতির বলিয়া চিহ্নিত করা কঠিন হইত। সে উল্লম্ফন দিল।
তার উল্লম্ফন দক্ষতা যে নগরের চাপে মরিয়া যায় নাই বরং আরো অগ্রগতি হয়েছে এইটা দেখিয়া খুবই আমোদ পাইলাম
কিন্তু তার এই করিৎকর্মা স্বভাবে নগরের আরেক বিদ্রোহী প্রজাতি কাক এলাকা চ্যুতির সম্ভাবনা দেখিল, কিন্তু তারাও সরিয়া গেল না
তৈলাক্ত বাঁশের গণিত যে কত নির্বোধচিত তা আরেক বার প্রমাণ করিয়া তিনি তরতর করিয়া উঠিতে লাগিলেন
এইবার দুই প্রবল প্রজাতি মুখোমুখি, এলাকার দখল নিয়া কেউই ছাড় দেবে বলে মনে হয় না
এরপর যুদ্ধে জয়ের জন্য তিনি লাফ দিয়াই চলিলেন
তিনি তার উল্ল্ম্ফন ক্ষমতা পুরোটুকু ব্যবহার করিয়া লাফাইয়া চলিলেন
কাকেরাও বুঝিতে পারিলেন যে এবার দখল যায় যায়
অবশেষে তিনি উপনিত হইলেন নিজের জায়গাটুকু র দখল নিয়া উপনিত হইলেন।
অবশেষে আমিও বুঝিলাম কেন বর্তমানের যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, বা পূর্বের উপনিবেশী শক্তিগুলো অন্যের জায়গা/জমি/দেশ দখল করিতে এতটা উদগ্রীব ছিলেন। তারা আসলে পূর্ব পুরুষের স্বভাব ছাড়িতে পারেন নাই।...........
বান্দর তো তাও কাকদের সাথে সহবস্থানে যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে,....কিন্তু মানুষরা এখন এত উন্নত তারা পারে না.........
বি:দ্র: ছবির নিম্ন মানের জন্য দু:খিত, আমার টেলিফটো নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


