আগামীকাল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী আজকের ডিজিটাল বাঙলাদেশের রূপকার, মেঘনা-গোমতী যমুনা সেতুর স্বপ্নদ্রস্টা শেখ কামাল- হাসিনাদের সফল জনক, আমিরুল মোমেনিন খলিফাতুল মুসলেমিন বাঙালী জাতীর পিতা (বাংলাদেশীদের নয়) শেখ মুজিবের মৃত্যু দিবস তথা কোটি বাঙালীর শোক দিবস। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমাদের চরম ও পরম বন্দ্বু ভারত এই শোকের দিনেই তাদের বিজয় দিবস পালনের নামে আনন্দ উৎসব / কুচকাওয়াজ করে শোক দিবস তথা হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালীর অপমান করছে। তাই হাজার বছরের সকল বাঙালীর দাবী, ভারত কে ১৫ আগস্ট তাদের জাতীয় দিবস পরিবর্তন করতে হবে। উল্লেখ্য ১৯৪৭ এর ১৪ আগষ্ট পাকিস্তান ভারত উভয় দেশ স্বাধিনতা লাভ করলেও অজ্ঞাত কারনে ভারত ১৫ই আগস্ট তাদের জাতীয় দিবস পালন করে। বাঙালী সম্প্রদায় তাদের এই জাতীয় দিবস পালনকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালীর প্রতি অবজ্ঞা, অসম্মান ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র বলে মনে করে। দিনে দিনে শেখ মুজিবের মহামানব হয়ে উঠার কারনে নিছক বিদ্বেষবশতঃ ভারত তাকে অপমান করার হীন প্রচ্স্টোর অংশ হিসেব জাতীয় দিবস পালন করছে। অথচ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই মহামানবের চেয়ে কোন কিছুই ইম্পর্টেন্ট হতে পারেনা!
আমরা পররাস্ট্রমন্ত্রী যাদুমনি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ কূটনৈতিক প্রচেস্টার মাধ্যমে ভারতকে তাদের জাতীয় দিবস পরিবর্তনে বাধ্য করা হউক। শুধু তাই নয় এই শোকের দিনে কারো জম্মদিন পালন / শিশুর জম্ম গ্রহন চীরতরে নিষিদ্ব করা হউক। সারা দেশে শোকের আবহ তৈরী করতে র্যা ব, পুলিশ ও ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামিলীগ দিয়ে ঠেঙ্গিয়ে কিছু লাশ ফেলার ব্যবস্থা করা হউক। তাছাড়া বিএসএফ কে দিয়ে সিমান্তে কাটাতারে আরো কিছু ফেলানী কে ঝুলানো গেলে শোকের ষোলকলা পূর্ন হতো।
এদিকে শোকদিবস পালন উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মুজিব আদর্শের সৈনিকরা বিশেষ কিছু কর্মসূচী হাতে নিয়েছেঃ
১. শোক পালনের স্বার্থে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে লাঠি খেলা বন্দ্বুকযুদ্ব হবে, এক গ্রুপ অপর গ্রুপ কে উঁচু দালান থেকে ছুঁড়ে ফেলবে।
২. শোক দিবস উপলক্ষ্যে ব্যাপক চাঁদাবাজি হবে এবং তার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কামড়াকামড়ি তে ২/১ জন মুজিবসেনা আত্মাহুতি দেবে।
৩. যুবলীগ গত বছরের ন্যায় এবারও তাদের সকল কার্যালয়ে গনধর্ষনের কর্মসূচী পালনের চেস্টা করবে।
৪. ইডেন ছাত্রলীগ আওয়ামী মন্ত্রী/এমপি/নেতাদের বাসায় বিশেষ উপঢৌকন পাঠাবে।
৫. স্বরাস্ট্রমন্ত্রী সাহাড়া খাতুনের হোটেল ইম্পেরেয়ালে যথারীতি শোকাহত জনতা কে টাকার বিনিময়ে বিশেষ সেবাদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
৬. শোক দিবসে ইফা কর্তৃক "ব্যালে ডান্স" আয়োজনের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



