somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জনাব আবেদ খান, আপনিও বিক্রি হয়ে গেলেন?

২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জনাব আবেদ খান, বাংলাদেশে সাহসী সাংবাদিকতা যারা করতেন তাদের মধ্যে আপনাকে অন্যতম মনে করতাম। আপনার লেখা পছন্দ করতাম। আপনাকে শ্রদ্ধা করতাম। আপনি বিভিন্ন সময় দেশ সেরা কিছু পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। যার মধ্যে যুগান্তর, ভোরের কাগজ অন্যতম। এরপর আপনার কি থেকে কি হয়ে গেল বসুন্ধরা গ্রুপের মুখপাত্র, পুঁজিবাদি ও ভূমিদস্যুর কণ্ঠস্বর দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক হিসবে যোগ দিলেন। আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম আবেদ খান যেহেতু কালেরকণ্ঠের সম্পাদক হচ্ছেন সেহেতু আশা করা যায় পত্রিকাটি নিরপেক্ষতা নিশ্চয় কিছু না কিছু বজায় রাখতে পারবে। কিন্তু বিধিবাম, আমরা হতবাক হয়ে দিনের পর দিন দেখলাম আবেদ খান নামক কলম সৈনিকটি বসুন্ধরা গ্রুপের একজন কেনা গোলাম হয়ে গেল। বসুন্ধরার গ্রুপের কন্ঠের সাথে আবেদ খানের কন্ঠের কোন আমিল খুঁজে পেলাম না। টাকার কাছে সারাজীবনের নীতিবোধ বিক্রি করে দিলেন। কালেরকণ্ঠের জন্মই হয়েছিল প্রথম আলোর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করার জন্য। প্রথম আলোর দোষ হলো সরকারের সাথে সমঝোতা করে বসুন্ধরার পার পেড়ে যাওয়ার কথা ফাঁস করে দিয়েছিল। আর এই কারণে প্রথম আলোকে শায়েস্তা করার জন্য পত্রিকাটির জন্ম। আর জন্ম থেকেই তারা নানান রকম কল্পকাহিনী প্রকাশ করে যাচ্ছে। প্রথম আলো সম্পাদক নাকি ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত। এই আজব ঘটনাটি কেউ কোনদিন চিন্তা করেনি এবং বাংলাদেশের অন্যকোন পত্রিকা বা মিডিয়াতেও আসেনি। শুধুমাত্র বসুন্ধরা গ্রুপের দুটি পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিন ও কালেরকণ্ঠ ছাড়া। প্রথম আলে এই খবরগুলো দিনের পর দিন সহ্য করে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত প্রেস কাউন্সিলে মামলা করতে বাধ্য হয়েছে। প্রেস কাউন্সিলের নোটিশে পত্রিকার দুটির সম্পদক ও প্রকাশককে আগামী ১৪ নভেম্বর বেলা ১১টায় প্রেস কাউন্সিলের বিচার কমিটির সামনে হাজির হয়ে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এবার কি হবে জানব আবেদ খান?

আপনি তো অনেক আগেই পচে গলে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে গেলেন। এবার যদি আপনি এই মামলায় হেরে যান তবে আপনার অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।



Click This Link
১৯টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×