সন্ধ্যার আঁধারে আমি যদি হারিয়ে যাই বন্ধু, আমাকে মনে রেখো তোমার ঘরের ধূপ-আগরের সুবাসে- তোমার ঘরের প্রদীপের আলোয়, আমাকে ফেলে দিও না বাসি ফুলের মত। মনের ঘরেই রেখো বন্ধু পথের ধারের ফুলটি ভেবে। আমি যে জলসাঘরে ...www.jolsaghor.com/author/sharmabangla

এক মহারাজের জীবন কাহিনী- রাজ-গোখরা

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

শেয়ারঃ
0 0 0


রাজ গোখরা- পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত বিষাক্ত সাপ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এদের দেখা যায়। রাজ গোখরা লম্বায় তিন দশমিক ছয় থেকে চার মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাঁচ দশমিক ছয় মিটার লম্বা রাজ-গোখরা হচ্ছে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত সব থেকে লম্বা এবং বড়। আজকের কাহিনী দক্ষিণ ভারতের অরণ্যের এক মহারাজাকে ঘিরে। মহারাজা যে শুধু একজন থাকেন তা নয়- অনেক মহারাজা আর মহারানী ছড়িয়ে ছিটেয়ে আছেন। তাদের জীবন রহস্যময় ছিল- কিন্তু গবেষণায় অনেক কিছুই বেরিয়ে এসেছে।

দক্ষিণ ভারতের গভীর অরণ্যে বাস করে এক কিংবদন্তী মহারাজা- রাজ গোখরা। বনের সকল প্রানীই তাকে সমীহ করে চলে। তাকে দেখলেই পথ ছেড়ে দেয়। কারণ সে খুব দ্রুত, শক্তিশালী এবং প্রাণনাশক। মহারাজা পথে বেরিয়েছে। তার চলার শব্দ পেয়ে গাছের উপরে বসে থাকা বানর সতর্ক হয়ে গেল। এক কালো মুখ বানর তাকে দেখে গাছের মগডালে উঠে ভেংচি দিচ্ছিল। মহারাজা রাগত চোখে তাকালো সেদিকে। না আজ বেয়াদবীকে ঘিরে কিছু করার ইচ্ছা নেই। রাজার মত মাথা তুলে দাঁড়াতেই- সামনে কিছু হরিণ ছিল তারা ভয়ে দ্রুত সরে গেল। হাতিও তার পথে চলে গেল। মহারাজের গন্তব্য আজ অন্য কিছু। মহারাজ আজ পানির সন্ধানে বেরিয়েছে। তার শরীরের পুরাতন ছাল ফেলে নতুন ছাল পরিধান করার সময় এসেছে- এই সময় তাকে প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে। মহারাজ ছোট্ট পাহাড়ী ছড়ার স্বচ্ছ পানিতে পিপাসা মেটালো। পান পান করে বিরাট হা করে বাতাসও সেবন করা হলো। এই নতুন বস্ত্র পরিধানে সময় বড় অস্বস্থিকর। তাকে সুন্দর একটা জায়গা বেছে নিতে হবে। যেখানে আগামী দশদিন তার নতুন পোশাক রচনা আর পরিধান চলবে। একটু এগিয়ে যেতেই মহারাজ পেয়ে গেল। সেখানে এক ব্যাঙ ছিল- সে ভয়ে লাফ দিয়ে পালিয়ে বাঁচলো। মহারাজ গর্তে ডুকে গেল।মহারাজ শুনতে পেল- কে যেন আসছে। এক কচ্ছপ ধীর গতিতে গর্তে ডুকার চেষ্টা করলো। কিন্তু মহারাজের হিস হিস হুঙ্কারে সে নিজের অন্য পথ বেছে নিল।

মহারাজের চোখ এখন ঘোলাটে হয়ে গেছে। সে এখন অর্ধ অন্ধ। তার মানে তার ভেতরে পোশাক পরিধান প্রক্রিয়া চলছে। পুরাতন ছালের নিচে নতুন ছাল বুনন হচ্ছে। দীর্ঘ সময় পরে মহারাজের চোখ আবার পরিস্কার হলো। সে বেরিয়ে এলো গর্ত থেকে। শরীরে এখন তার চুলকানি। পুরাতন চামড়াকে ফেলতে হবে। গাছের মূলে কসরত করে করে সে নিজের শরীরকে মোচড় দিয়ে দিয়ে ছাল ছূটানোর চেষ্টা করলো। একসময় সফল হলো মহারাজ। এবার নতুন চামড়ায় তেলতেলি করে আবার পথ চলা শুরু করলো। মহারাজ ক্ষুদার্ত। তাকে খাবার খুঁজতে হবে। মহারাজের চোখ খুব তীক্ষ্ণ। সে কোন বস্তুকে রঙ্গহীন দেখে আর তার নড়াচড়া দেখে পর্যবেক্ষণ করে। তার জিহবা তো আছেই যা তাকে চারপাশের খবর দিয়ে দেয়। মহারাজ এখন একটি গাছে উঠে পড়ল। সুন্দর করে এক জায়গায় কুণ্ডলী পাকিয়ে চারপাশের রাজ্য দেখছে। কিছুক্ষণ পরে নজরে এলো এক মূষিকসাপ(রেট স্ন্যাইক)। মূষিক সাপ এক ইঁদুরকে শিকার করার জন্য এসেছে। এদিকে মহারাজও নেমে এলো। হঠাৎ কিছুর শব্দে ইঁদুর পালালো। মূষিকসাপের সামনে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে মহারাজ রাজ-গোখরা। শিকার করতে এসে শিকারি শিকার হয়ে গেল। একটু ফোঁস-ফাঁস করে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা হলো। না- মূষিক সাপ এখন মহারাজের উদরস্থ হয়ে যাচ্ছে। লেজের অংশটা দেখা যাচ্ছে। একটু পরেই শেষ- মহারাজ তৃপ্ত। ভেতরে রান্না শুরু হয়ে গেছে- ধীরে ধীরে পরিপাক হবে; আপাতত আর মহারাজের খাবার লাগবে না। কিন্তু সে তবু বিশ্রামহীন।

শুকনো মৌসুম চলছে- সে এখন কোন এক মহারানীর খুঁজে।বর্ষণ অরণ্যে(রেইন ফরেস্ট) কিছু কিছু গাছ নতুন পাতা ছেড়ে দিয়েছে। চারপাশে মোহিত করা গন্ধ। গাছে কাঁঠাল পেকেছে। তার মানে গ্রীষ্মকাল। হাতি কাঁঠাল খাচ্ছে। কচ্ছপও বাদ নেই। কাঠ বিড়ালী আর বানর প্রজাতিরাও মহা আনন্দে ভোজন করছে। এরই মাঝে মহারাজের আগমন ধ্বনি শুনে তারা একটু সতর্ক। মহারাজ তার পথেই চলছে। এই সময়েই সঙ্গিনী খুঁজে পাওয়া যায়। কিছুদূর গিয়ে সে কিছু অনুভব করলো। আশেপাশে তার প্রজাতির কেউ আছে। হ্যাঁ- সে পেয়েছে আরেকজনকে। তবে দূর্ভাগ্য- সেও মহারাজা। এখন যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। তারা প্রত্যেকে প্রত্যেককে দংশন করে মৃত্যুর দুয়ারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে। কিন্তু এ যুদ্ধ প্রানঘাতী নয়। তাদের ঐতিহ্যগত এক যুদ্ধ আছে। যা দেখতে মনোহর নৃত্যের মত দেখা যায়। দুই গোখরাই পরস্পরের মাথাকে মাটিতে লাগানোর চেষ্টা করবে। যার মাটিতে মাথা লাগবে সে পরাজিত হবে এবং মাথা নিচু করে এই রাজ্য ছেড়ে চলে যাবে। শুরু হলো যুদ্ধ। ফনা তুলে তুলে দুজন দুজনের মাথাকে নিচে নামানোর চেষ্টা করছে। কখনও পরস্পরের শরীর দড়ির মত পাকিয়ে যাচ্ছে। বড়ই মনোহর এ দৃশ্য। শেষ পর্যন্ত একজনের মাথা মাটিতে লেগে গেল। আমরা যে মহারাজের কথা বলছিলাম সেই মহারাজের কাছেই অন্যজন পরাজিত হয়ে গেল। পরাজিত মহারাজ মাথা নিচু করে নিজের পথ ধরলো। আর বিজয়ী মহারাজ সগর্বে মাথা উঁচু করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলো। বিজয় শেষে মহারাজের আবারও যাত্রা শুরু। সামনে নদী- সমস্যা নেই। জন্ম থেকে সাঁতরানোর প্রকৌশল জানে মহারাজ। সে নদী পার হয়ে গেল।

নদী পার হয়ে মহারাজ এক চা-বাগানে আশ্রয় নিল। মহিলারা চা-পাতা তুলছে। বেশ কাছাকাছি এক মহিলা আসতেই মহারাজ মাথা তুললো- বড়ই রোমাঞ্চকর দৃশ্য। না- দূর্ঘটনা ঘটেনি। মহিলা আগেই দেখে ফেলে দৌঁড় দিয়েছে। সবাই কাজ ফেলে চলে গেল। এরপর সেখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং গোখরা নিয়ে গবেষণারত আমেরিকান একজন আর স্থানীয় একজন এসে মহারাজকে কৌশলে থলেতে ডুকিয়ে নিয়ে গেল। মহারাজদের প্রজাতির ওজন ছয় কেজির মত হয়। তারা পরবর্তীতে মহারাজে কাছ থেকে বিষ সংগ্রহ করে মহারাজকে আরেক গভীর অরণ্যে ছেড়ে দিল। নতুন জায়গায় এগিয়ে চলছে মহারাজ। কিছুটা চিন্তিত বটে। কারণ আরও কত মহারাজ সামনে থাকবে।

মহারাজের ভাগ্য ভালই বলতে হবে- সামনে গিয়ে সে কিছু অনুভব করতে পারলো। হ্যাঁ- তারই সমগোত্রীয় কেউ। খাদ্য না অন্য কিছু- সে জিহবা বের করে তথ্য নিতে থাকে। আসলেই ভাগ্য ভাল- সামনে এক রাজকুমারী অথবা মহারাণী। মহারাজ হয়তো তার সঙ্গিনী পেয়েছে। মহারাজের আগমন শুনেই নাগিনী মাথা তুলে দাঁড়ায়- খুব সতর্ক। মহারাজ ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল। সতর্ক সে- কারণ নাগিনীর ছোবলে তার মৃত্যুও হতে পারে। মহারাজ এগিয়ে যায়- নাগিনী ফোঁস ফোঁস করতে থাকে। একসময় নাগিনী মাথা নিচু করে লজ্জাবতীর মত অন্যদিকে মুখ সরিয়ে নেয়। এখন মহারাজের কাজ নাগিনীকে বিমোহিত করা। সে প্রথমে ধীরে ধীরে কোমলভাবে নাগিনীকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। কিন্তু না- নাগিনী পাত্তা দিল না তার নমনীয়তাকে। সে এখন রেগে গেল- ফোঁস করে উঠলো। নাগিনীর দিকে মুখ নিতেই নাগিনী মাথা সরিয়ে নিল- কে জানে এই নাগিনীর মনে কি আছে। মহারাজ এখন বেশ ক্ষিপ্র হয়ে উঠেছে- সে নাগিনীর আঁকাবাঁকা দেহবল্লরীতে বেশ ক্ষিপ্রতায় আঘাত করতে থাকলো তার মাথা ও মুখ দিয়ে। নাগিনী নিরবে মাথা মাটির সাথে লাগিয়ে পড়ে আছে। এখনও শীতল নাগিনী। মহারাজ তার মাথা ও মুখ দিয়ে আরো দ্রুততার সাথে নাগিনীর শরীর স্পর্শ করে যায়। হ্যাঁ- এখন নাগিনীকে দেখে মনে হচ্ছে সে সাড়া দিচ্ছে। নাগিনীর শরীরও জেগে উঠেছে। তার মানে এই নাগিনীই হলো মহারাণী।নাগিনী এবার আগ্রহে এগিয়ে এলো। মহারাজ-মহারানীর মিলন হলো। রাজ-গোখরার মিলন সময় বেশ দীর্ঘ- প্রায় তিন ঘন্টার মত।মিলন শেষে মহারাজের কাজের সমাপ্তি ঘটে- মহারাণীর দায়িত্ব আর কর্তব্য শুরু হয়। পরিণয়ের সমাপ্তি। যে যার যার পথে চলে যায়। মহারানীর ভেতরে বড় হতে থাকে ডিম।

এপ্রিল মাস চলছে। এই মাস সাপের মিলনের মাস আর বর্ষার আগমনী বার্তা। আকাশে মেঘের আনাগোনা- সামনে মহারাণীর জন্য কঠিন সময়। ভেতরে বেড়ে উঠছে ডিম। এখন তাকে বারবার খাবার খেতে হবে।আগামী চল্লিশ দিনের মধ্যে সে ডিম দেবে- বর্ষা শুরু হবার আগেই। আদ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক প্রজাতির প্রাণীর আগমন ঘটে। মহারানী এগিয়ে চলে। মাটির গভীরে থাকা রক্তচূষক জোঁক বেরিয়ে আসে। তারা মহারানীর গায়ে লেগে থাকে। মহারানী তখন সুন্দর এক জায়গার খুঁজে। তাপমাত্রা ও আদ্রতা ঠিক রেখে তাকে একটি জায়গা বেছে নিতে হবে যেখানে সে ডিম দেবে আর তা থেকে নতুন প্রজন্ম আসবে। মহারানী এক বাঁশের বনে পছন্দমত জায়গা খুঁজে পায়। সে তার শরীরকে দলা পাকিয়ে বাঁশের পাতা একত্রে করার চেষ্টা করে আর একটি বাসার মত তৈরি করে। সাপের মধ্যে নারী রাজ-গোখরাই একমাত্র- যারা বাসা তৈরি করে। বেশ পরিশ্রমের এই কাজ।বাসা তৈরি হয়ে যায়। মধ্য রাতের পরেই মহারানী ডিম ভূমিষ্ঠ করে। সবগুলো ডিম ভূমিষ্ঠ করতে করতে মহারানীর অনেক সময় লাগে। রাত শেষ হয়ে যায়।ডিম ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে মহারাণীর মাতৃত্বের কাজ কিছুটা সমাপ্ত হলেও অনেক দায়িত্ব আর কর্তব্য পড়ে আছে। আগামী দুই মাস সে তার ডিম পাহারা দেবে। দিনের বেলা বলতে না বলতে এক বেজি এসে হাজির হয়। মহারাণী বাধা দেয়। বেজিও নাছোড়বান্দা। কিন্তু সব জায়গায় তো আর বেজির হুকুমত ফলে না। মহারাণী রাগে মাথাকে তিনফুটের মত উঁচু করে ফোঁস ফোঁস করতে থাকে। বেজি তা দেখে বুঝতে পারে- এ তো আর সাধারণ গোখরা নয়। সে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়।

জুলাই মাস আসে। বর্ষার আগমন বার্তা আকাশে। একসময় আকাশ থেকে বৃষ্টি নামে। মহারাণীর নীড়েও বৃষ্টি পড়ে। বৃষ্টি এক নাগাড়ে সপ্তাহব্যাপী হবে। প্লাবণ আসবে পাহাড়ী নদীতে। মহারাণীর দায়িত্ব শেষের পথে। ডিম থেকে বাচ্চা বের হবার আগেই মহারাণী প্রকৃতি অনুসারেই বাসা ছেড়ে চলে যায় কারণ সে প্রকৃতি অনুসারের সাপ খেয়ে বেঁচে থাকে। নিজের মুখের গ্রাস যেন নিজের বাচ্চারা না হয়। বড়ই আশ্চর্য প্রকৃতির নিয়ম! ডিমের ভেতরে তখন জীবনে স্পন্দন। এক সময় ডিম থেকে বাচ্চারা মাথা বের করে। শীঘ্রই বাসাটি অনেকগুলো বিষাক্ত পরিপূর্ণ রাজ-গোখরার অপত্যে পূর্ণ হয়। প্রথম চব্বিশ ঘন্টা তারা এভাবে থাকে। বাইরের পৃথিবীর সাথে নিজেদের মিলিয়ে নেয়। তারপরে একসময় তারা বেরিয়ে আসে। জন্ম থেকে তারা সবকিছুতে সক্ষম- শুধু অভিজ্ঞতার কমতি। এরা লম্বায় পনর ইঞ্চির মত কিন্তু তাদের বাবা-মার মতই প্রকৃতি প্রাপ্ত। এদের বেশির ভাগই নিরাপত্তার জন্য বাঁশের উপরে উঠে যায় নিরাপত্তার জন্য। কেউ কেউ অন্য দিকে চলে গিয়ে অন্যপ্রাণীর মুখে গ্রাস হয়। এক সপ্তাহের মধ্যেই বাচ্চা রাজ-গোখরা নতুন ছাল গ্রহন করে। এভাবে পরবর্তি এক বছর প্রতিমাসেই তাদের শরীরে নতুন ছাল আসবে। প্রথম ছাল গ্রহনের পর ক্ষুদার্থ বাচ্চারা বেরিয়ে যাবে। যার যার জীবন- নিজেকেই দেখতে হবে। তারপর থেকে শুরু হবে নিজের পথ চলা। বাবা-মায়ের মত তারাও শিকার করবে- একসময় পূর্ণবয়স্ক হবে অথবা তার আগেই মারা যাবে। এভাবেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলে তাদের জীবন।







ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর "কিং কোবরা" অবলম্বনে লেখিত। ছবি নেট থেকে। ডাউনলোড করতে চাইলে:
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: কিন্তু খুব মজার।

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।

৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
দূরের মানুষ বলেছেন: সুন্দর লিখা...................................।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০১
সাপ্নিক বলেছেন: ব্যাপক মজা পাইলাম, সাপ নিয়ে এত মজা করে তথ্যবহুল লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
+
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো।

৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১০
যীশূ বলেছেন: বেশ মজা করে লিখেছেন। ভালো লাগলো।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।

৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২০
সেতূ বলেছেন: নতুন কিছু জানলাম

এ যুদ্ধ প্রানঘাতী নয়। তাদের ঐতিহ্যগত এক যুদ্ধ আছে। যা দেখতে মনোহর নৃত্যের মত দেখা যায়। দুই গোখরাই পরস্পরের মাথাকে মাটিতে লাগানোর চেষ্টা করবে। যার মাটিতে মাথা লাগবে সে পরাজিত হবে এবং মাথা নিচু করে এই রাজ্য ছেড়ে চলে যাবে।

আমাদের কুস্তির মত: যার পিঠ মাটিতে লাগবে সে পরাজিত হবে
+++
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ- ঠিক ধরেছেন। এই যুদ্ধটা দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর।

১০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
ফিরোজ-২ বলেছেন: অনেক ভাল লাগল +++
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছা।

১১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
রাজর্ষী বলেছেন: আমাদের সুন্দর বনে কিং কোব্রা আছে।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: গোখরা আছে তো দেশের সব জায়গায়।সুন্দরবনে রাজ-গোখরার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত না। থাকলে থাকতে পারে।

১২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: কিছুক্ষন আগে National Geo তে Deadly Snack এ কিং কোবরা উপর একটা প্রোগ্রাম দেখতে দেখতে আপনার সুন্দর লেখা টা পড়লাম।

কিং কোবরা দেখতে ভয়ংকর হলেও এটার কামড়ে কিন্তু বছরে খুব বেশি লোক মারা যায় না।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: লোকালয়ের কাছাকাছি এরা কম থাকে- গভীর অরণ্যে থাকে; লোকালয়ের কাছে আসলে ধরে ফেলা হয়- এসবই কারণ হবে। তা না হলে এরা বদমেজাজী- অনেক মানুষকেই দংশন করত।

১৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
সুস্ময় সুমন বলেছেন: লেখাটি খুবই ভালো লাগলো..............
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।

১৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
রেজোওয়ানা বলেছেন: শেষ ছবিটা বোধহয় কিং কোবরার না।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: ছবির মূল লিংকে কিং-কোবরা লেখা। আকারে ছোট দেখাচ্ছে। হয়তো ছোট বাচ্চা হবে।

১৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২
আকাশচুরি বলেছেন: মহারাজা সুজোগ পেলে নিজ গোত্রের আকারে ছোট রাজা/রানীকে গলধ:করনেও আপত্তি করেন না!
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: মহারাণীও তা করেন। তাই বাচ্চা ডিম থেকে বের হবার আগে চলে গিয়েছিলেন। আর মহারাজের তো কথাই নেই। ক্ষিদে লাগলে এই কর্ম করতে পিছপা হবেন না। :) :) :) :)

ধন্যবাদ আপনাকে।

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: খুব ভয় পেয়েছেন মনে হচ্ছে।

১৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
পুরাতন বলেছেন: জটিল হইছে ...... অনেক কিছু জানলাম ...... অনেক ধন্যাবদ
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৫ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: :) :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ক্ষেত্রঃ তড়িৎ-তাড়িৎ-যান্ত্রিক এবং নবায়ন শক্তি ও সবুজ প্রকৌশল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ