আমরা জাতির পিতাকে দলিত, পতিত করে আমাদের স্বার্থ উদ্ধার করি।
আমরা আওয়ামীলীগ।
নির্লজ্জ, বেহায়া, হিংসুক জাতির সু-সন্তানদের অবমূল্যায়নকারী নেত্রী শেখ হাসিনার ব্যাক্তি আক্রোশের স্বীকার ডঃ ইউনুস। শেখ হাসিনার ধারণা বিশ্ববাসী আর কিছুদিন পর হয়তো বাংলাদেশ বলতে ডঃ ইউনুসের বাংলাদেশ বুঝবে। তাই ডঃ ইউনুসের চরিত্রকে ধূলায় মিশিয়ে দিতে হবে।
তার বিরুদ্ধে জুতা চুরি, মোবাইল চুরির মামলা দিতে হবে।
মাথা মোটা শেখ হাসিনা ৯৬ এ ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সম্মান জানাতে বাধ্য করে সংসদে বিল পাশ করে। পরবর্তিতে ব্যাপক সমালোচনার মুখে বিলটি প্রত্যাহার করা হয়।
গ্রামীণ ব্যাংকের সাথে ডঃ ইউনুসের সম্পর্ক ছিন্ন করতে এবার বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মুহিতরে মাঠে নামাইছে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। ভুলে যাবেন না অর্থ মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে যথাক্রমে ৭৮ এবং ৬৬ বছরের দুজনকে বসাইয়া রাখছেন।
গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রপতি পদে আপনার দল থেকে মনোনয়োন দিসেন বায়োজোষ্ঠ, বয়সের ভারে ন্যুজপ্রায় শ্রদ্ধেয় জিল্লুর রহমানকে।
একটা ছবি দেখুনঃ
যায় হোক পরিশেষে জোড় দাবি জানায় বঙ্গবন্ধুকে বাঁচিয়ে রাখার এ মহতী উদ্যেগের জন্য ছাত্রলীগের এ নেতাকে ডঃ ইউনুসের নোবেলটি দিয়া দেয়ার ঘোষণা দেয়া হোক এবং এটা উদ্ধারের দায়িত্ব দেয়া হোক ছাত্রলীগকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


