এসএসসির আগে রাত জাগা হতো। পাশের বাড়ির সহপাঠী হাকিমকে নিয়ে মাঝে মাঝে বের হতাম। কিন্ত সেরকম কিছূ চোখে পড়েনি। কিন্ত শরৎচন্দ্রে র মত লোক ও এই জিনিস এর অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন। কলেজে পড়ার সময় গভীর রাতে চা খাবার পর আমরা একটি মফস্বল শহরের শ্মশান, ঘন জঙ্গল, নদীর ধার এফোঁড় ওফোঁড় করে ফেলতাম। সঙ্গী ছিলো বন্ধু সৈকত।
কিন্ত ঢাকাতে নাকি কয়েকটি স্থানে ভূতের উপদ্রব আছে।
নারিন্দার আর্মেনীয় কবরস্থানে নাকি একটা মেয়ে ভুতের অবয়ব দেখতে পাওয়া যায়। একটি লেখায় পড়েছিলাম। রেজোওয়ানা আপুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন সন্ধায় নাকি গন্জিকাসেবী প্রেতদের আড্ডা সেটা। যাহোক একদিন সেখানে যেতে চাই।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মন্দিরের পাশে একটা জায়গা আছে সেখানে নাকি দিনের বেলাতেও কেউ যায় না। সেখানে নাকি মাথা কাটা এক বদমাশ ঘুরে বেড়ায়। কোন আড্ডায় একথা শুনে ছিলাম। সেখানে অবশ্য যাওয়ার কোন উপায় নাই ওই এলাকা ঘোরাফেরা করা একটা মান সম্মানের ব্যাপার।
বাকী থাকলো চারুকলার পুকুরের কথা। সেখানে নাকি অমাবশ্যা বা পুর্নিমার রাতে খিল খিল হাসির শব্দ শূনতে পাওয়া যায়। এই মিথ অবশ্য বাংলাদেশের সব পুকুরকে নিয়ে শোনা যায়। কারন হলো পুকুরে পানি আসতো না, একদিন পুকুরওয়ালার [ধরুন জমিদারের] কণ্যা পুকুরে খেলতে নেমেছে আর সাথে সাথে পানি এসে ভরে গেছে।
যাহোক চারুকলার পুকুরে কোন পানি নাই। সেখানে অনেক গন্জিকাসেবী মেয়ে থাকা সত্বেও কেন আজও পানি এলো না বুঝলাম। আমার জানা মতে ভুতেরা গাঁজা খায়না।
চারুকলার পুকুরে একদিন থাকতে চাই। আগ্রহীরা তাদের আগ্রহ জানাতে পারেন। আর কোথায় ভুতের দেখা পেতে পারি জানালে কৃতার্থ হবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


