নিজস্ব কোনো প্রকাশ্য আয়ের উৎস না থাকলেও জামাতে ইসলামির সাবেক আমির গোলাম আযম টাকার মগবাজারে আলিশান বাড়ি বানিয়ে সেখানে বসবাস করছেন। তার বাড়ীর বানাানোর টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে । অবশ্য গোলাম আযমের পারিবারিকসূত্রে বলা হয়েছে ইসলামি ব্যাংকের ঋণ দিয়ে পৈত্রিক ভিটার উপর গোলাম আযম বাড়ী বানিয়েছেন।
অনলাইন ফোরামের একটি আলোচনায় বছরখানেক আগে নিউজিল্যাণ্ড প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম গোলাম আযমের বাড়ীর টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। তিনি বলেন, মগবাজারে গোলাম আযম ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত একটি টিনশেড বিল্ডিং এ বসবাস করেছেন। তার অপরাপর ভাইরা এখনো টিনশেড বিল্ডিং এ বসবাস করলেও গোলাম আযম কিভাবে সেখানে আলিশান অট্টালিকা তৈরি করলেন।
এর জবাবে সাবেক সচিব শাহ আবদুল হান্নান জানিয়েছেন, গোলাম আযম বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে মগবাজার কাজি লেনের বাড়ীটি পেয়েছেন। ইসলামী ব্যাংক থেকে এইচপিএসএম পদ্ধতিতে ঋণ নিয়ে এই বাড়ী বানিয়েছেন। ভাড়ার টাকা থেকে তিনি এই ঋণ পরিশোধ করছেন।
পরে লণ্ডনে বসবাসকারী গোলাম আযমের ছেলে ড. সালমান আল আজমী এই আলোচনায় জানান,অন্যান্য চাচাদের মতো তার বাবা গোলাম আযম উত্তরাধিকারসূত্রে মগবাজারের বাড়িটি পেয়েছেন। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সেটি টিনশেড বিল্ডিং ছিলো। তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে গোলাম আযমের বড় ছেলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়ী বানাতে গোলাম আজমকে রাজি করান।
তিনি জানান, ইসলামী ব্যাংক ৮০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে আর ২০ শতাংশ গোলাম আযমের হয়ে তার ছেলেরা দিয়েছে। তিনি বলেন, ছেলেরা নিজেদের জমানো টাকা কেউ ধার করে বাবাকে বাড়ীর ডাউন পেমেন্টের ঠাকা দিয়েছে। জেদ্দায় ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত বড় ছেলে অধিকাংশ টাকা দিয়েছে। তিনি জানান, আটতলা বিল্ডিংটিতে ২১ টি ফ্ল্যাট রয়েছে যার ১৮টিই ভাড়া দেওয়া। ভাড়া থেকে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে/হচ্ছে বলে তিনি জানান।
ওই অলোচনায় এই বিষয়টি আর এগোয় নি। এই ব্লগের ব্লগারদের মতামতের জন্যে ওই আলোচনার মুল অংশটুকু এখানে উল্লেখ করলাম। এই বিষয়ে আরো কিছু আপনাদের জানা থাকলে আসুন এ নিয়ে একটু আলোচনা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



