জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিশোধ নিতে শিবির যেকোন মুহূর্তে ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে বড় ধরণের হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে। এ লক্ষ্যে তারা সারাদেশে অস্ত্র গোলাবারুদ মজুদ করছে। সবচেয়ে বেশি অস্ত্র গোলাবারুদ মজুদ করা হয়েছে রাজশাহী ও বগুড়ায়। র্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছে শিবিরের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, খুলনার শিবির নেতা ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভাই মিয়া মুজাহিদ, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আতাউরের ভাতিজা শিবির ক্যাডার আব্দুলস্নাহ আল মাসুম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের ক্যাডার আবদুলস্নাহ ওমর ওরফে নাসির ওরফে শাহাদত হোসেন। এদের মধ্যে মিয়া মুজাহিদকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য তিনজন পুলিশ ও র্যাবের হেফাজতে আছে।
পুলিশ ও র্যাব দাবি করেছে, গ্রেফতারকৃতরা তাদের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে সারাদেশে অস্ত্র গোলাবারুদ মজুদ করতে অর্থায়ন করেন শিবির নেতা গোলাম মর্তুজা। অন্যদিকে মিয়া মুজাহিদ একটি অংশের অস্ত্র সংগ্রহ করছিলেন। অন্যদিকে জামায়াত নেতা আতাউর রহমানের ভাতিজা আব্দুলস্নাহ আল মামুন গত ১০ জুলাই শাহাদতকে একটি পিসৱল দিয়ে ভ্রদ্রা মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছিলেন। সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া আসার পর সেই পিসৱল শাহাদত হোসেন তার হাতে দিয়ে দেয়।
শাহাদত পুলিশকে বলেছে, ছাত্র না হওয়ায় তাকে শিবিরের সদস্য করা হয়নি। শিবিরের ক্যাডার হিসেবেই এতদিন কাজ করে আসছিলেন। গ্রেফতার হওয়ার কিছুদিন সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া তাকে বলেছিল বড় ধরণের প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত হতে হবে। গ্রেফতারকৃত মাসুম পুলিশকে বলেছে, বড় ধরণের নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালাতে হবে বলে তাকেও শিবিরের কেন্দ্রিয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছিল।
(আমাদের সময়)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



