এইটা আমার খূবই প্রিয় টেকনিক ছিল এবং অত্যন্ত দামী কার্ডের মত মর্যাদা পাওয়া যাইত।
ছিল গোলাপ দেওনের প্রবণতা, অলমোস্ট পৃথিবীর সবখানেই।
এইটা বেশ জনপ্রিয় টেকনিক ছিল। ইম্প্যাক্ট মাঝারি।
আবার গোলাপ, ভাই মাফ করা যায় না?
ভাষা আর হৃদয়ের উষ্ণতা এর চেয়ে বেশি প্রকাশের আর কি উপায় হতে পারে...
যথন বলা হচ্ছে: তোর হৃদয়ের এক্তান্ত গভীরে আমার হৃদয় নিংড়িয়ে ঈদের শুভেচ্ছা, আরে এত হৃদয় তো ল্যাব এইডেও নাই হৃদয় খানও এত নিংড়িয়ে কিছূ দিতে পারবে না।
ঈদের শুভেচ্ছা যে এখানে চালাকী সেটা বোঝাই যাচ্ছে। পুরো একটা প্রেমের কবিতা এক বান্ধবী আরেক বান্ধবীকে দিচ্ছেন আর দিয়ে এত সুখ পাচ্ছেন সেটা একালে দূর্লভ।
অথবা এইটাও এখানে ফরগেট মি নট এর আছড়
আমরা যে কার্ডের স্পেসিফিসিটি নিয়ে এত মাথা খারাপ করি সেটাও সে সময় ছিল না। কি সুন্দর মেরি ক্রীস মাস কেটে নিউ ইয়ার কে রাখা হয়েছে কিন্তু দেয়া হয়েছে ঈদ কার্ড হিসেবে।
গ্রাম বাংলা কেবল রাজনীতি বিদরাই ব্যবহার করছেন তা ভাবা কিন্তু ঠিক না। কার্ডেও এর ব্যবহার আছে প্রচুর।
আমরা দেখতে পাচ্ছি সুন্দর হাতের লেখায় লেখা শুরু হয়েছে, বাহ বাহ
হুম এগিয়ে চলেছে এগিয়ে চলেছে এগিয়ে চলেছে
মানুষজন লিখছেই আর লিখছেই।
এর মাঝেও আমাদের পচা কার্ড হজম করতে হোত এবং নির্ঘাত আন্তরিকতা কমে যেত।
এবং এই ধরণের কার্ড দেয়ার জন্য আমরা মনে মনে গালমন্দ করতাম।
আজকে এত টুকুই। শুভেচ্ছা সবাইকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


