আমার প্রিয় পোস্ট

স্বাধীনতার ঘোষনা প্রশ্নে আপনি আবাল কিনা পরীক্ষা করে নিন।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮

শেয়ারঃ
0 26 0

স্বাধীনতার ঘোষক কে এ নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে। এই বির্তক কেউ করছে ইচ্ছে করে, কেউ করছে না জেনে। আপনি যদি সত্যি সত্যি স্বাধীনতার ঘোষক কে জানতে চান তাহলে আমার এই পোষ্ট থেকে জানতে পারবেন। এই পোষ্টের সকল লেখা ও লিংক দেখার পরও যদি বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার না হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনি একটি তৃতীয় শ্রেণীর আবাল। আপনার পক্ষে কখনই স্বাধীনতার ঘোষক কে জানা সম্ভব হবে না। সুতরাং স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কখনও কথা না বলে দয়া করে ক্ষেতে গিয়ে ঘাস খাওয়াই আপনার জন্য উত্তম কাজ।

জিয়াউর রহমানের নিজের একটি লেখা- একটি জাতীর জন্ম।

এই লেখার Audio of Zia's announcement (interview - Belal Mohammed)অপসনে ক্লিক করে জিয়াউর রহমানের নিজ কন্ঠে দেয়া পুরো স্বাধীনতার ঘোষনাটি শোনেন।



ভাইয়েরা আমার,
আজ-দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ ঢাকা, চট্রগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী,রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ, বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তাঁর অধিকার চায়। কি অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে-আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো। এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ২৩ বছরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস, ২৩ বছরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস এ দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।

১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আয়ুব খাঁন মার্শাল’ল জারি করে ১০ বছর আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৪ সালে ৬-দফা আন্দোলনের ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে আয়ুব খাঁনের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খাঁন সাহেব সরকার নিলেন- তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন-গণতন্ত্র দেবেন, আমরা মেনে নিলাম।
তারপর অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খাঁন সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলার নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাঁকে অনুরোধ করলাম- ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, মার্চ মাসে প্রথম সপ্তাহের হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে আমরা এসেম্বলি বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলি মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি এও পর্যন্ত বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশী হলেও একজন যদিও সে হয় তাঁর ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।

জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, যে আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাঁদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন-বসুন আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে, যদি কেউ এসেমব্লিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেমব্লি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো।

ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হিসাবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠল।

আমি বললাম , শান্তিপুর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেড়িয়ে পড়লো, তারা শান্তিপুর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো। কি পেলাম আমরা, জামার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের মধ্যে- তার বুকের উপর হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু-আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি- তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।

তার সাথে আমার দেখা হয়, তাকে আমি বলেছিলাম জনাব ইয়াহিয়া খাঁন সাহেব আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের উপর গুলি করা হয়েছে। কি করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি ১০ তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে।

আমিতো অনেক আগেই বলেছি কিসের আরটিসি, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাঁদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘন্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন সমস্ত দোষ তিনি আমার উপর দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপর দিয়েছেন।

ভাইয়েরা আমার,
২৫তারিখ এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০তারিখে এসে বলে দিয়েছি যে, ঐ শহীদের রক্তের উপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা। এসেম্বলি কল করেছে, আমার দাবি মানতে হবে প্রথম সামরিক আইন মার্শাল ল উইথড্র করতে হবে। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত দিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপরে বিবেচনা করে দেখবো আমরা এসেম্বলি বসতে পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলি বসতে আমরা পারি না।

আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এ দেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিস্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই যে, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্টকাচারী, আদালত-ফইজদারী, শিক্ষা প্রতিষ্টান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সেইজন্য সমস্ত অন্যান্য জিনিস গুলো আছে সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবেনা- রিকসা-ঘোড়াগাড়ি চলবে, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জর্জকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোনো কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা গিয়ে বেতন নিয়ে আসবেন।
এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের উপর হত্যা করা হয়- তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইলো, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু-আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমারা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো। তোমরা আমার ভাই , তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবেনা। কিন্তু আর আমার বুকের উপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবাইয়া রাখতে পারবানা। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের ডুবাতে পারবে না।

আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাঁদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমার রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা পয়সা পৌঁছিয়ে দেবেন। আর এই ৭ দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছেন, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাঁদের বেতন পৌঁছাইয়া দেবেন। সরকারী কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হয় , খাজনা - ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না। শুনেন , মনে রাখবেন, শত্রু বাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলার হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-নন বাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই , তাঁদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন রেডিও -টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। ২ ঘন্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাঁদের মাইনা পত্র নেবার পারে। কিন্তু পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন-টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এই দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়- বাঙালিরা বুঝেশুনে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তুল। এবং তোমাদের যা কিছু তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো।

মনে রাখবা, ”রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ”।
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”।জয় বাংলা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্বাধীনতার ঘোষকবন্ধবন্ধুমুক্তিযুদ্ধস্বাধীনতার ঘোষকবন্ধবন্ধুমুক্তিযুদ্ধ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: আচ্ছা...৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনা বলে অনেকে দাবী করেন কিন্তু আমার একটা ব্যাপার মাথায় আসেনা সেটা হলো- ৭ই মার্চ থেকে ২৫ শে মার্চ- এই ১৮ দিনে যখন পাকিস্তান থেকে অস্ত্র, গোলা-বারুদ দিয়ে ভরে ফেলা হচ্ছিলো তখনো শেখ মুজিব কিসের আশায় আলোচনার নামে কালক্ষেপন করছিলেন?? তিনি যদি তখনি স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে থাকেন তাহলে- ইপি আর, পুলিশ বা আর্মী তে যেসব বাংলাদেশীরা ছিলেন তারা কেন ৭ই মার্চের পর কেন বিদ্রোহ করলেন না?? বা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অস্ত্র সমৃদ্ধকরনে বাঁধা দিলেন না কেন?? জনাব মুজিব কি তখন বুঝতে পারেন নাই যে কেন গোলা-বারুদ সমৃদ্ধ করা হচ্ছিল অথচ সময়টা ছিলো আলোচনার?? আর আমি এটাও জানতে চাই- উনাকে যখন মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হলো- তখন আওয়ামী লিগের বেশির ভাগ নেতা কর্মী পালিয়ে গেছেন- সেই সময় তিনি কিভাবে তার স্বাধীনতার ঘোষনা চট্টগ্রামে পাঠালেন কারন তার অনেক আগেই টেলিফোন সংযোগ বিকল করা হয়েছিল এবং সেই সময় কোন ফ্যাক্স ছিল না।

আমি তো স্বাধীনতার অনেক পরের প্রজন্ম তাই এগুলো জানতে চাই। ২৬ তারিখ এবং ২৭ তারিখ কিছুক্ষন পর পর কার ঘোষনা টা রেডিও তে বার বার শুনাচ্ছিল??
০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: গুড প্রশ্ন। ধরে নিলাম আপনার কথা ঠিক। এখন বলুন জিয়াউর রহমান তার যখন স্বাধীনতার ঘোষনা পত্রটি পাঠ করল তখন কেন শেখ মুজিবের নামে করল? জিয়া কি খুব বোকা লোক ছিল কিংবা জিয়া কি ঘাস খেত?

জিয়া তার নিজের লেখায় কেন কেন বঙ্গবন্ধুকে জাতীর পিতা বলেছেন? জিয়াউর রহমান কেন লিখলেন ৭ই মার্চের রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষনা আমাদের এক গ্রীন সিগন্যাল বলে মনে হলো। আমারা আমাদের পরিকল্পনাকে চুয়ান্ত রুপ দিলাম। এই লেখাটি তো স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর লিখেছেন। এখন মুজিবের যদি স্বাধীনতা ঘোষনার ব্যাপারে কোন ভুমিকা না থাকবে তাহলে জিয়া কেন মুজিবকে নিয়ে এত ভাল ভাল কথা বলেছে?

আর জিয়া যখন বার বার ঘোষনা দিচ্ছিল শেখ মুজিবের পক্ষে দিচ্ছিল কেন?

এর থেকে কি প্রমান হয় না আপনি যা জানেন বা জেনেছেন সব ভুল?

০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
রশিক রশীদ বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। দরকারি পোষ্ট।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই। আপনার পোষ্টে আমার কমেন্ট আছে। তবে অন্য পোষাকে। ;)

৮. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: আবাল কিন্তু একটা পাওয়া গেছে ।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: এখন পর্যন্ত ৩টা। :)

৯. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
ওরাকল বলেছেন: তবে কেন স্বাধীনতার ঘোষনা ৭ ই মার্চ হবেনা , কেন ৭ই মার্চ স্বাধীনতা দিবস হবেনা ?

এই প্রশ্ন যারা করেন তাদের প্রতি:

এই প্রশ্নটা আপনি শেখ মুজিবকেই করেন :) উনি নিজে ও এটা সমর্থন করবেন না।এবার হয়ত জানতে চাইবেন কেন ?

আচ্ছা ৭ ই মার্চ যদি তিনি অনির্দিষ্ট ভাবে স্বাধীনতার ঘোষনাই দিলেন (যদি ও আপনাদের ভাষায়, আমরা অধম বাঙ্গালী বুঝতে পারি নাই....উনি ত জানতেন ! কারন ঘোষন টা যেহেতু উনিই দিয়েছেন ) তবে ১৯-২৫ শে মার্চ হোটেল ইন্টারকনটিনেন্টালে বসে ইয়াহিয়া-ভূট্টর সাথে কি নিয়ে আলোচনা করলেন?

স্বাধিন বাংলাদেশের পতাকার রং, জাতিয় পশু-পাখী, সংগীত ইত্যাদি কি হবে? সম্পদের ভাগ বাটোয়ারা কেমনে হবে? আর পাকিগুলারেই বা কেমনে ফেরত নিতে হবে? এই সব আলোচনা করেছেন ?

না কি মেজরিটি পাকিস্তানিদের সমর্থনে নির্বাচিত পূর্ব পাকিস্তানের জনগন তথা আওয়ামিলীগ যেন দেশ-পরিচালনার দ্বায়িত্ব পায় সেই জন্য দর-কষেছেন।

আদলে ২৫ শে মার্চ বিকেলেও বঙ্গবন্ধু চাননি পাকিস্তান ভংগে যাক, পাকিস্তানের সামরিক প্রস্তুতির কথা জানা সত্যেও উনি স্বাধিনতার ঘোষনা দিতে দেরী করছিলেন যদিও সকল স্থান (বাঙ্গালীদের) থেকে স্বাধিনতার ঘোষনার জন্য তার উপর চাপ বাড়ছিল মার্চের প্রথম দিক থেকে আর ২০ এর পর তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল (১৯ তারিখ গাজিপুরে আর্মির বাঙ্গালী সৈনিকরা বিদ্রোহ করে বসে - মুজিবের আদেশ ছাড়াই)।

৭ই মার্চ স্বাধিনতা দিবস ঘোষনার এই দাবি শুনলে বঙ্গবন্ধু ও নিশচই অস্বস্তি বোধ করতেন :( এই তোষামদি ও পদলেহন করে আপনারা যে বঙ্গবন্ধুকে পাতালে নামাচ্ছেন তা কি বুঝতে পারছেন ?
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ওই দিন সংসদে স্পিকার একটি কথা বলেছেন। শুনে বেশ ভাল লেগেছে। তিনি বলেছেন ''কেউ শুটকি বেছে দুধ খায়, কেউ দুধ বেচে শুটকি খায়, যে যা ভাল বুঝে''। কথা টা ঠিক। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, জিয়ার লেখা ও অডিও শুনে আপনি এই বুঝলেন। কিচ্ছু বলার নাই।

১০. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
লড়াকু বলেছেন: ২ নাম্বার মহা আবাল গ্যাড়াকলও আইসা গেছে।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: :)

১১. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: যতভাবে প্রমাণ দিছেন তারপরও অন্ধের চোখ কি খুলবে? আমার মনে হয় না। একটা মজার তথ্য দিই। সাপ্তাহিক জয় বাংলা নামে একটা পত্রিকা প্রকাশ হতো মুক্তিযুদ্ধের সময়, সেটায় ওরা ছাপার ভুল করছিল একবার। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার ২৬এর জায়গায় লেখছে ২৩ মার্চ। সেটার সংশোধনও করে পরে একটা নোটিশ দিছে। এখন এইটাও কিন্তু আসলে একটা প্রমাণ।

img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/omipialblog_1267880865_1-06032010599.JPG]
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল প্রমান।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কিছু আবাল যেইটা নিয়া প্যাচায় সেইটা আসলেই হাস্যকর। বঙ্গবন্ধু আলোচনা করছেন ইয়াহিয়া-ভুট্টোর সঙ্গে। সেটাই তো স্বাভাবিক। উনি কি দরজা বন্ধ করে লুকাইয়া থাকবেন যাতে ওরা বলে যে মুজিবরে আলোচনায় ডাকছি কিন্তু সে আসে নাই? স্বাধীনতার গোপন প্রস্তুতি তো চলতেছিলোই। এ ব্যাপারে ছাত্ররা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতেছিল। পুলিশরা তাদের রাইফেল পর্যন্ত দিয়ে দিছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: যারা এই কথা গুলো বলে ও বিশ্বাস করে তাদের জন্য রয়েছে ... সবুজ ঘাস।

১৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আর যারা মুজিবের ওয়ারল্যাস ট্রান্সমিশনটা সম্পর্কে অজ্ঞ তাদের আগে বলেন আপনার লিংকগুলা পুরাটা পড়ে, পুরাটা শুনে তারপর এই আলোচনায় অংশ নিতে।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: ওদের বলে লাভ নাই। পোষ্ট প্রকাশের ১মিনিটের মধ্যে পোষ্ট না পড়ে একটি মাইনাচ দিয়েছে। তাকে আমি আবাল না বলে শুয়র বললে মনে হয় ভাল হয়, যুক্তিযুক্ত হয়।

১৫. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: আমি সাবালদের কাছে এটাও জানতে চাচ্ছি- তারা আসলে এখন কোনটা প্রমান করতে চাচ্ছে- ৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনা ছিল সেটা নাকি জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক না সেটা?? উনারা যদি প্রথম টা প্রমান করতে চান- তাইলে আমি আমার উপরের প্রশ্নগুলোর জবাব আশা করব আর যদি পরেরটা প্রমান করতে চান তাতে তাদের প্রতি আমার অনুরোধ একবার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২৬ আর ২৭ মার্চ দিনগুলোতে থেকে এসে এই তর্ক করুন। স্বাধীনতার ঘোষনা তিনি বংবন্ধুর নামে দিয়েছেন কিন্তু ওই দুই দিন রেডিও তে 'আমি মেজর জিয়া বলছি...' এই ঘোষনাই বার বার শোনা গেছে...তাই দ্বিতীয়টা প্রমান করলেও যারা এই ঘোষনা শুনে সেই সময় হতোদ্দ্যম থেকে উদ্যমিত হয়েছিলেন সেই বোধের কাছে আপনাদের 'সাবালতার' কোনো মূল্যই নেই...
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: আমার পোষ্টের শুরুতেই বলেছি ......... এই পোষ্টের সকল লেখা ও লিংক দেখার পরও যদি বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার না হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনি একটি তৃতীয় শ্রেণীর আবাল। আপনার পক্ষে কখনই স্বাধীনতার ঘোষক কে জানা সম্ভব হবে না। সুতরাং স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কখনও কথা না বলে দয়া করে ক্ষেতে গিয়ে ঘাস খাওয়াই আপনার জন্য উত্তম কাজ।

আমি আলাদা করে উত্তর দেয়ার কিছু নাই। আমার পোষ্টে সব জবাব দেয়া আছে।

১৬. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: ২৫ মার্চে জিয়া কে ছিল? কে তারে চিনতো, কি তিনি করতেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য তার অবদান ঐ আবদি কি ছিলো, তিনি যদি সত্যিই স্বাধীনতাকামি হতেন তাহলে ঐ দিন পর্যন্ত তার কর্মকান্ড আর্মিতে চালিয়ে গেলেন কিভাবে। আসলে একটা কথা আছে, "ঝরে বক মরে, হুজুরের কেরামতি বাড়ে"। ঐদিন ক্যামনে ক্যামনে বাইর হইয়া গিয়া কালুয়াঘাটে গিয়া উনি হয়ে গেছেন স্বাধীনতার ঘোষক। ঐ দিনতো হরাইলের কুত্তাগুলাও চিৎকার করছিলো, ওদের অবদানের কথা তাহলে তো ............ আসলে অনেক চিন্তার বিষয় আছে।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৭. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:এ ব্যাপারে ছাত্ররা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতেছিল। পুলিশরা তাদের রাইফেল পর্যন্ত দিয়ে দিছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের।

এমনই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যে ২৫ মার্চ রাতে পিলখানাস সারা ঢাকা শহরে এতবড় হত্যাযজ্ঞ চললো তার বিরুদ্ধে ন্যুনতম প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি ব্যারিকেড দেয়া ছাড়া। এই ম্যাসাকার যে হবে সেটা বুঝতে না পারাটাই শেখ মুজিবের বড় অজ্ঞতা। উনি এমনভাবে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তুলতে বললেন যে সব ঘর পাকিস্তানি ট্যাঙ্কের সামনে তছনছ হয়ে গেল...স্বাধীনতার ঘোষনার পরেও অকস্মাত এতবড় জানমালের ক্ষতি হলো কিভাবে?? উনি কি জানতেন না পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্যবল এবং অস্ত্র-গোলা-বারুদ এনে ভরে ফেলা হচ্ছিল...এই ১৮ দিনে উনি তো ঢাকাবাসি কে সেইরকম কোনো প্রতিরক্ষামূলক কোনো দিক নির্দেশনাই দিতে পারেননি...
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: ভাই, তর্ক করে লাভ নাই। আমি আগেই বলেছি এই পোষ্ট পড়ে যদি স্বাধীনতার ঘোষক কে বুজতে না পারেন তাহলে আপনার জন্য রয়েছে সবুজ ঘাস।

১৮. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
ওরাকল বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কিছু আবাল যেইটা নিয়া প্যাচায় সেইটা আসলেই হাস্যকর। বঙ্গবন্ধু আলোচনা করছেন ইয়াহিয়া-ভুট্টোর সঙ্গে। সেটাই তো স্বাভাবিক। উনি কি দরজা বন্ধ করে লুকাইয়া থাকবেন যাতে ওরা বলে যে মুজিবরে আলোচনায় ডাকছি কিন্তু সে আসে নাই?

--> :) ইয়াহিয়া-ভুট্টো এতটাই গাধাছিল যে ৭ই মার্চের নির্বাক স্বাধিনতা ঘোষনা সত্যেও ওনারা শেখ সাহেবের সাথে আলোচনা করতে এলেন ১৩ তারিখে :) ওনাদের ত ৮ তারিখে টেংক-কামান নিয়ে মুজিবকে দেশদ্রোহীতার অপরাধে গ্রেফতার করতে আসার কথা ছিল।


স্বাধীনতার গোপন প্রস্তুতি তো চলতেছিলোই। এ ব্যাপারে ছাত্ররা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতেছিল। পুলিশরা তাদের রাইফেল পর্যন্ত দিয়ে দিছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের।

--> হ্যা সম্ভবত মুজিবের চাইতে অন্যরা যুদ্ধের জন্য আরো বেশি উতসুক ছিল, ২২-২৩ তারিখে গাজিপুরের বাঙ্গালী অফিসাররা নারায়গন্জ সাইল ও তেল সংরক্ষনাগার গুরিয়ে দিতে চেয়েছিল যাতে পাক আর্মি ৩-৪ দিনের জন্য পেট্রল-ডিজেলের জন্য হাহাকার করে ......কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাতে সায় দেননি, শেষ পর্যন্ত আলোচনার একটা সমাধান বেরবে বলেই উনি বিশ্বাস করছিলেন।


@লড়াকু: তোমার মত আবালগুলর (শব্দটা ব্যাবহার করতে চাই নি ....তবে আপনি যেহেতু শুরু করলেন তাই আপনার শব্দ আপনাকেই ফিরিয়ে দেয়ার অধিকার নিশচই এখন আমার হয়েছে) জন্যই স্বাধিনতার ঘোষনা নিয়ে এই কামড়া-কামড়ি। এটা কি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ন বিষয় আমাদের জন্য। মুজিব বা জিয়ার ঘোষনার জন্য ৭১ এ কেউ বসেছইল না ২৫ রাতেই বাঙ্গালীর প্রতিরোধ শুরু হয়ে গিয়েছিল......আর ২৩ তারিখে মুজিবের আদেশ ছাড়াই বাঙ্গালী সৈনিক-অফিসাররা বিদ্রহ করেছিল স্বাধিনতার জন্য .....তারা কারো ঘোষনার অপেক্ষায় বসে ছিল না।

০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: স্ববিরোধী কয়টা কথা বলেছেন হিসাব করেন।

১৯. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
ওরাকল বলেছেন: @জাতীয়তাবাদী শুভ


মুজিব এই সব তথ্যই পাচ্ছিলেন কেন্টর্মেন্টের বাঙ্গালী অফিসারদের কাছ থেকে, তাদের কাছ থেকে ক্রেকডাউনের সম্ভবনার কথা জেনেও ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলেন না...... ফলে প্রতিরোধের পূর্বপ্রস্তুতুমূলক সব সামরিক প্লেনই উনি বাতিল করে দিচ্ছিলেন :(

এই সকল ব্যার্থতার পর ও তার অবদান অনস্বিকার্য কিন্তু মাহান বলেই তাকে আরো মহান বানাবার এই হীন মানসিকতা বরং তাকে নিয়ে বিতর্কই বাড়াচ্ছে।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: বলেছেন......

২০. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বোকাচুদাগো আলোচনার মানে নিজেরেও বোকাচুদা বানানো। আফসুস।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: :(

২১. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৪
লড়াকু বলেছেন: @গ্যাড়াকল, জিয়া তো ঐ ঘোষণা পাঠ করছিল ২৭ তারিখ সন্ধ্যায়, সেই হিসাবে স্বাধীনতা দিবস হওয়ার কথা ২৭শে মার্চ। সাহস থাকলে একবার কও তো দেখি ২৭শে মার্চই আসলে স্বাধীনতা দিবস? ২৬শে মার্চ শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়া বাংলাদেশের মানুষের মনে কোন সন্দেহ আগেও ছিল না, এখনো নাই। খালি তোমার মত কিছু ফাকিস্তানি দালাল পানি ঘোলা কইরা মজা নিতে চাও। কিন্তু এখন আর সেই দিনও নাই, উলটাপালটা কথা কইবা আর গদাম খাইবা।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: :)

২২. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৬
লড়াকু বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বোকাচুদাগো আলোচনার মানে নিজেরেও বোকাচুদা বানানো। আফসুস।

একমত।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: হুমম....

২৩. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:১২
ওরাকল বলেছেন: বুদ্ধির ঢেকিরা বোকাদের সুজ্ঞান (!) না দিয়ে বরং তা বালিশের নিচে লুকায়া রাখেন......অথবা মোরগ-মুরগি সাইজের মস্তষ্কধারীদেরকে জ্ঞান দানে আত্নোনোয়োগ করেতে পারেন করন শুধু তারাই আপনাদের সাথে মাথা নেড়ে 'জি হুজুর' বলতে পারবে।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: ঘাস......

২৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৭
ওরাকল বলেছেন: @নেড়াকু

জিয়া তো ঐ ঘোষণা পাঠ করছিল ২৭ তারিখ সন্ধ্যায়, সেই হিসাবে স্বাধীনতা দিবস হওয়ার কথা ২৭শে মার্চ। সাহস থাকলে একবার কও তো দেখি ২৭শে মার্চই আসলে স্বাধীনতা দিবস?

--> আমি কি তোমার মত আন্ধা নাকি যে ২৭ তারিখের ঘটনা ২৬ বলে চালিয়ে দিব।



আর মুজিবের সেই ঘোষনা ইপিআর রিসিভার ছাড়া আর কেউ শুনে নি। ২৭,২৮ ও ২৯ তারিখে দেয়া জিয়ার ভাষনই মূলত মুক্তিযুদ্ধের ৯ বাঙ্গালী সহ বিশ্ববাসি শুনেছে।

--> আর মুজিবের সেই ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন ছিল ২৫ মার্চ মধ্য রাতের আগে তাইলে মুজিব কেমনে ২৬ মার্চ ঘোষনা দিন।

২৬শে মার্চ শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়া বাংলাদেশের মানুষের মনে কোন সন্দেহ আগেও ছিল না, এখনো নাই। আন্ধা না হইলে ২৫ তারিখের ঘটনা ২৬ বলে চালিয়ে দিচ্ছ কেন ?



খালি তোমার মত কিছু ফাকিস্তানি দালাল পানি ঘোলা কইরা মজা নিতে চাও। কিন্তু এখন আর সেই দিনও নাই, উলটাপালটা কথা কইবা আর গদাম খাইবা।

--> তোমার মত লীগের সিজনাল দালালগুলাই পানি ঘোলা (না পুরা ইতিহাস ঘোলা কইরা ফালাইছ, শেখের বেটি আজ কান ২১ ফেব্রু্যারীর ছাত্র বিক্ষবেও তার বাপের আদেশ হিসেবে দেখেন) করতাছ। লীগ ক্ষমাতা ছাড়া হইলেই তোমার মত সিজনাল তৈলবাজগুলে আতসিকাচ দিয়াও খুইজা পাওয়া যাইব না।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ................

২৫. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩২
যোগী বলেছেন: ভালো পোষ্ট প্রিয়তে নিলাম
ধন্যবাদ আপনাকে
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩৬
ওরাকল বলেছেন: সংশোধনি: @নেড়াকু

জিয়া তো ঐ ঘোষণা পাঠ করছিল ২৭ তারিখ সন্ধ্যায়, সেই হিসাবে স্বাধীনতা দিবস হওয়ার কথা ২৭শে মার্চ। সাহস থাকলে একবার কও তো দেখি ২৭শে মার্চই আসলে স্বাধীনতা দিবস?

--> আমি কি তোমার মত আন্ধা নাকি যে ২৭ তারিখের ঘটনা ২৬ বলে চালিয়ে দিব। আর মুজিবের সেই ঘোষনা ইপিআর রিসিভার ছাড়া আর কেউ শুনে নি। ২৭,২৮ ও ২৯ তারিখে দেয়া জিয়ার ভাষনই মূলত মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস বাঙ্গালী সহ বিশ্ববাসি শুনেছে। আর মুজিবের সেই ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন ছিল ২৫ মার্চ মধ্য রাতের আগে তাইলে মুজিব কেমনে ২৬ মার্চ ঘোষনা দিল ?

২৬শে মার্চ শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়া বাংলাদেশের মানুষের মনে কোন সন্দেহ আগেও ছিল না, এখনো নাই। আন্ধা না হইলে ২৫ তারিখের ঘটনা ২৬ বলে চালিয়ে দিচ্ছ কেন ?

--> একটা জরিপ চালায়া দেখ ? আপাতত সামুতেই .... মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস এদেশের মানুষ কার গলায় স্বাধিনতার বার্তা শুনেছে তা প্রমান হয়ে যাবে।

খালি তোমার মত কিছু ফাকিস্তানি দালাল পানি ঘোলা কইরা মজা নিতে চাও। কিন্তু এখন আর সেই দিনও নাই, উলটাপালটা কথা কইবা আর গদাম খাইবা।

--> তোমার মত লীগের সিজনাল দালালগুলাই পানি ঘোলা (না পুরা ইতিহাস ঘোলা কইরা ফালাইছ, শেখের বেটি আজ কান ২১ ফেব্রু্যারীর ছাত্র বিক্ষবেও তার বাপের আদেশ হিসেবে দেখেন) করতাছ। লীগ ক্ষমাতা ছাড়া হইলেই তোমার মত সিজনাল তৈলবাজগুলে আতসিকাচ দিয়াও খুইজা পাওয়া যাইব না।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: ঘাস......

২৭. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪১
লড়াকু বলেছেন: এই পোস্ট থেকে শিক্ষা - গ্যাড়াকলের সাথে প্যাচাল পাড়ার চেয়ে বাথরুমে গিয়া াল ফালানিও ভালো।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: খিকজ্........ :) অনেক আরমদায়ক। :)

২৮. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৫
ওরাকল বলেছেন: @নেড়াকু: যাও ঐটাই কর গিয়া ........ব্লগে আইছ কোন দুঃখে? বিকৃত ইতিহাসের স্থান কমডেই স্থান পাবার যোগ্য।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ঘাস.......

২৯. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৮
লড়াকু বলেছেন: গ্যাড়াকল, ঐটাই করতেছি, তবে ালগুলা ফালাইতেছি না, জমায়া রাখতেছি। তুমি যদি নেক্সট টাইম হা কর তাইলে মুখে ভইরা সেলাই করে দিব।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: বেশী হয়ে যাচ্ছে মনে হয়..... এইবার থামা উচিৎ।

৩০. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৪
লড়াকু বলেছেন: আমি থামলাম, টোটালি অফ। গ্যাড়াকলের কোন কথার রিপ্লাই আর দিচ্ছি না।

আপনার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখলাম।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৪
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: ওরাকলের মেশিনে লাথি দিয়া জিজ্ঞেস করি....... আপনি কি স্বাধীনতার একমাত্র ঘোষক জিয়া হত্যার বিচার চান?????
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: ওরাকল কই গেলা????????????????

৩২. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৩
ওরাকল বলেছেন: মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: ওরাকলের মেশিনে লাথি দিয়া জিজ্ঞেস করি....... আপনি কি স্বাধীনতার একমাত্র ঘোষক জিয়া হত্যার বিচার চান?????

--> জিয়া স্বাধিনতার একমাত্র ঘোষক নন। হত্যা সর্ব অবস্থাতেই ঘৃন্য ....বিচার না চাইবার কোন কারন আছে কি ?
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: জবাব পাওয়া গেছে।

৩৩. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৩
রিসাত বলেছেন: Sticky hole valo hoto....

ফেভারিটে........
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৬
ওরাকল বলেছেন: @লেখক :

আপনার পোস্টে উইকির যে লিংক দিয়েছেন তার ৩ নম্বর রেফারেন্স দেখেন :) (যা এম এ হন্নানের ঘোষনার রেফারেন্স) বলছে মুজিবের সেই মেসেজ ছিল ২৫ তারিখের । আবার জিয়ার ঘোষনাকে ২৬ তারিখ সন্ধা ৭:৪৫ দাবি করছে(যদিও আসলে তা ২৭ তারিখ হওয়া উচিত)।

সতরাং আমাদের ইতিহাস যে পুরাই ছেড়াবেড়া তা নিশচিত

26 th march is totally missing in all these references :( now we can talk about the date. is 26 the wright date of our independence declaration ?

the only Other option is 25.
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: তারিখে গুষ্টি মারি। জিয়া কি বলেছে অডিওটি শুনে ও তার লেখা দেখে তারপর বলেন। স্বাধীনতা দিবস ৭ মার্চ ২৬ মার্চ নাকি ৩০ মার্চ সেটা তুলে রেখে স্বাধীনতার ঘোষক কে সেটা আগে বের করেন।

৩৫. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২২
কালোজাম বলেছেন: ভাইরে.. ছবিটাতে হান্নান সাবের ঘুষনাটা দিল না কেন। এর পরিচালক বোধয় ছাগু।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: :``>>

৩৬. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: যারা এই কথা গুলো বলে ও বিশ্বাস করে তাদের জন্য রয়েছে ... সবুজ ঘাস।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ;)

৩৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৮
বাউল! বলেছেন: যারা চোখে ঠুলী বেঁধে রাখে তাদেরকে দেখানোর চেষ্টটা বৃথা, তবুও চেষ্টার জন্য ধন্যবাদ।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩৮. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫০
গরম কফি বলেছেন:

হে প্রভূ আমাকে তুমি এমন পাওয়ার দাও যাতে এই পোস্টে ১০০ টা + দিতাম পারি। আমি আপাদত ১ টা দিলিম । পাওয়ার পেলে বাকি গুলো দিব।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: আপনার একটাকেই ১০০টা ধরে নিলাম।

০৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪০. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৫০
ওরাকল বলেছেন: তারিখে গুষ্টি মারি। জিয়া কি বলেছে অডিওটি শুনে ও তার লেখা দেখে তারপর বলেন। স্বাধীনতা দিবস ৭ মার্চ ২৬ মার্চ নাকি ৩০ মার্চ সেটা তুলে রেখে স্বাধীনতার ঘোষক কে সেটা আগে বের করেন।


---> ২৫ শে মার্চ মুজিবের ঘোষনা থেকে শুরু করে জিয়ার ২৭ শে মার্চ মুজিবের ঘোষনা পর্যন্ত সবি মিলিয়ে ৭-৯ জন মুজিবের পক্ষে এই ঘোষনা পাঠ করেছেন (ষদিও প্রচার ও গুরুত্বের বিচারে জিয়ার ঘোষনাই জনপ্রিয়তম। আর এর গুরুত্বের কথা ও আপনার রেফারেন্সের অডিও টেপে স্বিকার করা হয়েছে। )। কিন্তু একা ব্যাক্তি মুজিবের পক্ষে এই ঘোষনা দেবার কোন আইনানুগ অধিকার ছিল না, ফলে ১৭ই এপ্রিল গনপরিষদ বাধ্য হয়েছে মুজিবের সেই ঘোষনাকে বৈধতা দান করতে যা আমাদের মুজিবনগর সরকারের ঘোষনা পত্রে বর্নিত হয়েছে।

ফলে চুড়ান্ত বিচারে গনপরিষদ সহ মুজিব, জিয়া ও সেই ৭-৯ জনের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সাধিনতা ঘোষনার ভাগিদার।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ওরাকল বলেছেন: ২৫ শে মার্চ মুজিবের ঘোষনা থেকে শুরু করে জিয়ার ২৭ শে মার্চ মুজিবের ঘোষনা পর্যন্ত সবি মিলিয়ে ৭-৯ জন মুজিবের পক্ষে এই ঘোষনা পাঠ করেছেন


আবাল আর কাকে বলে। আপনার সাথে তর্ক করার রুচিই নষ্ট হয়ে গেল। আপনি নিজেই বললেন ৭-৯ জন মুজিবের পক্ষে এই ঘোষনা পাঠ করেছেন। আবার বলছেন তারা প্রত্যেকেই স্বাধীনতার ঘোষনার ভাগিদার। কারো পক্ষে যদি কেউ কোন ঘোষনা দেয় তাহলে সে সেই ঘোষনার ভাগিদার কেমনে হয়?

৪১. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪০
রাজীব বলেছেন: ৭ই মার্চের পুর্ন ভাষনটি লিখার জন্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে সংগ্রহ করা হলো।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাজিব ভাই।

৪২. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৮
নজরুল ফরাজী বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
আমার হৃদয়ের কথা বলে দেবার জন্য।

আর আমি এক সময় এইসব ছাগুদের সাথে তর্ক করতাম কিন্তু এখন আর করিনা কারন আমি নিশ্চিত ওদের ------------ দোষ আছে।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: এই পোষ্টের পরও যারা বুঝবে না স্বাধীনতার ঘোষক কে তার ঘাস খাওয়া ছাড়া উপায় নাই। ধন্যবাদ।

০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৪. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭
ওরাকল বলেছেন: আবাল আর কাকে বলে। আপনার সাথে তর্ক করার রুচিই নষ্ট হয়ে গেল। আপনি নিজেই বললেন ৭-৯ জন মুজিবের পক্ষে এই ঘোষনা পাঠ করেছেন। আবার বলছেন তারা প্রত্যেকেই স্বাধীনতার ঘোষনার ভাগিদার। কারো পক্ষে যদি কেউ কোন ঘোষনা দেয় তাহলে সে সেই ঘোষনার ভাগিদার কেমনে হয়?


-->

১। নিয়ম ত্রানতিক ভাবে মুজিব একক সিদ্ধান্তে সাধিনতার ঘোষনা দিতে পারেন না। এর জন্য তার গনপরিষদের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল যা তিনি নেন নি। (উদাহরন হিসেবে ধরুন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান মায়ানমারের সাথে যুদ্ধ ঘোষনা করলেন। যদিও তিনি ৩ বাহিনীর সর্বাধীনায়ক ও রাষ্ট্রের ১নং নাগরিক তবু তাকে জাতিয় সংসদের অনুমতি নিতে হবে। তা হলে এখন এই যুদ্ধের ঘোষনা কে দিল ? রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান না কি জাতীয় সংসদ? )

২। মুজিবের মূল ঘোষনা হাজার খানেক বাঙ্গালীর কানে পৌছে ছিল কিনা সন্ধেহ। এই ঘোষনার বিস্তার, গ্রহনযোগ্যতা তৈরী ও বহিঃ বিশ্বে পৌছাতে সেই ৭-৯ জনের অবদান ও অনস্বিকার্য।


মূল কথা হল এই, কোন ব্যাক্তি চাইলেই কোন দেশের সাধিনতা ঘোষনা করতে পারে না, এর জন্য প্রয়োজন জন-প্রধিত্বমূলক সংগঠন ও তার নিঃশর্ত অনুমোদন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশসমূহের স্বাধিনতা ঘোষনার ঘটনা সমূহ ঘেটে দেখেন, সব খানেই এই রীতি অনুসরিত হয়েছে এবং এর কৃতিত ঘোষনা পত্র পাঠকারি থেকে শুরু করে ঘোষনাপত্র অনুমোদনকারী সেই জন-প্রধিত্বমূলক সংগঠনকেই দেয়া হয়েছে।


আমাদের দেশের মত কেউই একক কৃতিত্ব দাবি করছে না, রাষ্ট কোন ব্যাক্তি কেন্দ্রিক সংগঠন নয় আর এ কারনেই এর স্বাধিনতা ঘোষনা করাও কোন একক ব্যাক্তির পক্ষে সম্ভব নয়।

আশা করি আমার অবস্থান বুঝতে পেরেছেন।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ১. সত্যি বলতে, আপনার যুক্তি দেখে হাসি পাচ্ছে। আপনি নিজে নিজে আমার প্রশ্নগুলো নিয়ে একটু ভাবুন। জবাব দিতে হবে না। মুজিবের তিন বাহিনীর প্রধানকে কোথায় পাবে? মুজিব কি কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন? মুজিব কি রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে অন্য দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছিল? আপনার কি মনে হয় মুজিব পাকিস্তানের সংসদ থেকে অনুমুতি নিয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করা উচিৎ ছিল?


আপনি বলেছেন...২। মুজিবের মূল ঘোষনা হাজার খানেক বাঙ্গালীর কানে পৌছে ছিল কিনা সন্ধেহ। এই ঘোষনার বিস্তার, গ্রহনযোগ্যতা তৈরী ও বহিঃ বিশ্বে পৌছাতে সেই ৭-৯ জনের অবদান ও অনস্বিকার্য।

আপনার সাথে আমি একমত। এখন বলুন, মন্ত্রিপরিষদ সিদ্ধান্ত নিল ঘড়ির কাটা ১ ঘন্ট এগিয়ে/পিছিয়ে দেওয়া হবে। সেই খবর আমারা পেলাম একুশের টিভির খবর থেকে। একুশে টিভির বার্তবিভাগের প্রধান, ক্যামেরা ম্যান, সংবাদতা, সংবাদ পাঠক সবার চেষ্টায় আমারা খবরটি পেলাম। এখন কি আমার বলা উচিৎ ঘড়ির কাটা এগিয়ে পিছিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তের জন্য একুশে টিভির বার্তবিভাগের প্রধান, ক্যামের ম্যান, সংবাদতা, সংবাদ পাঠক সবাই এই সিদ্ধান নিয়েছে?
সিদ্ধান্ত তো নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। মিডিয়া শুধু প্রচার করেছে। আপনি যে ৭-৯জন এর কথা বলছেন তারাও শুধু প্রচার করেছে। এখন বুঝা গেছে?

৪৫. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৬
রাহা বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।
যে ঘুমিয়ে আছে তাকে আপনি ডেকে ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন আর যে ঘুমের ভান করে আছে তার ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন না ।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। তারা ঘুমের ভান করে পড়ে থাকুক। আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুক। ধন্যবাদ।

৪৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৩০
সোহেল মাহমুদ বলেছেন: ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি ২৭ তারিখ জিয়া রেডিওতে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করেছে। কিন্তু এখন কিছু স্বার্থন্বেষি লোকের থেকে প্রতিনিয়ত টিভিতে শুনি অই তারিখ নাকি ২৬।

জিয়া অই ঘোষনাপত্রের পাঠক ছিলেন, অই পাঠক আর পত্রের মালিক কি এক হতে পারে?

সত্যকে মেনে নেয়া বাংগালি জাতির একটি অংশের জন্য সবসময় কঠিন।তারা সবসময় নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখে তাই সত্য তারা জানলেও স্বিকার করে না।

পোষ্ট প্রিয়তে
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: সত্যকে মেনে নেয়া বাংগালি জাতির একটি অংশের জন্য সবসময় কঠিন।তারা সবসময় নিজের স্বার্থকেই বড় করে দেখে তাই সত্য তারা জানলেও স্বিকার করে না।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: সন্দুর কথা বলেছেন। ধন্যবাদ।

৪৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
ওরাকল বলেছেন: লেখক বলেছেন:

মুজিবের তিন বাহিনীর প্রধানকে কোথায় পাবে? মুজিব কি কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন? মুজিব কি রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে অন্য দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছিল? আপনার কি মনে হয় মুজিব পাকিস্তানের সংসদ থেকে অনুমুতি নিয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করা উচিৎ ছিল?

--> মুজিব কিন্তু একটি নির্বাচিত জন-প্রতিনিধীত্বশীল দলের নেতৃত্বে ছিলেন এবং তার এই ঘোষনা ঐ দলের সর্বোচ্চ কমিটির পক্ষ থেকেই হওয়া উচিত ছিল, যা আদলে হয় নি বা (আর হলেও, ঘোষনায় এটা উল্লেখ ছিল না।)

আর এই ভূলটিই সংসধিত হয়েছে ১৭ই এপ্রিলের ঘোষনা পত্রে, সেখানে লক্ষ করবেন, মুজিবের স্বাধিনতার ঘোষনাটিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে (সমর্থন নয়)।

সমর্থন দেয়া আর অনুমোদন দেয়ার পার্থক্য নিশ্বচই বোঝেন? সুতরাং স্বাধিনতা ঘোষনার কৃতিত্ব ঐ গনপরিষদের। আপনাদের ভাষায় বলতে গেলে মুজিব ও ঐ ৮-৯ জন মুলত স্বিদ্ধান্তটির প্রচারকারি। (তবে সবাইকেই আমি এই কৃতিত্বের অংশিদার মনে করি)।

এখন অনেকেই হয়ত গনপরিষদের লিগেলিটি নিয়ে প্রশ্ন করবেন। জবাব এই, লিগেলিটি না থাকলে মুজিব কি ভাবে পাকিস্তানের অধিনে নির্বাচিত হয়েও স্বাধিন বাংলাদেশের রাষ্টপতি ও গনপরিষদের সদস্যরা জাতিয় সংসদের সদস্য হলেন?




মন্ত্রিপরিষদ সিদ্ধান্ত নিল ঘড়ির কাটা ১ ঘন্ট এগিয়ে/পিছিয়ে দেওয়া হবে। সেই খবর আমারা পেলাম একুশের টিভির খবর থেকে। একুশে টিভির বার্তবিভাগের প্রধান, ক্যামেরা ম্যান, সংবাদতা, সংবাদ পাঠক সবার চেষ্টায় আমারা খবরটি পেলাম। এখন কি আমার বলা উচিৎ ঘড়ির কাটা এগিয়ে পিছিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তের জন্য একুশে টিভির বার্তবিভাগের প্রধান, ক্যামের ম্যান, সংবাদতা, সংবাদ পাঠক সবাই এই সিদ্ধান নিয়েছে?
সিদ্ধান্ত তো নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। মিডিয়া শুধু প্রচার করেছে। আপনি যে ৭-৯জন এর কথা বলছেন তারাও শুধু প্রচার করেছে। এখন বুঝা গেছে?


--> ঠিক বলেছেন :) এই কৃতিত্ব কিন্তু প্রস্তাবের পাশকারী মন্ত্রী পরীষদের, প্রাধানমন্ত্রীর একার নয় বা প্রস্তাবকারীর ও নয় (শেখ হাসিনা/বিদ্যুত সচিব-মন্ত্রী কিন্তু এর কৃতিত্ব দাবি করছে না করছে আওয়ামী মন্ত্রীপরিষদ তথা সরকার।)। সুতরাং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার কৃতিত্ব যে শেখ মুজিবের একার নয় তা বুঝতে ত এখন আপনার কষ্ট হওয়া উচিত নয়।

আর এখনকার স্বাধিন মিডিয়া (একুশে টিভি) র সাথে তখনকার তুলনা চলেনা। ঘোষনাটি জনগনের কাছে পৌছাতে ঐ ৭-৯ জনের নেয়া ঝুকির মাত্রা ও বিবেচনায় নিন, প্রচার না পেলে ঐ ঘোষনা যে মূল্যহীন হয়ে পরত তা না বললেও চলে।


সুতরাং সকলকেই যার যার কৃত কর্মের প্রাপ্য স্বিকৃতি দেয়া উচিত। স্বাধিনতা ঘোষনার কৃতিত্ব এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে দিলে কারো ভাগে কম পড়বেনা বরং অন্যদের অবদান অস্বিকার করে পুরটা একজনের পকেটস্থ করলেই ইতিহাসের বিকৃতি ঘটবে।
৪৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৮
দাসত্ব বলেছেন: একটা প্রশ্নের জবাব দিতে পারবেন দয়া করে ?

বিছ্ছিন্নতা বাদী যাতে কেউ না বলতে পারে সেই জন্য শেখ মুজিব নাকি ৭ ই মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন নাই ।

মাঝখানের এতো গুলো দিন এ যে পাকিস্তানি জেনারেলরা এতো সৈন্য আর অস্ত্র গোলা বারুদ জমা করলো শেখ মুজিব চুপ ছিলো কেন ?

কোনো প্রতিবাদ না করে ক্ষমতা নিয়ে এতো আলোচনা কিসের ?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: পাকিস্তানীরা যে ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা চালাবে আগে থেকে এমন তথ্য কি কেউ প্রকাশ করতে পেরেছিল কিংবা ভাবতে পেরেছিল? এটা তো পাকিস্তানীদের একটি গোপন পরিকল্পনা, তাই না? নাকি ওরা বলেছিল আমরা ২৫মার্চ থেকে গণহত্যা চালাব? যতসব আজগুবি গাঁজা খোরি কথাবার্তা।

৫০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
দাসত্ব বলেছেন: আজগুবি গাজাখুরি কিছু বললাম কিনা সেটা অন্য ব্লগাররাও বুঝবেন?

শেখ মুজিব ২৩ বছর রাজনীতি করে ৭১ লেভেল এ আসছে ,
শেখ মুজিব খবর পাইতেছে পান্জাবি সৈন্য আর গোলাবারুদ আসতেছে , কিন্তু কিছুই বুঝে নাই ক্লাস ফাইভ এর বাচ্চার মতো

এইটাই গাজাখুরি লাগতেছে।
৫১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন: হুম । কিন্তু ৭ তারিখে বা তার পর পর যদি স্বাধীনতা ঘোষনা করা হত, তাহলে ২৫শে মার্চ বা তারপরের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ কি ঠেকানো যেত না ?

আমরা তো প্রস্তুতি নিতে পারি নি, তার আগেই হামলা হয়েছে । পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাবার পরে লড়াই করে স্বাধীনতা এসেছে । ২৫শে মার্চের রাতে পরে স্বাধীনতার ঘোষনার কোন এত মূল্য আছে কি না , সেটাই প্রশ্ন - প্রতিরোধ গড়ে উঠতই - কেউ ঘোষনা দিক আর না দিক । বেতার ঘোষনা গুলো সংঘবদ্ধ করে উঠতে সহায়তা করেছে মুক্তিযোদ্ধাদের [বা তখন কার দিশেহারা মানুষদের] । স্বাধীনতার ঘোষনা ছিল 'essential' but not 'vital' ।

স্বাধীনতার প্রায় ৩০ বছর পরে জন্মেছি বলে এই খানে কিছু ব্যাপার বড় ঘোলাটে । সত্য জানার চেষ্টা করে যাচ্ছি অবিরাম । :(
১৩ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫২. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন: একটা ভুল করে ফেলেছি । :`>

স্বাধীনতার প্রায় ৩০ বছর পরে জন্মেছি বলে এই খানে কিছু ব্যাপার বড় ঘোলাটে ।


২০ হবে । যোগ বিয়োগ ভুল করলাম !! :||
১৩ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: :)

৫৩. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০১
কিপটে বলেছেন: হ জাতীর এই ক্লান্তি লগ্নে আপ্নেরাত দেখি বর্তমান সময়ের অতান্ত্য গুরুত্ব পূর্ণ হিস্যূ নিয়া ..............
২১ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: কিপটামী কইর না।

৫৪. ২১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
কথক পলাশ বলেছেন: প্রিয়তে। চমৎকার পোস্ট।
২১ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৫. ২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১১
শারিফ বলেছেন: যে মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে তার জন্ম পরিচয় নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।
২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: যে জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে তার ১৪ গুষ্টির জন্মপরিচয় নিয়ে সন্দেহ আছে। তাদের জন্ম হইছে কুত্তার বীর্য থেকে।

২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৭. ৩১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩১
কে জানে বলেছেন: টিভি তে জারা খবর পরে অরাই মনে হয় সবচেয়ে আসল লুক......বাকিরা হুদাই.........।আমার ৩ বসর বয়সি ভাতিজার তাই মত......।অ ত আর পরিচালক কে দেখে না বুঝে অ না...।অর কাসে খবর পাঠক ই সব......।কেউ কেউ আছে জাদের বয়স সবসময় ৩.........।।আসুন আমরা অইসব বয়স্ক সিসুদের মুখে হিশু করি.........
৩১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: হা হা হা........ :)

৫৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০০
নেটওয়ার্ক-এর বাইরে থেকে বলেছেন: ''এই পোষ্টের সকল লেখা ও লিংক দেখার পরও যদি বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার না হয় তাহলে বুঝতে হবে আপনি একটি তৃতীয় শ্রেণীর আবাল। আপনার পক্ষে কখনই স্বাধীনতার ঘোষক কে জানা সম্ভব হবে না। সুতরাং স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কখনও কথা না বলে দয়া করে ক্ষেতে গিয়ে ঘাস খাওয়াই আপনার জন্য উত্তম কাজ।''----বোঝা গেছে জিনিসটা???
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: :)

৫৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০১
ফেরদৌস মিথুন বলেছেন: রাহা বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।
যে ঘুমিয়ে আছে তাকে আপনি ডেকে ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন আর যে ঘুমের ভান করে আছে তার ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন না ।

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। তারা ঘুমের ভান করে পড়ে থাকুক। আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুক। ধন্যবাদ।


পোস্ট প্রিয়তে
৬০. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৯
উদাসীফাহিম বলেছেন: ভাইরে আগে ঠিক কর কাকে ঘোষক বানাবে।
এতদিন শুনেছি বাল রা বলেছে মান্নান নামক একজন ঘোষণা করেছে।
এর পর হল ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে নাকি ঘোষণা দিছেন মুজিব।
এখন ৭ মার্চ। আগে একটি ঠিক করুন কোন মিথ্যা নিয়ে প্যাচাল পারবেন। তারপর আসুন।
আর ড,কামাল এখন জীবিত তাকে জিজ্ঞাসা করুন ত ২৫ তারিখে মুজিব কোন ঘোসনা বা প্রচারপত্র দিয়েছেন কী না?
উনি সবশেষে মুজিবের বাড়ী থেকে বের হয়েছিলেন ২৫ তারিখে
৬১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৩
উদাসীফাহিম বলেছেন: ুজিব স্বাধিনতা ঘষণা করে যুদ্ধ শুরু না করে কেন আলোচনা ছালিয়ে যাচ্ছিলেন? এক সঙ্গে গাজা খেতে নাকি মদ খেতে? অবশ্য অই ভুট্টো নামের জানোয়ারটা মদ খেত বেশি। মুজিব মদে ডুব দিতে আলোচনা নামের আড্ডা চালিয়েছিলেন?
৬২. ১১ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:৪৫
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: লড়াকু বলেছেন: @গ্যাড়াকল, জিয়া তো ঐ ঘোষণা পাঠ করছিল ২৭ তারিখ সন্ধ্যায়, সেই হিসাবে স্বাধীনতা দিবস হওয়ার কথা ২৭শে মার্চ। সাহস থাকলে একবার কও তো দেখি ২৭শে মার্চই আসলে স্বাধীনতা দিবস? ২৬শে মার্চ শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়া বাংলাদেশের মানুষের মনে কোন সন্দেহ আগেও ছিল না, এখনো নাই। খালি তোমার মত কিছু ফাকিস্তানি দালাল পানি ঘোলা কইরা মজা নিতে চাও। কিন্তু এখন আর সেই দিনও নাই, উলটাপালটা কথা কইবা আর গদাম খাইবা।
৬৩. ২৫ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৯
জীবনকেসি বলেছেন: জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন। এটা কেউ অস্বীকার করে না। কিন্তু আজ চল্লিশ বছর পর এটা নিয়ে সংসদ, রাজপথ, আদালত, চা দোকান আমাদের প্রিয় ব্লগে গালাগাল করলে চালের দাম কমবেনা, লোডশেডিং কমবেনা।
শেখ মুজিব এই জাতির প্রিয় নেতা। অকারণে তাকে নিয়ে টানাটানি করলে তার আত্মা কষ্ট পাবেন।
পক্ষে বিপক্ষের সকলকে ধন্যবাদ।
দেশের মানুষের কথা ভাবুন।
৬৪. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৯
জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন: স্বাধীনতা ঘোষণা প্রশ্নে আমার কোন মন্তব্য নেই ! কারণ আমরা জানি এবং মুজিবকে সম্মান করি কিন্তু যারা এই ব্লগে জিয়ার সম্পকে অদ্ভুদ সব মন্তব্য করেছেন তারা কি আদৌ কিছু জানেন ?
ধন্যবাদ জীবনকেসি : সহমত ।
৬৫. ২২ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৩৪
নাওেয়দ বলেছেন:
প্রশ্ন: দেশ কি স্বাধীন?
উত্তর: হ্যা, স্বাধীন।


প্রশ্ন: এই লেখক কি?
উত্তর: মুজিব-জিয়ার স্বাধীন করা দেশের একজন সুবিধাভোগী।


প্রশ্ন: গালি দিয়ে বললেই কি কেউ বড় হয়ে যায়?
উত্তর: (লেখকের বিবেকের কাছে তুলে ধরলাম)


প্রশ্ন: জাতিকে দুই ভাগ করে লেখকের কি লাভ?
উত্তর: উনার লেখাতে আমরা কমেন্ট করছি দেখেই তার শান্তি। ইংরেজিতে সম্ভবত "wannabe" বলে একটা term আছে, যা ওনার ক্ষেত্রে বেশ প্রযোয্য


প্রশ্ন: স্বাধীনতা পেয়ে আমরা কি করছি?
উত্তর: কে স্বাধীনতায় বড় ভুমিকা রেখেছিল, ৪০ বছর ধরে এই নিয়ে ঝগরা করছি।


প্রশ্ন: দেশের জন্য আমরা কি করেছি?
উত্তর: আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, গত ৭ বছরে আমি কোনও বাংলাদেশী গান ডাউনলোড করিনি। সব সিডি কিনেছি। কারন, আমি আমার দেশীয় সংস্কৃতিকে বড্ড ভালবাসি
৬৬. ২২ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৫৭
নাওেয়দ বলেছেন:
প্রশ্ন: দেশ কি স্বাধীন?
উত্তর: হ্যা, স্বাধীন।


প্রশ্ন: এই লেখক কি?
উত্তর: মুজিব-জিয়ার স্বাধীন করা দেশের একজন সুবিধাভোগী।


প্রশ্ন: গালি দিয়ে বললেই কি কেউ বড় হয়ে যায়?
উত্তর: (লেখকের বিবেকের কাছে তুলে ধরলাম)


প্রশ্ন: জাতিকে দুই ভাগ করে লেখকের কি লাভ?
উত্তর: উনার লেখাতে আমরা কমেন্ট করছি দেখেই তার শান্তি। ইংরেজিতে সম্ভবত "wannabe" বলে একটা term আছে, যা ওনার ক্ষেত্রে বেশ প্রযোয্য


প্রশ্ন: স্বাধীনতা পেয়ে আমরা কি করছি?
উত্তর: কে স্বাধীনতায় বড় ভুমিকা রেখেছিল, ৪০ বছর ধরে এই নিয়ে ঝগরা করছি।


প্রশ্ন: দেশের জন্য আমরা কি করেছি?
উত্তর: আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, গত ৭ বছরে আমি কোনও বাংলাদেশী গান ডাউনলোড করিনি। সব সিডি কিনেছি। কারন, আমি আমার দেশীয় সংস্কৃতিকে বড্ড ভালবাসি
৬৭. ২২ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৫৭
নাওেয়দ বলেছেন:
প্রশ্ন: দেশ কি স্বাধীন?
উত্তর: হ্যা, স্বাধীন।


প্রশ্ন: এই লেখক কি?
উত্তর: মুজিব-জিয়ার স্বাধীন করা দেশের একজন সুবিধাভোগী।


প্রশ্ন: গালি দিয়ে বললেই কি কেউ বড় হয়ে যায়?
উত্তর: (লেখকের বিবেকের কাছে তুলে ধরলাম)


প্রশ্ন: জাতিকে দুই ভাগ করে লেখকের কি লাভ?
উত্তর: উনার লেখাতে আমরা কমেন্ট করছি দেখেই তার শান্তি। ইংরেজিতে সম্ভবত "wannabe" বলে একটা term আছে, যা ওনার ক্ষেত্রে বেশ প্রযোয্য


প্রশ্ন: স্বাধীনতা পেয়ে আমরা কি করছি?
উত্তর: কে স্বাধীনতায় বড় ভুমিকা রেখেছিল, ৪০ বছর ধরে এই নিয়ে ঝগরা করছি।


প্রশ্ন: দেশের জন্য আমরা কি করেছি?
উত্তর: আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, গত ৭ বছরে আমি কোনও বাংলাদেশী গান ডাউনলোড করিনি। সব সিডি কিনেছি। কারন, আমি আমার দেশীয় সংস্কৃতিকে বড্ড ভালবাসি
৬৮. ২২ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৫৭
নাওেয়দ বলেছেন:
প্রশ্ন: দেশ কি স্বাধীন?
উত্তর: হ্যা, স্বাধীন।


প্রশ্ন: এই লেখক কি?
উত্তর: মুজিব-জিয়ার স্বাধীন করা দেশের একজন সুবিধাভোগী।


প্রশ্ন: গালি দিয়ে বললেই কি কেউ বড় হয়ে যায়?
উত্তর: (লেখকের বিবেকের কাছে তুলে ধরলাম)


প্রশ্ন: জাতিকে দুই ভাগ করে লেখকের কি লাভ?
উত্তর: উনার লেখাতে আমরা কমেন্ট করছি দেখেই তার শান্তি। ইংরেজিতে সম্ভবত "wannabe" বলে একটা term আছে, যা ওনার ক্ষেত্রে বেশ প্রযোয্য


প্রশ্ন: স্বাধীনতা পেয়ে আমরা কি করছি?
উত্তর: কে স্বাধীনতায় বড় ভুমিকা রেখেছিল, ৪০ বছর ধরে এই নিয়ে ঝগরা করছি।


প্রশ্ন: দেশের জন্য আমরা কি করেছি?
উত্তর: আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, গত ৭ বছরে আমি কোনও বাংলাদেশী গান ডাউনলোড করিনি। সব সিডি কিনেছি। কারন, আমি আমার দেশীয় সংস্কৃতিকে বড্ড ভালবাসি

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬২৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভুলভাল লেখার মাধ্যমে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করি মাত্র। এই লেখকের লেখায় শিল্পগুণ খুঁজতে গেলে আপনি দারুন ভাবে আশাহত হবেন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই