নি:শ্বাস অথবা সময়
তার গতিহীন অভিক্ষেপ বরাবর
দুলে চলেছি
কি ভীষণ তীব্র, কি ভীষণ ঝাঁঝালো
কি নরোম
কখনো স্পর্শ না করা স্মৃতির মত
কোমল
শুধু ঘুমুতে চায়
বাবু বাবু বলে ডাকে
আয় আয়
পাখি পাখি বলে ডালে বসে
আর উড়ে যায়
ফুড়–ৎ করে
কিছু বুঝে ওঠার আগেই
এক একটা স্তন
এক একটা কামড়
খসে পড়ে
নক্ষত্রের মতন
ডাল থেকে
শুকনো ডালে সবুজ পাতাদের গুঞ্জন
উঁইপোকাদের গল্প শোনায়
এই শেকড় টা নিশ্চুপ বন্ধ হবার আগে
এখানে একটা নদী ছিল
শ্যামাঙ্গীনির চুলের মত
নিরবধি নদী
নদীর গল্পে ঘুমুতে যায় উঁইপোকা
সময়ের কোলে ঘুমুতে ইচ্ছে করে মন
আর উঠে আসে ইতিহাস
শর্তের কম্পোজিশন
বাজতে থাকে
নিরবধি নদীর ¯্রােত
উঁইপোকাদের গল্প তৈরি হয়
কেউ বলে না, কেউ ডাকেনা
আয় বাবু ঘুমুতে আয়
সন্ধ্যায় ক্লান্ত লাগছিল বেশ। আত্মার ক্লান্তি! এমনটা হয় কারো কারো। তখন কেউ শুরার দোকানে ঢোকে, কেউ প্রেমের আহবানে। কেউ কেউ কেবল নিদ্রায়। আত্মহননের পথ বেছে নেন কেউ কেউ। খুব উজ্জ্বল হয়ে জ্বলতে থাকেন বা নিভে যান চীরতরে। কবিতাটা লিখেই ঘুমুতে গিয়েছিলাম। বন্ধুদের আড্ডার আহবান ছিল, সাড়া দিতে পারিনি। শাহবাগের আড্ডায় যাওয়া হয়নি তাই। ঘুম ভাঙলো বেশ দেরীতে, তখন জানলাম যখন আমি ঘুমুচ্ছিলাম তখন তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন বেশ। কার্ডিয়াকের হ্যাপা পোহাতে হয়নি, পরিবারকেও পরিত্রাণ করে গেছেন। আমি জানতাম না তিনি ঘুমিয়ে যাচ্ছেন, তবুও আমি ঘুমোনোর কবিতাই লিখছিলাম। জানতাম না তার ঘুমুনোর ইতিহাসে যুক্ত হবে এই কবিতা। কবিতাটিও জানতো না, তবুও যুক্ত হয়ে গেল। আমার শেল্ফ এ যতগুলো বই তার অনেকগুলোর লেখকই মৃত। নতুন আরেকজন যুক্ত হলেন। একদিন যুক্ত হব আমিও। তাই এক রাজনৈতিক সংঘ বোধ করি, কোন কবির জন্ম, মৃত্যু কিংবা ব্যাভীচারে। জানি সব সংঘই কাল্পনিক। তবু কল্পনা ছাড়া মানুষের জীবন চলে কি করে।
মনে করছি আপনাকে কবি, কতটুকু মনে রাখব সে দ্বায়িত্ব আপনারই ছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




