আমার প্রিয় পোস্ট

থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার দেখলাম এবং লিখলাম।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০২

শেয়ারঃ
0 1 0

প্রসঙ্গঃ থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার--- প্রচার? নাকি অপপ্রচার? ছবি না দেখে আমি এই পোষ্টটি করেছিলাম। আমার এই পোষ্টটি নিয়ে তুলকালাম হয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিল আমি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবির পক্ষে লিখেছি। প্রচুর মাইনাচ উপহার পেয়েছিলাম। হয়তো অনেকেই লেখা না পড়েই আমাকে মাইনাচ দিয়েছিল।
এই পোষ্টে আশা করি সবাই পড়ে কমেন্ট করবেন।

আগেই বলেছিলাম থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটি দেখে পোষ্ট দেব। সেই কথা রাখার জন্য এই পোষ্ট।

প্রথমেই বলে নেয়া ভাল যে, অনেকেই মনে করে মোস্তফা সয়রার ফারুকী একজন আর্ট ফ্লিম নির্মাতা। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, মোস্তফা সয়রার ফারুকী একজন বানিজ্যিক ছবির নির্মাতা। ব্যাচেলর, মেড ইন বাংলাদেশ, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার সহ কোনটা তে কোন শিল্পগুন আছে বলে আমর অন্তত মনে হয় না। বানিজ্যিক ছবিগুলোর মধ্যে ফারুকী একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছে মাত্র। আমারদের দেশের বাণিজ্যিক ছবিগুলো সাধারণত একই কাহিনী বার বার পাবলিক কে খাওয়ানো হয়। যেমন ধনী গরিবের প্রেম, বাবার হত্যাকারীকে খুঁজে ফেরা, ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়া ও পরে ১৪ বছর বা ২০ বছর পর ফিরে পাওয়া, বড় ভাই চোট ভাইকে অনেক কষ্ট করে পড়ালেখা করানো অতপর ছোটভাই বেইমানী করা ও ছবির শেষ দিকে তার ভুল বুঝতে পারা ইত্যাদি। এই ছবিগুলোর কাহিনীর ফাঁকে ফাঁকে থাকবে বুক ঝাঁকানো কোমর দোলানো নাচ, ২/৪ টি ধর্ষণ দৃশ্য, আর কিছু মারপিট। ফারুকী এই ধারাটি থেকে সরে এসে ভিন্ন ধারার কিছু বাণিজ্যিক ছবি বানিয়েছে তাই অনেকেই ভাবে এগুলো বুঝি আর্ট ফ্লিম।

এই ছবিটি নিয়ে অনেকেই বলেছে এটি পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখতে গেলে বিব্রত হতে হবে? আমি যদি প্রশ্ন করি বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক ছবির নাম বলুন যে ছবিটি দেখতে গেলে বিব্রত হতে হবে না? বলতে পারবেন? আপনারা অনেকেই জানেন একুশে টিভিতে ললিতা নামে একটি ধারাবাহিক চলছে। নাটকটির প্রথম দিকের পর্বগুলো নিয়মিত দেখতাম। ভালই লাগত। কিন্তু যখন পতিতা ও পতিতালয়ের ব্যপারগুলো আসল নাটকটি দেখা বন্ধ করে দিয়েছি। কারণ সবার সামনে বিব্রত বোধ করতাম। একটি নাটকেই যদি বিব্রত হতে হয় তাহলে একটি বাণিজ্যিক ছবিতে আরো বেশী বিব্রত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এটাই স্বাভাবিক। আর একটি ভাল কাহিনীতে বিব্রত হওয়ার গল্প থাকতে পারবেনা এটাও কোন কথা হতে পারেনা। পোকামাকয়ের ঘর বসতি নামের সরকারী অনুদানের একটি ছবি দেখেছিলাম। যেটি বেশ কিছু জাতীয় চলচিত্র পুরুষ্কার পেয়েছিল। সেই ছবিতেও একটি দৃশ্য দেখে সবার সামনে বিব্রত বোধ করেছিলাম। তাই বলে আমি বলতে পারব না যে ছবিটি অশ্লীল ছিল। তেমনি এই ছবিতে কিছু দৃশ্য আছে যে গুলো সবার সাথে দেখতে গেলে আপনাকে বিব্রত হতে হবে কিন্তু দৃশ্য গুলো অশ্লীল নয়।

এইবার আশা যাক ছবিতে কি দেখলাম তাতে। ছবিটি খুব সুন্দর একটি গল্প দিয়ে শুরু হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই সুন্দরটি ধরে রাখতে পারেনি। ছবির কাহিনী এতো দিনে সবার জানা হয়ে গেছে আশা করি। তাই কাহিনীতে গেলাম না।

দৃশ্য ১. রাতের বেলায় রাস্তায় একটি মেয়ে একা দাড়িয়ে থাকতে দেখে এক লোক তাকে পতিতা ভেবে তার সাথে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রন জানায়। এটি একটি বাস্তব ব্যাপার। এই দৃশ্যটির জন্য কেউ যদি বিব্রত হয় তার জন্য ছবির নির্মাতাদের আমি দোষ দিতে রাজি নই।

দৃশ্য ২. আবুল হায়াত যা করে একমন লোক আমাদের পাড়া মহল্লায় শত শত আছে। অনেক বুড়া বদমাশকে আমি দেখেছি মেয়েদের নিয়ে অশ্লীল কথা বলতে। সুতরাং এটিও কোন অবাস্তব দৃশ্য নয়।

দৃশ্য ৩. ছবির প্রথম দিকেই মোশাররফ করিমের বাবা তার ছেলের কর্মকান্ডের জন্য তাকে বকা দেয়। ছেলে নিজেকে নাস্তিক দাবী করেছিল এর জন্য ছেলেকে কতল না করে ভুল করেছে এমন অনুশোচনাও করতে দেখো গেছে। একজন নাস্তিক যে পথ ভ্রষ্ট ছাড়া আর কিছু নয় এই ছবি তার উকৃষ্ট প্রমান। ধর্ম না মানা, মদ খাওয়া, মদের আড্ডয় গিয়ে খুনখুনিতে জড়িয়ে পড়া, ধর্মীয় মতে বিয়ে না করে ফস্তানোসহ অনেক গুলো ব্যপার থেকে এগুলো থেকে বুঝা গেল নাস্তিকতার কোন ভিত্তি নাই। নাস্তিকতা কাউকে কোন সুখ দিতে পারেনা। মোশাররফ করিম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক ফোটা সুখের মুখ দেখতে পারেনি।

দৃশ্য ৪. এই ছবির লিভটুগেদার নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। তার আগে জানা দরকার লিভটুগেদার কি? লিভটুগেদার বলতে আমি বুঝি কোন নর নারী বিয়ে না করে শারীরিক চাহিদা পুরণের জন্য এক সাথে বসাবাস করা। তপুর সাথে তৃষা একই ঘরে ছিল কিন্তু সেটিকে ঠিক লিভটুগেদার বলা যাবে না। কারণ তারা শারীরিক কারনে নয়, প্রয়োজনে এক ঘরের নিচে থাকতে বাধ্য হয়েছিল। এবং তাদের মধ্যে কোন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়নি।

দৃশ্য৫. দুজন এক ঘরে থাকলে যা হয় তৃষা ও তপুর ক্ষেত্রেও তা হয়েছে। জৈবিক কারণে তপু তৃষার দরজায় টোকা দেয়। তৃষা সব বুঝতে পারে কিন্তু এড়িয়ে যায়। এক সময় রাজি হয় কিন্তু বিবেকের তাড়নায় সে পথ থেকে ফিরে আসে। শেষে তপু তৃষাকে পরিষ্কার করে বলে দেয় যে, সে তৃষার জন্য যা করেছে তার জন্য তৃষাকে কোন প্রতিদান দিতে হবে না। সে কোন প্রতিদানের জন্য তার উপকার করেনি। বন্ধুর জন্য সে যা করার করেছে।

দৃশ্য৬. এই ছবির সবচে অপ্রয়োজনীয় ও নিন্দনীয় দৃশ্য ছিল তপুর কন্ডম কিনে আনা ও তা ছুঁড়ে পেলা পর্যন্ত পুরোটুকু। এই দৃশ্যের কোন প্রয়োজন ছিল বলে মনে হয় না। এটা খুবই বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে। তৃষা তপুকে ডাক দিয়েছে তপু এসে দেখে তৃষার দরজা বন্ধ এই টুকু হলেই হতো। এত বাড়াবাড়ির কোন দরকার ছিল না। আর এই দৃশ্যে জন্য কেউ বিব্রত হলে সেই দোষটি নির্মাতাদের উপরই পড়বে।

দৃশ্য ৭. শেষ দৃশ্যে এসে কিছুটা গোলক ধাঁধাঁর মধ্যে পড়ে গেলাম। তুষা ও মোশাররফ করিম তাদের জৈবিক চাহিদা পুরণ করার জন্য নয়, তাদের প্রয়োজনে এক সাথে থাকতে বাধ্য হয়। তখন তারা একে অন্যকে বন্ধু হিসেবে দেখে। তপু তো আগে থেকেই বন্ধু। তপু তৃষাকে কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার আমন্ত্রন জানায়। তখন তৃষা মোশাররফ করিমকেও সাথে নিতে চায়। তপুও রাজি হয়। তিন জনই এক সাথে ঘুরতে যায়। এখানে তপু তৃষা যদি লিভটুগেদার কারতেই যেত তাহলে মোশাররফ করিমকে নিয়ে যাওয়ার কথা না। তপুও মোশারফ করিমকে নিয়ে যেতে রাজি হতো বলে মনে হয় না।

সব শেষ কথা হলো ফারুকীর ছবিগুলোকে আমার কেন জানি ছবি বলতে ভাল লাগেলা। ছবি হবে বিশাল ব্যানভাসে, বিশাল কাহিনী নিয়ে। কিন্তু তার ছবিগুলো বিশেষ করে থার্ড পারশন সিংগুলার নাম্বার এর কাহিনী দু' মিনিটে বলে শেষ করার মতো। তার ছবিগুলোকে আমার নাটকই মনে হয়। শুধু বড় পর্দায় দেখানো হয় বলে ছবি বলতে হয়।

আর যারা অশ্লীলতার প্রতিবাদ করেছেন তাদের সাধুবাদ জানাই। আমরা অশ্লীল কিছু চাই না। কিন্তু মনে রাখতে হবে অশ্লীল ছবির জন্য শুধু ফারুকীরে দায়ী করলে হবে না। ফারুকীর থেকে হাজার গুন বেশী অশ্লীল ছবির নির্মাতা দেশে আছে। তাদের সবার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে হবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪
গরম কফি বলেছেন: ভাল এনালাইসিস। প্লাসাইলাম!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬
লালসালু বলেছেন: ৩নং ছড়ায় আপনার নাম এড করেছি। গরম কফির নাম ২নং ছড়ায়। প্লাস দিলাম। এই ছবি নিয়ে আমার পোষ্টটা পড়েছিলেন?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ওকে... আপনার ব্লগে এখই ঢুঁ মারছি....:)

৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭
ফাহরুখ খান বলেছেন: অসাধারন রকমের ফালতু একটা সিনেমা।
কাট পিসে ভরা বাংলা সিনেমাও এর থেকে অনেক শালীন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আপনি ছবিটি দেখেছেন কিনা সে ব্যপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আপনার অসাধারন রকমের ফালতু একটা সিনেমা। কথটি না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু কাটপিসে ভরা ছবির সাথে তোলনা কি করে করলে? এই ছবিতে কি কোন যৌন দৃশ্য ছিল? কিংবা খোলা শরীর?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: ভাল বা খারাপের বিষয়টি আপেক্ষিক। আমার কাছে যা ভাল অন্য কারো কাছে সেটা খারাপ বা অশ্লীল হতে পারে। তবে ছবিটা নিয়ে এত চিল্লাপল্লা বা অশ্লীলতার ধুয়া তুলে ফারুকীর উপর ঝাপিয়ে পড়ার হেতু কি বুঝিনাই। এর থেকে কয়েকশোগুণ বাজে এবং অশ্লীল সিনেমা ভুরিভুরি আছে। সিনেমায় নৈতিকতার পাঠ থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই। ফারুকীর তংফং ডায়ালগ, মুনমুন বা ময়ুরীর নাচ আমার ভাল লাগতেই পারে, এজন্য হৈ হৈ করে উঠার মধ্যবিত্ত মানসিকতার গুস্টি কিলাই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: এ.জে. মিন্টু বলেছেন: এর থেকে কয়েকশোগুণ বাজে এবং অশ্লীল সিনেমা ভুরিভুরি আছে।



আমিও সেই কথাই বলি। সমালোচনা করতে হলে সবাইর করা উচিৎ। শুধু ফারুকীর কেন করতে হবে?

৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৭
ফাহরুখ খান বলেছেন: ওভাবে বলাটা বোধহয় ঠিক হয়নি।
অনেক আশা নিয়ে গেছিলাম সিনামাটা দেখতে আশাহত হয়ে এখন ওই সিনেমার নাম সুনলেই গা জ্বালা করে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: হতে পারে। আমার নিজেরও মনে হয়েছে পুরো না হোক কিছু টাকা জলে গেছে। কিন্তু কাট পিসের ব্যপারটির বলা ঠিক হয়নি। যাই হোক, যেহেতু বলেছে ঐকথা বলা ঠিক হয়নি আমারও আর কিছু বলা ঠিক হবে না।

৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০
মৈত্রী বলেছেন: এখন অবস্থা এমন দারাইছে যে আমার প্রেমিকার কাছে কোন এক বান্ধবীর প্রশংসা করলে সে জিগেস করে যে আমি তার সাথে শুইছি কিনা। এই অবস্থার জন্য কে দায়ী বলে মনে করেন?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার প্রেমিকার মানসিকতা।

৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২
কালের কলস বলেছেন: কক্সবাজার, লেখা যায় তো,
এটাই পেষ্ট করে দিন,
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার লেখা থেকে কপি পেষ্ট করে দিলাম।

কক্সবাজার কোন কোন কী চেপে লিখতে হয় জানালে ভাল হয়।

৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
দাম বলেছেন: দেখুন শুধু ফারুকির দোষ দিয়ে লাভ নাই। কিছু মিডিয়া হাউজ সুপরিকল্পিত ভাবে কিছু অত্যন্ত্য বিপদজলক লাইফস্টাইল আমাদের সমাজে চালু করার চেষ্টা করছে।
যে গুলোকে আপাত ভাবে নির্দোষ মনে হলেও এর সুদূরপ্রসারী পরিনাম হবে ভয়াবহ।

বেশি দূরে আমাদের যেতে হবে না। আমরা ভারতের শহুরে জীবনের দিকে তাকাই আর ইন্টারনেটে যারা পর্নোগ্রাফি নিয়ে খোজ খবর রাখেন তারা আর ও ভাল বলতে পারবেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: এনটিভিতে একদিন একটি ধারাবাহিক নাটকের কিছুটা অংশ দেখলাম। কিছু ছেলে মেয়ে এক সাথে ঘুরছে, হাটছে, গোসল করছে এটা যেন কোন ব্যপারই না। এটা কোন ধরনের মেসেজ দিচ্ছে আমার বোধগম্য হলো না। মিডিয়া আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?

১০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: দেখি নাআই, দেখার ইচ্ছাও নাই.........
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাল সিদ্ধান্ত। এই ছবির গল্পতো মুখস্ত হয়ে গেছে। আর কি দেখবেন? বরং ছবি দেখতে যে টাকা লাগত সেখান থেকে কিছু আমরা যারা লিখছি তাদের জন্য পাঠিয়ে দিন।

১১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন: আপনি পুনরায় ভালো লিখছেন। আপনাকে শুভেচ্ছা।

ছবিটি আমিও দেখেছি। ভালো লেগেছে আমার। আমরা পশ্চিমা জীবন ধারার সাথে মিশতে চাইছি কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ভেতরের সমূল সংস্কার। না পারি ভাঙতে, না পারি ডিঙাতে। এটাই ছবির মূল বিষয়। চমৎকার অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত। ধন্যবাদ মোশাররফ করিম। ছবির শেষে তিনজন একসাথে থেকেও পৃথক অর্থাৎ সিংগুলার হয়ে যাওয়ার সিম্বলটা অনেকে ধরতে পারেনি।


ভালো থাকুন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত। আমি ছবি দেখার আগে যে সমালোচনা গুলো পড়েছিলাম এখন মনে হচ্ছে সেই সমালোচনাগুলো যারা লিখেছে তারও ছবির মূল বিষয়টি ধরতে পারেনি। ধন্যবাদ।

১২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫
মইন বলেছেন: ছবিটি সুন্দর, তবে ছবিটির ভাষার ব্যবহার খুবই বাজে। অশ্লীল এই ভাষাতেই।

তবে মোস্তফা সয়রার ফারুকীর ছবিগুলোকে আমিও নাটক হিসেবেই মনে করি, এই তালিকায় অবশ্য ফারুকী না, হুমায়ুন আহমেদেরও কিছু ছবি আছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ভাষার ব্যপারে আরো সংযত হওয়া উচিত ছিল।

ধন্যবাদ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩০
নাজমুস বলেছেন: এনালাইসিস ভাল, তবে কিছু ক্ষেত্রে আপনার সংকীর্ন মানসিকতা ভাল লাগে নি। যাই হোক প্লাস, লেখা ভাল।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: ছবিতে যা হয়েছে তা নিয়ে কথা বলেছি। সংকীর্ন মানসিকতা কিনা বলতে পারব না। ধন্যবাদ।

১৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫০
সিউল রায়হান বলেছেন: অ্যানালাইসিস মোটের উপর ভালই লেগেছে

প্লাস
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩০
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: বাংলাদেশে দুই ধরনের (ক্লাসের ) অশ্লিলতা আছে ( বা ধীরে ধীরে দিতীয় একটি ক্লাসের জন্ম হচ্ছে ।

১) বস্তা পচা বাংলা মুভি, যেখানে শরীর দেখানোর প্রোতিযোগিতায় নামে ( সাস্থবান ) নায়িকারা। যা নাকি নিম্ন শ্রেনীর মানুষ দেখে। শীক্ষিত শ্রেনি তা দেখেও না, এসব মুভি নিয়া মাথাও ঘামায় না আর ব্লগে ফোনেটিকে কষ্ট কইরা টাইপ করা তো দুরের কথা।

২) থার্ড পারসন সিনগুলার নাম্বার জাতীয় ছবি। যেটাতে অশ্লিলতা থাকুক আর না থাকুক, অশিক্ষিত শ্রেনির দর্শক ফ্রি দিলেও দেখার কোন ইনটারেস্ট পাবেনা, কারন এখানে শরীর দেখানো হয় নাই। এটাকে বলা যেতে পারে শিক্ষীত অশ্লীল। শরীরনা না দেখিয়ে, ইংগীতে বিভিন্য যৌনতার কথা বলা। যেখানে বস্তা পচা বাংলা ছবি সপ্তাহে দুইটা করে মুক্তি পাচ্ছে , সেখানে এই শিক্ষীত অশ্লীলতার নিন্দা করা কতটুকু যুক্তিযত?

তবে সমস্যা এখানে হচ্ছে যেম যেহেতু এই অশ্লিলতাটা নতুন আবিস্কার তাই মানুশ না বুঝে পরিবার নিয়ে দেখতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতে পরতাসে।

এর সমাধান নিয়ে মন্তব্য লিখতে গেলে একটা ফুলটাইম পোস্ট লিখতে হবে। টু বেড, আমি গতকাল একটি শিক্ষীত অশলীল পোস্ট করার জন্য এখন জেনেরেল এ আসি ।


১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আশা করি সেপ হলে আপনার লেখা পাব। তবে একটি কথা বলে রাখি। কেউ যদি বিব্রত হতে না চায় তাহলে তাকে দীপু নাম্বার টু জাতীয় ছবি দেখতে হবে, মানে শিশুতোষ ছবি। প্রত্যেকটি ছবিতেই সেটা হোক বানিজ্যিক, হোক আর্ট ফ্লিম, আপনি যে বিব্রত হবেন না এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না।

১৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৫
স্তব্ধতা' বলেছেন: এই ছবিটার কোন লিংক আছে কারো কাছে? টরেন্ট লিংক সার্চ করলাম বহুত পাইলাম না।কেউ জানলে একটু কষ্ট কইরা লিংকটা দিয়েন।লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।যেহেতু দেখিনি কিছু বলতে পারছিনা।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: হলে গিয়ে দেখতে হবে।

১৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৪
ডিজিটালভূত বলেছেন: ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। ধন্যবাদ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯
বিডি আইডল বলেছেন: জায়গায় জায়গায় এত বিব্রত হওয়া ভালো না
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: ঠিক ঠিক...

২০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
লালপতাকা বলেছেন: সাধারনত দু ধরনের অশ্লীলতা থাকে একটি হল দেহের আর একটি ভাষার । ফারুকি এর ব্যতিক্রম নয়।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: বাণিজ্যিক ছবি বলে কথা।

২১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২
উসীমজদ্দীন বলেছেন: এনালাইসিস চমৎকার। ভাল লেগেছে ৬ নং দৃশ্য বাদে। ছবিটি দেখিনি তবে আপনার ৬নং দৃশ্যকে নিন্দনীয় বলার কারন বুঝলাম না। এটি একটি ভাল ম্যাসেজ। দৈহিক মিলন করতে হলে কনডমের প্রয়োজন অন্তত অনিরাপদ গর্ভরোধ করতে। তবে তপুর কনডম ছুড়ে ফেলাটা ঠিক হয়নি। এটি পকেটে সংরক্ষন করে রাখতে পারতেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: কয় কি!!!!

২২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মো:হাফিজুর রহমান তরফদার বলেছেন: "দেখুন শুধু ফারুকির দোষ দিয়ে লাভ নাই। কিছু মিডিয়া হাউজ সুপরিকল্পিত ভাবে কিছু অত্যন্ত্য বিপদজলক লাইফস্টাইল আমাদের সমাজে চালু করার চেষ্টা করছে। যে গুলোকে আপাত ভাবে নির্দোষ মনে হলেও এর সুদূরপ্রসারী পরিনাম হবে ভয়াবহ। বেশি দূরে আমাদের যেতে হবে না। আমরা ভারতের শহুরে জীবনের দিকে তাকাই আর ইন্টারনেটে যারা পর্নোগ্রাফি নিয়ে খোজ খবর রাখেন তারা আর ও ভাল বলতে পারবেন।"

ছবিটি দেখিনি তবুও এক মত....................
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
স. ম. হাসান বলেছেন: একটি অতি প্রচলিত কথা "যা কিছু ভাল তা আগেই ছিল" আসলে কথাটি ঠিক না, এখন অনেক কিছুই আগের চেয়ে অনেক ভাল অনেক উন্নত অনেক সমৃদ্ধ। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেই সব সহজ হয়ে যাবে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৪
অজানা আমি বলেছেন: বিশ্লেষণ ভাল হয়েছে +
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮
কৃষ্ণকমল বলেছেন:
সিনেমার প্রচার-প্রচারনা ও বিজ্ঞাপন দেখে ভেবেছিলাম সিনেমাটি ভালো হবে তবে তা দেখার পর প্রতারিতই হলাম।

সিনেমাটি প্রচলিত ধারা থেকে ভিন্ন ঠিকই তবে আমার মনে হয়েছে সিনেমটি দেখে ইয়াং জেনারেশন অনেক ভুল মেসেজ পাবে এবং লিভ টুগেদারের প্রতি আকৃষ্ট হবে যা আমাদের দেশে প্রচলিত নয় (হয়ত পশ্চিমা ধ্যান ধারনার পূজারী কিছু লোকের মাঝে প্রচলিত আছে) যার ফলে আমাদের সামাজিক বন্ধন ছিন্ন হবে।
ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সিনেমাটিতে অনেক অসামঞ্জস্যতা আছে বাস্তবতার সাথে যার কোন মিল নেই।
ফারুকীকে আমি সাধারন পরিচালকদের চেয়ে উঁচু স্থানে রাখার কারনেই ভালো কিছু আশা করেছিলাম। তবে বুঝলাম তিনিও সাধারনেরই একজন। তবে দর্শকরা যদি ফারুকীকে অন্য সাধারন পরিচালক হিসাবে গন্য করেন তাহলে সমালোচনার কোন কারন নেই।
আগে থেকেই যদি জানা যায় একটা জিনিস খারাপ তাহলে তার থেকে নিরাপদ থাকা সহজ হয় কিন্তু খারাপ জনিসটার উপর রঙিন মোড়ক লাগালে বিভ্রান্ত হতে হয়।

শেষ কথা
ফারুকী ভালো পরিচালকের মুখোশ পরে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন না।আমি বাংলাদেশের একজন তরুণ সচেতন নাগরিক হিসাবে ফারুকী ও তার পূজারী চামচাদের প্রতি ধিক ধিক ধিক ধিক্কার জানাচ্ছি।

থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার দেখার পর প্রতিজ্ঞা করেছি অন্য সাধারন পরিচালকের মত ফারুকীর সিনেমাও আর দেখবো না।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য। ফারুকী এই ছবি হয়তো খারপ তাই বলে ভাল ছবি বানালে দেখবেন না কেন? ফারুকীর অনেক ভাল ভাল নাটকও কিন্তু আছে।

২৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৯
কৃষ্ণকমল বলেছেন:
এক সময় তিনি ভালো কিছু কাজ করেছেন একারনেই তার সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। ভালো কাজ না করেও তিনি বাহবা পাচ্ছেন ফলে তিনি এটাতেই সন্তুষ্ট থাকবেন।
পরিনামে তার কাছ থেকে আর ভালো কিছু আসবেনা বলে মনে করি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৬
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ভালো এনালাইসিস, প্লাসাইলাম :)

আমার লেখাটা দেখতে পারেন, সরাসরি ছবির এনালাইসিস না, ছবির প্রয়োজনীয়তার ওপর লেখা আরকি।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনা লেখার লিংক কই?

২৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২১
ইউনুস খান বলেছেন: ভালোই হইছে। ছবিটা আমি দেখবোনা।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৮
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: বিশ্লেষন পুরাটা পড়লাম। সমালোচনা ভাল হয়েছে। আমি অনেকদিন যাবৎ নাটক সিনেমা দেখার সুযোগ করতে পারিনি। পড়ে কিছুটা আমেজ পেলাম। ধন্যবাদ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৮
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: দেখুন শুধু ফারুকির দোষ দিয়ে লাভ নাই। কিছু মিডিয়া হাউজ সুপরিকল্পিত ভাবে কিছু অত্যন্ত্য বিপদজলক লাইফস্টাইল আমাদের সমাজে চালু করার চেষ্টা করছে।
যে গুলোকে আপাত ভাবে নির্দোষ মনে হলেও এর সুদূরপ্রসারী পরিনাম হবে ভয়াবহ।

বেশি দূরে আমাদের যেতে হবে না। আমরা ভারতের শহুরে জীবনের দিকে তাকাই আর ইন্টারনেটে যারা পর্নোগ্রাফি নিয়ে খোজ খবর রাখেন তারা আর ও ভাল বলতে পারবেন।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: Thanks..

৩২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: স্বাধীন শোয়েব বলেছেন:
আমরা ভারতের শহুরে জীবনের দিকে তাকাই আর ইন্টারনেটে যারা পর্নোগ্রাফি নিয়ে খোজ খবর রাখেন তারা আর ও ভাল বলতে পারবেন।

জি আপনার নলেজের সোর্স টা দেখে টাসকি খাইলাম।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: :)

৩৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: ঢাকাইয়া টোকাই : জি আপনার নলেজের সোর্স টা দেখে টাসকি খাইলাম। why?
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: ....

৩৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৮
জনাব বলুন খান বলেছেন: ছবিটি এখনো দেখা হয়নি। তবে বহু বিতর্কের কারণে (বিশেষ করে অশ্লীলতার কথা শোনার পর) ছবিটি দেখার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ বোধ করছি (অনেকটা এমনটি কারণেই এক সময় তসলিমা নাসরীনের প্রথম লেখাগুলো পড়া হয়েছিল)। জীবনের নানা সময়ে বয়সের তাগিদে স্বেচ্ছায় অশ্লীল অনেক কিছুই দেখা হয়েছে। তারপরেও বলতে বাধ্য হচ্ছি, স্থান কাল নির্বিশেষে সবকিছুরই একটা মাত্রা থাকা উচিত। আমাদের বাংলাদেশীরা জীবনের অনেক দিক থেকেই পাশ্চাত্য থেকে অনেক পিছিয়ে থাকলেও এ একটি দিকে যেন ধরফর করে আগানোর প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হয়েছে। অন্তত মিডিয়াগুলোর দিকে তাকালে সেটাই মনে হয়। এর আগে ফারুকীর একটি বড় নাটক 'ফাস্ট ডেইট' দেখে ভাবছিলাম, এখনো কি মানুষ টিভির সামনে বড়ে পরিবার নিয়ে নাটক দেখেন?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: হুমম??????;)

০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৭. ০৯ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:২০
মোঃ তৈমুর রেজা বলেছেন: থার্ড পারসন সিনগুলার নাম্বার এর ডাউনলোড লিংক চাই
০৯ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: আমার কাছে নাই। :(

০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: :(

৩৯. ০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০১
রিফাত হোসেন বলেছেন: হা হা প গে

+ তবে ৬নং কমেন্ট নিয়ে কথাটা ভাল লাগে নাই । কিছু বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে এত গেল তপুর কথা অনেক বয়স আছে তার । কিন্তু আজকাল কার ৫ কি ৬ ক্লাসে পুলাপানই বড়ই বিপদজনক হয়ে গিয়েছে সেটা কোন শিশুতোষ সিনেমায় উঠবে?

ফেইসবুকে চ্যাংড়া পুলাদের সাইটে তাদের গেরাল ফেরেনড নিয়ে পোজ দেয় । মাশাল্লাহ ।
০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: :)

০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ওকে ওকে.....;)

৪১. ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। ছবিটির ডাউনলোড লিঙ্ক দিন।
৪২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
এক্স বলেছেন: মৈত্রী বলেছেন: এখন অবস্থা এমন দারাইছে যে আমার প্রেমিকার কাছে কোন এক বান্ধবীর প্রশংসা করলে সে জিগেস করে যে আমি তার সাথে শুইছি কিনা। এই অবস্থার জন্য কে দায়ী বলে মনে করেন? লেখক বলেছেন: আপনার প্রেমিকার মানসিকতা।

এই মানসিকতা তৈরিই হয় থাপাসিনা মার্কা ছবি দেখলে. একটা বিকৃতি দেখলে তা ঠেকাতে হয়, সেটাকে ফোকাস করে আসল অন্তর্নিহিত কারন না দেখালে মানুষ ফেটালিস্টিক হয়ে সেই বহুলপ্রচারিত খারাপকেই গ্রহন করতে শেখে. এটা অবশ্যই সমাজের জন্য ভাল নয়.
৪৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:১৭
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
গত কাল দেখলাম। আজকে আপনার রিভিঊটা পড়লাম। অনেকটাই একমত।

তবে , আমিও এটাকে মুভি না বলে বড় নাটক ই বলতে চাই, সেইরকমই মনে হয়েছে। আর মুন্না আর রুবার লিভ টুগেদার করার পারসেপশানটা পরিস্কার না করায় অনেক্ষানি চাপিয়ে দেয়া মনে হয়েছে।
২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: :)

৪৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৫
জাওয়াদ হাসান বলেছেন: ভাল হইসে। কষায়া প্লাস দিলাম।
৪৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১২
নিশাচর২৮ বলেছেন: একজন সমালোচক হিশাবে ভালো ই বলেছেন ।
৪৮. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫২
শব্দ সৈনিক বলেছেন: ভাল সমালোচনা করেছেন বটে। সাধুবাদ জানাচ্ছি এই দিক থেকে।
তথাপি আপনার সমালোচনাকে সমর্থন করতে পারছি না, কারণ মুভিটি আপনার ভাষ্যমতে বাণিজ্যিক বলে মনে হয় নি আমার কাছে।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: আর্ট ফ্লিম কি বলা যাবে?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভুলভাল লেখার মাধ্যমে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করি মাত্র। এই লেখকের লেখায় শিল্পগুণ খুঁজতে গেলে আপনি দারুন ভাবে আশাহত হবেন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই