শহর ঘুরে বাড়ী ফেরা পথ
সোজা পথ নয় তবে পথেরও অধিক
রক্তিম স্মৃতির মত
কোথাও যেন জ্বলতে থাকে ধ্বিকিধ্বিকি
ঠিক মুহূর্তে ফুঁসে ওঠে আর জবানবন্দী নেয়
শুরু করে জীবনের হিসেব, জীবনেরই ভেতরে
এই যেমন প্রেম, এই যেমন ঘর ঠিক তেমনি বাহির
ক্লান্ত সুর্য যেমন ডুবে যায় হাঁটুপানির খালে
সময় হলে, কোন এক অজানা ঋতুতে
ভেজা মাটিতে তখনো নুয়ে পড়া বিকেল
চা বিরতিতে বেনামী সুর্য সম্ভোগ
ঠিক রাস্তার মেরুরজ্জু ঘেঁষে
এক জোড়া মোটরবাইকের তিনজন আরোহী
অপরিচিত খুব; অথচ একই বিশ্রামে
জোড় বেজোড়ের হিসেবটা উঁকি দেয় শিরায় শিরায়
হয়ত সামনের ডিসেম্বরেই দেখা হবে প্রথম প্রমিকার সাথে
কোলে সন্তান আর মুখভর্তি কাঠামোর তৃপ্তি অতৃপ্তি সমেত
আধঘন্টা আগের চ্যাটবক্সে মুগ্ধ দৃষ্টির সরল কনফেশন চোখজুড়ে জ্বলে,
দূরে থাকা প্রেমিককে মিস করছে অনেক
এবং আমাকেও ভালোবেসেছিল খানিকটা
এরপর সামলে নিয়েছে কাঠামোর অবকাঠামোয়
চায়ের চুমুকে মুখোমুখি হই নিজের সাথে
তেতো জিহ্ববা যেমন জানান দেয় হেমন্তের জ্বরের পরে
ছুটেছি আমি অনেকটাই, বুনেবুনে জেনেছি ভালোবাসা কাকে বলে
জেনেছি আমি থেকে আমরা হবার মুহুর্ত কেমন হয়
কিভাবে ঝুলে থাকে একফোঁটা অশ্রু নিকষ কালো পাথরের উপর
আর শুনেছি প্রতীক্ষার প্রতিশব্দ আমাদের হৃদয়ে
চাদরের মত জড়িয়ে দিয়ে সরে এসেছি
দাঁড়িয়ে আছি সম্পূর্ণ ভাংচুর, জোড়া না লাগা কাঁচের ওপর
নগ্ন পা আর নগ্ন হৃদয়ে
মানুষের মুখে হাসি অক্ষুন্ন রাখার প্রচেষ্টায়
বেঁচে থেকেছি ভবিষ্যতে চুমক দিয়ে
কাঠামোর অনিশ্চয়তাকে রক্ত দিয়ে স্নান করিয়ে
আজ ক্লান্ত লাগে খুব
ডুবেডুবে গলে যাই অচেনা খালে
অদেখা যুদ্ধের লাশ হিসেবে
খেলাটা চীরকালই জীবনের সাথে আমার
ঠিক যেমন তোমার, তোমাদের
ঘুম পায় খুব, ডিঙ্গি নৌকায় ঘুমিয়ে যেতে চায় পাললিক দেহ
যেতে চাই ঐ মস্ত ঝর্ণার কাছে
এরপর জলবিন্দু হয়ে মিশে যেতে চাই
আশুলিয়ার পথে নুয়ে পড়া বিকেল যেমন ঘুমিয়ে পড়ে
জলের ভিতর আমিও ঘুমিয়ে যেতে চাই

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



