বঙ্গবন্ধু একজন যুদ্ধাপরাধী। বঙ্গবন্ধুর কারণে এই দেশে ৭১-এ যুদ্ধ হয়েছিল এবং ৩০ লক্ষ মানুষ আত্মত্যাগে বাধ্য হয়েছিল! দুই লক্ষ মা-বোন উজ্জত হারিয়েছিল। স্বাধীনতার ডাক না দিয়ে পাকিস্তানীদের পদলেহন করলে এতগুলো মানুষের জীবন যেত না এবং বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নষ্ট হতো না। সুতরাং এই দেশে যুদ্ধাপরাধীর শিরোমনি হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমরা তাঁর মরোনত্তর বিচার চাই।
কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহজাহানের দাবি, ‘কাদের সিদ্দিকী একজন যুদ্ধাপরাধী। তাই তাঁর বিচার হওয়া উচিত।’ সূত্র: View this link
কাদের সিদ্দিকি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণীত হয়ে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মু্ক্তিযুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কাদের সিদ্দিকি কে ''বীরউত্তম'' খেতাব দিয়ে সম্মানিত করেছেন। কাদের সিদ্দিকিই একমাত্র বেসামরিক ব্যক্তি যিনি এই খেতাব পেয়েছেন। কাদের সিদ্দিকি অন্যদের মতো ভারতে বসে যুদ্ধ পরিচালনা করেননি। ঢাকার খুব নিকটের জেলা টাংঙ্গাইলে বসে, বলতে গেলে শত্রুর নাকের ডগায় বসে যুদ্ধ করেছেন। তিনি এইসব বিরত্বপূর্ণ অবদানের কারণে ''বঙ্গবীর' নামে পরিচিত। বঙ্গবীর এই দেশে একজনই, তিনি কাদের সিদ্দিকি। সেই কাদের সিদ্দিকি যদি যুদ্ধাপরাধী হয় সেই হিসেবে তার লিডার বঙ্গবন্ধু সবচে বড় যুদ্ধাপরাধী।
কাদের সিদ্দিকি আজ যুদ্ধাপরাধী। কারণ তিনি এখন ''হাসিনা লীগ'' করেন না। তিনি হাসিনা লীগের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বলেন।
বিদ্রোহী কবির লেখা মনে পড়ে যায়-
বন্ধুগো আর বলিতে পারিনা বড় বিষ জ্বালা এই বুকে
দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি তাই যাহা আসে কই মুখে,
রক্ত ঝড়াতে পারিনাকো একা তাই লিখে যাই রক্ত লেখা।
এই ভুইফোঁড় শওকত মোমেন শাহজাহানেরা যদি আজ ''হাসিনা লীগের'' মধ্যে গিজগিজ করছে। কারণ তারা এইসব কথা বলে পুরষ্কিত হন। তারাই একদিন এই দল পরিচালনার ভার গ্রহন করবেন। এবং একদিন তারাই যুদ্ধাপরাধী বঙ্গবন্ধুকে বিচারের কাঠগড়ায় তুলবেন সেইদিন বেশী দূরে নয় (যদি না এখনি আগাছা পরিষ্কার করা না হয়।)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


